ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইউপি সচিবদের বদলিতে কোনো সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি : ডিসি ফরিদা


ইউপি সচিবদের বদলিতে কোনো সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি : ডিসি ফরিদা

ঢাকা জেলার প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছেন, সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের বদলি কার্যক্রমেও কোনো ধরনের ব্যক্তিগত প্রভাব বা সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, লটারির মাধ্যমে পদায়নের ফলে সবাই সমান সুযোগ পাচ্ছেন এবং জনগণের মধ্যে আস্থা আরো বাড়বে।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে লটারির আয়োজন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মিজ ফরিদা খানম আরো বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল প্রশাসন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন: বাকৃবিতে উদ্বোধন হলো সার্জারি গ্যালারি

প্রশাসন সূত্র বলছে, ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের বদলি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে পদায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার ৫টি উপজেলার ৬১টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট ৬২টি সচিবের পদ রয়েছে। বর্তমানে ৫৭ জন কর্মরত থাকলেও ৫টি পদ শূন্য রয়েছে। কর্মরতদের মধ্যে ৫২ জন বদলি কার্যক্রমে অংশ নেন।

এর মধ্যে ৪৫ জন নিজ নিজ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে পদায়নের জন্য লটারিতে অংশ নেন। অপরদিকে, আবেদন ও যৌক্তিক কারণ বিবেচনায় ৭ জনকে অন্য উপজেলায় পদায়নের সুযোগ দেওয়া হয় এবং তারাও লটারিতে অংশ নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কর্মরত বাকি ৫ জনের মধ্যে ৪ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় তাদের বদলি কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। একজনকে প্রশাসনিক কারণে এ প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বদলি কার্যক্রমে কোনো ধরনের পক্ষপাত বা প্রভাবের সুযোগ বন্ধ করতে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে লটারির আয়োজন করা হয়। বদলি করা কর্মকর্তাদের আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর ইরানে হামলার পরিকল্পনা আটকে দেন ট্রাম্প

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমাকে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


‘আমাকে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে কংগ্রেসের আকস্মিক বিক্ষোভ চলাকালীন, যখন পুলিশ রাহুল গান্ধীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন বিরোধী দলনেতা দাবি করেন যে তিনি পুলিশ থেকে একটি অপ্রত্যাশিত বার্তা পেয়েছেন। রাহুল জানান, আটকের সময় পুলিশ কর্মীরা তার কানে ফিসফিস করে বলেছিলেন, ‘এই সরকারকে হটান’।

বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে ভারতের শিক্ষাব্যবস্থায় কীভাবে ‘কারচুপি’ হচ্ছে, তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাহুল এই ঘটনার কথা তুলে ধরেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মোদির ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনের বাইরে নজিরবিহীন দৃশ্যের অবতারণা হয়। সেখানে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের প্রবীণ নেতারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন, যা নিরাপত্তাকর্মীদেরও অপ্রস্তুত করে দেয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও রাহুল সেখান থেকে সরতে রাজি না হওয়ায়, দিল্লি পুলিশ এলাকাটি খালি করতে তৎপর হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া নাটকীয় কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, নাক থেকে রক্ত ঝরতে থাকা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে পুলিশ হাত ও পা ধরে জোর করে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। রাহুলের দাবি, এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই পুলিশ কর্মীরা মোদি সরকারের প্রতি তাদের ব্যক্তিগত অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু তারা আমার কানে ফিসফিস করে বলছিল, এই সরকারকে হটান। আমি রাজস্থান থেকে এসেছি। আমি হরিয়ানা থেকে এসেছি। আমরা তো শুধু উর্দি পরে আছি।

বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, তাদের (পুলিশের) ওপর নির্দেশ আছে, তাই তারা সেটা পালন করছে। এমনকি পুলিশও বর্তমান পরিস্থিতিতে খুশি নয়। তারা জানে যে এখানে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তারা এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেদের সন্তানদের দেখতে পায়।

উত্তর-পশ্চিম দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে আটক থাকা এই কংগ্রেস সাংসদকে মঙ্গলবার রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়। বুধবার রাহুল তার বিরুদ্ধে পুলিশের এই পদক্ষেপকে বৃহত্তর স্বার্থের কাছে একটি ‘সামান্য মূল্য’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার মূল লক্ষ্য হলো ‘শিক্ষার্থী ও তরুণদের ইচ্ছা প্রকাশ করা’।

জাপানি মার্শাল আর্ট আইকিডোতে ব্ল্যাক বেল্ট অধিকারী রাহুল বলেন, আমার এসব ঘুষি-টুষি খাওয়ার অভ্যাস আছে। এটা কোনো ব্যাপার না। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে এটাই আমার কাজ। যেখানে কষ্ট আছে, সেখানে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা আমার দায়িত্ব। এগুলো খুবই সামান্য মূল্য। তাই দু-একটা ঘুষি খাওয়া, এটা কোনো ব্যাপার না। আমি এমন আরও অনেক আঘাত সানন্দে নিতে প্রস্তুত।

বুধবার সংসদে বিরোধীদের সর্বাঙ্গীণ কালো পোশাক পরিধানের সঙ্গে মিল রেখে, প্রতিবাদস্বরূপ একটি কালো আর্মব্যান্ড পরে রাহুল গান্ধী মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তার আক্রমণের পরিধি আরও বিস্তৃত করেন। গত ২০ জুলাই সংসদের দিকে পদযাত্রা করা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্মম দমন-পীড়নের মধ্যেই তার এই প্রতিবাদ সীমাবদ্ধ ছিল না। রাহুলের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল এনডিএ শাসনামলের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা, যা তার মতে সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাহুল দাবি করেন, গত এক দশকে ‘১৫২টি প্রশ্নপত্র ফাঁস’ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, অথচ ‘কারও শাস্তি হয়নি’। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার মানে প্রতি মাসে একটি করে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এটি ভারতের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে, যা আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল।

তিনি আরও বলেন, সরকার পুরো শিক্ষা বাজেটে যা ব্যয় করে, পরিবারগুলো একটি মাত্র পরীক্ষার পেছনে তার চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে।

নিজের বক্তব্যের শেষে বিরোধী দলনেতা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে আক্রমণ করে তাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ এবং ‘অযোগ্য’ বলে আখ্যায়িত করেন। রাহুল বলেন, শিক্ষার্থীদের ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। প্রধান একজন দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অযোগ্য মানুষ। তাকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নিন্দা

ঝিনাইদহের বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা ও অপসারণের ঘটনায় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

যদিও এর আগে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ভাস্কর্যটি বর্তমান স্থান থেকে সরানো না হওয়ার দাবিও জানানো হয়েছিল।

বিবৃতিদাতারা হচ্ছেন যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফি রতন, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাসদ (মাহবুব)-এর সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূঁইয়া, সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা এবং সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি সৈয়দ হারুন অর রশীদ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন যে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক, ভাস্কর্য এবং স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসের ঘটনা ঘটছে।

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের এই ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার একটি অংশ।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের আপত্তি উপেক্ষা করে জেলা প্রশাসন ভাস্কর্যটি বর্তমান স্থান থেকে সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিতে সরকার-সমর্থিত ব্যক্তিরা, বিলবোর্ড ব্যবসায়ীরা এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

নেতৃবৃন্দ এ ব্যাপারে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী হামিদুর রহমানের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ভাস্কর্যটি বর্তমান স্থানেই সংরক্ষণ করা উচিত। মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসের সব ধরনের উদ্যোগ বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। তারা একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সব ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী বছরের প্রথম দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


আগামী বছরের প্রথম দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী বছরের প্রথম দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসেবে। জনপ্রতিনিধিদের অবশ্যই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সেখানে আসতে হবে।

আজ বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে রাজধানীতে আয়োজিত বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ইচ্ছা অনুযায়ী বরখাস্ত করা উচিত নয়। ত্রাণের সঠিক বণ্টন হতে হবে। গরিবের হক যেন নষ্ট না হয়। চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের ভাতার বিষয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলে সম্মানজনক জায়গায় আনার চেষ্টা করবো।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘যদি স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা যায়, তবে রাষ্ট্রও শক্তিশালী হবে।’ এবছর ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা উল্লেখ করে, এ কাজে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এছাড়া সরকারি ত্রাণ সঠিকভাবে বণ্টনের জন্য পরামর্শও দেন তিনি।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, যিনি বলেন, বিগত সময়ে ত্রাণের বরাদ্দ দেওয়া হতো এপ্রিলে। তবে এবার থেকে ত্রাণের বরাদ্দ দেওয়া হবে সেপ্টেম্বর মাসে, যাতে বাকি চার মাসে বণ্টনের কাজ সম্পন্ন করা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুর পৌরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে নিরলস ভাবে কাজ করছেন মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোতালিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


মধুপুর পৌরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে নিরলস ভাবে কাজ করছেন মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোতালিব

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরবাসীর বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিখুঁতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোতালিব। তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সড়ক, ড্রেনেজ, পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক সেবার উন্নয়নে নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করছেন।

সম্প্রতি তিনি পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, চলাচল অযোগ্য রাস্তা মেরামতসহ বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ করছেন। খন্দকার মোতালিব জানান, একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও জনবান্ধব পৌরসভা গড়ে তোলাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তিনি বিশ্বাস করেন যে, জনগণের সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে মধুপুর পৌরসভাকে একটি উন্নয়নমুখী ও বাসযোগ্য পৌরসভায় পরিণত করা সম্ভব হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তিনি তাদের সমস্যা ও চাহিদার কথা শুনছেন। তাঁর এই জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমের কারণে অনেক পৌরবাসী ইতিবাচক প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন। মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোতালিব সকলের দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে বলেন যে, জনগণের আস্থা অর্জন করেই তিনি মধুপুর পৌরসভার উন্নয়নে কাজ করার পরিকল্পনা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%