ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভাণ্ডারিয়ায় ৫ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ ফেল


ভাণ্ডারিয়ায় ৫ মাদ্রাসায় দাখিলে শতভাগ ফেল

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে একটি বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

উপজেলার পাঁচটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। পুরো উপজেলায় দাখিল পরীক্ষার পাসের হার মাত্র ৩৪ দশমিক ৪১ শতাংশে নেমে এসেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ভাণ্ডারিয়ার ৩৬টি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৭০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে কেবল ২৬৫ জন পাস করেছে, আর ৫০৫ জন ফেল করেছে। এছাড়া, জিপিএ-৫ পেয়ে এসেছে মাত্র ৫ জন পরীক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: কাউনিয়া থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, টার্গেটে মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং

শতভাগ ফেল করা পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো রাজপাশা বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, পশারিবুনিয়া নূর মোহাম্মদ কারিগরি দাখিল মাদ্রাসা, জামেই উম্মুল কোরআন ঈদগাহ দাখিল মাদ্রাসা, দারুল মুহাম্মদ আদর্শ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা এবং চরখালী দাখিল মাদ্রাসা। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে যথাক্রমে ৮, ১৭, ১১, ১০ ও ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল, কিন্তু একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

এ ছাড়া, উপজেলার কয়েকটি মাদ্রাসার ফলাফলও অত্যন্ত নিম্নমুখী। নয়াখালী মাটিভাংগা আলিম মাদ্রাসায় ১৭ জনের মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছে, যার পাসের হার ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর আতরখালী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় ১২ জনের মধ্যে একজন পাস করেছে, যার পাসের হার ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আলগাজ্জালি ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ৫৭ জনের মধ্যে ১০ জন পাস করেছে, যার পাসের হার ১৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ভান্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদ্রাসায় ৫০ জনের মধ্যে ১৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ২৮ শতাংশ। সিংহ খালি দাখিল মাদ্রাসায় ১৮ জনের মধ্যে দুই জন পাস করেছে, পাসের হার ১১ দশমিক ১১ শতাংশ। পূর্ব মাটি ভাঙ্গা মোন্তাজিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৪ জনের মধ্যে দুই জন পাস করেছে, পাসের হার ১৮ দশমিক ২৮ শতাংশ।

একটি উপজেলায় দাখিল পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার ৩৪ শতাংশের বেশি এবং একাধিক প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীও পাস না করায় স্থানীয় সুশীল সমাজের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান এই বলেন, ভান্ডারিয়া উপজেলায় এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল না। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে একজনও পাস করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে শোকজ করা হবে। একই সঙ্গে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ে ৯০ কোটি মানুষের বসবাসের অঞ্চলে রেকর্ড তাপমাত্রা, এএফপির বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


জুলাইয়ে ৯০ কোটি মানুষের বসবাসের অঞ্চলে রেকর্ড তাপমাত্রা, এএফপির বিশ্লেষণ

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : ২০২৬ সালে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৯০ কোটি মানুষ ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই মাস অতিবাহিত করেছেন। এসব অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে সাহেল, মধ্য আমেরিকা, ফ্রান্স ও স্পেন।

কোপার্নিকাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

কোপার্নিকাসের ইআরএ৫ জলবায়ু মডেলের কোটি কোটি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে ৩৩টি দেশে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল এ বছর।

ফ্রান্স ও স্পেনের মতো পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা কয়েকটি দেশের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থাও স্বাধীনভাবে রেকর্ড তাপমাত্রার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে মেতেও-ফ্রান্স এবং স্পেনের আবহাওয়া সংস্থা এইমেটের বিশ্লেষণ রয়েছে।

তবে অনেক নিম্নআয়ের দেশ বিস্তারিত জলবায়ু তথ্য প্রকাশ করে না।

এ কারণে এএফপি ইউরোপীয় কোপার্নিকাস কর্মসূচির তথ্য স্বাধীনভাবে বিশ্লেষণ করে বৈশ্বিক পরিস্থিতির একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরেছে।

এ তথ্যভাণ্ডারে বিভিন্ন দেশের পরিচালিত উপগ্রহের পর্যবেক্ষণ, স্থল, সমুদ্র ও আকাশে থাকা আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য এবং জলবায়ু মডেল একত্র করা হয়েছে। এতে ১৯৭০ সাল থেকে প্রতি ঘণ্টার বৈশ্বিক তথ্য পাওয়া যায়।

গড়ের চেয়ে বেশি উষ্ণ সাহেল।

প্রভাবিত এলাকাগুলোতে বসবাসকারী প্রায় ৯০ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি আফ্রিকায় বসবাস করেন। তাদের বেশিরভাগই সাহেল অঞ্চলের বাসিন্দা।

এ অঞ্চলের ১০টি দেশে জুলাই মাসের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। এর মধ্যে পশ্চিমের মৌরিতানিয়া, নাইজার ও বুরকিনা ফাসো এবং পূর্বের সুদান, কেনিয়া ও ইথিওপিয়া রয়েছে।

নিরক্ষরেখার কাছাকাছি দেশগুলোতে তাপমাত্রার ওঠানামা ও অস্বাভাবিকতা সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুর দেশগুলোর তুলনায় কম হয়ে থাকে।

তারপরও চাদ ও সুদানের মতো দেশগুলোতে জুলাইয়ের তাপমাত্রা ১৯৮১-২০১০ সালের গড়ের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি ছিল।

ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন (ডব্লিউডব্লিউএ) নেটওয়ার্কের বিজ্ঞানীরা জানুয়ারিতে সতর্ক করে বলেছেন, ২০১৫ সালের পর থেকে চরম তাপপ্রবাহের ঘটনা প্রায় ১০ গুণ বেশি সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে। মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।

সাহেলভুক্ত দেশগুলো তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে এসব দেশের বহু রাষ্ট্র সশস্ত্র সংঘাত, খাদ্যসংকট ও ব্যাপক দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়ছে।

এল নিনো ও খাদ্যসংকট।

প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতি জুনে শুরু হয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মধ্য আমেরিকা ও উত্তর দক্ষিণ আমেরিকাজুড়ে নজিরবিহীন তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এই পরিস্থিতি।

মেক্সিকো থেকে উত্তর ব্রাজিল পর্যন্ত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে গুয়ানা উচ্চভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় প্রায় ১১ কোটি মানুষ জুলাইয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মুখোমুখি হয়েছেন।

‘ড্রাই করিডোর’ নামে পরিচিত অঞ্চলের এল সালভাদর, নিকারাগুয়া ও হন্ডুরাসে জুন ও জুলাই—উভয় মাসেই মাসিক তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। এতে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) গত সপ্তাহে জানিয়েছে, খাদ্যসংকটের তুলনামূলক বৃদ্ধির দিক থেকে মধ্য আমেরিকাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হতে পারে।

ক্যারিবীয় অঞ্চলসহ সংস্থাটি ধারণা করছে, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ আরও ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন।

পুড়ছে ইউরোপ।

ইউরোপের প্রায় ১২ কোটি মানুষ এমন অঞ্চলে বসবাস করেন, যেখানে ২০২৬ সালের জুলাই ছিল রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে সবচেয়ে উষ্ণ জুলাই।

এ রেকর্ড মূলত দক্ষিণ ব্রিটেনের, পশ্চিম ফ্রান্স এবং উত্তর ও পূর্ব স্পেনে হয়েছে।

ফ্রান্সে গড় তাপমাত্রা ১৯৯১-২০২০ সালের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। আর ১৯৯১-২০২০ সালের এই সময়কালও ১৮৫০-১৯০০ সালের প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উষ্ণ।

ফ্রান্স ও স্পেনে খরার রেকর্ড মাত্রাও দেখা গেছে। এতে ভয়াবহ দাবানল আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

জুলাইয়ের শেষ দিকে ফ্রান্সের জিরন্দ বিভাগে ভয়াবহ দাবানলে প্রায় ৪২ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়। এ সময় ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

একই সময়ে মাদ্রিদের কাছে আভিলা প্রদেশে স্পেনের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দাবানলে প্রায় ৪৪ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়।

এ ছাড়া অপেক্ষাকৃত ছোট ও বিচ্ছিন্ন আরও কিছু অঞ্চলে জুলাইয়ে নজিরবিহীন তাপমাত্রা দেখা গেছে। এসব অঞ্চলে সম্মিলিতভাবে ২৫ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করেন। এর মধ্যে রয়েছে চীনের সিচুয়ান প্রদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং ও কলোরাডো অঙ্গরাজ্য এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বনাথে ৫০ প্রতিষ্ঠানের ৩৫টিতেই মেলেনি জিপিএ-৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


বিশ্বনাথে ৫০ প্রতিষ্ঠানের ৩৫টিতেই মেলেনি জিপিএ-৫

 

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এবারের পরীক্ষায় ৭০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ গ্রেডের কোনো ফলাফল আসেনি। এ উপজেলায় ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ (এ প্লাস) অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যে রয়েছে ২২টি স্কুল এবং ১৩টি মাদরাসা। মাত্র ১৫টি প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ এসেছে। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে এই ফলাফলে হতাশা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার ৫০টি স্কুল ও মাদরাসা থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, কেন ৩৫টি স্কুল-মাদরাসার কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারলো না। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি এবং এই ফলাফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা চলছে।

অভিভাবকদের অনেকেই বলেছেন, একটি উপজেলার ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটিতেও জিপিএ-৫ না পাওয়া স্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। এর পেছনে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি পাঠদানের মান, একাডেমিক তদারকি এবং বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

তবে কেউ কেউ আবার বলছেন, জিপিএ-৫ না পাওয়াই কোনো প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক শিক্ষার মানের একমাত্র মাপকাঠি নয়। কিন্তু এতো বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন না করার বিষয়টি ভাবার যোগ্য।

এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার আবদুল হামিদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, বিশ্বনাথ উপজেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটের কারণে এই অবস্থা। তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ নির্বাচনী পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদেরও বোর্ড পরীক্ষায় সুযোগ দেন। এই বিষয়টিও ফলাফলকে প্রভাবিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংককে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড, বার মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করবে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


ব্যাংককে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড, বার মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করবে পুলিশ

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : ব্যাংককের একটি বারে গত মাসের অগ্নিকাণ্ডের মর্মান্তিক ঘটনায় ৩৭ জনের প্রাণহানির জন্য বারটির মালিকের বিরুদ্ধে থাই পুলিশ অবহেলার সঙ্গে ছয়টি অভিযোগে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন। জনপ্রিয় রং বিয়ার না লাদ ফ্রাও রেস্তোরাঁ ও বারের মালিক সুবিচা সালাইবাত্র ১২ জুলাই সন্ধ্যায় তার প্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া আগুন লাগার ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কয়েক ডজন মানুষের মধ্যে একজন ছিলেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি ব্যাংকক থেকে এ খবরটি জানাচ্ছে। প্রধান তদন্তকারী ইসারা না পাত্থালুং এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘অবহেলার কারণে মৃত্যু, গুরুতর আহত হওয়া, ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ড ঘটানো, অপরাধমূলক দুষ্কর্ম এবং লাইসেন্স ছাড়া বিনোদনকেন্দ্র পরিচালনাসহ’ ছয়টি অভিযোগে গত সপ্তাহে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ইসারা মন্তব্য করেছেন, ‘তিনি নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট থেকে বের হয়ে গেছেন। তবে চিকিৎসক এখনও পুলিশকে তার অভিযোগগুলো পড়ার অনুমতি দেননি।’

তিনি এও বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুলিশ তাকে একমাত্র সন্দেহভাজন হিসেবে অভিযুক্ত করবে বলে আশা করছে। যদি অবহেলার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন, তবে বারটির মালিককে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

পুলিশ জানায়, আগুনের ঘটনায় মৃতদের অধিকাংশই শ্বাসের সঙ্গে ধোঁয়া গ্রহণ করায় মারা গেছেন। আগুন ছাদের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগতে শুরু করেছিল। থাইল্যান্ডে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিধিমালা বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে, বিশেষ করে বার ও নাইটক্লাবগুলোর ক্ষেত্রে এ উদ্বেগের মাত্রা বেশি। ২০০৯ সালে নববর্ষ উদযাপনের সময় ব্যাংককের সান্তিকা ক্লাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, যাতে ৬৭ জন মারা যান এবং ২ শতাধিক আহত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনী তফসিল ৩০ আগস্টের মধ্যে ঘোষণা: শ্রমমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনী তফসিল ৩০ আগস্টের মধ্যে ঘোষণা: শ্রমমন্ত্রী

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা বলা হচ্ছে। এ আশাবাদ প্রকাশ করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

আজ (সোমবার) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশ চা এসোসিয়েশনের (বাংলাদেশ টি এসোসিয়েশন) একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বৈঠকের সময়ে চা শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন এবং চা শ্রমিকদের কল্যাণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। চা শ্রমিকদের ন্যায়সঙ্গত দাবিদাওয়া নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন আরিফুল হক চৌধুরী।

বৈঠকে চা শিল্পের উৎপাদন বৃদ্ধি, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিপরীতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

বাংলাদেশ চা এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা চা খাতের সার্বিক অগ্রগতিতে সরকারের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার জন্য মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, বাংলাদেশ চা এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান কামরান তানভিরুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ড. কাজি মুজাফার আহমেদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%