ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক কাঁধে ব্যাগ ঝোলানোর অভ্যাস শরীরে কী ক্ষতি করছে, জানেন?


এক কাঁধে ব্যাগ ঝোলানোর অভ্যাস শরীরে কী ক্ষতি করছে, জানেন?

বাড়ি থেকে বেরোনোর সময়ে কি অভ্যাসবশত প্রতিদিন একই কাঁধে ব্যাগটা তুলে নেন? অফিসে যাওয়ার পথে ল্যাপটপের ভারী ব্যাগ হোক কিংবা বাজার যাওয়ার চটের ঝোলা—অনেকেই দেহের এক দিকেই সব ভার বহন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। প্রথম দিকে কোনো সমস্যা না ঠেকলেও দীর্ঘ সময় ধরে এই অভ্যাস চলতে থাকলে ঘাড়, কাঁধ ও পিঠের পেশি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাগের ওজন বেশি হলে এবং দীর্ঘক্ষণ তা বয়ে বেড়াতে হলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।

এক কাঁধে ব্যাগ নিলে শরীরে কী ঘটে?

চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত একই কাঁধে ব্যাগ বহনের ফলে শরীরের স্বাভাবিক ভঙ্গি বা পসচার নষ্ট হয়ে যায়। ব্যাগের ভার সামলাতে গিয়ে শরীরকে অলক্ষেই ভারসাম্য রক্ষায় নানা কসরত করতে হয়। এর প্রভাবে একদিকে কাঁধ সামান্য ওপরের দিকে উঠে যায় এবং শরীর এক দিকে হেলে পড়ে।

আরও পড়ুন: লম্বা ছুটিতে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা যাবে ৩৫টি দেশে

অভ্যাসে বদল আনবেন কীভাবে?

এই ধরনের শারীরিক অস্বস্তি এড়াতে এবং সুস্থ থাকতে কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি:

ওজন কমান: প্রতিদিন ব্যাগে ঠিক কী কী জিনিস বহন করছেন, তা একবার যাচাই করুন। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিয়ে ব্যাগ সবসময় সাধ্যমতো হালকা রাখুন।

কাছাকাছি রাখুন: পিঠের ব্যাগের স্ট্র্যাপ এমনভাবে সামঞ্জস্য করুন, যেন ব্যাগটি শরীরের একেবারে কাছাকাছি থাকে। ব্যাগ খুব বেশি নিচে ঝুলে থাকলে ভার সামলাতে শরীরের ভঙ্গি বিকৃত হতে পারে।

আরও পড়ুন: ইলিশের নামে চন্দনা ও সুরমা বিক্রির অভিযোগ, চিনবেন যেভাবে

নিয়মিত ব্যায়াম: ঘাড়, কাঁধ, পিঠ এবং শরীরের মধ্যভাগের পেশিগুলোকে শক্তিশালী রাখতে নিয়মিত হালকা শারীরচর্চা করুন। তবে শরীরে যদি আগে থেকেই ব্যথা থাকে, তবে নিজের মতো করে কোনো কঠিন ব্যায়াম শুরু না করে ফিজ়িয়োথেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ৪৭.৪২% পরিবার ঋণের চাপের মধ্যে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ এম


আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, ৪৭.৪২% পরিবার ঋণের চাপের মধ্যে

দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার আয়ের মাধ্যমে সংসারের খরচ মেটাতে পারছে না। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, কর্মসংস্থানে স্থবিরতা এবং প্রকৃত মজুরি হ্রাস পাওয়ার কারণে পরিবারগুলোর ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হচ্ছে। অনেককে ঘাটতি পূরণের জন্য সঞ্চয় ভাঙতে এবং ঋণ নিতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) একটি জরিপে প্রকাশিত হয়েছে যে, গত এক বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে ৪৭.৪২ শতাংশ পরিবার ঋণ নিয়েছে। শহরের তুলনায় গ্রামের পরিবারগুলো এই সংকটে বেশি ভুগছে।

বিবিএসের ‘লিভিং স্ট্যান্ডার্ড সার্ভে ২০২৫’-এ এই পরিস্থিতির চিত্র উঠে এসেছে। জাতীয় বেতন কমিশনের অনুরোধে, সংস্থাটির দারিদ্র্য ও জীবিকা পরিসংখ্যান সেল জরিপটি পরিচালনা করেছে। ২০২২ সালের ১৪ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রাম, শহর এবং সিটি করপোরেশন এলাকার তিন হাজার পরিবারের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশে পরিবারপ্রতি গড় মাসিক আয় ৩৩ হাজার ৫১৩ টাকা। অপরদিকে, গড় মাসিক ব্যয় ৩৫ হাজার ৩১১ টাকা। এর ফলে প্রতি মাসে গড় আয়-ব্যয়ের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৯৮ টাকা। এই ঘাটতি পূরণের জন্য অনেক পরিবার ঋণ বা সঞ্চয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

অঞ্চলভেদে ঋণ গ্রহণের প্রবণতায় পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। গত এক বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে গ্রামের ৫১.৯১ শতাংশ পরিবার ঋণ নিয়েছে। শহরাঞ্চলে এই হার ৪০.১৯ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ৩২.১১ শতাংশ।

জরিপে দেখা গেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবারপ্রতি গড় মাসিক ব্যয় ৪৬ হাজার ৭৭৮ টাকা। শহরাঞ্চলে এটি ৩৭ হাজার ৩৪৪ টাকা এবং গ্রামীণ এলাকায় ৩২ হাজার ৫৩২ টাকা। জাতীয় পর্যায়ে মোট ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক খাদ্য এবং বাকি অর্ধেক খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয় হচ্ছে। তবে গ্রামে খাদ্য ব্যয়ের চাপ বেশি। সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ব্যয়ের ৫৬.৭ শতাংশ খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয় হয়।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মহামারির পর দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, কর্মসংস্থানে স্থবিরতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং প্রকৃত মজুরি হ্রাস পাওয়ার কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। গ্রামে আয়ের সুযোগ সীমিত হওয়ায় পরিবারগুলোকে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রবাস আয় থেকেও সীমিতসংখ্যক মানুষ বেশি উপকৃত হচ্ছেন।

বিবিএসের মজুরি হার সূচক অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার ৭.৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের মাসে ছিল ৮.০৫ শতাংশ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, টানা ৫৬ মাস ধরে মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম ছিল। এর ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটেও এই চাপের চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রমের চাহিদায় ঘাটতি এবং দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ মূল্যস্ফীতি মানুষের জীবনযাত্রার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এর ফলে দেশে দারিদ্র্যের হার ২০২২ সালের ১৮.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে আনুমানিক ২২.৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ এম


ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন

ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে, তাহলে ওয়াশিংটন এবং মধ্যপ্রাচ্যে তার মিত্রদের ‘বিপুল ক্ষতির’ সম্মুখীন হতে হবে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) পার্লামেন্টের আস্থা ভোটে জয়ী হওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এই মন্তব্য করেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মেহরদাদ আখলাঘি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানে হামলা চালানোর সাহস করা সম্ভব নয়। তবে যদি হামলা হয়, তাহলে এর ফলাফল যুক্তরাষ্ট্র এবং পুরো অঞ্চলে ভোগ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘মানুষ নিশ্চিন্ত থাকতে পারে, সম্ভবত তারা আমাদের ওপর হামলা চালানোর সাহস করবে না। যদি তারা (যুক্তরাষ্ট্র) হামলা চালায়, তাহলে তাদের নিজেদের এবং পুরো অঞ্চলকে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।’

এর আগে, ইরানের আইনপ্রণেতারা নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে আখলাঘির নিয়োগ অনুমোদন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই তার পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ইসলামি পরামর্শ পরিষদের (পার্লামেন্ট) সদস্যরা আজ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর রসদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে মেহরদাদ আখলাঘির নিয়োগের পক্ষে ভোট দিয়েছেন’। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার মাধ্যমে সংঘাতের সূত্রপাত হওয়ার প্রায় আট মাস পর এই নিয়োগ অনুমোদন করা হলো।

ইরান সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, মোট ২৭৭টি ভোটের মধ্যে ২৩৭টি ভোট পেয়ে আখলাঘি এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি তার পূর্বসূরি আজিজ নাসিরজাদেহর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নাসিরজাদেহ নিহত হন। ওই হামলায় দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারাও নিহত হয়েছিলেন।

ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পার্লামেন্টে ভোটাভুটির আগে আখলাঘি বলেন, ‘পার্লামেন্ট তার ওপর আস্থা রেখে ভোট দিলে দেশের এক সংবেদনশীল সময়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আমার ওপর বর্তাবে’।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে দেশকে রক্ষা করতে হলে সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে, বিভিন্ন ঘটনার পেছনের যুক্তি বুঝতে হবে, প্রভাব বিস্তারকারী প্রবণতাগুলো শনাক্ত করতে হবে এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।’

প্রসঙ্গত, সামরিক পদমর্যাদা না থাকলেও আখলাঘি দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কাজ করছেন। ২০১৩ সাল থেকে তিনি ইরানের রাষ্ট্রীয় অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইরানিয়ান ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ অর্গানাইজেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পারমাণবিক বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে ২০০৭ সালে জাতিসংঘ আখলাঘির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় ইউরোপে ১.৫৮ বিলিয়ন ইউরোতে হ্রাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ এম


বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় ইউরোপে ১.৫৮ বিলিয়ন ইউরোতে হ্রাস

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি থেকে আগস্ট) ইইউ অঞ্চলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমেছে। টাকার অঙ্কে এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ইউরো। বাজারে অর্ডারের ঘাটতির পাশাপাশি পণ্যের উপযুক্ত দাম না পাওয়াই এই ধসের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই তথ্যগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউরোপিয়ান পরিসংখ্যান সংস্থা ‘ইউরোস্ট্যাট’-এর প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নে মোট ৬০ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক আমদানি করা হয়েছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের ৬২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ইউরোর তুলনায় ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ কম। এ সময়ে আমদানি করা পোশাকের ওজন ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে প্রতি কেজি পোশাকের গড় আমদানি মূল্য ১ দশমিক ২৯ শতাংশ কমে ১৯ দশমিক ৯১ ইউরো থেকে ১৯ দশমিক ৬৫ ইউরোতে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে রপ্তানির পরিমাণ ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ কমেছে। তবে রপ্তানির মূল্য কমার ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে পোশাকের একক মূল্য হ্রাস। প্রতি কেজি পোশাকের গড় রপ্তানি মূল্য ১৪ দশমিক ৮৭ ইউরো থেকে ১৩ দশমিক ৭৬ ইউরোতে নেমেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে শুধু পরিমাণগত হ্রাস নয়, বরং প্রতি কেজি পোশাকের কম মূল্যও রপ্তানি আয় কমার অন্যতম প্রধান কারণ। রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলক কম হারে কমলেও একক মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে আগস্ট মাসের চিত্র কিছুটা ভিন্ন।

২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় ২০২৬ সালের আগস্টে ইইউতে পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭২ শতাংশ। এ সময়ে ইইউতে আমদানির পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ কমলেও প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্য বেড়েছে ১ দশমিক ২৯ শতাংশ। ফলে মাসটিতে মোট আমদানি মূল্যে সামান্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

ইইউর বড় পোশাক সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে চীনই একমাত্র দেশ, যার রপ্তানির মূল্য ও পরিমাণ-দুটিই বেড়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে ইইউতে চীনের পোশাক রপ্তানি ২ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ১৯ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তবে প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্য কমেছে ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। অন্যদিকে ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানির মূল্য ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেড়ে ৩ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। যদিও দেশটির রপ্তানির পরিমাণ ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ কমেছে, প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্য ১০ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় রপ্তানি মূল্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

চীন ও ভিয়েতনামের বিপরীতে ইইউর অধিকাংশ প্রধান পোশাক সরবরাহকারী দেশের রপ্তানি মূল্য কমেছে। অন্যদিকে কম্বোডিয়ার রপ্তানির পরিমাণ ১১ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমেছে, তবে প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্য বেড়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম মন্তব্য করেন, "আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি ধরে রাখা এবং কম দামে পোশাক বিক্রির প্রবণতা বন্ধে একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।" উদ্যোক্তারা যখন ইউডি গ্রহণের জন্য আবেদন করবেন, তখন কনজাম্পশনের পাশাপাশি পণ্যের উৎপাদনে কত খরচ হচ্ছে-তার বিবরণ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। শিট পর্যালোচনা করে যদি দেখা যায় কোনো প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক কম দামে অর্ডার গ্রহণ করেছে, তবে তাদের ইউডি অনুমোদন দেওয়া হবে না। এর ফলে দেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে অসম প্রতিযোগিতা বন্ধ হবে এবং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাকের সঠিক মূল্য আদায় করা সহজ হবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ এম


আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন

আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে নিজের জয় নিয়ে চরম সংশয় প্রকাশ করেছেন দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আগামী নির্বাচনে হেরে গেলেও তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন না।

গতকাল রোববার রেডিও নর্থ-কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের জয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তবে আমি আমার জয় নিয়ে নিশ্চিত নই এবং এ নিয়ে আমি খুবই চিন্তিত।’

পরবর্তী সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে রাজনীতি ছাড়বেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, ‘না, আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেব না।’

সাক্ষাতকারে নেতানিয়াহু নিজ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট, নাফতালি বেনেট এবং আবিগদোর লিবারম্যানের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, তাদের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠন করতে হলে তা সম্পূর্ণভাবে আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে।

ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের হুমকির বিষয়ে আইজেনকোট কোনো পদক্ষেপ নেবেন না দাবি করে নেতানিয়াহু বলেন, আইজেনকোট নাকি আগে মন্তব্য করেছিলেন ‘পারমাণবিক ইরানকে মেনে নিতে হবে’ এবং ‘খামেনির ওপর হামলা চালানো একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।’

যুক্তরাষ্ট্রেও আইজেনকোটের কোনো প্রভাব নেই উল্লেখ করে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আইজেনকোট কি আমেরিকায় কোনো প্রভাব ফেলতে পারবেন? তিনি কি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবেন? তিনি কি আদৌ কিছু বোঝেন? ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বমঞ্চে একজন শক্ত ভূমিকা রাখা ব্যক্তিত্ব হতে হবে, যিনি জানেন অস্তিত্বের হুমকির মুখে কোনো আপস চলে না। গাদি বা তার সঙ্গীরা তা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।’

সাক্ষাতকারের একপর্যায়ে নেতানিয়াহু ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের সাবেক প্রধান রোনেন বার যে তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেছিলেন সে বিষয়ে কথা বলেন। বারের তোলা সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে আখ্যা দেন।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রকের কাছে প্রায় ১,০০০ নথি জমা দিয়েছি, যার বেশ কিছু ইন্টারনেটেও পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে সব স্পষ্ট লেখা রয়েছে। হামলা চালানোর ঠিক দুদিন আগেও এই লোকটি একটি প্রতিবেদন দিয়েছিল এবং সুবিধার বিনিময়ে সাময়িক বা দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছিল। তিনি শুরু থেকেই প্রতিটি পদক্ষেপে মিথ্যা বলে আসছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%