রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৪ পি.এম
বই পড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট দিন—এটি কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হলেও প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর ‘ন্যাশনাল রিড অ্যা বুক ডে’ হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত।
তবে, দিবসটির প্রতিষ্ঠাতা, প্রতিষ্ঠার বছর এবং ৬ সেপ্টেম্বর তারিখটি কেন বেছে নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই দিবসটির প্রচলন মূলত যুক্তরাষ্ট্রে। বিভিন্ন observance বিষয়ক সূত্রের তথ্য অনুসারে, এটি ২০০০-এর দশকের শেষের দিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এবং ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখে একটি পরিচিত দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
কেন এই দিন
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য অত্যন্ত সহজ—ব্যস্ত জীবনের মধ্যে মানুষকে কিছু সময় বই পড়ার জন্য উৎসাহিত করা।
নির্দিষ্ট কোনো বই, লেখক বা সাহিত্যধারাকে কেন্দ্র করে দিনটি পালিত হয় না। এদিনে পছন্দের উপন্যাস, কবিতা, জীবনী, ইতিহাস, বিজ্ঞান কিংবা অন্য যেকোনো বই পড়ার মাধ্যমে সময় কাটানোর ধারণাই মূল।
কীভাবে পালন করা যায়
দিবসটি পালন করার জন্য কোনো কঠোর নিয়ম নেই। নিজের পছন্দের একটি বই নিয়ে কিছু সময় পড়া, পূর্বে পড়া প্রিয় বইটি আবার পড়া, লাইব্রেরিতে যাওয়া কিংবা কাউকে বই উপহার দেওয়ার মাধ্যমে দিবসটি পালন করা যেতে পারে।
শিশুদের বই পড়ে শোনানো, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বই নিয়ে আলোচনা করা কিংবা বন্ধুদের মধ্যে বই বিনিময়ও হতে পারে এই দিবসের অংশ।
ডিজিটাল মাধ্যমে পড়তে পছন্দ করেন এমন পাঠকরা ই-বুক বা অডিওবুকের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করতে পারেন। মূল বিষয় হলো—দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও পর্দার সময় থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে বইয়ের সঙ্গে সময় কাটানো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের নেত্রী মাহিয়া মনিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া মাহিয়া মনি শিবপুর উপজেলার সৃষ্টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নরসিংদী শহরের শিক্ষা চত্বর এলাকায় মাহিয়া মনি নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন— এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। এই অভিযানের সময় পৌর পার্কে নারী উদ্যোক্তা মেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর মাহিয়া মনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে তিনি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।
ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দায়ের করা একটি মামলার আসামি মাহিয়া মনি। এছাড়া, শিবপুর মডেল থানায় ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা অপর একটি মামলায়ও তিনি আসামি।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল মামুন জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিক্ষা চত্ত্বর এলাকার পৌর পার্কে নারী উদ্যোক্তা মেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের প্রচার ও সরকারবিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন। আজ আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোহনা টেলিভিশনের মীরসরাই প্রতিনিধি সাংবাদিক কামরুল ইসলামের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে মীরসরাই সদর পৌর বাজারের বনফুল শোরুমের সামনে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও কর্মরত সাংবাদিকদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের ওপর এই ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার শামিল। ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
উক্ত মানববন্ধনে মীরসরাইয়ে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী, স্থানীয় সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অ্যাপলের নতুন আইফোন, যা বহুদিন ধরে প্রতীক্ষিত, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এবারের আয়োজনের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য চমক হতে পারে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন। এছাড়া, আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সও উন্মোচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে, সাধারণ আইফোন ১৮ মডেলটি এবারের আয়োজনের অংশ হিসেবে থাকছে না বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’ নামক এই অনুষ্ঠানটি ৯ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাত সময় রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। ১ সেপ্টেম্বর টিম কুকের কাছ থেকে অ্যাপলের নেতৃত্ব গ্রহণকারী জন টার্নাসের নেতৃত্বে এটি হবে প্রথম আইফোন উন্মোচন অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে ফোল্ডেবল আইফোনের সম্ভাব্য আগমনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আমন্ত্রণপত্রে অ্যাপলের লোগোর মাঝ বরাবর একটি সরু রেখা দেখা গেছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এটি ফোল্ডেবল আইফোন নিয়ে দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
ফোল্ডেবল আইফোনে কী থাকছে
বিভিন্ন লিক ও প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ফোল্ডেবল আইফোনটির নাম ‘আইফোন আল্ট্রা’ হতে পারে। এটি স্যামসাং গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ৮ ও শাওমি ১৮ ফোল্ডের নকশার সঙ্গে তুলনামূলক খাটো ও চওড়া হতে পারে।
ফোনটির পেছনে দুটি ৪৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকতে পারে—একটি ওয়াইড এবং অন্যটি আল্ট্রা-ওয়াইড। তবে, টেলিফটো ক্যামেরা না থাকার গুঞ্জন রয়েছে।
ফোল্ডেবল নকশার কারণে ফেস আইডি রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। এর পরিবর্তে পাওয়ার বাটনে টাচ আইডি ফিরতে পারে, যেভাবে কিছু আইপ্যাডে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
ফোনটির ডিসপ্লের মাঝখানের ভাঁজ বা ক্রিজের বিষয়েও অ্যাপল বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে বলে বিভিন্ন লিক থেকে জানা যাচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে, ক্রিজের গভীরতা ০.১৫ মিলিমিটারের কম হতে পারে। ডিসপ্লেতে দৃশ্যমান ভাঁজ যতটা সম্ভব কমিয়ে আনার জন্য অ্যাপল খরচের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি বলেও দাবি করা হচ্ছে।
ফোল্ডেবল ফোনটির বাইরের ডিসপ্লে ৫.৩ থেকে ৫.৫ ইঞ্চি এবং ভেতরের ডিসপ্লে ৭.৬ থেকে ৭.৮ ইঞ্চি হতে পারে।
দামের দিক থেকেও এটি অ্যাপলের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আইফোন হতে পারে। বিভিন্ন পূর্বাভাসে এর দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩০০ ডলারের মধ্যে হতে পারে বলে বলা হচ্ছে।
তবে, এসব তথ্যের কোনোটিই এখনো অ্যাপল আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সের উন্মোচন
ফোল্ডেবল আইফোনের পাশাপাশি এবারের অনুষ্ঠানে আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স উন্মোচনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
লিক অনুযায়ী, নতুন মডেল দুটিতে ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি এ২০ প্রো চিপ থাকতে পারে। ডায়নামিক আইল্যান্ডের আকারও ছোট হতে পারে। ফেস আইডির কিছু সেন্সর ডিসপ্লের নিচে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রঙের ক্ষেত্রে ডার্ক চেরি ও স্কাই ব্লু নিয়ে সবচেয়ে বেশি গুঞ্জন রয়েছে। তবে সিলভার ও কালো রঙ নিয়েও ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
ক্যামেরায়ও কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। আইফোন ১৮ সিরিজে ৪৮ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরায় ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার যুক্ত হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে, যদিও এটি শুধু প্রো ম্যাক্স মডেলে থাকতে পারে। সামনের ক্যামেরা ১৮ থেকে বেড়ে ২৪ মেগাপিক্সেল হতে পারে।
অ্যাপল এখনো নতুন মডেলগুলোর দাম ঘোষণা করেনি। তবে বিভিন্ন পূর্বাভাস অনুযায়ী, পুরো আইফোন ১৮ সিরিজের দাম ১০০ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইফোন ১৮ প্রোর দাম শুরু হতে পারে ৫ হাজার ৯৯ দিরহাম থেকে এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম ৫ হাজার ৫৪৯ দিরহাম থেকে।
দুই ধাপে আসছে আইফোন
এবার আইফোন উন্মোচনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে অ্যাপল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাধারণ আইফোন ১৮ মডেলটি ২০২৭ সালের শুরুতে বাজারে আসতে পারে। ফলে এবারের অনুষ্ঠানে সেটি ঘোষণা করা হবে না।
অ্যাপলের একটি সরবরাহকারী গত ১২ আগস্টের আয়ের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, বড় একটি গ্রাহক তাদের নিয়মিত পণ্য সরবরাহের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনছে। সেই তথ্যের সঙ্গে আইফোন ১৮-এর বিলম্বের বিষয়টি মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, চলতি বছর ম্যাক ও আইপ্যাডের দাম বাড়িয়েছে অ্যাপল। মেমোরি চিপের বাড়তি খরচকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। নতুন আইফোনের দাম বাড়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রভাব ফেলতে পারে।
নতুন অ্যাপল ওয়াচ ও এয়ারপড
নতুন আইফোনের পাশাপাশি অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১২ ও ওয়াচ আল্ট্রা ৪ উন্মোচনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এগুলোতে দ্রুতগতির চিপ, সবসময় চালু থাকা হার্ট-রেট ট্র্যাকিং এবং নতুন ফিটনেস অ্যাপ থাকতে পারে।
এ ছাড়া এয়ারপডস ৫-এর দুটি সংস্করণ আসতে পারে। এর একটি সংস্করণে অ্যাকটিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন থাকবে, অন্যটিতে থাকবে না।
ফোল্ডেবল আইফোন পেতে অপেক্ষা বাড়তে পারে
ফোল্ডেবল আইফোন আল্ট্রা নিয়ে আগ্রহীদের জন্য বাজারে আসার সময় কিছুটা অপেক্ষা করতে হতে পারে। অ্যাপল এ বছর প্রায় ১ কোটি ইউনিট তৈরির জন্য সরবরাহকারীদের প্রস্তুত থাকতে বলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রো মডেলগুলোর তুলনায় এই সংখ্যা অনেক কম।
চাহিদার ওপর নির্ভর করে বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে ফোনটি পৌঁছাতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতও সেই তালিকায় থাকবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সাধারণত অ্যাপলের নতুন আইফোনের প্রি-অর্ডার অনুষ্ঠানের পরের শুক্রবার শুরু হয়। তবে এবার ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে প্রি-অর্ডার শুরু হতে পারে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে দোকানে পাওয়া যেতে পারে আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স। ফোল্ডেবল আইফোন আল্ট্রা এই সময়সূচি অনুসরণ নাও করতে পারে।
সূত্র: খালিজ টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে জেলার সদস্যদের মতবিনিময় ও সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এই সভাটি রবিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. মো. ময়েজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. মো. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল, মহাসচিব ডা. এ এম শামীম, রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি ডা. এস এম এম মান্নান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সামসুর রহমান কোয়েল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ.কে.এম শাহাব উদ্দীন।
এছাড়া, আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির, মো. হাসিবুস সাত্তার এবং রাজশাহী বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আওয়াল রাজাসহ অন্যান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটির তত্ত্বাবধান করেন জেলা সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম ডলার; সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ