ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘কোয়ালিটি গ্র্যাজুয়েট’ গড়তে সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই: বাকৃবি উপাচার্য


‘কোয়ালিটি গ্র্যাজুয়েট’ গড়তে সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই: বাকৃবি উপাচার্য

বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে দক্ষ, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও আন্তর্জাতিক মানের ‘কোয়ালিটি গ্রাজুয়েট’ গড়ে তুলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের কোনো বিকল্প নেই।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) 'এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ ফর প্রোডিউসিং কোয়ালিটি গ্র্যাজুয়েটস' শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

রবিবার (১৯ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সম্মেলন কক্ষে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে সেমিনারটি আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: এবার বিআরটি ভাঙতে ব্যয় হবে ৪৫ কোটি টাকা

এসময় বাকৃবি উপাচার্য আরও জানান, সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মন-মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায় এবং এটি তাদের পরবর্তী জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, শিক্ষার্থীদের আরও দক্ষ ও যোগ্য করে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে।

জানা যায়, বাকৃবির বিভিন্ন সক্রিয় ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের অংশগ্রহণে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের দক্ষ, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও মানসম্মত গ্রাজুয়েট হিসেবে গড়ে তুলতে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

আইকিউএসি'র পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার সভাপতিত্ব করেন এবং সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মুরাদ আহমেদ ফারুক সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন। মূল অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এবং কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান।

মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান। এছাড়া আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ফারুক, বাকৃবি ডিবেটিং সংঘের সভাপতি অধ্যাপক ড. আহমদ খায়রুল হাসান এবং সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। সেমিনারের শেষে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যদের অংশগ্রহণে মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: স্পিকার: আওয়ামী লীগের নেতারা মদ খায়, কর্মীরাও খায়, সব বাটপারের কারখানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানি হামলা প্রতিহত করছে কুয়েত ও বাহরাইনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


ইরানি হামলা প্রতিহত করছে কুয়েত ও বাহরাইনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

কুয়েত ও বাহরাইন ইরানের আকাশপথে চালানো হামলা প্রতিহত করছে। রোববার তেহরান অঞ্চলজুড়ে পাল্টা হামলা জোরদার করায়, উভয় দেশে বিমান হামলার সতর্ক সংকেত বেজে ওঠে।

কুয়েতের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের হামলার পর কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করছে। কুয়েত সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। এএফপি’র এক সাংবাদিক জানায়, কুয়েত সিটিতে এ সময় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজতে শোনা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি থাকা দ্বীপরাষ্ট্র বাহরাইনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানি আকাশ হামলার বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। এএফপির এক সাংবাদিক জানান, রাজধানী মানামাজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠার পর, বাহরাইনের উত্তরাঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

রোববার ভোরে ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, ইরানের ভূখ-ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে কুয়েতে অবস্থিত দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরান জানায়, তারা ‘কুয়েতের ক্যাম্প উদাইরিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ গুদাম এবং আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির প্যাট্রিয়ট রাডার ও আকাশ নজরদারি রাডারের বিরুদ্ধে আত্মঘাতী ড্রোনের মাধ্যমে ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে।

কুয়েত ও বাহরাইন উভয় দেশেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা রয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং সমঝোতা স্মারক থাকা সত্ত্বেও, চলতি মাসে আবার সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ইরানের হামলার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে এ দুই দেশে।

শনিবার কুয়েত জানায়, ইরান একটি বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ কেন্দ্র এবং একটি তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন একজন। এই সময়ের মধ্যে এইডিস মশাবাহিত এই রোগ নিয়ে ২৪২ জন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার (১৯ জুলাই) জানিয়েছে, চলতি বছর ১০ হাজার ১২ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এইডিস মশাবাহিত এ রোগে চলতি বছরের মধ্যে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র জুলাই মাসেই ১৫ জন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোববার প্রকাশিত বুলেটিন অনুসারে, শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে রোববার (১৯ জুলাই) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪২ জন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৭৭ জন। দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হন ৩৫ জন। দুই সিটি করপোরেশনের বাইরেও ২১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

দেশের বিভাগগুলোর মধ্যে বরিশালে ১০ জন, চট্টগ্রামে ৩৮ জন, খুলনায় ৪০ জন এবং ময়মনসিংহে ২১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ২৪১ জন রোগী হাসপাতাল ছেড়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুসারে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে দেশে ১০ হাজার ১২ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৬৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য সংগ্রহ করছে। ২০২৩ সালে এই রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ওই বছর ১ হাজার ৭০৫ জন মারা যান।

গত বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল চার শতাধিক মানুষের। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজারের কাছাকাছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাজিদ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও বিচারের দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


সাজিদ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও বিচারের দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কুরআন অ‍্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আবদুল্লাহ হত্যা রহস্য উদঘাটন, দোষীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ এবং তদন্তে দীর্ঘসূত্রতার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় নিহতের পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিও তারা তুলেছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নিহতের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহ, বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাসিরুদ্দিন মিঝি, শিক্ষক অধ্যাপক ড. খান মুহাম্মাদ ইলিয়াস, শাখা শিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী, শাখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইট, শাখা জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার সভাপতি এস এম শামীমসহ বিভাগের প্রায় দুশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তাদের মুখে শোনা যায় ‘সাজিদ হত্যার তদন্ত আর নয় বিলম্ব’, ‘বিচার, বিচার, বিচার চাই, সাজিদ হত্যার বিচার চাই’, ‘তদন্ত নিয়ে তালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘সাজিদ হত্যার তদন্ত, করতে হবে করতে হবে’, ‘আমার ভাই মরলো কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সাজিদ ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে?’, ‘খুনি ধর, জেলে ভর’, ‘খুনিদের ফাঁসি দাও, রশি লাগলে রশি নাও’, ‘সাজিদ ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’, ‘Justice, Justice, We want Justice’ ইত্যাদি স্লোগান।

মানববন্ধনে বক্তারা ব্যক্ত করেছেন যে, পূর্ববর্তী প্রশাসন সাজিদ আবদুল্লাহ হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় যে ব্যর্থতা দেখিয়েছে, তা দুঃখজনক। দীর্ঘ এক বছর অতিবাহিত হলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দিতে হবে বলেও দাবি জানান বক্তারা। একইসঙ্গে সাজিদ আবদুল্লাহর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হল বা স্থাপনার নামকরণের পাশাপাশি সাজিদ নিহত হওয়ার পর আর্থিক ক্ষতিপূরণের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেটিও অতি শিগগিরই যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

শাখা শিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী মন্তব্য করেছেন, "শহিদ সাজিদ আবদুল্লাহর নির্মম হত্যাকাণ্ডের এক বছর পার হলেও এখনো রহস্য উন্মোচন হয়নি এবং খুনিদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। প্রশাসনের বিচার প্রক্রিয়ায় ধীরগতি ও টালবাহানা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  দ্রুত রহস্য উন্মোচন, খুনিদের গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। ক্যাম্পাসে ১৭৫ একর এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি।"

নিহত সাজিদ আবদুল্লাহ'র পিতা আহসান হাবিবুল্লাহ বলেছেন, "আমি আমার ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে গেছি। এক বছর পার হওয়ার পরও বিচার না হওয়া কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? আর যাকে আমি হারিয়েছি তাকে তো পাব না। বিচারটাও কি পাবো না? এক বছর লাগবে কেন? এত সময় তো লাগার কথা নয়। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিচার নিশ্চিত করার জন্য আরও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।"

তিনি আরও জানান, "আমি আমার ছেলেকে হারিয়েছি। কিন্তু আর যেন কাউকে এভাবে হারাতে না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে আরও সোচ্চার হতে হবে। এক বছর পরও কেন একজন আসামিও গ্রেপ্তার হলো না, এটা তো দুঃখজনক ব্যাপার। এত ভারাক্রান্ত কথা তো মুখ দিয়ে আসতে চায় না। প্রশাসনকে আহ্বান করছি, শহীদ সাজিদ আবদুল্লাহ হত্যার বিচার করুন। দায়মুক্ত হোন। আইন আছে, আদালত আছে। আল্লাহ তো বিচার চাইবার এই অধিকার আমাকে দিয়েছেন। তাহলে বিচার করতে অসুবিধা কোথায়? এখানে যত দাবি পেশ করা হয়েছে, আমি সবগুলোর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি। আমি ধুঁকে ধুঁকে মরে যাচ্ছি। আর পারছি না। আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন। আন্দোলন চালিয়ে যান। প্রয়োজনে আমি টাঙ্গাইল থেকে আবার আসবো। তবুও আমি এটার বিচার চাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘থাকো টাকা নিয়ে আসি’ বলার পর উধাও মা, রাস্তার মোড়ে ৬ ঘণ্টা ধরে কাঁদছিল দুই বোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


‘থাকো টাকা নিয়ে আসি’ বলার পর উধাও মা, রাস্তার মোড়ে ৬ ঘণ্টা ধরে কাঁদছিল দুই বোন

দিনাজপুরের হিলিতে একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। 'থাকো টাকা নিয়ে আসি' বলে একটি মা তার ছোট সন্তানকে নিয়ে রাস্তার পাশে দুই মেয়েকে রেখে চলে যান। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তিনি আর ফিরে আসেননি। অসহায় দুটি জন শিশু থানা মোড়ে বসে মায়ের জন্য কান্নাকাটি করতে থাকে।

এটি ঘটে রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে বন্দরের চার নম্বর গেটের সামনে থানা মোড়ে।

স্থানীয়রা যখন এই বিষয়টি দেখেন, তখন তারা হাকিমপুর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুদুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে শিশুদুটির বাবা জীবন ঢাকায় থাকেন এবং তিনি মাদকাসক্ত। অভাব-অনটনের সংসারে মা শাহনাজ ছোট সন্তানকে নিয়ে বড় দুই মেয়ে জিমি ও জান্নাতিকে রাস্তার পাশে রেখে যান। যাওয়ার সময় শিশুদুটিকে বলেন, 'থাকো টাকা নিয়ে আসি'।

ওসি আরও জানান, শিশুদুটির বাড়ি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায়। তাদের দাদা-দাদী জীবিত রয়েছেন। পুলিশ পরিবারের খোঁজ বের করে নিরাপদে শিশুদেরকে তাদের কাছে হস্তান্তর করবে। একই সঙ্গে শিশুদের মায়ের সন্ধানেও পুলিশ কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%