ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি ১৬৪


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি ১৬৪

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরও ৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮০ জনে। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ১৬৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ জন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত দৈনিক ডেঙ্গু প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৫৫ জন, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন, ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন ভর্তি হয়েছেন। গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ সময়ে নতুন কোনো রোগী ভর্তি হননি। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ২ জনকে। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন ১৬৪ জন রোগীর মধ্যে ৯৯ জন পুরুষ ও ৬৫ জন নারী। নতুন রোগী শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তি অব্যাহত থাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসচেতনতা এবং মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এছাড়াও ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত থাকতে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যেন পানি জমে মশার বংশবিস্তার না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি দিনের বেলায়ও মশার কামড় থেকে বাঁচতে সতর্ক থাকতে হবে এবং জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জামায়াত সমর্থন না পেলে ৯১ সালে বিএনপির রাজনীতি শেষ হয়ে যেতে পারতো’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


‘জামায়াত সমর্থন না পেলে ৯১ সালে বিএনপির রাজনীতি শেষ হয়ে যেতে পারতো’

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামী সমর্থন না দিলে বিএনপির রাজনীতি তখনই শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সেই সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সরকার গঠনের জন্য জামায়াতের সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশ্যে যোগাযোগ করেছিলেন।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. দিলারা চৌধুরী ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্তব্য করেন, ‘৯১ সালে বিএনপির রাজনীতি শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, যদি জামায়াত সাপোর্ট দিয়ে সরকার গঠন করতে সাহায্য না করত। বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে স্মরণ রাখা দরকার।’

তিনি ওই সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‘সেই সময়ে আমি সে ঘটনার সাক্ষী। শেখ হাসিনা নিজেই যোগাযোগ করেছিলেন। তখন জামায়াতের সমর্থন এনে দেওয়ার জন্য তার স্বামীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তিনি জানান, তার স্বামী নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতার কথা তুললে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, সে সমস্যা মিটিয়ে দেওয়া হবে, কেবল জামায়াতের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।’

ড. দিলারা চৌধুরী আরো বলেন, শেখ হাসিনা মূলত চেয়েছিলেন ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ যেন একটি ‘ঝুলন্ত সংসদ’ (হাং পার্লামেন্ট) হয়।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতকে ঘিরে তৈরি হওয়া দূরত্বের সমালোচনা করে এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রশ্ন তোলেন, ‘এখন হঠাৎ করে কী ঘটল যে তাদের সঙ্গে বসাই যাবে না? কার ইঙ্গিতে, কোথা থেকে এই বার্তা আসছে?’ তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, দেশে কৃত্রিম বিভেদ ও অনৈক্য তৈরি করে কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে কি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থীদের কার্যক্রম বন্ধের দাবি, দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

টঙ্গী প্রতিনিধি :ফারুক হোসেন

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থীদের কার্যক্রম বন্ধের দাবি, দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার আহ্বান

টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থীদের ইজতেমা ও তাবলিগি কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ রাখা এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ২০১৮ ও ২০২৪ সালের দুটি হত্যা মামলায় দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন এলাকার আলেম-ওলামারা।
২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে টঙ্গীতে দেশের বিভিন্ন এলাকার আলেম-ওলামাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় এসব দাবি জানিয়ে সরকারের কাছে দুটি সিদ্ধান্ত পেশ করা হয়।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থীদের কোনো ইজতেমা ও তাবলিগি কার্যক্রম পরিচালনা করতে না দেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি, পিবিআইতে থাকা ২০১৮ ও ২০২৪ সালের দুটি হত্যা মামলায় দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ১.হযরত আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী সাহেব
২.হযরত মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ সাহেব
৩.হযরত মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী
৪.হযরত মাওলানা শায়খ সাজিদুর রহমান সাহেব
৫.হযরত মাওলানা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর
৬.হযরত মাওলানা মাহফুজুল হক সাহেব
৭.হযরত মুফতি জসিমউদ্দীন সাহেব
৮.হযরত মুফতি কিফায়াতুল্লাহ হাটহাজারী সাহেব
৯.হযরত মাওলানা ইকরাম হুসাইন ওয়াদুদি সাহেব
১০.হযরত মাওলানা সালাহ উদ্দিন সাহেব
১১.হযরত মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেব
১২.হযরত মাওলানা হিফজুর রহমান সাহেব
১৩.হযরত মাওলানা আরশাদ রহমানী সাহেব
১৪.হযরত মুফতি দেলাওয়ার হুসাইন সাহেব
১৫.হযরত মাওলানা রশিদুর রহমান ফারুক সাহেব
১৬.হযরত মাওলানা আব্দুল আওয়াল সাহেব
১৭.হযরত মুফতি মুবারকুল্লাহ সাহেব
১৮.হযরত মাওলানা শাব্বির আহমদ রশীদ সাহেব
১৯.হযরত মাওলানা মুশতাক আহমদ সাহেব
২০.হযরত মুফতি জাফর আহমদ সাহেব
২১.হযরত মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী সাহেব
২২.হযরত মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব সহেব
২৩.হযরত মাওলানা বাহা উদ্দিন জাকারিয়া সাহেব
২৪.হযরত মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী সাহেব
২৫.হযরত মাওলানা আনোয়ারুল কারীম সাহেব
২৬.হযরত মাওলানা ফয়জুল্লাহ মাদানীনগর সাহেব
২৮.হযরত মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদ সাহেব
২৯.হযরত মাওলানা খুবাইব বিন তৈয়ব সাহেব
৩০.হযরত মাওলানা আনাস সাহেব
৩১.হযরত মাওলানা মনির হোসাইন কাশেমী সাহেব
৩২.হযরত মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজি সাহেব
৩৩.হযরত মাওলানা আফজালুর রহমান সাহেব
৩৪.হযরত মুফতি মোহাম্মদ আলী আফতাব নগর সাহেব
৩৫.হযরত মাওলানা নিযামুদ্দিন সাহেব
৩৬.হযরত মাওলানা মুফতি আতাউল্লাহ নিজামী সাহেব
৩৭.হযরত মাওলানা লোকমান মাজহারী সাহেব
৩৮.হযরত মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজি সাহেব
৩৯.হযরত মাওলানা শাহরিয়ার মাহমুদ সাহেব
৪০.হযরত মুফতি কিফায়াতুল্লাহ আজহারী সাহেব
৪১.হযরত মাওলানা আনিসুর রহমান সাহেব
সহ অন্যান্য আলেম-ওলামা।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত দুটি সরকারের কাছে পেশ করার কথা জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে আকাশী গ্রন্থাগার ও বিজ্ঞান ক্লাবের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার ও চারা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


মধুপুরে আকাশী গ্রন্থাগার ও বিজ্ঞান ক্লাবের বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার ও চারা বিতরণ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে আকাশী গ্রন্থাগার ও বিজ্ঞান ক্লাবের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণ ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘মেধা স্বীকৃতি ও সবুজ প্রজন্মের অঙ্গীকার-২০২৬’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মধুপুর অডিটোরিয়াম হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আকাশী গ্রন্থাগার ও বিজ্ঞান ক্লাবের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান শহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মফিজুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম ইউসুফজি প্রিন্স, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম. রতন হায়দার, পৌর বিএনপির সহসভাপতি আনোয়ারা খন্দকার লিলি সরকার, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন বাবলু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল লতিফ পান্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির তালুকদার, মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নুরুন্নবী শিহাব, বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুর রহমান নান্নু, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মারফত আলী ও সাবেক কাউন্সিলর বাদশা মিয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে গ্রন্থাগার, নিয়মিত বই পড়া ও বিজ্ঞানচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে পাঠাগারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ প্রজন্ম গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও সচেতন হতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। মেধার স্বীকৃতি প্রদান ও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করার মধ্য দিয়ে আয়োজনটি শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া জাগায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পরিকল্পিত উন্নয়নের তাগিদ পর্যটনমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পরিকল্পিত উন্নয়নের তাগিদ পর্যটনমন্ত্রীর

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরিত করতে পরিকল্পিত উন্নয়ন, আধুনিক পর্যটন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মন্ত্রী বলেন, 'কুয়াকাটা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্রগুলোর একটি। যথাযথ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন করা হলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।'

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে গতকাল (শুক্রবার) পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হোটেল খান প্যালেসে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব বক্তব্য তুলে ধরেন।

কুয়াকাটার অনন্য পর্যটন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একই সমুদ্রসৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ, বিস্তীর্ণ বালুকাবেলা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এ পর্যটনকেন্দ্রকে স্বতন্ত্র আকর্ষণ দিয়েছে।

এসময়, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রসৈকত হিসেবে গড়ে তুলতে পর্যটকদের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মানসম্মত আবাসন সুবিধাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর মন্ত্রী জোর দেন।

মন্ত্রী সমুদ্রসৈকত এলাকায় আধুনিক গণশৌচাগার, নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা, বসার স্থান, পর্যটক তথ্যকেন্দ্র, গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা চালুর আহ্বান জানান।

পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত লাইফগার্ড নিয়োগ, উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, পর্যটন উন্নয়নে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করা হলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

পর্যটন ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়লে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানান মন্ত্রী।

সমন্বিত পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উদ্যোগের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রসৈকত হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এর ফলে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা যাবে, তিনি বলেন।

সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসন-৪৯-এর সংসদ সদস্য সুলতানা জেসমিন জুঁই, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ এবং জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টিও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারি ও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী নেতা এবং সাংবাদিকরা সভায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%