ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বামীকে ফাঁসাতে গিয়ে যেভাবে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী


স্বামীকে ফাঁসাতে গিয়ে যেভাবে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী

পটুয়াখালীর বাউফলে স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা করে স্বামী আলমগীর হোসেনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন স্ত্রী আকলিমা বেগম (৪০)। আদালতের নির্দেশে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে বিচারক নীলুফার শিরিন আকলিমাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে, মঙ্গলবার রাতে আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে আকলিমাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই তথ্যটি আদালতের পেশকার আবদুর রাজ্জাক ও বাউফল থানার ওসি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: মাদক মামলার আসামিকে ধরতে গিয়ে বিপাকে পুলিশ, হামলায় আহত দুই সদস্য

পুলিশ ও মামলা সূত্র থেকে জানা গেছে, পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আলমগীর হোসেনের সঙ্গে বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের বাজেমহল গ্রামের আকলিমা বেগমের বিয়ে হয়েছিল। তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। পারিবারিক বিরোধের কারণে প্রায় দুই বছর আগে স্বামীর বিরুদ্ধে আকলিমা যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা করেন। পরে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে সেই বিষয়টির নিষ্পত্তি হয় এবং তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর আকলিমা নিজের একমাত্র সন্তান নিয়ে বাউফল পৌর শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতে থাকেন। সম্প্রতি একদিন সন্তানের অসুস্থতার খবর পেয়ে আলমগীর বাউফলে গিয়ে সন্তানের সঙ্গে দেখা করার জন্য যান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, এক সময় আকলিমার সহযোগীরা ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তাদের দ্বিতীয়বার বিয়ে দেন। পরে ওই বিয়ের কাবিননামা সংযুক্ত করে আকলিমা আবার পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আলমগীরের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগে নতুন মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলার শুনানি ও উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলাটি খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে আদালতকে বিভ্রান্ত করে মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি করার অভিযোগে আলমগীর আদালতে আবেদন করেন।

ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১৭(১) ধারায় আকলিমা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে আদালত কর্তৃক জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আকলিমা। পরে পুলিশ আকলিমাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আদালতের জারি করা পরোয়ানার ভিত্তিতে আকলিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীর ৭ লাখ টাকা ডাকাতি, এসআরবি-৮-এর অভিযানে আফজাল-লিটনসহ গ্রেপ্তার ৫

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের মধ্যে নতুন বিভাজনের রাজনীতি তৈরির চেষ্টা সম্পর্কে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসলাম ধর্মের জনসংখ্যা যাই হোক, তাতে সবার সমান গুরুত্ব রয়েছে। ইসলাম ছাড়া অন্য সব ধর্মের মানুষকে খাটো করার অধিকার নেই।

আজ রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার এসোসিয়েশন’ এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসছে এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ। বিএনপি ও জামায়াত বলে কেউ কোনো সুবিধা পাবে না। নির্বাচনে জনগণের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচিত হতে হবে। সত্যিকারভাবে গণতন্ত্রের ভিত্তি হল অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন। নির্বাচনের পর চেয়ারম্যান-মেম্বরদের নিয়ে একটি জাতীয় সংগঠন গঠন করা হবে। এডহক কমিটি আপনারা তৈরি করবেন এবং সেই কাউন্সিলে প্রধানমন্ত্রী আসবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের দেশ ছোট হলেও সমস্যা অনেক রয়েছে। সীমিত সম্পদ দিয়ে বিশাল জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য সরকার কাজ শুরু করেছে। নির্বাচনের আগে দল গুছিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশ গঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি দল গুছিয়ে নিয়েছি, সরকার গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নিয়েই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কাজ শুরু করেছেন। এ বছরের মধ্যে ৪১ লক্ষ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড সুবিধার আওতায় আনা হবে। কৃষক কার্ড চালুর পাশাপাশি ১০ হাজার টাকার কৃষক ঋণ মওকুফ করা হয়েছে, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং খাল খনন শুরু হয়েছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই কাজগুলো জনগণের স্বার্থে, তৃণমূল সাধারণ মানুষের জন্য। উন্নয়নের ক্ষেত্রে জনগণের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করতে হবে, সে কাজে শুরু হয়েছে। প্রতিটি উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় জনপ্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে, এটি অত্যাবশ্যক। অন্যথায় শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো গঠন সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, শুধু ইউএনও, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারা উন্নয়ন সম্ভব নয়। চেয়ারম্যান-মেম্বারদেরও ক্ষমতায়ন করতে হবে এবং তাঁদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। বাংলাদেশের জনগণ সঠিক নেতৃত্বের ক্যানিপথ চূড়ান্তভাবে নেয়। তৃণমূল নেতারাই দেশকে সবচেয়ে ভালো চিনে।

ধর্মীয় বিভাজনের বিষয়েও মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের মধ্যে অনেক সমস্যা আছে, সম্পদ সীমিত। নতুন বিভাজনের রাজনীতি করার চেষ্টা চলছে। ধর্মের নামে বিভাজন চলবে না এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও অন্য ধর্মকে খাটো করা মানা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণের সঙ্গে গণতন্ত্রের ভূমিকে ভেঙে দিয়েছে। ৭১ থেকে ২৪ পর্যন্ত তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখন গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। জনগণের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অন্যায় প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বরখাস্ত না করার কয়েকটি আইন পাসের চেষ্টা চলছে। চেয়ারম্যান-মেম্বরদের যে ভাতা দেওয়া হয়, তা অত্যন্ত সামান্য। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যা সমাধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের সেই এমপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে যা জানালেন ইসি আনোয়ারুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


জামায়াতের সেই এমপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে যা জানালেন ইসি আনোয়ারুল

চাকরিপ্রত্যাশী এক কিশোরীর সঙ্গে বিতর্কিত কার্যকলাপে জড়িয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি ও জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম। এরই মধ্যে, নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল থেকে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের কোনো চিঠি তারা এখনও পায়নি। নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এই তথ্য জানান এবং তিনি বলেন যে, বহিষ্কারের চিঠি হাতে এলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (২২ জুলাই), বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে, একই দিন বিকেলে একটি জরুরি বৈঠকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বুধবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠক রাজধানীর মিন্টু রোডের বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে সংগঠনের আমির ডা. শফিকুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ার পর সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৬২ ধারায় তাকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গত সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়াতে শুরু করে। ভিডিওটিতে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউপি সচিবদের বদলিতে কোনো সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি : ডিসি ফরিদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


ইউপি সচিবদের বদলিতে কোনো সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি : ডিসি ফরিদা

ঢাকা জেলার প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছেন, সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের বদলি কার্যক্রমেও কোনো ধরনের ব্যক্তিগত প্রভাব বা সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, লটারির মাধ্যমে পদায়নের ফলে সবাই সমান সুযোগ পাচ্ছেন এবং জনগণের মধ্যে আস্থা আরো বাড়বে।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে লটারির আয়োজন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মিজ ফরিদা খানম আরো বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল প্রশাসন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

প্রশাসন সূত্র বলছে, ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের বদলি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে পদায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার ৫টি উপজেলার ৬১টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট ৬২টি সচিবের পদ রয়েছে। বর্তমানে ৫৭ জন কর্মরত থাকলেও ৫টি পদ শূন্য রয়েছে। কর্মরতদের মধ্যে ৫২ জন বদলি কার্যক্রমে অংশ নেন।

এর মধ্যে ৪৫ জন নিজ নিজ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে পদায়নের জন্য লটারিতে অংশ নেন। অপরদিকে, আবেদন ও যৌক্তিক কারণ বিবেচনায় ৭ জনকে অন্য উপজেলায় পদায়নের সুযোগ দেওয়া হয় এবং তারাও লটারিতে অংশ নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কর্মরত বাকি ৫ জনের মধ্যে ৪ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় তাদের বদলি কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। একজনকে প্রশাসনিক কারণে এ প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বদলি কার্যক্রমে কোনো ধরনের পক্ষপাত বা প্রভাবের সুযোগ বন্ধ করতে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে লটারির আয়োজন করা হয়। বদলি করা কর্মকর্তাদের আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমাকে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


‘আমাকে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে কংগ্রেসের আকস্মিক বিক্ষোভ চলাকালীন, যখন পুলিশ রাহুল গান্ধীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন বিরোধী দলনেতা দাবি করেন যে তিনি পুলিশ থেকে একটি অপ্রত্যাশিত বার্তা পেয়েছেন। রাহুল জানান, আটকের সময় পুলিশ কর্মীরা তার কানে ফিসফিস করে বলেছিলেন, ‘এই সরকারকে হটান’।

বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে ভারতের শিক্ষাব্যবস্থায় কীভাবে ‘কারচুপি’ হচ্ছে, তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাহুল এই ঘটনার কথা তুলে ধরেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মোদির ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনের বাইরে নজিরবিহীন দৃশ্যের অবতারণা হয়। সেখানে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের প্রবীণ নেতারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন, যা নিরাপত্তাকর্মীদেরও অপ্রস্তুত করে দেয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও রাহুল সেখান থেকে সরতে রাজি না হওয়ায়, দিল্লি পুলিশ এলাকাটি খালি করতে তৎপর হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া নাটকীয় কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, নাক থেকে রক্ত ঝরতে থাকা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে পুলিশ হাত ও পা ধরে জোর করে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। রাহুলের দাবি, এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই পুলিশ কর্মীরা মোদি সরকারের প্রতি তাদের ব্যক্তিগত অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু তারা আমার কানে ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান। আমি রাজস্থান থেকে এসেছি। আমি হরিয়ানা থেকে এসেছি। আমরা তো শুধু উর্দি পরে আছি।

বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, তাদের (পুলিশের) ওপর নির্দেশ আছে, তাই তারা সেটা পালন করছে। এমনকি পুলিশও বর্তমান পরিস্থিতিতে খুশি নয়। তারা জানে যে এখানে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তারা এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেদের সন্তানদের দেখতে পায়।

উত্তর-পশ্চিম দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে আটক থাকা এই কংগ্রেস সাংসদকে মঙ্গলবার রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়। বুধবার রাহুল তার বিরুদ্ধে পুলিশের এই পদক্ষেপকে বৃহত্তর স্বার্থের কাছে একটি ‘সামান্য মূল্য’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার মূল লক্ষ্য হলো ‘শিক্ষার্থী ও তরুণদের ইচ্ছা প্রকাশ করা’।

জাপানি মার্শাল আর্ট আইকিডোতে ব্ল্যাক বেল্ট অধিকারী রাহুল বলেন, আমার এসব ঘুষি-টুষি খাওয়ার অভ্যাস আছে। এটা কোনো ব্যাপার না। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে এটাই আমার কাজ। যেখানে কষ্ট আছে, সেখানে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা আমার দায়িত্ব। এগুলো খুবই সামান্য মূল্য। তাই দু-একটা ঘুষি খাওয়া, এটা কোনো ব্যাপার না। আমি এমন আরও অনেক আঘাত সানন্দে নিতে প্রস্তুত।

বুধবার সংসদে বিরোধীদের সর্বাঙ্গীণ কালো পোশাক পরিধানের সঙ্গে মিল রেখে, প্রতিবাদস্বরূপ একটি কালো আর্মব্যান্ড পরে রাহুল গান্ধী মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তার আক্রমণের পরিধি আরও বিস্তৃত করেন। গত ২০ জুলাই সংসদের দিকে পদযাত্রা করা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্মম দমন-পীড়নের মধ্যেই তার এই প্রতিবাদ সীমাবদ্ধ ছিল না। রাহুলের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল এনডিএ শাসনামলের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা, যা তার মতে সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাহুল দাবি করেন, গত এক দশকে ‘১৫২টি প্রশ্নপত্র ফাঁস’ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, অথচ ‘কারও শাস্তি হয়নি’। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার মানে প্রতি মাসে একটি করে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এটি ভারতের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে, যা আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল।

তিনি আরও বলেন, সরকার পুরো শিক্ষা বাজেটে যা ব্যয় করে, পরিবারগুলো একটি মাত্র পরীক্ষার পেছনে তার চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে।

নিজের বক্তব্যের শেষে বিরোধী দলনেতা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে আক্রমণ করে তাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ এবং ‘অযোগ্য’ বলে আখ্যায়িত করেন। রাহুল বলেন, শিক্ষার্থীদের ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। প্রধান একজন দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অযোগ্য মানুষ। তাকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%