পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মোঃ মিজানুর রহমান
১১:৩৪ পি.এম
পটুয়াখালীর দুমকীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ র্যালি ও শোডাউনে অংশগ্রহণ করেন পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ কামরুল ইসলাম মুন্না এবং ইউনিয়ন যুবদলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে র্যালিতে যোগ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, দেশটির ডানপন্থী রাজনৈতিক দল ‘ইসরাইল ফার্স্ট’-এর নেতা শারেন হাস্কেল আরবদের সম্পূর্ণভাবে বাদ দিয়ে নতুন সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইসরাইলের ফিলিস্তিনি সংখ্যালঘু নাগরিকদের ভোটকেন্দ্রে ব্যাপকভাবে ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য চরম ডানপন্থী নেতাদের দায়ী করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) পোস্টে সাবেক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাস্কেল, অতি-ডানপন্থী নেতা বেন-গ্যভির ও সমোত্রিচকে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, "তাদের কর্মকাণ্ডের কারণেই ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিকরা ‘জায়োনবাদ-বিরোধী দলগুলোকে’ বিপুল সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন।" এই পরিস্থিতির সমাধান হিসেবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী ইহুদি দলগুলোকে একত্রিত করে একটি ‘বৃহৎ জাতীয় সরকার’ গঠনের প্রস্তাব দেন, যেখানে কোনো আরব প্রতিনিধি বা তাদের সমর্থিত রাজনৈতিক দল থাকবে না।
গত জুলাইয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে অতি-অর্থোডক্স ইহুদিদের যোগদানের বাধ্যবাধকতা স্থগিত সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনের প্রতিবাদে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার পর হাস্কেল ‘ইসরাইল ফার্স্ট’ দলটি গঠন করেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই দলটি আরব ও অতি-অর্থোডক্স ইহুদি—উভয় পক্ষকে বাদ দিয়ে একটি স্বতন্ত্র ও ঐক্যবদ্ধ জায়নবাদী সরকার গঠনের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে আসছে।
পার্লামেন্টারি আসন জয়ের জন্য ন্যূনতম ৩.২৫ শতাংশ ভোটের যে থ্রেশহোল্ড বা শর্ত রয়েছে, তার দল জনমত জরিপে এর নিচে থাকলেও হাস্কেল তার রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে দৃঢ় রয়েছেন। তিনি জানান, যে নীতির জন্য তিনি লড়াই চালিয়েছেন, তার জন্য তিনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আরও বেশি গর্বিত।
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুগান্তরে খবর প্রকাশের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা দুর্নীতির তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।
২৬ অক্টোবর তারিখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাবিনা ইয়াসমিনের স্বাক্ষরিত চিঠিটি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। জানা গেছে, চিঠিটি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দপ্তরে পৌঁছেছে।
চিঠির সঙ্গে যুগান্তরে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত পত্রিকা কাটিং সংযুক্ত করা হয়েছে। ২৬ অক্টোবর প্রেরিত চিঠিতে উপসচিব সাবিনা ইয়াসমিন উল্লেখ করেছেন যে, বিদ্যালয় পরিবর্তনের নামে ‘টিসি ফি’ এবং অফিস খরচের নামে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অনিয়মের সঙ্গে বোর্ডের স্কুল শাখার পরিদর্শক অধ্যাপক আমিনুল হক, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রেজাউল করিম চৌধুরী, বিদ্যালয় রেজিস্ট্রেশন শাখার সেকশন অফিসার মেজবাহুল ইসলাম বকুল এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী শহীদুল ইসলাম শহীদ জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এমতাবস্থায়, বর্ণিত বিষয়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াস আহমেদ চিঠি প্রাপ্তি স্বীকার করে এই প্রতিবেদকের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘এগুলো নিয়ে আপনাদের এত উৎসাহ কেন? এ নিয়ে খোঁজ নিতে হবে কেন? তদন্ত কমিটি গঠন করেছি কিনা এটা বোর্ডের বিষয়। দুর্নীতি কি শুধু আমরাই করি! আর কেউ করেন না!’ এরপর তিনি মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে তার মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলে তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ‘দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড/ সোনালী সেবায় সিন্ডিকেট কোটি টাকা লোপাট’ শীর্ষক খবর যুগান্তরে প্রকাশিত হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষার্থী জেএসসি (অষ্টম শ্রেণিতে) স্কুল পরিবর্তনের (টিসি) জন্য আবেদন করেছেন। প্রতিটি শিশুর স্কুল পরিবর্তন ফি (সেবামূল্য) বাবদ ‘সোনালী সেবা’ নামে ১ হাজার টাকার ব্যাংক ড্রাফট নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কিন্তু দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সচিবের অনুকূলে ‘সোনালী সেবা’ খাতে ওই টাকা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করে নগদ টাকা নেওয়া হয়। এভাবে সাড়ে চার হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৭শ জনের ‘সোনালী সেবার’ নামে নগদ টাকা বোর্ডের ব্যাংক হিসাব খাতে জমা করা হয়। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অবশিষ্ট ৩ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীর নগদ দেওয়া টাকা বোর্ডের তহবিলে জমা না করে স্কুল পরিবর্তন বা টিসির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
ফলে, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড নির্ধারিত ফি ৩ হাজার ৮০০ জনের (যাদের ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়নি) তাদের বোর্ড ফির নামে ৩৮ লাখ টাকা এবং অফিস খরচের নামে অতিরিক্ত ৬৪ লাখ ৬০ হাজার টাকাসহ মোট প্রায় ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
সার্ভারের কোড পরিবর্তনের মাধ্যমে বিশেষ কায়দায় ওই দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। এই পরিমাণ টাকা নগদ গ্রহণ করা হলেও শিক্ষার্থীদের নামে কোনো ব্যাংক রসিদ প্রদান করা হয়নি।
এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর, প্রথমে ১৩ অক্টোবর দুদক সমন্বিত দিনাজপুর জেলা কার্যালয় এ অনুসন্ধান শুরু করে। দুদকের অনুসন্ধান দল এই অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের স্কুল শাখার পরিদর্শক অধ্যাপক আমিনুল হক, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রেজাউল করিম চৌধুরী, বিদ্যালয় রেজিস্ট্রেশন শাখার সেকশন অফিসার মেজবাহুল ইসলাম বকুল এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী শহিদুল ইসলাম শহীদের সমন্বয়ে গঠিত ওই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদক সমন্বিত দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আতাউর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় টাস্কফোর্সের একটি অভিযানে ২৪৫ কেজি ওজনের একটি কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার করা হয়েছে এবং মোস্তাফা আলী (৩৪) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। শিবলিঙ্গটি তার বাড়ির একটি ঘরের মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা ছিল।
বুধবার দুপুর দেড়টায় নওগাঁ সদর উপজেলার চক-রাজবল্লভ এলাকা থেকে মোস্তাফা আলীকে আটক করা হয়। তিনি ওই গ্রামের গহির উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে।
সন্ধ্যা ৭টায় নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) থেকে মিডিয়া সেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায়, সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত অ্যাডজুটেন্ট) মো. দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল এবং সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স দল সদর উপজেলার চক-রাজবল্লভ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় মোস্তাফা আলীর বাড়িতে গিয়ে তার বাড়ির একটি ঘরের মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গটি উদ্ধার করা হয়। শিবলিঙ্গটির ওজন প্রায় ২৪৫ কেজি। উদ্ধার হওয়া শিবলিঙ্গসহ আসামি মোস্তাফা আলীকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নওগাঁ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় এবং নওগাঁ ব্যাটালিয়নের প্রশাসনিক দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবৈধ চোরাচালান এবং মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবি সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘সান্ধ্য আইন’ নামে কোনো নিয়ম চালু করার বিষয়ে প্রশাসন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানিয়েছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, এটি একটি গুজব।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য মন্তব্য করেন, “সান্ধ্য আইন চালু হওয়া বা হতে যাওয়ার বিষয়ে যে প্রচারণা চলছে, তা প্রশাসন অনুমোদন করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি স্পষ্ট করে বলছি- এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ বা চিন্তা করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা এসব গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তি ও প্রমাণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে কোনো বিষয়ে সংশয় বা প্রশ্ন দেখা দিলে তা সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি কিংবা হলের প্রভোস্টের মাধ্যমে প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি। প্রশাসন এসব বিষয় গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে সমাধান করবে বলে আশ্বাস দেন।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আতিকুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ