০৮:৩৫ এম
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে হরিতকি ভেজানো পানি একটি অত্যন্ত উপকারী পানীয় হিসেবে বিবেচিত। সকালে খালি পেটে নিয়মিত হরিতকি ভেজানো পানি বা হরিতকি গুড়া মিশানো পানি গ্রহণ করলে শরীরে একাধিক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।
এক নজরে খালি পেটে সকালে এক গ্লাস হরিতকি পানি খাওয়ার উপকারিতাগুলো নিম্নরূপ:
১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ: হরিতকির হালকা রেচক গুণ পেটের মল পরিষ্কার করতে এবং অন্ত্রের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সহায়তা করে।
আরও পড়ুন: দুই ভাইয়ের মায়ের জন্য আদালত বসেছিল সম্পত্তি বা টাকার জন্য নয়: সউদীর অমর আইনি লড়াই
২। ডিটক্সিফিকেশন: এটি লিভারকে সাহায্য করে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বর্জ্য দূর করতে।
৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: সকালে খালি পেটে উষ্ণ পানিতে হরিতকি চূর্ণ খেলে শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার হয়, ফলে ব্রণ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যা কমে যায়।
৪। মেটাবলিজম এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া বা ফ্যাট ঝরানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে।
৫। ইমিউনিটি বৃদ্ধি: এতে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
আরও পড়ুন: ছোট তেলাপোকা দমনে কার্যকর ওষুধ: দাম ও ব্যবহারের নিয়ম জানুন
৬। অন্যান্য: এটি রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমাতে কিছুটা ভূমিকা রাখে। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি ভেজানো গরম পানি দিয়ে কুলকুচি বা গার্গল করলে আরাম পাওয়া যায়।
কীভাবে তৈরি ও সেবন করবেন
* এক গ্লাস পানিতে ১-২টি শুকনা হরিতকি বা সামান্য হরিতকি গুঁড়া সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।
* পরের দিন সকালে খালি পেটে এই পানি ছেঁকে পান করুন।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে অদ্ভুত স্থাপত্যের পর্যটনস্থল, নাগরদোলায় চড়ার সুযোগ নেই
* এছাড়া আমলকি ও বহেরার সঙ্গে মিশিয়ে ত্রিফলা হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।
কিছু সতর্কতা
* ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা: অতিরিক্ত বা নিয়ম না মেনে খেলে ডায়রিয়া, পেট ব্যথা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।
* গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায় বা মায়েরা বুকের দুধ খাওয়ালে কোনো আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হরিতকি খাওয়া উচিত নয়।
আরও পড়ুন: উৎসবে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে
* ডায়াবেটিসের ওষুধ: এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়, তাই ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন