১০:২০ এম
পাবনার ঈশ্বরদীতে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে দুই ব্যবসায়ীর বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও জোরপূর্বক উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে তাদের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, এ ঘটনায় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও গরু লুটসহ প্রায় ২২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বসতভিটা হারিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন দুই পরিবার। তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দাবি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল কাঁঠালতলা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। একই দিন রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ তুলে ধরে ন্যায়বিচার দাবি করেন।
আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান
ভুক্তভোগী পরিবারে ব্যবসায়ী জামিরুল ইসলাম শান্ত ও তার ভাই শিহাব উদ্দিন রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, একই এলাকার খোকন হোসেন, রবি হোসেন, মতিয়ার রহমান, আবুল খায়ের, সিরাজুল ইসলামসহ আরো কয়েকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনার পর রাতেই প্রধান অভিযুক্ত খোকন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ঈশ্বরদী থানার পুলিশ।
জামিরুলের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে আদালতের কোনো আদেশ ছাড়াই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় বাড়িঘর ভাঙচুর করে তাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর ঈশ্বরদী থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর প্রতিকার পাননি। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন বলেন, বিরোধপূর্ণ জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অতীতে তাদের বাপ-দাদার ভিটা জবরদখল করা হয়েছিল। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও প্রতিপক্ষ তা মানেনি।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান অভিযুক্ত খোকন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন