বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২৯ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরের জেটিতে পৌঁছেছেন। এই সময় তিনি বন্দরের সার্বিক পরিচালনার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় মোংলার নৌঘাঁটি বৌনজা থেকে বন্দরের মেইন গেট দিয়ে জেটির ভেতরে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। গেটের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান।
তিনি মোংলা বন্দরের বর্ধিতকরণ প্রকল্প, জেটির সুবিধা, কন্টেইনার ইয়ার্ডসহ বন্দরের বিভিন্ন আধুনিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত স্থাপনা সরাসরি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন যাতে বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিকায়নের কাজ ত্বরান্বিত করা যায়।
এ সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিবৃন্দ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
সকাল ১০ টায় উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বৃদ্ধি এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা পর্যালোচনা করতে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এর আগে সকালে খুলনা ও সুন্দরবনের উপকূলীয় এলাকা হেলিকপ্টার এবং জলযানে পরিদর্শন শেষে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি সরাসরি মোংলা বন্দরের জেটি এলাকায় প্রবেশ করেন।
বন্দর পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ অন্যান্য প্রকল্পগুলো পর্যালোচনার পরিকল্পনা করেছেন। এরপর তিনি হেলিকপ্টারে ঢাকায় ফিরবেন তারেক রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাম উপসর্গের কারণে আরও দুই জনের মৃত্যু ঘটেছে।
এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১ জন মানুষ।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে ১ হাজার ১০৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০৪ শিশু।
এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ২০৭ জনে পৌঁছেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসারে স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে পুতুল সমাদ্দার (৫২) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের ধামুসা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী অরুণ সমাদ্দার ও তাঁর কথিত প্রেমিকা সারথী দে পলাতক রয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অরুণ সমাদ্দারের সঙ্গে একই গ্রামের সারথী দে নামে এক গৃহবধূর দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। বিষয়টি মীমাংসার জন্য একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিসও হয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। তবে তাতেও বিরোধের অবসান হয়নি।
বৃহস্পতিবার ভোরে এ বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রান্নাঘরে তাঁদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ সময় পুতুলের চিৎকার শুনে অরুণের বড় বোন পুষ্প দাস সেখানে ছুটে যান। পরে পুতুলকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এ ঘটনার পর অরুণ সমাদ্দার পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
নিহত পুতুল সমাদ্দার ধামুসা গ্রামের মৃত পুলিন নাগের মেয়ে। তাঁর স্বামী অরুণ সমাদ্দার একই গ্রামের মৃত জিতেন সমাদ্দারের ছেলে। তাঁদের সংসারে এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।
নিহতের বড় বোন পুষ্পা রাণী অভিযোগ করে বলেন, “আমার বোনজামাই অরুণের সঙ্গে একই এলাকার সারথী নামে এক গৃহবধূর পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এমনকি ওই নারীকে বাড়িতেও নিয়ে আসতেন তিনি। এ নিয়ে আমার বোন প্রায়ই প্রতিবাদ করতেন। সেই বিরোধের জেরেই আমার বোনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। আমি অরুণ ও তাঁর কথিত প্রেমিকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গৌতম সরকার বলেন, পরকীয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও অভিযুক্ত নারী পলাতক রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান মাহমুদ বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পুতুল সমাদ্দারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
শাওন বল
মাদারীপুর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলায় একটি খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় একটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে কুডিকাহনিয়া বাজারের কাছে একটি সেতুর নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বৃহস্পতিবার সকালে নীল রঙের একটি প্লাস্টিকের ড্রাম খালের পানিতে ভাসতে দেখা যায়, যা এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করে। পরে তারা স্থানীয় গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে শ্রীবরদী থানায় খবর দেন।
পুলিশ যখন ড্রামটি খুলে দেখে, তখন গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহটি দেখতে পান। মরদেহের কপাল ও মুখে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে, এখনও পর্যন্ত মরদেহটির পরিচয় জানা যায়নি।
এ বিষয়ে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. আব্দুল লতিফ জানান, ‘পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করতে কাজ চলছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ