আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি
বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১২ পি.এম
বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে কেক কাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়
সন্দ্বীপের কৃতি সন্তান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টনের শুভ জন্মদিন উপলক্ষে সন্দ্বীপে আনন্দঘন পরিবেশে জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টনের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কামরুজ্জামান ডালিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা শ্রমিক দল; মোশারফ হোসেন, সদস্য, যুবদল চট্টগ্রাম উত্তর জেলা; মিজানুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ছাত্রদল পৌরসভা; ফেরদৌস আহম্মেদ কৌশিক, সাবেক সভাপতি, ছাত্রদল পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা মারুফ আহম্মেদ, পৌরসভা; মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, ছাত্রদল সন্দ্বীপ উপজেলা; মোঃ মাঈনউদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক, মগধরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে যুবদল নেতা জুয়েল, মহিউদ্দিন, রিয়াদ, মেরাজ, মিজান এবং ছাত্রদল নেতা সামছুল আরেফিন শুভ, শিপন রাজা, হেদায়েতসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টনের জন্মদিনে তারা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও রাজনৈতিক জীবনের সফলতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৩ নম্বর ইটবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ খালেদা আক্তার স্থানীয় শাহিন আলমের বিরুদ্ধে মানহানি, হয়রানি, হামলা এবং মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ করেছেন।
সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
মোসাম্মৎ খালেদা আক্তার বলেন, তিনি প্রায় ২৪ বছর ধরে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত এক বছর নয় মাস ধরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর দাবি, এ সময়ে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তাঁর দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কোনো অভিযোগ ওঠেনি।
তবে তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় শাহিন আলমের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মানহানির শিকার হয়ে আসছেন। খালেদা আক্তারের দাবি, একপর্যায়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পেছনে শাহিন আলমসহ কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা করেন। এ সময় তাঁর ব্যাগ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় তিনি ওই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পান বলে জানান।
খালেদা আক্তার আরও অভিযোগ করেন, শাহিন আলম আদালতের মহরি হিসেবে কাজ করেন এবং তাঁর বড় ভাই আউয়াল হোসেন আইনজীবী হওয়ায় তাঁদের প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় সাধারণ মানুষকে মামলায় হয়রানি করা হয়। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাঁকেও বিভিন্ন মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, একটি নির্বাচনে তাঁর সঙ্গে শাহিন আলমের স্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তিনি প্রায় ১ হাজার ৫০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন এবং শাহিন আলমের স্ত্রী প্রায় ৬০০ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। এরপর থেকেই তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন খালেদা আক্তার।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতে ৩২২ নম্বর মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে শাহিন আলম তাঁর বিরুদ্ধে ১৪০৪ নম্বর মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন বলে দাবি করেন। এছাড়া ৫২৫ নম্বর মামলায় তাঁকে আসামি করা হয় এবং ওই মামলা থেকেও চলতি বছরের জুন মাসে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে খালেদা আক্তার বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও তিনি যদি এভাবে হয়রানির শিকার হন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দেয়। তিনি এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জরুরি ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে শাহিন আলমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডির প্রতিনিধিদের কাছে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ খালেদা আক্তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের লিজকৃত জমি অবৈধভাবে দখল করে রাতের আঁধারে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান বোরহানের বিচার ও জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। বুধবার সকালে শহরের ডিসির ব্রিজ সংলগ্ন বিদ্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মানববন্ধনে উপস্থাপন বক্তারা বলেন,মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে যথাযথভাবে লিজকৃত (লিজ নং: XII-VP-02/86-87) জমিটি দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ের শান্তিপূণ দখলে রয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।অত্যন্ত দুঃখের বিষয়,স্থানীয় মাহবুবুর রহমান (বোরহান) বিদ্যালয়ের কোনো অনুমতি ছাড়াই রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে জমিটি দখলের পাঁয়তারা করছেন। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বেদখল হওয়ার চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ও বিদ্যালয়ের লিজকৃত জমি রক্ষার্থে বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকার ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামরুন নাহার,সহকারী শিক্ষক তাসলিমা খানম,নাছিমা খানম,সিরাজুল ইসলাম,শফিকুল ইসলাম,জিল্লুর রহমান, ছিরাতুন নাহার,শাহিদা বেগম,মাহবুবুর রহমান, সুশান্ত বাড়ৈ,সালাউদ্দিন আহমদ,আওলাদ হোসেনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইল সদরের কলোড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস। ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও কলোড়া ইউপিতে নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ইতোমধ্যে কলোড়া ইউপির ১ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দুই গ্রামের সংযোগস্থল হরি নদীর ওপর লোহার ব্রিজ নিজ অর্থায়নে নির্মাণ করে দিয়েছেন রবি বিশ্বাস। এতে দুই গ্রামবাসী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী উপকৃত হয়েছেন।
আগদিয়ারচর গ্রামের বিমল বিশ্বাস, শিমুলিয়া গ্রামের জহুর মোল্যা ও বাহিরগ্রামের তাহাজ্জত মোল্যাসহ এলাকার অনেকে বলেন, রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস অনেক আগেই থেকে আমাদের এলাকার মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছেন। তিনি নির্বাচনকে সামনে রেখেই মাঠে নামেননি, প্রায় ২০ বছর ধরে এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। তাকে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ও বলেন গ্রামবাসী।
ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া আকতার জানায়, তার বাড়ি বাহিরগ্রাম। বিদ্যালয়ে আসতে মাঝখানে হরি নদী পার হতো। বাঁশের সাঁকো দিয়ে যেতে ভয় পেত। এখন লোহার ব্রিজ পার হতে সহজ হয়েছে।
এছাড়া রবি বিশ্বাস কলোড়া ইউনিয়নের স্কুল, মাদরাসা ও এতিমখানাসহ অন্তত ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের পোশাকসহ (ইউনিফর্ম) গরিব মেধাবীদের আর্থিক সুবিধা দিয়েছেন। ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি মসজিদ ও মন্দিরে অনুদান দিয়েছেন। কাদামাটির গ্রামীণ রাস্তায় বালি ও কংক্রিটের খোয়া বিছিয়ে যাতায়াতের সুবিধা করে দিয়েছেন।
আগদিয়ারচর গ্রামের শামসুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে সৌদিপ্রবাসী বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস বলেন, আমি সবসময় চেষ্টা করি আত্মমানবতার সেবায় কাজ করার। আল্লাহ আমাকে টাকা-পয়সা দিয়েছেন, আমার সাধ্যমতো মানুষের সেবা করি। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। আজীবন মানুষের সেবা যেন করতে পারি, সেই চেষ্টা করে যাবো
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামে চলতি মৌসুমে পাটের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও বাজারে পাটের চাহিদা ও দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। বেসরকারি পাট ক্রয়কেন্দ্রগুলোর উপস্থিতি না থাকলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মজুদদাররা পাট কিনে গুদামজাত করছেন। মোকামের তুলনায় স্থানীয় বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় ১৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতি মণে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম পাচ্ছেন কৃষকরা।
পাটচাষিরা জানান, প্রতিবছরই পাট চাষে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। এ বছর পুকুর ও খালের পানিতে স্বল্পতা থাকায় উঁচু এলাকার কৃষকদের দূরের জলাশয়ে নিয়ে পাট জাগ দিতে হয়েছে। এতে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বেড়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের অববাহিকার কৃষকদের এ ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি।
নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের পাটচাষি মতিয়ার রহমান ৮ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। সময়মতো পাট ঘরে তুলেছেন তিনি। ধরলা নদীর পরিষ্কার পানিতে পাট জাগ দেওয়ায় আঁশের রং ও মান ভালো হয়েছে। ফলে বাজারে পাটের ভালো দাম পাচ্ছেন বলে জানান এই কৃষক।
একই উপজেলার ভিতরবন্দ এলাকার চাষি নির্মল চন্দ্র ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। ভালো দাম পাওয়ায় ইতোমধ্যে কিছু পাট বিক্রি করেছেন তিনি। বাকি পাটের দাম আরও বাড়ার আশায় মজুদ রেখেছেন।
জেলা সদরের ব্রহ্মপুত্র নদঘেঁষা ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর হাটের পাট ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম বলেন, “নিজস্ব গুদাম না থাকায় ভাড়ায় গুদাম নিয়ে পাট কিনে মজুদ করছি। বেসরকারি কোম্পানিগুলো পুরোদমে পাট কেনা শুরু করলে দাম আরও বাড়তে পারে। তখন ভালো দামে বিক্রির আশায় পাট মজুদ রাখা হচ্ছে।”
কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ বছর যথাসময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকদের পাট জাগ দিতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। তবে সার্বিকভাবে ভালো ফলন ও সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় এ অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ