রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৫ পি.এম
রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় হাইকোর্ট নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) দুই সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। অন্যদিকে, নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন মাসুদ রানা এবং লিটন মিয়া।
আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বিবরণ অনুসারে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড় এলাকায় নিজ বাড়ির দরবার শরিফে মাজারের খাদেম রহমত আলীকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর দিন নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ জানায়, ধর্মীয় ভাবাবেগ ও মতাদর্শগত বিরোধের কারণে জেএমবির সদস্যরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করে। তখন আদালত সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ছয়জনকে খালাস দেয়। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের করা আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ করে হাইকোর্ট।
শুনানি শেষে আজ উচ্চ আদালত দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে বাকিদের খালাসের রায় প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তান ইনিংস ও ১০৩ রানে পরাজিত হয়েছিল। লর্ডসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টেও দৃশ্যপট পরিবর্তিত হয়নি। স্বাগতিক ইংল্যান্ড পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে পরাজিত করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে ইংলিশরা তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সিরিজের ট্রফি নিশ্চিত করেছে।
এমন হতাশাজনক পরাজয়ের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) কার্যক্রমে পরিবর্তন আনতে উদ্যোগী হয়েছে। কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে, দল থেকে ৭ জন খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে ৫ জন আনক্যাপড (অভিষেক না হওয়া) খেলোয়াড়সহ ৭ নতুন মুখকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং সহকারী কোচ উমর গুলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পিসিবির এই নাটকীয় পদক্ষেপে পাকিস্তানের সাবেক গতি তারকা শোয়েব আখতার অবাক হননি।
‘আউটসাইড এজ’ শোতে তিনি জানান, পিসিবির একজন কর্মকর্তা তাকে পূর্বে বলেছিলেন যে পাকিস্তান ক্রিকেট বর্তমানে ‘ভেন্টিলেটরে’ রয়েছে।
শোয়েব আখতার মন্তব্য করেন, ‘পিসিবি এই দলটির পারফরম্যান্সে অত্যন্ত হতাশ এবং তাদের কাছ থেকে আর কোনো প্রত্যাশা নেই। বোর্ডের পরিকল্পনা হলো বর্তমান দলটিকে বাদ দিয়ে নতুন ও তরুণ রক্তে দল সাজানো, এমন খেলোয়াড় আনয়ন করা যারা কেবল দেশের হয়ে খেলতে চায়। তারা এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছে এবং সঠিক পথেই এগোচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় আমি কেবল চাই শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ এবং হারিস রউফের ক্যারিয়ার যেন রক্ষা পায়। এই ছেলেদের এখনও অনেক ক্রিকেট বাকি আছে।’
পিসিবির এক কর্মকর্তার সাথে কথোপকথনের সময় আখতার জানান, ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া এই দলটির কাছে বোর্ড কী প্রত্যাশা করছে, এমন প্রশ্নের জবাবে সেই কর্মকর্তা বলেছিলেন, ‘কিছুই না। আমরা পরবর্তী প্রজন্মের খেলোয়াড়দের নিয়ে ভাবছি, যাদের বড় মঞ্চের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।’
আখতারের মতে, ওই কর্মকর্তা তাকে আরও জানান যে পাকিস্তান ক্রিকেট এখন ‘ভেন্টিলেটরে’ রয়েছে এবং এটি পুনরুদ্ধার করতে দুই বছর সময় লাগবে। এছাড়া, দ্বিতীয় টেস্ট চলাকালীন তিনি লাহোরে ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) গিয়ে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ দেখেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে ২৬ বছর পর সেখানে প্রকৃত কাজ শুরু হয়েছে।
পাকিস্তান দল চরম বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার কিছুটা ব্যঙ্গাত্মকভাবে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘এতে অবাক হওয়ার কী আছে? আপনারা কি এমনটাই আশা করেননি?’ পাকিস্তান দল লড়াই করতে পারেনি কেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সেই লড়াইয়ের মানসিকতাই ছিল না।’
লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর পিসিবি যে সাতজন খেলোয়াড়কে দল থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে তারা হলেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলী আঘা, আলী উসমান, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল ও মোহাম্মদ ওয়াইস জাফর। এর মধ্যে শেষ দুজন কোনো ম্যাচ না খেললেও শাস্তির মুখে পড়েছেন।
তাদের পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন পূর্বে জাতীয় দলে খেলা সাইম আইয়ুব ও আব্দুল্লাহ ফজল। এছাড়া নতুন মুখ হিসেবে ডাক পেয়েছেন আরাফাত মিনহাজ, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, সাইদ বাইগ, মোহাম্মদ ইমরান ও রাজউল্লাহ।
অন্যদিকে, বরখাস্ত হওয়া কোচ সরফরাজ আহমেদ ও উমর গুলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন পাকিস্তানের হোয়াইট বল কোচ মাইক হেসন এবং অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার অ্যাশলে নফকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধর্ম মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের হজে সাশ্রয় হওয়া ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা হাজিদের ফেরত দিতে যাচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজির ব্যাংক হিসাবে সরাসরি এই অর্থ পাঠানো হবে।
আজ রবিবার সচিবালয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ একটি সংবাদ সম্মেলনে জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের সৌদি পর্বের অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তথ্য প্রদান করেন। মন্ত্রী বলেন, "বাড়িভাড়া সাশ্রয় এবং সার্ভিস চার্জ কমে যাওয়ায় হজ প্যাকেজের অর্থ থেকে এ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। সাশ্রয় হওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট হাজিদের ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।"
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, হজ প্যাকেজ ও আবাসনের ধরন অনুযায়ী হাজিদের ফেরত দেয়া অর্থের পরিমাণ ভিন্ন হবে।
হজ প্যাকেজ-১-এর আওতায় হোটেল বুলুরা আল দুররার সাধারণ প্যাকেজের হাজিরা ৩৮ হাজার ৬৯৭ টাকা ৩২ পয়সা এবং শর্ট প্যাকেজের হাজিরা ৪৬ হাজার ৮৮৮ টাকা ৪০ পয়সা করে ফেরত পাবেন। দুই সিটের আপগ্রেডেশনের হাজিরা ১ লাখ ৬৪ হাজার ১৯০ টাকা ৫৬ পয়সা। একই সঙ্গে দুই সিটের আপগ্রেডেশন ও শর্ট প্যাকেজে হজ পালনকারীরা পাবেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৫৭২ টাকা ৭১ পয়সা।
তিন সিটের আপগ্রেডেশনের হাজিরা ১ লাখ ১৮ হাজার ৭২ টাকা ৮২ পয়সা।
আর তিন সিটের আপগ্রেডেশন ও শর্ট প্যাকেজের হাজিরা পাবেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩৫ টাকা ৫৩ পয়সা। হজ প্যাকেজ-২-এর আওতায় ২ নম্বর বাড়ি বা হোটেল লুলুয়াত আল ভাওহীদের সাধারণ প্যাকেজের হাজিরা ২ হাজার ৫০৫ টাকা ৪৯ পয়সা এবং শর্ট প্যাকেজের হাজিরা ৮ হাজার ৭৩০ টাকা ৭০ পয়সা করে ফেরত পাবেন। দুই সিটের আপগ্রেডেশনের হাজিরা ৬২ হাজার ৩৩১ টাকা ৭৯ পয়সা এবং আপগ্রেডেশনসহ শর্ট প্যাকেজের হাজিরা ৭৮ হাজার ৭১৩ টাকা ১৪ পয়সা পাবেন।
এছাড়া তিন সিটের আপগ্রেডেশনের হাজিরা ৩ হাজার ২৮৭ টাকা ৩৬ পয়সা এবং একই আপগ্রেডেশনের শর্ট প্যাকেজের হাজিরা ৮ হাজার ৪৩১ টাকা ৩৬ পয়সা করে ফেরত পাবেন। ৩ নম্বর বাড়ি বা হোটেল রাওদাত আল শুরূকের সাধারণ প্যাকেজের হাজিরা ৩ হাজার ৯৭৯ টাকা ৮৮ পয়সা, শর্ট প্যাকেজের হাজিরা ১২ হাজার ১৭০ টাকা ৯৫ পয়সা, দুই সিটের আপগ্রেডেশনের হাজিরা ৪ হাজার ৩৭৬ টাকা ৬৬ পয়সা এবং তিন সিটের আপগ্রেডেশনের হাজিরা ৪৪ হাজার ১১৯ টাকা ৮৭ পয়সা করে পাবেন।
৪ নম্বর বাড়ি বা হোটেল মানার আল শুরূকের সাধারণ প্যাকেজের হাজিরা ৭ হাজার ৪১৪ টাকা ২৩ পয়সা, দুই সিটের আপগ্রেডেশনের হাজিরা ৫ হাজার ৬৭৫ টাকা ৪৩ পয়সা এবং তিন সিটের আপগ্রেডেশনের হাজিরা ৬ হাজার ২৪১ টাকা ২৪ পয়সা করে ফেরত পাবেন। অন্যদিকে, সাধারণ হজ প্যাকেজ-৩-এর আওতায় হোটেল নান্দার ওয়ানে অবস্থানকারী প্রতিটি হাজি ৩ হাজার ৭১৮ টাকা ৯ পয়সা করে ফেরত পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী আরো জানান, ২০২৬ সালের হজে আগের বছরের তুলনায় বিমানভাড়া ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছিল। আগামী ২০২৭ সালের হজে বিমানভাড়া আরও কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বই পড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট দিন—এটি কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হলেও প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর ‘ন্যাশনাল রিড অ্যা বুক ডে’ হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত।
তবে, দিবসটির প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠার বছর এবং ৬ সেপ্টেম্বর তারিখটি কেন বেছে নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই দিবসটির প্রচলন মূলত যুক্তরাষ্ট্রে। বিভিন্ন observance বিষয়ক সূত্রের তথ্য অনুসারে, এটি ২০০০-এর দশকের শেষের দিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এবং ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখে একটি পরিচিত দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
কেন এই দিন
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য অত্যন্ত সহজ—ব্যস্ত জীবনের মধ্যে মানুষকে কিছু সময় বই পড়ার জন্য উৎসাহিত করা।
নির্দিষ্ট কোনো বই, লেখক বা সাহিত্যধারাকে কেন্দ্র করে দিনটি পালিত হয় না। এদিনে পছন্দের উপন্যাস, কবিতা, জীবনী, ইতিহাস, বিজ্ঞান কিংবা অন্য যেকোনো বই পড়ার মাধ্যমে সময় কাটানোর ধারণাই মূল।
কীভাবে পালন করা যায়
দিবসটি পালন করার জন্য কোনো কঠোর নিয়ম নেই। নিজের পছন্দের একটি বই নিয়ে কিছু সময় পড়া, পূর্বে পড়া প্রিয় বইটি আবার পড়া, লাইব্রেরিতে যাওয়া কিংবা কাউকে বই উপহার দেওয়ার মাধ্যমে দিবসটি পালন করা যেতে পারে।
শিশুদের বই পড়ে শোনানো, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বই নিয়ে আলোচনা করা কিংবা বন্ধুদের মধ্যে বই বিনিময়ও হতে পারে এই দিবসের অংশ।
ডিজিটাল মাধ্যমে পড়তে পছন্দ করেন এমন পাঠকরা ই-বুক বা অডিওবুকের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করতে পারেন। মূল বিষয় হলো—দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও পর্দার সময় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে বইয়ের সঙ্গে সময় কাটানো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের নেত্রী মাহিয়া মনিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া মাহিয়া মনি শিবপুর উপজেলার সৃষ্টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নরসিংদী শহরের শিক্ষা চত্বর এলাকায় মাহিয়া মনি নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন— এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। এই অভিযানের সময় পৌর পার্কে নারী উদ্যোক্তা মেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর মাহিয়া মনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে তিনি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।
ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দায়ের করা একটি মামলার আসামি মাহিয়া মনি। এছাড়া, শিবপুর মডেল থানায় ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা অপর একটি মামলায়ও তিনি আসামি।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল মামুন জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিক্ষা চত্ত্বর এলাকার পৌর পার্কে নারী উদ্যোক্তা মেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের প্রচার ও সরকারবিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন। আজ আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ