রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০০ পি.এম
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কার ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শাস্তির সম্মুখীন হওয়া ২০ জন কর্মকর্তার দণ্ডাদেশ বাতিল করা হয়েছে। একইসাথে, বেশ কিছু কর্মকর্তাকে বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির কাছে করা আপিলের প্রেক্ষিতে এনবিআর এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ বাতিল করার পাশাপাশি দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ক্ষমা পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (উপকমিশনার) মো. শাহাদাত জামিল, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল বশর, ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের রাজস্ব কর্মকর্তা সবুজ মিয়া এবং খুলনার কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেটের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এছাড়া, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রামের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মো. জাকির হোসেন, একই কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মো. সানোয়ারুল কবির, গাজীপুরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আ.আ.ম. আমীমুল ইহসান খান এবং ঢাকা পশ্চিমের অতিরিক্ত কমিশনার সিফাত-ই-মরিয়মের বিরুদ্ধে লঘুদণ্ড বাতিল করে তাদের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তালিকায় নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকার অতিরিক্ত কমিশনার হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
দণ্ড মওকুফ পাওয়া কর কর্মকর্তাদের মধ্যে কর অঞ্চল-ময়মনসিংহের যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা, কর অঞ্চল-যশোরের যুগ্ম কর কমিশনার মো. মামুন মিয়া, কর অঞ্চল-গাজীপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, কর অঞ্চল-২২, ঢাকার অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) সুলতানা হাবীব, কর অঞ্চল-যশোরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মুরাদ আহমেদ, যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন খান এবং ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের ঢাকার যুগ্ম কর কমিশনার মাসুমা খাতুন রয়েছেন।
এছাড়া, খুলনার উপ-কর কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান, কর অঞ্চল-২১, ঢাকার উপ-কর কমিশনার ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল এবং কর অঞ্চল-দিনাজপুরের অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানার লঘুদণ্ড বাতিল ও বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এনবিআর সংস্কার ও আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনে অংশগ্রহণ, কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্টতা এবং সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। শাস্তির অংশ হিসেবে তাদের বেতন স্কেল ২ থেকে ৩ ধাপ অবনমিত করা হয়েছিল।
এরপর, দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজন রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল করেন। রাষ্ট্রপতির কাছে আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় সংশ্লিষ্ট দণ্ডাদেশ বাতিল এবং কয়েকজনকে বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার উপস্থিতি দীর্ঘকাল ধরে দেশের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে, পাশাপাশি এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও একটি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গা সংকট বর্তমানে আর শুধুমাত্র একটি মানবিক বিষয় নয়।
আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিআইআইএসএস অডিটরিয়ামে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকটের উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ এবং সমাধানের কৌশল নিয়ে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা যেন রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণভাবে তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে পারি, সে জন্য আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা প্রয়োজন। জাতিসংঘসহ সব আন্তর্জাতিক রাডারে রোহিঙ্গা ইস্যুটি যেন ফোকাসড থাকে এবং অন্য কোনো ইস্যুতে চাপা পড়ে না যায়।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে জাতিসংঘের প্রতিনিধি এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর যারা কাজ করছেন, তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্মানের সঙ্গে তাদের দেশে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা দ্রুত করতে হবে।
এই জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি জরুরি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষি অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) এলএসটিডি প্রকল্পের অধীনে বাস্তবায়িত প্রযুক্তি, ধান ক্ষেত ও কৃষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের দু’দিনব্যাপী পরিদর্শন করেছে।
আজ রোববার ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনের শেষ দিনে, কৃষি অধিদপ্তরের টিম সদর উপজেলার তিনটি গ্রাম উলিপুর, মহব্বতপুর ও আউলিয়াপুরে উন্নত জাতের ফলনশীল ধানক্ষেত পরিদর্শন করে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখার উপ-সচিব মো. মনিরুজ্জামান, এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং পরিকল্পনা-৩ শাখার গবেষণা অনুসন্ধানী মো. শফিকুল আলম ধান ক্ষেতের উৎপাদিত ফসলের গুণগত মান ও কৃষকদের পরিচর্যা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর কৃষকদের অধিক ফলন উৎপাদনে করণীয় বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এ সময় সারা দেশে জনশ্রুতি অতিরিক্ত খাদ্যে উৎপাদন জেলা হিসেবে দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষির সম্ভাবনা, ধানের নতুন জাত নির্বাচন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয় নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সাথে মতবিনিময় করেন এই কর্মকর্তারা।
পরবর্তীতে এলএসটিডি প্রকল্পের আয়োজনে ‘আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তি’ শীর্ষক একটি কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপ-সচিব কৃষিবিদ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে বের হয়ে কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারে চাষাবাদ সম্পর্কে অবহিত করাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।" তিনি উল্লেখ করেন যে, অর্জিত প্রশিক্ষণের জ্ঞান কাজে লাগানোর পাশাপাশি জমিতে অতিরিক্ত সার ব্যবহার না করে, পরিমিত সার প্রয়োগ করতে হবে। তবেই আশানুরূপ ধানের ফলন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ব্রি কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসানের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষার এবং ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোছা. সেলিমা জাহান।
প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, "প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুগন্ধি ধান, বাসমতি, জেসমিন ও আঠালো ধানের আধুনিক জাতগুলো কৃষক পর্যায়ে পরিচিত করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামীতে এসব উন্নত জাতের সুগন্ধি ধান চাষ দিনাজপুর অঞ্চলে ব্যাপকভাবে কৃষকদের উৎপাদনের লক্ষ্যে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "আশা করছি আগামীতে কৃষি বিভাগের পরিকল্পনা খাদ্যের জেলা দিনাজপুরে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হবে।" এসব ধান চাষ ও উৎপাদন সফল করার মাধ্যমে সফলতা অর্জিত হবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় হাইকোর্ট নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) দুই সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। অন্যদিকে, নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন মাসুদ রানা এবং লিটন মিয়া।
আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণ অনুসারে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড় এলাকায় নিজ বাড়ির দরবার শরিফে মাজারের খাদেম রহমত আলীকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর দিন নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ জানায়, ধর্মীয় ভাবাবেগ ও মতাদর্শগত বিরোধের কারণে জেএমবির সদস্যরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করে। তখন আদালত সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ছয়জনকে খালাস দেয়। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের করা আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ করে হাইকোর্ট।
শুনানি শেষে আজ উচ্চ আদালত দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে বাকিদের খালাসের রায় প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তান ইনিংস ও ১০৩ রানে পরাজিত হয়েছিল। লর্ডসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টেও দৃশ্যপট পরিবর্তিত হয়নি। স্বাগতিক ইংল্যান্ড পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে পরাজিত করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে ইংলিশরা তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সিরিজের ট্রফি নিশ্চিত করেছে।
এমন হতাশাজনক পরাজয়ের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) কার্যক্রমে পরিবর্তন আনতে উদ্যোগী হয়েছে। কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে, দল থেকে ৭ জন খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে ৫ জন আনক্যাপড (অভিষেক না হওয়া) খেলোয়াড়সহ ৭ নতুন মুখকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং সহকারী কোচ উমর গুলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পিসিবির এই নাটকীয় পদক্ষেপে পাকিস্তানের সাবেক গতি তারকা শোয়েব আখতার অবাক হননি।
‘আউটসাইড এজ’ শোতে তিনি জানান, পিসিবির একজন কর্মকর্তা তাকে পূর্বে বলেছিলেন যে পাকিস্তান ক্রিকেট বর্তমানে ‘ভেন্টিলেটরে’ রয়েছে।
শোয়েব আখতার মন্তব্য করেন, ‘পিসিবি এই দলটির পারফরম্যান্সে অত্যন্ত হতাশ এবং তাদের কাছ থেকে আর কোনো প্রত্যাশা নেই। বোর্ডের পরিকল্পনা হলো বর্তমান দলটিকে বাদ দিয়ে নতুন ও তরুণ রক্তে দল সাজানো, এমন খেলোয়াড় আনয়ন করা যারা কেবল দেশের হয়ে খেলতে চায়। তারা এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছে এবং সঠিক পথেই এগোচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় আমি কেবল চাই শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ এবং হারিস রউফের ক্যারিয়ার যেন রক্ষা পায়। এই ছেলেদের এখনও অনেক ক্রিকেট বাকি আছে।’
পিসিবির এক কর্মকর্তার সাথে কথোপকথনের সময় আখতার জানান, ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া এই দলটির কাছে বোর্ড কী প্রত্যাশা করছে, এমন প্রশ্নের জবাবে সেই কর্মকর্তা বলেছিলেন, ‘কিছুই না। আমরা পরবর্তী প্রজন্মের খেলোয়াড়দের নিয়ে ভাবছি, যাদের বড় মঞ্চের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।’
আখতারের মতে, ওই কর্মকর্তা তাকে আরও জানান যে পাকিস্তান ক্রিকেট এখন ‘ভেন্টিলেটরে’ রয়েছে এবং এটি পুনরুদ্ধার করতে দুই বছর সময় লাগবে। এছাড়া, দ্বিতীয় টেস্ট চলাকালীন তিনি লাহোরে ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) গিয়ে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ দেখেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে ২৬ বছর পর সেখানে প্রকৃত কাজ শুরু হয়েছে।
পাকিস্তান দল চরম বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার কিছুটা ব্যঙ্গাত্মকভাবে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘এতে অবাক হওয়ার কী আছে? আপনারা কি এমনটাই আশা করেননি?’ পাকিস্তান দল লড়াই করতে পারেনি কেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সেই লড়াইয়ের মানসিকতাই ছিল না।’
লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর পিসিবি যে সাতজন খেলোয়াড়কে দল থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে তারা হলেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলী আঘা, আলী উসমান, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল ও মোহাম্মদ ওয়াইস জাফর। এর মধ্যে শেষ দুজন কোনো ম্যাচ না খেললেও শাস্তির মুখে পড়েছেন।
তাদের পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন পূর্বে জাতীয় দলে খেলা সাইম আইয়ুব ও আব্দুল্লাহ ফজল। এছাড়া নতুন মুখ হিসেবে ডাক পেয়েছেন আরাফাত মিনহাজ, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, সাইদ বাইগ, মোহাম্মদ ইমরান ও রাজউল্লাহ।
অন্যদিকে, বরখাস্ত হওয়া কোচ সরফরাজ আহমেদ ও উমর গুলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন পাকিস্তানের হোয়াইট বল কোচ মাইক হেসন এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার অ্যাশলে নফকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ