প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথের চকরিয়া স্টেশনে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকার কারণে চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরীসহ আশপাশের প্রায় ২০ লাখ মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকা যাওয়ার জন্য তাঁদের কক্সবাজার রেলস্টেশনে পৌঁছাতে প্রায় ৬০ কিলোমিটার ঘুরতে হয়। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে, যা তাঁদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে চকরিয়া স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু করা হয়।
বর্তমানে চকরিয়া স্টেশনে সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি রয়েছে, তবে ঢাকা–কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস থামে না। মাতামুহুরী, চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী এবং লামা–আলীকদম পার্বত্য এলাকার মানুষ চিকিৎসা, শিক্ষা ও জরুরি প্রয়োজনে এই স্টেশন ব্যবহার করেন। স্থানীয়দের দাবি, ঢাকাগামী ট্রেনের স্টপেজ চালু হলে বৃহত্তর এলাকার মানুষের যাতায়াতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে।
চকরিয়ার গণমাধ্যমকর্মী মো. সাঈদী আকবর ফয়সাল জানিয়েছেন, তিনি জনস্বার্থে ২০২৫ সালে রেলপথ উপদেষ্টা বরাবর আবেদন করেছিলেন। এরপর রেলপথ অধিদপ্তর বিষয়টি নিয়ে মতামত যাচাইয়ের জন্য একটি পরিপত্র প্রকাশ করে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে পুনরায় রেলপথমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন তিনি।
চকরিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক ইবনে আমিন মন্তব্য করেন, যাত্রাবিরতি চালু হলে বৃহত্তর এলাকার যাত্রীরা উপকৃত হবেন। কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর পিপি অ্যাডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটুও চকরিয়া স্টেশনে পর্যটক এক্সপ্রেস ও মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি দাবি করেছেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) মোহাম্মদ সুবক্তগীন জানিয়েছেন, চকরিয়া স্টেশনে ঢাকাগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতি নেই। মহানগর এক্সপ্রেসের স্টপেজের বিষয়ে যাত্রী চাহিদা, স্টেশনের গুরুত্ব ও পরিচালনাগত বিষয় বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন