ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদক মামলার আসামিকে ধরতে গিয়ে বিপাকে পুলিশ, হামলায় আহত দুই সদস্য


মাদক মামলার আসামিকে ধরতে গিয়ে বিপাকে পুলিশ, হামলায় আহত দুই সদস্য

ময়মনসিংহের ভালুকায় পুলিশের ওপর হামলা, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ; আহত ২


ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে আটক করার পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বজনদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার এবং হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের সজনগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন এএসআই রাহিদুল ইসলাম ও কনস্টেবল বাকিরুল। তাঁদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চরফ্যাশনে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আব্দুল কুদ্দুসকে আটক করতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় ভালুকা মডেল থানার একটি পুলিশ দল। অভিযানকালে পুলিশ তাঁকে আটক করে।

এ সময় আব্দুল কুদ্দুস জামিনে রয়েছেন বলে দাবি করেন। তবে তাঁর জামিনের কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে গড়িমসি করেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তাঁকে নিয়ে পুলিশের কার্যক্রম চলার সময় ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।


পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুল কুদ্দুসকে পুলিশের হেফাজত থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তাঁর স্বজনেরা। পুলিশ সদস্যরা এতে বাধা দিলে তাঁদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: নোয়াখালী সদর উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার একপর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে আব্দুল কুদ্দুসকে তাঁদের হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যান হামলাকারীরা। এতে ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমস্যার মুখে পড়েন।

তবে হামলায় ঠিক কতজন অংশ নিয়েছেন এবং তাঁদের পরিচয় কী, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার পুরো বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

 

আসামিকে আটকের অভিযান চলাকালে হামলায় এএসআই রাহিদুল ইসলাম ও কনস্টেবল বাকিরুল আহত হন। ঘটনার খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে তাঁরা আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: বিএনপির বিরুদ্ধে টাকা বিতরণের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহত দুই সদস্য চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাঁদের আঘাতের ধরন ও শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে আটক করতে গিয়ে পুলিশের দুই সদস্য হামলার শিকার হয়েছেন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। আহত দুজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

 

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় প্রবাসী আকাশ মিয়ার বিরুদ্ধে বানোয়াট কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ করায় একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম

মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে আটক করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা এবং পরে তাঁকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ ধরনের ঘটনায় হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, পলাতক আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা জরুরি।

তবে এ ঘটনায় নতুন করে কোনো মামলা দায়ের হয়েছে কি না, অভিযুক্ত আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে কি না এবং হামলার অভিযোগে কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী তদন্তে হামলার প্রকৃত ঘটনা, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তা স্পষ্ট হওয়ার কথা।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বি-ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলুতে কপাল পুড়ল কৃষকের, বস্তার দাম ৬৮০ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


আলুতে কপাল পুড়ল কৃষকের, বস্তার দাম ৬৮০ টাকা

জয়পুরহাটের হিমাগারে মজুত আলু এখন কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে ২০ টাকা খরচ হলেও বর্তমানে হিমাগার গেটের কাছে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১১ টাকায়। এতে লোকসানে পড়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি বিপণন বিভাগ কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে জয়পুরহাটের হিমাগারগুলোতে আলু সংরক্ষণ করেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ২০২৫ সালের লোকসান ২০২৬ সালে পুষিয়ে নেওয়া। সেই সময়ে ৬৫ কেজির এক বস্তা আলু সংরক্ষণের জন্য তাদের খরচ হয়েছিল এক হাজার ৩০০ টাকা। বর্তমানে ৬০ কেজির প্রতি বস্তা আলু হিমাগার গেটে সর্বোচ্চ ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, টানা দুই বছর আলুর মূল্য না পাওয়ার পর চলতি বছরের দামে তারা লোকসান গুণছেন। জেলার ২২টি হিমাগারে মৌসুমের শুরুতে দুই লাখ ৩৭ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল। মৌসুম শেষ হওয়ার কিছুদিন আগে মাত্র ৫৫ শতাংশ আলু খালাস হয়েছে। হিমাগার কর্তৃপক্ষ বলছে, রফতানিসহ আলুর বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কারখানা নির্মাণ জরুরি।

কৃষি বিপণন বিভাগ জানাচ্ছে, সম্প্রতি কালাই উপজেলায় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য জায়গা নির্ধারণের প্রস্তুতি চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে কৃষকরা আলুর বিভিন্ন পণ্যের সঠিক বাজার পাবেন।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর জয়পুরহাটে প্রায় ৪৩ হাজার হেক্টর জমিতে ১০ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের অন্যতম আলু উৎপাদনকারী জেলা জয়পুরহাট। এ বছর সেই আলুতেই কপাল পুড়ছে জেলার প্রান্তিক কৃষক ও ব্যবসায়ীদের। আলুর বাজারে দরপতনের ফলে অনেক কৃষকের পরিবার পথে বসার উপক্রম হয়েছে। বিশেষ করে যারা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে আলু চাষ করেছেন। ব্যবসায়ী ও মৌসুমি আলুর পাইকারি বিক্রেতারাও বিপাকে পড়েছেন। তারা বিভিন্ন এনজিও থেকে এবং ধারদেনা করে হিমাগারে আলু মজুত করেছিলেন বেশি দামে বিক্রির আশায়।

আলুর দাম কমে যাওয়ার কারণে তারা পুঁজি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন। শুধু কৃষক এবং ব্যবসায়ী নয়, হিমাগারের মালিক কর্তৃপক্ষও শঙ্কিত। সময়মতো হিমাগার থেকে আলু খালাস না হলে তাদের লোকসান হবে।

কৃষক ও হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, এ বছর আলু উৎপাদন থেকে শুরু করে হিমাগারে সংরক্ষণ, সব মিলিয়ে প্রতি বস্তা আলুর জন্য খরচ হয়েছে এক হাজার ৩০০ টাকা। বর্তমানে হিমাগারের আলু বিক্রি হচ্ছে ৬৮০ টাকায়। ফলে প্রতি বস্তা আলুতে ৫০০ টাকার লোকসান হচ্ছে।

প্রান্তিক কৃষক শহিদুল ইসলামের ভাষ্য, এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে আলুর বীজ, সার, কীটনাশক, শ্রমিক ও সেচসহ সব মিলিয়ে কৃষকের খরচ হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা জমিতে আলু উত্তোলনের সময় বিক্রি করেছেন ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। এতে করে ভরা মৌসুমেই কৃষকের ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার লোকসান হয়েছে।

কৃষক বকুল হোসেন বলেন, "গত বছরের লোকসান কাটিয়ে এ বছর লাভের মুখ দেখবো বলে আশা করেছিলাম। মৌসুমের শুরুতে লোকসান হয়েছে, তাই ভেবেছিলাম হিমাগারে রাখলে হয়ত দাম বাড়বে, তখন বিক্রি করবো। কিন্তু এখন পর্যন্ত আলুতে সবাই লোকসানে আছি আমরা। সরকার যদি আমাদের দিকে একটু নজর দিত তাহলে কৃষকদের উপকার হতো।"

আলু ব্যবসায়ী জাকারিয়া হোসেন বলেন, "এ বছর আলুর দরপতনের কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছেন আলু ব্যবসায়ীরাও। বাজারদর কমে যাওয়ায় মজুত করা আলু প্রত্যাশিত দামে বিক্রি করতে পারছেন না অনেক ব্যবসায়ী। ফলে হিমাগারে রাখা আলুর পেছনে বিনিয়োগ করা অর্থ আটকে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। হিমাগার থেকে আলু বের করছেন না কৃষকরা।"

কালাইয়ের এম ইসরাত হিমাগারের ব্যবস্থাপক আবু রায়হান এবং পুনট কোল্ড স্টোরেজের হিসাব রক্ষক এনামুল হক জানান, "তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং শ্রমিকের মজুরি কয়েক গুণ বেড়েছে, তবে তারা ভাড়া বাড়াননি। আগের ভাড়াই নিচ্ছেন। এ বছর আলুর দরপতনের কারণে হিমাগার থেকে আলু বিক্রি করছেন না কৃষকরা। এতে করে একদিকে যেমন পাইকাররা অলস সময় পার করছেন, অন্যদিকে হিমাগার থেকে এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ আলু খালাস হওয়ার কথা তা হচ্ছে না। এতে করে সময়মত হিমাগার থেকে আলু খালাস নিয়েও শঙ্কায় আছে হিমাগার কর্তৃপক্ষ।"

জয়পুরহাট কৃষি বিপণন অধিদফতরের কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, "জেলার ২২টি হিমাগারে এ বছর প্রায় দুই লাখ ৩৭ হাজার মেট্রিক টন আলু মজুত রাখা হয়েছিল। অথচ চলতি মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত আলু খালাস হয়েছে মাত্র এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন; যা মূল সংরক্ষণ করা আলুর ৫৫ ভাগ দাঁড়ায়।"

তবে তিনি আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর দিয়ে জানান, "সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই কালাই উপজেলায় একটি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য জায়গা নির্ধারণ করার চেষ্টা চলছে। এটি বাস্তবায়ন হলে আলুর বিভিন্ন পণ্যের সঠিক বাজার পাবেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়ে ৬ বছরে নিহত ৭৯৬৩ শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়ে ৬ বছরে নিহত ৭৯৬৩ শিশু

২০২০ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭,৯৬৩ শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক পরিবহন খাতে অব্যবস্থাপনা এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে অসচেতনতার কারণে শিশুদের সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হওয়ার হার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

আজ বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এই তথ্য উপস্থাপন করেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং তাদের নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যুর ঘটনা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী হিসেবে নিহত হয়েছে ২,১৯৩ শিশু (২৭.৫৩%)। পথচারী হিসেবে রাস্তা পারাপার ও রাস্তায় হাঁটার সময় যানবাহনের ধাক্কায় নিহত হয়েছে ২,৮১২ শিশু (৩৫.৩১%)। মোটরবাইকের চালক ও আরোহী হিসেবে নিহত হয়েছে ২,৯৫৮ শিশু (৩৭.১৪ শতাংশ)।

পথচারী হিসেবে নিহত হওয়ার যানবাহনভিত্তিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ ইত্যাদি ভারী যানবাহনের চাপা বা ধাক্কায় নিহত হয়েছে ১,১২৬ শিশু (৪০.০৪ শতাংশ)। প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপের চাপা বা ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৩১৭ শিশু (১১.২৭ শতাংশ)। থ্রি-হুইলারের (সিএনজি, অটোরিকশা, নসিমন, ভটভটি ইত্যাদি) ধাক্কায় নিহত হয়েছে ১,২৭১ শিশু (৪৫.১৯ শতাংশ)। বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৯৮ শিশু (৩.৪৮ শতাংশ)।

শিশু নিহত হওয়া সড়কের ধরন

দুর্ঘটনায় শিশু নিহত হওয়ার সড়কের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহাসড়কে নিহত হয়েছে ১,৯৭৪ শিশু (২৪.৭৮%), আঞ্চলিক সড়কে ২,০৮২ শিশু (২৬.১৪%), গ্রামীণ সড়কে ২,৭১৩ শিশু (৩৪.০৭%) এবং শহরের সড়কে নিহত হয়েছে ১,১৯৪ শিশু (১৫%)।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ

শিশু নিহত হওয়ার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভোরে ২০৪ (২.৫৬%), সকালে ২,১৬৮ (২৭.২২%), দুপুরে ১,৮১৩ (২২.৭৬%), বিকালে ২,৬৩৪ (৩৩.০৭%), সন্ধ্যায় ৫৪৬ (৬.৮৫%) এবং রাতে ৫৯৮ (৭.৫০%) দুর্ঘটনা ঘটেছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিশুদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ০ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশু নিহত হয়েছে ১,৫৩২ জন (১৯.২৩%), ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশু নিহত হয়েছে ২,৮৮৪ জন (৩৬.২১%) এবং ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু নিহত হয়েছে ৩,৫৪৭ জন (৪৪.৫৪%)।

সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যুর হার বৃদ্ধির কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে, দেশের সড়ক ও সড়ক পরিবহন শিশু-বান্ধব না হওয়া; নিরাপদে সড়ক ব্যবহার সম্পর্কে শিশুদের মধ্যে সচেতনতার অভাব; পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদে সড়ক ব্যবহার সম্পর্কে শিশুদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ না দেওয়া; অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক কর্তৃক যানবাহন চালানো; দুর্ঘটনায় আহত শিশুদের উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার সংকট; এবং আহত শিশুদের চিকিৎসায় পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা।

সুপারিশসমূহ:

সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা শিশুদের জন্য নিরাপদ করা; নিরাপদে সড়ক ব্যবহার বিষয়ে পরিবারে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের সচেতন করা; অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক কর্তৃক যানবাহন চালানো বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা; জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার সুযোগ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা; সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসায় বিশেষ সরকারি তহবিল গঠন করা; এবং ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ বাস্তবায়ন করা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার সময় নিহত হয়েছে ২,৫১৩ শিশু (৩১.৫৫ শতাংশ) এবং বসতবাড়ির আশপাশের সড়কে খেলার সময় নিহত হয়েছে ৯৬২ শিশু (১২.০৮ শতাংশ)।

শিশুরা গ্রামীণ সড়কে বেশি হতাহত হচ্ছে। কারণ গ্রামীণ সড়কগুলো বসতবাড়ি ঘেঁষা এবং এই সড়কের যানবাহনসমূহ কোনো প্রকার নিয়ম-নীতি মেনে চলে না। সড়ক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও থাকে না। আবার শিশুরাও সড়ক ব্যবহারের কোনো নিয়ম-নীতি জানে না।

বিষয়টি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে যেমন কোনো উদ্বেগ নেই, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও কোনো প্রকার সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। অথচ এই অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে নীরবে আমাদের শিশুরা নিহত হচ্ছে, পঙ্গু হচ্ছে। এটা জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। প্রতিটি শিশুই অমিত সম্ভাবনাময় এবং আজকের শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চকরিয়া স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজের দাবি ২০ লাখ মানুষের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


চকরিয়া স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজের দাবি ২০ লাখ মানুষের

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথের চকরিয়া স্টেশনে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকার কারণে চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরীসহ আশপাশের প্রায় ২০ লাখ মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকা যাওয়ার জন্য তাঁদের কক্সবাজার রেলস্টেশনে পৌঁছাতে প্রায় ৬০ কিলোমিটার ঘুরতে হয়। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে, যা তাঁদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে চকরিয়া স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু করা হয়।

বর্তমানে চকরিয়া স্টেশনে সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি রয়েছে, তবে ঢাকা–কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস থামে না। মাতামুহুরী, চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী এবং লামা–আলীকদম পার্বত্য এলাকার মানুষ চিকিৎসা, শিক্ষা ও জরুরি প্রয়োজনে এই স্টেশন ব্যবহার করেন। স্থানীয়দের দাবি, ঢাকাগামী ট্রেনের স্টপেজ চালু হলে বৃহত্তর এলাকার মানুষের যাতায়াতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে।

চকরিয়ার গণমাধ্যমকর্মী মো. সাঈদী আকবর ফয়সাল জানিয়েছেন, তিনি জনস্বার্থে ২০২৫ সালে রেলপথ উপদেষ্টা বরাবর আবেদন করেছিলেন। এরপর রেলপথ অধিদপ্তর বিষয়টি নিয়ে মতামত যাচাইয়ের জন্য একটি পরিপত্র প্রকাশ করে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে পুনরায় রেলপথমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন তিনি।

চকরিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক ইবনে আমিন মন্তব্য করেন, যাত্রাবিরতি চালু হলে বৃহত্তর এলাকার যাত্রীরা উপকৃত হবেন। কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর পিপি অ্যাডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটুও চকরিয়া স্টেশনে পর্যটক এক্সপ্রেস ও মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি দাবি করেছেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) মোহাম্মদ সুবক্তগীন জানিয়েছেন, চকরিয়া স্টেশনে ঢাকাগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতি নেই। মহানগর এক্সপ্রেসের স্টপেজের বিষয়ে যাত্রী চাহিদা, স্টেশনের গুরুত্ব ও পরিচালনাগত বিষয় বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপি ও জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র : রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


এনসিপি ও জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র : রাশেদ খান

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, বর্তমানে এনসিপি একটি ল্যাপটপ চোর, ছাগল চোর এবং নারি কেলেঙ্কারির দলের রূপ ধারণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই দলটি ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে বিপ্লবী সেজে বসে আছে। অন্যদিকে, জামায়াত আওয়ামী লীগের অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়েছে। জামায়াতের মোনাফেকি আচরণ ইতিমধ্যেই দেশের জনগণের সামনে উন্মোচিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান অভিযোগ করেন, জামায়াতের আমির দেশে বসে যে ভাষায় কথা বলছেন, হাসিনাও দিল্লিতে বসে একই ভাষায় কথা বলছেন। তিনি বলেন, "পার্থক্য নাই তো।" এটি বোঝার জন্য গোয়েন্দা তথ্যের প্রয়োজন নেই, রাজনৈতিক সেন্স থাকলেই যথেষ্ট যে, জামায়াতের বক্তব্য ও হাসিনার ভাষার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করার পায়তারা করছে এবং জামায়াত সেই ষড়যন্ত্রের সুযোগ সৃষ্টি করছে। অর্থাৎ, জামায়াত ষড়যন্ত্রের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং আওয়ামী লীগ দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে এনসিপি ও বিরোধীদের নানা বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন অনন্য যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। তিনি বলেন, "বিরোধী দলের ৯০ জন সংসদ সদস্য মিলেও তার মেধা ও যোগ্যতার ধারেকাছে যেতে পারবেন না।" রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে তাকে মোকাবিলা করতে না পেরে বিরোধীরা বিদ্যুৎ সংকট বা আন্তর্জাতিক কারণে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ের মতো প্রতিটি ইস্যুতেই অন্যায়ভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে টেনে আনছেন। জামাতের এই মোনাফেকি আচরণ তাদেরকে আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবে।

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলের কথা উল্লেখ করে রাশেদ বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের আমলে নিজে গুমের শিকার হয়েছিলেন এবং তৎকালীন সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসের সাথে সোচ্চার ছিলেন। তিনি বলেন, "জামাতের কোনো নেতাকে সেই স্বৈরাচারী জামানায় এভাবে রাজপথে বা বক্তব্যে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়নি।"

এনসিপি নেতাদের তীব্র সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ছাত্রজীবনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ চুরি এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ছাগল চুরির ঘটনায় যুক্ত ছিলেন। তিনি আরও বলেন, এনসিপির বহু নেতা নারী কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত, ডিসি নিয়োগে তদবির, থানায় চাঁদাবাজি ছাড়ানো এবং সাবেক এমপির বাসায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির মতো অপরাধে জড়িত।

এনসিপি ইতিমধ্যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, দলটির নীতি ও আচরণ এখন জামায়াতের পকেটে চলে গেছে। তিনি মন্তব্য করেন, আগামীতে এনসিপির অস্তিত্ব জামায়াতে বিলীন হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যর্থ করতে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের মতো ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের যারা 'রাজাকারের বাচ্চা' বলে গালি দিয়েছিল, তারা এখন জামায়াতের সাথে হাত মিলিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত এখন 'ক্ষমা প্রার্থনার' অজুহাতে আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধী ও সুযোগ সন্ধানীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং একটি পুনর্বাসন সেন্টারে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট বিপ্লব সফল হওয়ার পর একমাত্র জামাতের পক্ষ থেকেই আওয়ামী লীগকে ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছিল। তাদের কারণেই আওয়ামী লীগের বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি ঝিনাইদহের উন্নয়নের ব্যাপারে সজাগ ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে বলেন, ইতিমধ্যে ঝিনাইদহ পৌরসভাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, স্কুল ও কলেজের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে ডিও লেটার জমা দিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে উদ্বোধনকৃত প্রতিষ্ঠানগুলো চালুর ব্যাপারে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানান।

উল্লেখ্য, ঝিনাইদহে অন্তত ৭টি সরকারী প্রতিষ্ঠান যেগুলো প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধন করেছিলেন, সেগুলো অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।

ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%