দিলশান আরা অনিমা, স্টাফ রিপোর্টার
সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৪ এম
সাভার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তুহিন ও আমিনবাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আকাশসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে দিবাগত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোররাত পর্যন্ত সাভারের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন-সাভার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের লালটেক এলাকার শেখ জালালের ছেলে শেখ তুহিন (৩২), আমিনবাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার কামুরা এলাকার মহিউদ্দিন এর ছেলে মোঃ আকাশ (৩৯), রাজধানীর মিরপুর থানার দক্ষিণ পাইকপাড়া এলাকার বাবুল খানের ছেলে রাজু খান (৩৯), ঝালকাঠি জেলার সদর থানার নইআড়ি এলাকার আসমত আলী খানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫০), সাভার পৌরসভার ডগরমোড়া এলাকার শফি মোল্লার ছেলে রুহুল আমিন রাজিব (৩৮), গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার বেড়াগ্রাম এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো: আরিফুল ইসলাম (২৪), মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার চরচন্দ্রা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩৬) এবং মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানার শিবালী পাড়া এলাকার আজাদ মোল্লার ছেলে মুরাদ হোসেন (৪৫)।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা প্রত্যেকেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। তারা সাভার এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে ঝটিকা মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নাশকতা ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের কাছে এ সংক্রান্তে গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ধরনের কর্মকাণ্ড, ঝটিকা মিছিল কিংবা নাশকতার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা বরদাশত করা হবে না। সাভারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালাচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের কাছে আরো কিছু ব্যক্তির তথ্য পাওয়া গেছে, তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী, শুধুমাত্র কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিবর্তন করা হয়নি, বরং অবসরভোগীদের পেনশনের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। কম পেনশন পাওয়া অবসরভোগীদের জন্য পেনশনের বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে বেশি রাখা হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় পেনশনযোগ্য চাকরিকাল পাঁচ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বিবেচিত হবে। পেনশনের হার নির্ধারণের জন্য সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করা হবে।
যদি চাকরি পাঁচ বছর হয়, তাহলে পেনশনের হার হবে মূল বেতনের ২১ শতাংশ। এরপর চাকরিকালের সাথে সাথে পেনশনের হার বৃদ্ধি পাবে। ১০ বছর চাকরির ক্ষেত্রে হার হবে ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ। এছাড়া ২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ ও ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ পেনশন প্রদান করা হবে। ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ রবিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই প্রজ্ঞাপনে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন এবং অবসরকালীন সুবিধার নতুন হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনে ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার ১ থেকে ২০ হাজার টাকায় ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার টাকায় ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ থেকে ৪০ হাজার টাকায় ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধির বিধান রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ নিট পেনশন ৭০ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, যাদের পেনশন কম, তাদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার বেশি হবে। অন্যদিকে, যারা বেশি পেনশন পান, তাদের ক্ষেত্রে শতাংশের হার কম হলেও নির্ধারিত সীমার মধ্যে তাদের নিট পেনশন বৃদ্ধি পাবে।
অর্থ বিভাগের ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এ অবসরভোগীদের জন্য এই বিধানগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আদেশটি ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। নতুন কাঠামোয় ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পাওয়া নিট পেনশনকে ভিত্তি ধরে বৃদ্ধির হিসাব করা হবে। এই হিসাব অনুযায়ী, ৯ হাজার টাকা নিট পেনশন পাওয়া কেউ নতুন কাঠামোয় ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। আবার ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া অবসরভোগীদের জন্য সর্বোচ্চ সীমা ৭০ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে যাদের নিট পেনশন এই সীমার বেশি, তাদের বিদ্যমান নিট পেনশন ১ জুলাই ২০২৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কেরালায় প্রবল বৃষ্টিপাত এবং উজানের পাহাড়ি অঞ্চলে বৃষ্টির ফলে হড়পা বান ও ভূমিধসে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়া, আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছে। মালাপ্পুরম, ইদুক্কি ও কোট্টায়াম জেলায় এসব দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মালাপ্পুরমের নীলাম্বুরের নিকটবর্তী কোট্টাপুঝা নদীতে আকস্মিকভাবে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। প্রবল স্রোতের কারণে নদীতে অবস্থানরত কয়েকজন ভেসে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা একজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে উদ্ধারকারী দল কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, ওই এলাকায় বৃষ্টি না হলেও উজানের বনাঞ্চলে ভারি বৃষ্টির কারণে নদীর পানি কয়েক মিনিটের মধ্যে বেড়ে গিয়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করেছে।
ইদুক্কির ভাট্টাভাদার কোট্টাকম্বুরে ভূমিধসে একই পরিবারের দুই সদস্য, বালাকৃষ্ণন ও চিন্নুর, নিহত হয়েছেন। বৃষ্টির সময় কৃষিজমির একটি ছাউনিতে আশ্রয় নেওয়ার পর পাহাড়ের মাটি ধসে ছাউনিটির ওপর পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে একজন নারীও আহত হন।
কোট্টায়ামের টিকয় এলাকার ভেলাথুস্সেরিতেও ভূমিধসে তামিলনাড়ুর সঙ্গীতা অরুল লাল (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। বন্ধুর সঙ্গে ভ্যাগামন থেকে ফেরার পথে ভূমিধসের মাটি ও পাথরের আঘাতে তিনি আটকা পড়েন। তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তি আহত হন।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রশাসনকে প্রতি ঘণ্টায় পরিস্থিতি পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইদুক্কি ও কোট্টায়ামের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ বৈঠক করেছে। ওই দুই জেলায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নীলাম্বুরের আমরাম্বালাম এলাকায় বিশেষ দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর একটি দল পাঠানো হয়েছে।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, কেরালায় আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ি এলাকা, নদী ও জলাশয়ের নিকট সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের আশঙ্কা, উজানের পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টিপাত হলে নিচের দিকে থাকা নদীগুলোতে আকস্মিক পানির চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে স্থানীয়ভাবে বৃষ্টি না হলেও হড়পা বানের ঝুঁকি বিদ্যমান রয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে সোমবার সকাল থেকে তল্লাশি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের চারজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন পদে পদায়ন ও বদলি করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের (পুলিশ-১ শাখা) একটি প্রজ্ঞাপনে এই রদবদল ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব পদায়নের নির্দেশনা জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনের উল্লেখ অনুযায়ী, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদারকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
একইভাবে, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানকে বদলি করে ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার পদে পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশ অধিদপ্তরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. জামিরুল ইসলামকে বাগেরহাটের নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারকে চুয়াডাঙ্গার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল-আহসা গভর্নরেটে দুটি গাড়ির সংঘর্ষের কারণে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সাত সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সৌদি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহত সাতজন একই গাড়িতে ছিলেন। তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী, তিন ছেলে এবং দুই মেয়ে রয়েছে। অন্য গাড়িতে থাকা দুই তরুণও এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
পূর্বাঞ্চলীয় ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি গাড়ি হঠাৎ দিক পরিবর্তন করায় দুটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সিভিল ডিফেন্স এবং সৌদি রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। তারা গাড়ির ভেতরে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করেন।
এই দুর্ঘটনা আল-আহসা ও পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকার মধ্যে সংযোগকারী আল-উকাইর-আল-উয়ুন সড়কে ঘটেছে।
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমানোর জন্য কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ২০২৫ সালের ট্রাফিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৬০ শতাংশের বেশি কমেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রাখা ২৯ দশমিক ২ শতাংশ এবং হঠাৎ দিক পরিবর্তন ২৭ দশমিক ৯ শতাংশ।
সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, ট্রাফিক নজরদারি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং দ্রুত জরুরি সেবার ব্যবস্থা দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে বলে জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ।
তবে আল-আহসার এই দুর্ঘটনা দেশের সড়কে এখনও বিদ্যমান ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এনেছে। নিহতদের পরিচয় এবং গাড়িটি কেন হঠাৎ দিক পরিবর্তন করেছিল, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ