প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃষি অধিদপ্তরের প্রতিনিধি দল দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) এলএসটিডি প্রকল্পের অধীনে বাস্তবায়িত প্রযুক্তি, ধান ক্ষেত ও কৃষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের দু’দিনব্যাপী পরিদর্শন করেছে।
আজ রোববার ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনের শেষ দিনে, কৃষি অধিদপ্তরের টিম সদর উপজেলার তিনটি গ্রাম উলিপুর, মহব্বতপুর ও আউলিয়াপুরে উন্নত জাতের ফলনশীল ধানক্ষেত পরিদর্শন করে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখার উপ-সচিব মো. মনিরুজ্জামান, এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং পরিকল্পনা-৩ শাখার গবেষণা অনুসন্ধানী মো. শফিকুল আলম ধান ক্ষেতের উৎপাদিত ফসলের গুণগত মান ও কৃষকদের পরিচর্যা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর কৃষকদের অধিক ফলন উৎপাদনে করণীয় বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এ সময় সারা দেশে জনশ্রুতি অতিরিক্ত খাদ্যে উৎপাদন জেলা হিসেবে দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষির সম্ভাবনা, ধানের নতুন জাত নির্বাচন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয় নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সাথে মতবিনিময় করেন এই কর্মকর্তারা।
পরবর্তীতে এলএসটিডি প্রকল্পের আয়োজনে ‘আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তি’ শীর্ষক একটি কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপ-সচিব কৃষিবিদ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে বের হয়ে কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারে চাষাবাদ সম্পর্কে অবহিত করাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।" তিনি উল্লেখ করেন যে, অর্জিত প্রশিক্ষণের জ্ঞান কাজে লাগানোর পাশাপাশি জমিতে অতিরিক্ত সার ব্যবহার না করে, পরিমিত সার প্রয়োগ করতে হবে। তবেই আশানুরূপ ধানের ফলন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ব্রি কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসানের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষার এবং ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোছা. সেলিমা জাহান।
প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, "প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুগন্ধি ধান, বাসমতি, জেসমিন ও আঠালো ধানের আধুনিক জাতগুলো কৃষক পর্যায়ে পরিচিত করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামীতে এসব উন্নত জাতের সুগন্ধি ধান চাষ দিনাজপুর অঞ্চলে ব্যাপকভাবে কৃষকদের উৎপাদনের লক্ষ্যে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "আশা করছি আগামীতে কৃষি বিভাগের পরিকল্পনা খাদ্যের জেলা দিনাজপুরে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হবে।" এসব ধান চাষ ও উৎপাদন সফল করার মাধ্যমে সফলতা অর্জিত হবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন