ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
৯৭ শতাংশ কাজ শেষে প্রকল্প বাতিল

এবার বিআরটি ভাঙতে ব্যয় হবে ৪৫ কোটি টাকা


এবার বিআরটি ভাঙতে ব্যয় হবে ৪৫ কোটি টাকা

ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। দীর্ঘ ১৪ বছর সময় লেগেছে। এই সময়ে গাজীপুর ও উত্তরার যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর সড়কে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পটির অবকাঠামোর কাজ ৯৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ৩ শতাংশ বাকি থাকতে শেষ পর্যন্ত সরকার প্রকল্পটি বাতিল করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নেওয়া পদে পদে ত্রুটিযুক্ত এই প্রকল্প নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছে। তবে প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল ভালো। গাজীপুরবাসীসহ এই অঞ্চলের ১৬ জেলার মানুষ যানজটবিহীন চলাচল করতে পারবে বলে আশা করা হয়েছিল।

গণপরিবহণে গতি আনার লক্ষ্য নিয়ে বিআরটি প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ঢাকার বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত সড়কের মাঝখানে নির্দিষ্ট লেনে চলবে বিশেষ বাস। এতে যাতায়াতের সময় কমার পাশাপাশি সড়কের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ১৪ বছরেও সেই বাসসেবা চালু করা যায়নি। উল্টো নির্মাণকাজের দীর্ঘসূত্রতায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বেড়েছে যানজট, ভোগান্তি ও পরিবহন ব্যয়।

বিআরটি প্রকল্পের অবকাঠামো সরিয়ে ছয় লেনের মহাসড়কে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য করিডোরে নির্মিত ২৫টি স্টেশন ও লেন বিভাজক অপসারণ করা হবে। এতে ব্যয় হবে অন্তত ৪৫ কোটি টাকা। দুই লেনের দুটি উড়ালপথকে চার পথে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা কোম্পানি ঢাকা বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি বন্ধ করে এর কার্যক্রম সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের আওতায় নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

মন্ত্রিসভার সর্বশেষ অর্থাৎ গত রোববারের বৈঠকে বিআরটি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গত সোমবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ। সওজ অধিদপ্তর এসব অবকাঠামো অপসারণে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। সেই সঙ্গে সড়কটি প্রশ্বস্ত করতে আরো ২৭ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। তবে স্টেশনগুলো ভেঙে যেসব মালামাল পাওয়া যাবে, সেগুলো ৭ কোটি টাকায় বিক্রি করা যাবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। যদিও এগুলো তৈরিতে মোট ৯৯ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল বলে জানা গেছে। এখানে লস হবে ৯২ লাখ টাকা।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, সড়কের মাঝখানে নির্মিত বিআরটি স্টেশন ও লেন বিভাজক সরিয়ে দুই পাশে তিনটি করে মোট ছয় লেন করা হবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় নির্মিত দুটি দুই লেনের উড়ালপথে বিআরটি লেন তুলে দিয়ে চার লেনের মহাসড়ক হিসেবে সেগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। বিআরটি পরিচালনার জন্য গঠিত ঢাকা বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানির কার্যক্রমও গুটিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর দায়িত্ব দেয়া হবে সওজ অধিদপ্তরকে।

সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নের বিষয়ে সওজ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান জানান, সড়ক নিরাপত্তা ও অবকাঠামোসংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী কাজ চলছে।

২ হাজার ৩৯ কোটি টাকায় শুরু হওয়া প্রকল্পটির ব্যয় কয়েক দফা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৬৮ কোটি টাকায়। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৮১১ কোটি টাকা খরচ হলেও মূল উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

সড়ক পরিবহণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রোববারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে চারটি বিকল্প নিয়ে আলোচনা হয়—১. প্রকল্পটি বাতিল করে দেওয়া। ২. অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে বিআরটি বাস কিনে চলাচলের ব্যবস্থা করা। ৩. বিআরটি পথটি যেভাবে আছে সেভাবেই রেখে বিশেষ বাস ও বিদ্যমান বেসরকারি বাস চলতে দেওয়া। ৪. বিআরটি পথটিকে টোলের আওতায় এনে পরিচালনা করা।

শেষে সরকার প্রকল্পটি বাতিল করে সাধারণ মহাসড়ক হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বিদ্যমান স্টেশন, বিআরটি লেন আলাদা করার জন্য নির্মাণ করা বিভাজক ভেঙে ফেলতে হবে। উড়ালপথ ভবিষ্যতে সম্প্রসারণ করা হবে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০১২ সালে বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের শিববাড়ী পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিআরটি প্রকল্প নিয়েছিল। এর মধ্যে ১৫ দশমিক শূন্য ৭ কিলোমিটার সড়কপথ, বাকিটা উড়ালপথ।

সড়কের মাঝখানে দুটি পৃথক লেনে বিশেষ বাস চালানোর পরিকল্পনা ছিল। প্রকল্প চালু হলে দিনে প্রায় ২৫ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন বলে বলা হয়েছিল। বাসগুলো যানজট, সিগন্যাল কিংবা অন্য বাধায় আটকে থাকবে না—এমনটাই ছিল প্রত্যাশা।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

মূলত বিদেশি অর্থায়নের ওপর নির্ভর করে বিআরটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) পাশাপাশি এতে অর্থায়ন করছে ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা (এএফডি) এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ)।

প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার ৪০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে নির্মাণকাজ শেষ করে ২০১৭ সাল থেকে স্বয়ংক্রিয় দরজার বিশেষ বাস চালুর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কাজ শেষ হয়নি। তিন দফা সংশোধনে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৮১১ কোটি টাকা।

২০২৫ সালে প্রকল্পটি চতুর্থবার সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে ব্যয় বাড়িয়ে ৬ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকা এবং মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত করার কথা বলা হয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন করেনি। বরং প্রকল্পের বিকল্প খুঁজতে এবং নকশাগত ত্রুটির জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিআরটি বাংলাদেশে প্রথম হলেও অনেক দেশেই তা রয়েছে। গ্লোবাল বিআরটি ডেটা নামে একটি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, বিশ্বের ১৯১টি শহরে বিআরটি ব্যবস্থা চালু আছে। এসব বিআরটিতে প্রতিদিন সোয়া তিন কোটি যাত্রী যাতায়াত করে। ১৩টি শহরে বিআরটি ব্যবস্থা চালু আছে পাশের দেশ ভারতে। দেশটির ২২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এসব বিআরটি ব্যবস্থায় প্রতিদিন যাত্রী পরিবহন করে প্রায় পাঁচ লাখ। চীনে বিআরটিতে চলে প্রায় ৪৪ লাখ এবং তাইওয়ানে চলাচল করে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ যাত্রী।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

নির্মাণকাজের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে বিমানবন্দর, উত্তরা, টঙ্গী, আবদুল্লাহপুর ও গাজীপুর এলাকায়। সড়কের মাঝখানে নির্মাণসামগ্রী, বিভাজক ও অসমাপ্ত অবকাঠামোর কারণে যান চলাচলের জায়গা কমে যায়। এতে কর্মস্থলে যাতায়াতকারী মানুষ থেকে শুরু করে পণ্যবাহী যানবাহন পর্যন্ত সবাইকে বাড়তি সময় ও পরিবহন ব্যয় বহন করতে হয়েছে। ঢাকা-গাজীপুর মহাসড়ক বৃহত্তর ময়মনসিংহ, উত্তরবঙ্গ ও টাঙ্গাইলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথ। গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে কাঁচামাল সরবরাহ এবং তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনের জন্যও সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ।

জানা গেছে, ভূমি অধিগ্রহণ, নকশা পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইন সরানো, পানি নিষ্কাশন সমস্যা এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতায় কাজ বারবার বাধাগ্রস্ত হয়।

প্রকল্পটির অন্যতম ব্যর্থতা ছিল বিশেষ বাস সংগ্রহ করতে না পারা। প্রথমে স্বয়ংক্রিয় দরজাযুক্ত দীর্ঘ বাস চালুর পরিকল্পনা করা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরে বৈদ্যুতিক বাস কেনার উদ্যোগও কার্যকর হয়নি। সর্বশেষ ২০২৪ সালের এপ্রিলে ১৩৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডিজেলচালিত বাস কেনার দরপত্র আহ্বান করা হলেও শেষ পর্যন্ত বাস সংগ্রহ করা যায়নি। অন্যদিকে স্টেশনগুলোর নকশায় বাসের দরজার অবস্থান নিয়ে অসামঞ্জস্য ছিল। বাংলাদেশের প্রচলিত বাসের দরজা বাম পাশে থাকলেও বিআরটি স্টেশন তৈরি করা হয়েছিল ডান পাশে দরজাবিশিষ্ট বাসের কথা বিবেচনায় রেখে। ফলে বিশেষ বাস চালু হলেও বিদ্যমান গণপরিবহনের সঙ্গে সংযোগ নিয়ে জটিলতা তৈরির আশঙ্কা ছিল।

প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। বুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক মুসলেহ উদ্দীন হাসান বলেন, ‘ত্রুটি ও ব্যর্থতা থাকলেও বাতিলের আগে এর আর্থিক ক্ষতি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা উচিত ছিল।’ প্রকল্পটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ছিল বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. সামছুল হক যুগান্তরকে বলেন, গাজীপুর-বিমানবন্দর করিডরে বিআরটি প্রকল্প বাস্তবায়ন ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। এ প্রকল্পে ইতোমধ্যে ৩ হাজার কোটি টাকা খরচ হলেও বিআরটি পারপাসে খরচ হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। বাকি টাকা খরচ হয়েছে করিডর ডেভেলপমেন্টে; এর আওতায় রয়েছে, ড্রেনেজ নির্মাণ, ওভারপাস নির্মাণ, সড়ক প্রশ্বস্তকরণ ইত্যাদি। এখন বিআরটি থেকে সরে এলে কাউন্টারগুলো ভাঙতে ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা খরচ হবে। সবমিলিয়ে সরকারের ক্ষতি হবে ১২০ কোটি টাকা। আর বিআরটি প্রকল্প চালু করলেও কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। এরফলে ওই করিডরটি যানজটে স্থবির হয়ে পড়বে। শিল্প-কলকারখানা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অধ্যাপক ড. সামছুল হক

তিনি জানান, প্রকল্পটি কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। সেটা তো হচ্ছে না, তাহলে গাজীপুরবাসী যে স্বপ্ন দেখেছিল, তা বাস্তবে রূপ পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিআরটি প্রকল্পের বর্তমান অবস্থান ক্যানসারের ফোর্থ স্টেজের রোগীর মতো। ওই পর্যায়ে চিকিৎসক হয়ে পরিবারের সদস্যদের বাস্তবতা বলে দেওয়া নৈতিকতার পরিচয় বহন করে। আর আশ্বস্ত করে টাকা খরচ করানো অনৈতিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। একজন প্রকৌশলী হিসাবে নৈতিক দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। কেউ না বুঝে যদি চালুর ব্যাপারে মতামত ব্যক্ত করেন, সেটা তাদের ব্যাপার।

এ বিষয়ে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দীন হাসান যুগান্তরকে বলেন, সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, বাতিলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে প্রকল্পটি চালু করতে। এটা করা গেলে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ধারণাটি বাংলাদেশেও জনপ্রিয়তা পাবে। পাশাপাশি মানুষ সুবিধা ভোগ করবে। বিষয়টি সরকারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১২ সালে শুরু হওয়া ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্পটি ২০১৬ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। বিমানবন্দর রুটে ২০ দশমিক ৫০ কিলোমিটারের কাজ শেষ করতে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের খ্যাতি পেয়েছে প্রকল্পটি। বাস্তবায়নে বিশ্বের সব প্রকল্পের চেয়ে ৬ গুণ বেশি সময়েও কাজ শেষ হয়নি। ব্যয়ের ক্ষেত্রেও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে প্রকল্পটি। এমন দৈর্ঘ্যরে বিশ্বের অন্য বিআরটির প্রকল্পের চেয়ে ৪ গুণের বেশি ব্যয় হয়েছে। বিআরটি প্রশ্বস্ত সমতল সড়কে করা হলেও বিমানবন্দর করিডরের কয়েক জায়গায় অকারণ ফ্লাইওভার তৈরি করে খরচ বাড়ানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‎সাইবার নিরাপত্তা, মিডিয়া ও সঙ্গীতে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন তরুণ প্রতিভাবান সোহান আহমেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎হোসেনপুর( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


‎সাইবার নিরাপত্তা, মিডিয়া ও সঙ্গীতে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন তরুণ প্রতিভাবান সোহান আহমেদ
‎সাইবার জগতে প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার বিশ্বস্ত পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি মিডিয়া ও সঙ্গীত শিল্পে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নিয়মিত কাজ করতে চান সোহান আহমেদ। সোহান আহমেদ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বল্লা গ্রামের মো: আমিনুর ইসলামের ছেলে। ইতিমধ্যেই ডিজিটাল উদ্ভাবন, মিডিয়া প্রডাকশন এবং সুরের ভুবনে একই সাথে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তরুণ আইটি বিশেষজ্ঞ, ওয়েব ডিজাইনার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক সোহান আহমেদ। পেশাগত জীবনে প্রযুক্তি খাত, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মিডিয়া এবং ডিজিটাল মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি—উভয় ক্ষেত্রেই তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের শক্তিশালী অবস্থান।
‎
‎আইটি, ওয়েব ডিজাইন ও সাইবার সিকিউরিটি খাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন সোহান আহমেদ। তিনি ওয়েবেভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘এসএআর টেক’ (SAR TECH)-এর প্রতিষ্ঠাতা করে আন্তর্জাতিক মানের ওয়েবসাইট ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, সাইবার সিকিউরিটি পরামর্শ এবং কারিগরি বিভিন্ন ধরণের সমস্যার সমাধান করে আসছেন।
‎
‎তিনি এটিএন বাংলা, চ্যানেল নাইনসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় একাধিক স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রজেক্টে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে এটিএন বাংলার জন্য জিএম সৈকত পরিচালিত পূজা স্পেশাল নাটক ‘দেবী’, চ্যানেল নাইনে চিত্রনায়ক শিপন মিত্র অভিনীত ও জিএম সৈকত পরিচালিত নাটক ‘ঘর জামাই’-এর অডিও-ভিডিও সম্পাদনা ও মিডিয়া প্রডাকশনের কাজ অন্যতম।
‎
‎এছাড়া দেশের সুপরিচিত সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি সিরিজ (G Series), সিডি চয়েজ (CD Choice) এবং সুরঞ্জলির ব্যানারে প্রচারিত কণ্ঠশিল্পী আরিয়ান হাসমি ও জিয়াদ সিদ্দিকসহ বিভিন্ন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সঙ্গীত শিল্পীর বেশ কিছু জনপ্রিয় গানের অডিও-ভিডিও সম্পাদনা ও মিউজিক ভিডিও নির্মাণে কাজ করেছেন তিনি।
‎
‎স্বাধীন সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ডিজিটাল মাধ্যমে স্বত্বাধিকার রক্ষা এবং নিজস্ব প্রকাশনা সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন অডিও-ভিডিও লেবেল ‘এসএআর মিউজিক ওয়ার্ল্ড’ (SAR Music World)। এই লেবেলের অধীনে তাঁর সুরারোপিত ও পরিচালিত থেকে শুরু করে অন্যান্য জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক ও সঙ্গীত শিল্পিদের একাধিক ট্র্যাক স্পোটিফাই, অ্যাপল মিউজিক, ইউটিউবসহ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল মিউজিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে পরিবেশিত হয়ে আসছে।
‎
‎এ বিষয়ে টোকাই নাট্যদলের প্রতিষ্ঠাতা, নাট্য পরিচালক ও অভিনেতা সাজু মেহেদীর সাথেও কথা হয়। তিনি সোহান আহমেদ এর ডিজিটাল কর্মকান্ডের বিষয়ে জানান,
‎
‎“সোহান আহমেদের মধ্যে আমি অসাধারণ প্রতিভা, মেধা ও সম্ভাবনা দেখতে পাই। সে নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি বহুদূর এগিয়ে যাবে। তার মধ্যে ভালো কিছু করার যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা সঠিকভাবে বিকশিত হলে ভবিষ্যতে সে আরও বড় পরিসরে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারবে। আমি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি এবং আশা করি, অচিরেই সে তার কাজের মাধ্যমে সবার প্রশংসা অর্জন করবে।”
‎
‎ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সোহান আহমেদ জানান, সাইবার জগতে প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার বিশ্বস্ত পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি মিডিয়া ও সঙ্গীত শিল্পে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নিয়মিত কাজ করে যাওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ তাজা ককটেল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ তাজা ককটেল উদ্ধার

রাজশাহী মহানগরীকে থেকে বিপুল পরিমাণ তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে এসআরবি-৫।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে মহানগরীর  কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন আদুবুড়ি উপরিমাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৩টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।

বুধবার বিকালে সিপিএসসি, এসআরবি-৫, রাজশাহী সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। 

এসআরবি জানায়,  উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।#

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে ওএসডি হয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে ওএসডি হয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। এতে প্রত্যাহারের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

একই দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজশাহী সফর করেন। তাঁর সফর শেষে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, রাত ১১টার মধ্যে ইউসুফ আলীকে দায়িত্ব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তিনি অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) রেজাউল আলম সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে রাজশাহী ত্যাগ করেন।

এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে বিমানবন্দরে প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় তিনি অন্য হাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেন বলে ভিডিও দেখে ধারণা করা হচ্ছে। পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে লাইনে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন।

ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনারের আচরণ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। 

বুধবার সকালে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী ফেসবুকে লেখেন, প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে ওএসডি হয়েছেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার!

তবে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহারের সরকারি প্রজ্ঞাপনে ভিডিওতে দেখা ঘটনার কোনো উল্লেখ নেই। ফলে ভিডিওর ঘটনা এবং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের মধ্যে সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউসুফ আলীর সরকারি মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট রাজশাহীর তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার ড. এ এন এম বজলুর রশীদকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই দিনে ইউসুফ আলীকে রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় দুই মাসের মাথায় তাঁকেও প্রত্যাহার করা হলো।#

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ৫ দিন পর শুটার শামীমের ভাগনে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


সাংবাদিক আলিফ হত্যা: ৫ দিন পর শুটার শামীমের ভাগনে গ্রেপ্তার

 নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বেসরকারি আইপি টেলিভিশন ‘রুপসী বাংলা’র স্থানীয় প্রতিনিধি ও সাংবাদিক লুৎফর জামান ফকির ওরফে আলিফ হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি আশিকুর রহমান প্রাঙ্গনকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহ। হত্যাকাণ্ডের পাঁচ দিন পর মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে দুর্গাপুর পৌরসভার শহীদ মিনার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এসআরবি-১৪-এর অধিনায়কের পক্ষে সংস্থাটির মিডিয়া অফিসার ও সহকারী পরিচালক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তার আশিকুর রহমান প্রাঙ্গন দুর্গাপুর পৌরসভার বাগিচাপাড়া এলাকার শাহিন মিয়ার ছেলে। তিনি দুর্গাপুরের একাধিক হত্যা মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত শুটার শামীমের ভাগনে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহত সাংবাদিক আলিফ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামের একটি পেজ পরিচালনা করতেন। ওই পেজে তিনি নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় একটি মনোহারি দোকান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে বাড়ি ফিরছিলেন আলিফ। রাত পৌনে ৮টার দিকে পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। পরে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় আলিফকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

একজন সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পরদিন ১৬ অক্টোবর নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হত্যাকাণ্ডের পরপরই অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে ছায়াতদন্ত শুরু করে এসআরবি-১৪। এ সময় ঘটনাস্থল-সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে এসআরবি-১৪-এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে আশিকুর রহমান প্রাঙ্গনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে দুর্গাপুর পৌরসভার শহীদ মিনার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-১৪-এর সদর কোম্পানির একটি দল।

গ্রেপ্তারের পর আশিকুর রহমান প্রাঙ্গনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অন্য জড়িতদের বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%