ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা রেকর্ডভাবে কমেছে, কলকাতার চিকিৎসা ও পর্যটন ব্যবসা সংকটে


ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা রেকর্ডভাবে কমেছে, কলকাতার চিকিৎসা ও পর্যটন ব্যবসা সংকটে

একসময় চিকিৎসা, কেনাকাটা কিংবা নিছক ভ্রমণের উদ্দেশ্যে দেশের হাজার হাজার নাগরিক কলকাতার পাশাপাশি ভারতের দিল্লি, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুর মতো বিভিন্ন শহরে যাতায়াত করতেন। বিশেষ করে কলকাতার হাসপাতাল ও শপিং মার্কেটগুলোতে বাংলাদেশিদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। তবে সাম্প্রতিক সরকারি ও পর্যটন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেই পরিচিত চিত্রে নজিরবিহীন ও বিস্ময়কর পতন ঘটেছে। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকদের আগমন কমে গেছে প্রায় ৭৩ শতাংশ। ২০২৪ সালে যেখানে প্রায় ১৭ লাখ ৫০ হাজার বাংলাদেশি ভারতে এসেছিলেন, সেখানে ২০২৫-২৬ সালে সেই সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে ৪ লাখ ৬৬ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

যদিও ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবে গত ১৮ আগস্ট কলকাতার নিউ মার্কেট থানা এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের (মির্জা গালিব স্ট্রিট) ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৭ বাংলাদেশিসহ মোট ৯ জনের মৃত্যুর পর বাংলাদেশি পর্যটকদের আগমনে আরো বড় ধস দেখা দিয়েছে। এত অল্প সময়ে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা কেন এতটা কমে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট মহলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। কলকাতা পৌরসভা সংশ্লিষ্ট এলাকার হোটেলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পর পুনরায় খুলে দিলেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি। বিশেষ করে ‘শিখা ইন’ হোটেলের অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক এখনো অনেকের মনে রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে চবি উপাচার্যের সঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের মতবিনিময়

এছাড়া ভিসা প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও জটিলতা, দীর্ঘ অপেক্ষা, সীমিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে অনেক আবেদনকারী ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ডলার সংকট এবং বিদেশ ভ্রমণের বাড়তি ব্যয়ও অনেককে বিদেশ সফর থেকে বিরত রেখেছে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতিও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে।

ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যার প্রভাব পড়ে সীমান্ত পারাপার ও পর্যটন খাতে। এ পরিস্থিতির পাশাপাশি বিকল্প পর্যটন গন্তব্যের জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। বর্তমানে দেশের অনেক পর্যটক ভারত ভ্রমণের পরিবর্তে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর কিংবা তুরস্কের মতো দেশ বেছে নিচ্ছেন। সহজ ভিসা প্রক্রিয়া ও সাশ্রয়ী ট্যুর প্যাকেজ তাদের এসব দেশের প্রতি আগ্রহী করে তুলছে।

অন্যদিকে, কলকাতার হাসপাতালগুলোতে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও খরচ চাপানোর অভিযোগে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এ কারণে অনেকে কলকাতায় চিকিৎসা নিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশের নাগরিক আবু বক্কর নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, পায়ের চিকিৎসার জন্য কলকাতার মুকুন্দপুর এলাকার একটি হাসপাতালে গেলে চিকিৎসা শুরুর আগেই তাকে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলা হয়। তার দাবি, চিকিৎসকেরা কোনো ওষুধ না দিয়েই প্রথমে এসব পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দেন। অথচ অন্তত কয়েকদিনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া যেত। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি সেদিনই ঢাকায় ফিরে আসেন। প্রয়োজনে থাইল্যান্ড কিংবা অন্য কোনো দেশে গিয়ে চিকিৎসা করাবেন, তবু ভারতে নয় বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় কলকাতার হোটেল, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, শপিং মার্কেট ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলো নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বহু বছর ধরেই ভারতের মেডিকেল ট্যুরিজমের অন্যতম বড় উৎস ছিল বাংলাদেশ। প্রতিবছর চিকিৎসার জন্য হাজার হাজার বাংলাদেশি ভারতে যেতেন। কলকাতা মার্কুইস স্ট্রিট ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকে হায়দার আলী বলেন, শুধু সাম্প্রতিক সময়ে নয়, ভিসা জটিলতার কারণে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল থেকেই কলকাতায় বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমতে শুরু করে। ‘শিখা ইন’ হোটেলের অগ্নিকাণ্ডের পর সেই পতন আরো তীব্র হয়। তবে দুই দেশের সম্পর্ক অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় বর্তমানে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। আগামী দিনে পর্যটকের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: হুথিদের ড্রোন হামলা দাম্মাম বিমানবন্দর ও জিজান রাডার স্টেশনে

অন্যদিকে, ভারতীয়দের বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। বিদেশে ছুটি কাটানোর প্রতি ভারতীয় পর্যটকদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৩ কোটি ২৭ লাখেরও বেশি ভারতীয় বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বেশি। ভারতীয়দের পছন্দের তালিকায় রয়েছে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালদ্বীপ ও নেপাল। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি, সহজ ভিসানীতি এবং সাশ্রয়ী ভ্রমণ প্যাকেজের কারণে ভারতীয়দের বিদেশযাত্রা বেড়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের পক্ষ থেকেই মেডিকেল ও ট্যুরিস্ট ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ভিসা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে সংস্কৃতি, চিকিৎসা ও কেনাকাটার টানে আবারো বাংলাদেশি পর্যটকদের ভারতে যাতায়াত বাড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র ওলামা লীগ নেতার বিএনপিতে যোগদান নাকি সৌজন্য সাক্ষাৎ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র ওলামা লীগ নেতার বিএনপিতে যোগদান নাকি সৌজন্য সাক্ষাৎ?

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ওলামা লীগ নেতা মাওলানা শেখ সাইফুল আলম সিদ্দিকী শেফুলের বিএনপিতে যোগদানের ছবি ও খবর সামাজিক মাধ্যমে এবং রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক কয়েকদিন ধরে এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা চলছে।

ঘটনার শুরুটি ঘটে, যখন শেখ সাইফুল আলম সিদ্দিকী কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে এসে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকুকে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদানের দাবি জানিয়ে কিছু ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ছবিগুলোতে দেখা যায়, শেখ সাইফুল আলম সিদ্দিকী প্রবীণ ও তরুণ বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ফুলের তোড়া ও মালা বিনিময় করছেন এবং হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় রয়েছেন। বিএনপির কার্যালয়ে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন—উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাবেক আহ্বায়ক রেদোয়ান খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ চৌধুরী, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির মনু এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রেজাউল আলম ভূঁইয়া খোকনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী। এছাড়া ভাটেরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজাদ সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রনি হাসান সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আকুল খানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, প্রবাসী ও দেশে অবস্থানরত বিএনপি সমর্থক ও কর্মীরা সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। লন্ডন প্রবাসী বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান তাঁর ফেসবুক পেজে উল্লেখ করেন, "যে দোসর বিগত দিনে আমাদের মরহুম দেশনেত্রীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করল, সে কীভাবে বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে দলের মনোনীত এমপিকে ফুল দেওয়ার সৎ সাহস পেল? তার ফুল গ্রহণ করার ঘটনায় দেশনেত্রীর আদর্শের কর্মীদের মনে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।"

অন্যদিকে, লন্ডনের আরেক প্রবাসী বিএনপি নেতা খন্দকার করিম মন্তব্যে লেখেন, "যে ব্যক্তি কিছুদিন আগেও আমাদের দেশনেত্রীকে নিয়ে কটু কথা বলেছেন, তিনি আজ কীভাবে বিএনপির কার্যালয়ে সংসদ সদস্যকে শুভেচ্ছা জানাতে যান? বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁর ফুল গ্রহণ করার বিষয়টি নিঃসন্দেহে অনুসারীদের মনে গভীর আঘাত দিয়েছে। রাজনৈতিক সৌজন্য থাকতে পারে, তবে অতীতের আচরণেরও তো মূল্যায়ন থাকা উচিত।"

এদিকে, সমালোচনার প্রেক্ষিতে গত ৩১ অক্টোবর সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু নিজের ফেসবুক পেজে একটি বিবৃতিতে দাবি করেন, এটি কোনো যোগদান অনুষ্ঠান নয়, বরং কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। তিনি বলেন, "সাইফুল আলম সিদ্দিকী আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের নির্দেশনা অনুযায়ী দলে নতুন করে সদস্য যোগদানের সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।"

কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকেও বিষয়টিকে নিছক ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ বলে একটি লিখিত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু জানান, "আমেরিকা প্রবাসী শেখ সাইফুল আলম সিদ্দিকী শেফুল বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন। আমাদের কার্যালয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে তিনি হঠাৎ কয়েকজন লোক নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকুর সঙ্গে দেখা করতে আসেন এবং ফুল বিনিময় করেন। তিনি কোনো দল করেন কি না আমাদের জানা নেই, তবে তিনি আওয়ামী পরিবারের সন্তান এবং অতীতে শেখ হাসিনার জন্য অনুষ্ঠানে দোয়া করার ইতিহাস আছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে দলে নতুন যোগদানের কোনো নির্দেশনা নেই।"

উল্লেখ্য, ধনাঢ্য ব্যক্তি শেখ সাইফুল আলম সিদ্দিকী শেফুল দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি আসন্ন কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী বলেও জানা গেছে। সম্প্রতি দেশে ফিরে বিএনপির কার্যালয়ে ফুলের তোড়া দেওয়া ও পরবর্তীতে ভাটেরা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের পক্ষ থেকে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে এ নিয়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাচন সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


হবিগঞ্জে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাচন সম্পন্ন

হবিগঞ্জ, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : হবিগঞ্জ জেলা ইউনিটের বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যালয়ে এই দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাধবপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান, এবং বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্বাস উদ্দিন।

এছাড়া, নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আহমুদুর রহমান আব্দাল, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন সেলিম, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম বাবুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মুশফিক আহমেদ, এবং জহিরুল ইসলাম সেলিম।

হবিগঞ্জ জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান পদাধিকার বলে জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব।

নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. ফজলুর রহমান।

সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. কাজল আহমেদ এবং অ্যাডভোকেট শিবলী খায়ের।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান আহমেদ আলী মুকিবের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আব্বাস উদ্দিনের পরিচালনায় একটি বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য, আজীবন সদস্য এবং সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদো সাত-আট বছর আগেই ফুরিয়ে গেছেন, দাবি সাবেক কোচ টেন হ্যাগের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


রোনালদো সাত-আট বছর আগেই ফুরিয়ে গেছেন, দাবি সাবেক কোচ টেন হ্যাগের

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ হিসেবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এরিক টেন হ্যাগ। দুইজনের সম্পর্কের অবনতি এতটাই তীব্র হয়েছিল যে, রোনালদো ব্রিটিশ ব্রডকাস্টার পিয়ার্স মরগানের অনুষ্ঠানে গিয়ে কোচের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন। এই সংঘাতের ফলস্বরূপ রোনালদো ওল্ডট্রাফোর্ড ত্যাগ করে সৌদি ক্লাব আল নাসরে যোগ দেন। পরে টেন হ্যাগও ইউনাইটেড ছাড়তে বাধ্য হন।

সময়ের পরিবর্তনে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ক্লাবের প্রাক্তন খেলোয়াড় মাইকেল ক্যারিক। গত মৌসুমে কিছু আশা দেখা গেলেও, চলতি মৌসুমে ক্যারিকের অধীনে রেড ডেভিলরা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। একই সময়ে, ইউনাইটেডে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন টেন হ্যাগ। তিনি রোনালদোকে সমালোচনা করে বলেন, একসঙ্গে কাজ করার সময় রোনালদো পুরোপুরি ফিট ছিলেন না এবং দলের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি ছিল কম।

২০২১ সালে জুভেন্টাস ছেড়ে আসার পর রোনালদো মাঠে আগের মতো পারফর্ম করতে পারছিলেন না বলেও মন্তব্য করেছেন ইউনাইটেডের এই ডাচ কোচ। পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী রোনালদোর শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে কঠোর পরিশ্রমের যে পরিচিতি রয়েছে, সেটিও টেন হ্যাগের মতে পুরোপুরি সত্য নয়।

জুভেন্টাস থেকে ২০২১ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে দ্বিতীয়বার যোগ দেন রোনালদো। ওলে গুনার সুলশার ও টেন হ্যাগের অধীনে ৫৪ ম্যাচে ২৭ গোল করেন তিনি। তবে ইউনাইটেডে টেন হ্যাগের দায়িত্বের শেষের দিকে দুজনের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। বেশ কয়েকবার রোনালদোকে শুরুর একাদশের বাইরে রাখা হয়।

২০২২ সালের নভেম্বরে পিয়ার্স মরগানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টেন হাগের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ অভিযোগ তুলেছিলেন রোনালদো। তিনি ক্লাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও সমালোচনা করেন। এরপর ইউনাইটেড রোনালদোর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে।

বর্তমানে ডাচ ক্লাব এফসি টোয়েন্টির টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন টেন হ্যাগ। তিনি ইউনাইটেডে কাটানো সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ইএসপিএন নেদারল্যান্ডসের ‘গুড মর্নিং এরেডিভিসি’ অনুষ্ঠানে আলোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ হলো দলকে কার্যকরভাবে গড়ে তোলা, সবসময়। প্রত্যেক খেলোয়াড় গুরুত্বপূর্ণ এবং জিততে হলে সেরা খেলোয়াড়দের প্রয়োজন। বড় দলগুলোকে তাদের সেরা খেলোয়াড়কে রাখতে হয়। কিন্তু সেই সেরা খেলোয়াড়কেও দলের জন্য কাজ করতে হবে। রোনালদোর ক্ষেত্রে সমস্যা ছিল এখানেই।’

টেন হ্যাগ আরও বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা তার জন্য খেলতে চাইত এবং তাকে অনেক সম্মান করত। এতে কোনো ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নেই। সে নিঃসন্দেহে অসাধারণ একজন খেলোয়াড়, সর্বকালের অন্যতম সেরা। কিন্তু গত সাত-আট বছরে সে আগের মতো পারফর্ম করতে পারছিল না। জুভেন্টাস ছাড়ার সময় থেকেই তার সেই অধ্যায় শেষ হয়ে গিয়েছিল।’

রিয়াল মাদ্রিদের উদাহরণ টেনে টেন হ্যাগ বলেন, কোনো খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের অবনতি শুরু হলে কখন বিদায় জানাতে হয়, সেটি স্প্যানিশ ক্লাবটি ভালোভাবে জানে। তিনি বলেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদের বড় কৃতিত্ব হলো, তারা সবসময় সঠিক সময়ে খেলোয়াড়দের বিদায় জানাতে পারে। তারা বুঝতে পারে কখন একজন খেলোয়াড়ের মান কমতে শুরু করেছে। বাইরের মানুষের কাছে যখন সেই খেলোয়াড়কে এখনো নিজের সেরা সময়ে মনে হয়, তখনই তারা বিদায় জানায়। কিন্তু বাস্তবে সে আর আগের মতো পারফর্ম করতে পারে না।’

৩৬ বছর বয়সে প্রিমিয়ার লিগে ফেরার পর রোনালদো প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ওপর চাপ তৈরি করতে না পারায় সমালোচিত হন। তবে টেন হ্যাগ তার বয়সকে শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়ার একমাত্র কারণ হিসেবে দেখছেন না। বরং তিনি দাবি করেন, রোনালদো ব্যথা উপেক্ষা করে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা হারিয়ে ফেলেছিলেন।

টেন হ্যাগ বলেন, ‘আমি স্বাভাবিকভাবেই তাকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলাম। দায়িত্ব নেওয়ার আগে তার সঙ্গে কথা বলেছিলাম। আমরা কীভাবে খেলব, সেখানে তার ভূমিকা কী হবে, তার কাছ থেকে আমার প্রত্যাশা কী এবং আমার ও দলের কাছ থেকে সে কী আশা করতে পারে; সবকিছুই ব্যাখ্যা করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের দায়িত্বটাও পালন করতে হয়। আর সে নিজেকে আর সর্বোচ্চ সীমায় নিয়ে যেতে পারছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগেই বলেছি, ব্যথা উপেক্ষা করে নিজেকে নিংড়ে দেওয়া, প্রতিদিন সর্বোচ্চ পরিশ্রম করা এবং ফিট থাকার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুশীলন করার মানসিকতা তার আর ছিল না। প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নস লিগ কিংবা পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলতে হলে ফিট না থাকলে আপনার কোনো সুযোগ নেই।’

রোনালদোর ফিটনেস ধরে রাখার প্রতি নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে টেন হ্যাগ বলেন, ‘বিষয়টি পুরোপুরি সত্য নয়, তবে মানুষের মধ্যে এমন ধারণাই রয়েছে। আর এভাবেই সে এত ভালো খেলোয়াড় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে আর সেই পরিশ্রমটা করতে পারছিল না।’

‘আপনি যদি সেটা করতে না পারেন, তাহলে প্রিমিয়ার লিগের বাস্তবতা আপনাকে ছাড় দেবে না। তখন আপনি আর প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাল মেলাতে পারবেন না, বক্সে পৌঁছাতে পারবেন না। সুযোগ পেলে সে এখনো ফিনিশিং করতে পারে, সেটা দেখা যায়। কিন্তু প্রিমিয়ার লিগের শারীরিক সক্ষমতা ও খেলার তীব্রতার সঙ্গে তাল মেলানো তার পক্ষে আর সম্ভব ছিল না। এর জন্য ফিট থাকা প্রয়োজন,’–টেন হ্যাগ যোগ করেন।

রোনালদো গোল করার পর কখনো তাকে নিয়ে সন্তুষ্ট হয়েছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে টেন হ্যাগ বলেন, ‘সেটা ঘটেনি। ব্যক্তিগত কিছু কারণে সে অনেক দেরিতে দলে যোগ দিয়েছিল। তত দিনে মৌসুম শুরু হয়ে গিয়েছিল এবং শুরু থেকেই সবকিছু ভুল পথে এগোতে থাকে। সে ফিট ছিল না এবং নিজের সেরাটা দিতে পারছিল না।’

তবে রোনালদোর সামগ্রিক ক্যারিয়ারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন টেন হ্যাগ। তার মতে, ফুটবলে রোনালদোর অবদান অনেক। তবে ওল্ড ট্রাফোর্ডে দলের স্বার্থে তাকে নিয়ে কঠোর ও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

গত অক্টোবরে আন্তর্জাতিক বিরতিতে পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে মাঠ ছাড়ার ঘটনায় পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন রোনালদোকে ৩০ দিনের জন্য নিষিদ্ধ করে। পাশাপাশি তাকে ২৫৫ ইউরো জরিমানাও করা হয়। তবে ভবিষ্যতে পর্তুগালের হয়ে খেলার জন্য তিনি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে টেন হ্যাগও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো খেলোয়াড়ই ক্লাব বা দেশের চেয়ে বড় নয়। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও নয়, লিওনেল মেসিও নয়। শেষ পর্যন্ত দলই সবার আগে। প্রতিটি বড় দলকে তার সেরা খেলোয়াড়কে আপন করে নিতে হবে। কিন্তু সেই সেরা খেলোয়াড়কেও দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। সে যদি তা না করে, তাহলে সাফল্য আসতে পারে না, কখনোই আসবে না। তখন সবকিছু থেমে যায়।’

মেসির উদাহরণ টেনে টেন হ্যাগ বলেন, ‘আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি যেভাবে খেলেছে, সেটিও ছিল অসাধারণ দেখার মতো। তবে এর জন্য মেসিকেও অনেক কিছু দিতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সবাই তার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে, সবাই তার জন্য কাজ করেছে। কিন্তু মেসিও দলকে বিশাল কিছু ফিরিয়ে দিয়েছে।’

গত মাসে দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও রোনালদোর সঙ্গে নিজের টানাপোড়েনের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছিলেন টেন হ্যাগ।

ইউনাইটেড ছাড়ার পর দুই বছর সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইএসপিএনকে তিনি বলেন, ‘সাক্ষাৎকার দেওয়ার অনুমতি ছিল, তবে ক্লাবের ক্ষতি হয় এমন কিছু বলা যাবে না। যদিও আমি এমনিতেও কখনো তা করতাম না, সেটা বলাই বাহুল্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপির ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক হলেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


এনসিপির ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক হলেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) ক্রীড়া উইং হিসেবে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স (এনএসএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের অডিটোরিয়ামে সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটির উদ্বোধন করা হয়।

ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদীন ফাহিম সংগঠনটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম. নাজমুল ইসলাম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ক্রীড়াঙ্গনকে গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক, দায়িত্বশীল এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ছয় মাসের জন্য ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস আ্যালায়েন্স’র কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, তারেক এ আদেল, জহিরুল ইসলাম মুসা, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন এবং আহনাফ সাঈদ খান রয়েছেন।

আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সালমান মোহাম্মাদ জাভেদ, এম রফিকুল ইসলাম, জহির রায়হান, খালেক শিকদার এবং মো. আব্দুল মোনায়েম দায়িত্ব পালন করছেন।

কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে মাহমুদুল হাসান রাকিব, আবু বক্কর সিদ্দিক সুমন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাদিয়া ফাইরোজ, মো. রাকিব হোসেন, নাঈম হাওলাদার এবং জিনিয়া শারমিন রিয়া দায়িত্ব পালন করছেন।

কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আরমানুল ইসলাম নয়ন। সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আকিব জাবেদ মুন্না, মনির হোসেন, ফাহাদ আহমেদ রকি, মো. একরামুল হক (রনি), মোহাম্মদ আরিফুল ইসলা, আরাফাত জোয়াদ্দার, মাঈনউদ্দিন মো. সাকিব, শাহরিয়ার খান, রুমি আক্তার মুনি, তাহিরুম লুফা এমেরা, শাহাব উদ্দিন বাবলু, ইমরান হোসেন (ইমন), তালহা জোবাইর, আদিফুর রহমান, মো. হাসান (নূরজামাল), সালেহ আহমেদ শাকিল, শফিকুল ইসলাম রানা খান, মো. আল ইমরান, আল ইমন হোসেন আহমেদ, মো. আশিকুজ্জামান, সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার, মো. মেহেদী হাসান, মো. সাবরিন আবিদ, সাজ্জাদ হোসেন, আব্দুল্লাহ আল জাবেদ, আবু নাইম এবং মো. সাকিব মিয়াজি।

সংগঠক হিসেবে আরও রয়েছেন মুহাম্মদ হোসাইন, মো. আলী রাজা, মো. নাজির হোসেন, সাবের সালেহ চৌধুরী, সাইদুল হাসান, আলমা জাহান ইমা, আব্দুল মুহাইমিন চোধুরী (সাদমান), মো. খাইরুল ইসলাম ইমরুল এবং আকিবুল হাসান ভূঁইয়া।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে মোহাম্মাদ ওমর ফারুক যুবরাজ, সোয়াদ মাহমুদ লিওন, মাহফুজ কাউসার সাদি আমজাদ হোসেন, নাসিমুর সাকিব, অনিক হাসান লিমন, মো. ফারহান তানভীর ফাহিম, মো. জাহিদুল সর্দার জনি, আসাদুল্লাহ নোমান, কিবরিয়া সরোয়ার, এ কে এম জিয়া উদ্দীন রনি, মাহফুজুল ইসলাম ভূঁইয়া (হৃদয়), এনায়েত হোসেন, শরিফুল বারি লিমন, সাজেদুল হক হৃদয়, মাশেক আহমেদ, মো. নাজমুল হক, মো. ফয়সাল, বশির আহম্মেদ অপু, মোহাম্মদ সেকান্দর আলী, আব্দুল্লাহ আল মারুফ, সফির উদ্দিন, তানভীর মো. মিফতাহুল হক, মো সুমন হোসেন, আশিকুর রহমান চৌধুরী, সিমরান হাসান সৌরভ, মো. রাইসুল ইসলাম এবং ইনজামুল হক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরও আছেন সাফাত খান, মো. রমজান শেখ, চৌধুরী মো. ফারদিন হায়াত, মো. জাহিরুল ইসলাম ফারাজি, মো. সাজেদুল ইসলাম, আব্দুল মোহাইমিন চৌধুরি, আদিবা সিদ্দিকা প্রিয়তি, মো. আরিফ হোসেন, ওমর ফারুক, কামরান আহমেদ, মো. আব্দুল মুহিত, ফারহান তাশরীফ (সিয়াম), খাইরু নেছা পান্না, মো. আব্দুল্লাহ জোবায়ের, রফিকুল ইসলাম সুজন, এম এইচ তানভীর, আলিফ মোহাম্মদ এবং আহমেদ ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%