প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বই পড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট দিন—এটি কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হলেও প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর ‘ন্যাশনাল রিড অ্যা বুক ডে’ হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত।
তবে, দিবসটির প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠার বছর এবং ৬ সেপ্টেম্বর তারিখটি কেন বেছে নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই দিবসটির প্রচলন মূলত যুক্তরাষ্ট্রে। বিভিন্ন observance বিষয়ক সূত্রের তথ্য অনুসারে, এটি ২০০০-এর দশকের শেষের দিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এবং ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখে একটি পরিচিত দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
কেন এই দিন
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য অত্যন্ত সহজ—ব্যস্ত জীবনের মধ্যে মানুষকে কিছু সময় বই পড়ার জন্য উৎসাহিত করা।
নির্দিষ্ট কোনো বই, লেখক বা সাহিত্যধারাকে কেন্দ্র করে দিনটি পালিত হয় না। এদিনে পছন্দের উপন্যাস, কবিতা, জীবনী, ইতিহাস, বিজ্ঞান কিংবা অন্য যেকোনো বই পড়ার মাধ্যমে সময় কাটানোর ধারণাই মূল।
কীভাবে পালন করা যায়
দিবসটি পালন করার জন্য কোনো কঠোর নিয়ম নেই। নিজের পছন্দের একটি বই নিয়ে কিছু সময় পড়া, পূর্বে পড়া প্রিয় বইটি আবার পড়া, লাইব্রেরিতে যাওয়া কিংবা কাউকে বই উপহার দেওয়ার মাধ্যমে দিবসটি পালন করা যেতে পারে।
শিশুদের বই পড়ে শোনানো, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বই নিয়ে আলোচনা করা কিংবা বন্ধুদের মধ্যে বই বিনিময়ও হতে পারে এই দিবসের অংশ।
ডিজিটাল মাধ্যমে পড়তে পছন্দ করেন এমন পাঠকরা ই-বুক বা অডিওবুকের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করতে পারেন। মূল বিষয় হলো—দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও পর্দার সময় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে বইয়ের সঙ্গে সময় কাটানো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন