নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৭ পি.এম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ৪নং আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক রুহুল আমিন। এ লক্ষ্যে তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন।
চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের বিষয়ে রুহুল আমিন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছি। আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মানুষের ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছি। জনগণ যদি আমাকে সমর্থন ও দোয়া করেন, তাহলে নির্বাচিত হয়ে সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের উন্নয়ন, মানুষের নাগরিক সেবা সহজ করা, রাস্তা-ঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নসহ এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চাই। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের পাশে থেকে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর ইউনিয়ন গড়ে তুলতে আমার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকবে।”
রুহুল আমিন বলেন, “আমি কোনো প্রতিশ্রুতির রাজনীতি করতে চাই না; মানুষের পাশে থেকে কাজ করার সুযোগ চাই। ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আগামী দিনে জনগণের মতামত ও সমর্থনকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।”
রুহুল আমিনের চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন সমর্থক। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় ইউনিয়নের মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সমর্থক নুর আলম বলেন, “রুহুল আমিন দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে আমরা তাঁর পাশে থেকে নির্বাচনী কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে চাই।”
আরেক সমর্থক রাকিব হাসান বলেন, “এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন। রুহুল আমিন মানুষের কথা শুনে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আমরা তাঁর উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছি।”
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ও সমর্থকরা বলেন, “আমরা চাই, যিনি চেয়ারম্যান হবেন তিনি যেন দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করেন। রুহুল আমিনের কাছে আমাদের প্রত্যাশাও এমনই। জনগণ তাঁর পাশে থাকলে তিনি এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আমরা আশা করি।”
চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশের পর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় ও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন বলে জানান তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও নবগঠিত জেলা যুবলীগের অর্থ সম্পাদক সোহেল বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (রাত) নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারকৃত সোহেল বিশ্বাসকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হবে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলোর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়
সন্দ্বীপের কৃতি সন্তান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টনের শুভ জন্মদিন উপলক্ষে সন্দ্বীপে আনন্দঘন পরিবেশে জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টনের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কামরুজ্জামান ডালিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা শ্রমিক দল; মোশারফ হোসেন, সদস্য, যুবদল চট্টগ্রাম উত্তর জেলা; মিজানুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ছাত্রদল পৌরসভা; ফেরদৌস আহম্মেদ কৌশিক, সাবেক সভাপতি, ছাত্রদল পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা মারুফ আহম্মেদ, পৌরসভা; মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, ছাত্রদল সন্দ্বীপ উপজেলা; মোঃ মাঈনউদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক, মগধরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে যুবদল নেতা জুয়েল, মহিউদ্দিন, রিয়াদ, মেরাজ, মিজান এবং ছাত্রদল নেতা সামছুল আরেফিন শুভ, শিপন রাজা, হেদায়েতসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টনের জন্মদিনে তারা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও রাজনৈতিক জীবনের সফলতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৩ নম্বর ইটবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ খালেদা আক্তার স্থানীয় শাহিন আলমের বিরুদ্ধে মানহানি, হয়রানি, হামলা এবং মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ করেছেন।
সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
মোসাম্মৎ খালেদা আক্তার বলেন, তিনি প্রায় ২৪ বছর ধরে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত এক বছর নয় মাস ধরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর দাবি, এ সময়ে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তাঁর দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কোনো অভিযোগ ওঠেনি।
তবে তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় শাহিন আলমের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মানহানির শিকার হয়ে আসছেন। খালেদা আক্তারের দাবি, একপর্যায়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পেছনে শাহিন আলমসহ কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা করেন। এ সময় তাঁর ব্যাগ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় তিনি ওই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পান বলে জানান।
খালেদা আক্তার আরও অভিযোগ করেন, শাহিন আলম আদালতের মহরি হিসেবে কাজ করেন এবং তাঁর বড় ভাই আউয়াল হোসেন আইনজীবী হওয়ায় তাঁদের প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় সাধারণ মানুষকে মামলায় হয়রানি করা হয়। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাঁকেও বিভিন্ন মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, একটি নির্বাচনে তাঁর সঙ্গে শাহিন আলমের স্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তিনি প্রায় ১ হাজার ৫০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন এবং শাহিন আলমের স্ত্রী প্রায় ৬০০ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। এরপর থেকেই তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন খালেদা আক্তার।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতে ৩২২ নম্বর মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে শাহিন আলম তাঁর বিরুদ্ধে ১৪০৪ নম্বর মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন বলে দাবি করেন। এছাড়া ৫২৫ নম্বর মামলায় তাঁকে আসামি করা হয় এবং ওই মামলা থেকেও চলতি বছরের জুন মাসে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে খালেদা আক্তার বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও তিনি যদি এভাবে হয়রানির শিকার হন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দেয়। তিনি এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জরুরি ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে শাহিন আলমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডির প্রতিনিধিদের কাছে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ খালেদা আক্তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের লিজকৃত জমি অবৈধভাবে দখল করে রাতের আঁধারে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান বোরহানের বিচার ও জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। বুধবার সকালে শহরের ডিসির ব্রিজ সংলগ্ন বিদ্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মানববন্ধনে উপস্থাপন বক্তারা বলেন,মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে যথাযথভাবে লিজকৃত (লিজ নং: XII-VP-02/86-87) জমিটি দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ের শান্তিপূণ দখলে রয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।অত্যন্ত দুঃখের বিষয়,স্থানীয় মাহবুবুর রহমান (বোরহান) বিদ্যালয়ের কোনো অনুমতি ছাড়াই রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে জমিটি দখলের পাঁয়তারা করছেন। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বেদখল হওয়ার চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ও বিদ্যালয়ের লিজকৃত জমি রক্ষার্থে বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকার ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামরুন নাহার,সহকারী শিক্ষক তাসলিমা খানম,নাছিমা খানম,সিরাজুল ইসলাম,শফিকুল ইসলাম,জিল্লুর রহমান, ছিরাতুন নাহার,শাহিদা বেগম,মাহবুবুর রহমান, সুশান্ত বাড়ৈ,সালাউদ্দিন আহমদ,আওলাদ হোসেনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ