মাইদুল ইসলাম মামুন নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩১ পি.এম
কুড়িগ্রামে চলতি মৌসুমে পাটের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও বাজারে পাটের চাহিদা ও দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। বেসরকারি পাট ক্রয়কেন্দ্রগুলোর উপস্থিতি না থাকলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মজুদদাররা পাট কিনে গুদামজাত করছেন। মোকামের তুলনায় স্থানীয় বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় ১৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতি মণে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম পাচ্ছেন কৃষকরা।
পাটচাষিরা জানান, প্রতিবছরই পাট চাষে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। এ বছর পুকুর ও খালের পানিতে স্বল্পতা থাকায় উঁচু এলাকার কৃষকদের দূরের জলাশয়ে নিয়ে পাট জাগ দিতে হয়েছে। এতে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বেড়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের অববাহিকার কৃষকদের এ ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি।
নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের পাটচাষি মতিয়ার রহমান ৮ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। সময়মতো পাট ঘরে তুলেছেন তিনি। ধরলা নদীর পরিষ্কার পানিতে পাট জাগ দেওয়ায় আঁশের রং ও মান ভালো হয়েছে। ফলে বাজারে পাটের ভালো দাম পাচ্ছেন বলে জানান এই কৃষক।
একই উপজেলার ভিতরবন্দ এলাকার চাষি নির্মল চন্দ্র ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। ভালো দাম পাওয়ায় ইতোমধ্যে কিছু পাট বিক্রি করেছেন তিনি। বাকি পাটের দাম আরও বাড়ার আশায় মজুদ রেখেছেন।
জেলা সদরের ব্রহ্মপুত্র নদঘেঁষা ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর হাটের পাট ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম বলেন, “নিজস্ব গুদাম না থাকায় ভাড়ায় গুদাম নিয়ে পাট কিনে মজুদ করছি। বেসরকারি কোম্পানিগুলো পুরোদমে পাট কেনা শুরু করলে দাম আরও বাড়তে পারে। তখন ভালো দামে বিক্রির আশায় পাট মজুদ রাখা হচ্ছে।”
কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ বছর যথাসময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকদের পাট জাগ দিতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। তবে সার্বিকভাবে ভালো ফলন ও সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় এ অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়াকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও মুখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত এবং প্রধান উপদেষ্টা ভদন্ত অজিতানন্দ মহাথেরোর অনুমতিক্রমে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ-১২ অনুসারে প্রকাশ কুসুম বড়ুয়াকে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যক্রম রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি—এই তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে পরিচালিত হয়।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে ‘বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রায় এক যুগ পর রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৩৯ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ভদন্ত অজিতানন্দ মহাথেরো, সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া, সহ-সভাপতি জিনপদ বড়ুয়া ও শিক্ষক পংকজ কুসুম বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন কান্তি বড়ুয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিপুন বড়ুয়া জিকু, অর্থ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, যুব বিষয়ক সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বাপ্পি, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক স্বাধীন বড়ুয়া নিশু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নেলী বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রুবেল বড়ুয়া এবং দপ্তর সম্পাদক দেবাশীষ বড়ুয়াসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হিসেবে রুবেল বড়ুয়া (২), কাঞ্চন বড়ুয়া, হৃদয় বড়ুয়া, সাধন চন্দ্র বড়ুয়া, বাবুল বড়ুয়া, দেবপ্রিয় বড়ুয়া, নয়ন বিকাশ বড়ুয়া, তেমিয় বড়ুয়া, দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, প্রিয়তোষ বড়ুয়া, দিলীপ বড়ুয়া, আকাশ বড়ুয়া, মানিক বড়ুয়া, লিটন বড়ুয়া, রুপাল বড়ুয়া, মুক্ত বড়ুয়া, ডাঃ প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, তপু বড়ুয়া ও শান্তা বড়ুয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম, তিন পার্বত্য জেলার সমন্বয় এবং বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে।
এই পদক্ষেপটি দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের বর্ণভিত্তিক বৈষম্যমূলক নীতির অভিযোগ তুলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিয়মিত সমালোচনার পর নেওয়া হয়েছে।
এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প দক্ষিণ আফ্রিকার ভূমি ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত আইনগুলোর প্রতি কঠোর সমালোচনা করে আসছেন।
এসব আইনের উদ্দেশ্য হলো, বর্ণবাদী শাসনের অবসানের প্রায় ৩০ বছর পরেও কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ব্যাপক অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য কমানো।
২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প দেশটিতে ‘শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা’ চলছে— এমন একটি দাবি উত্থাপন করেন।
তবে, এই দাবি ব্যাপকভাবে ভিত্তিহীন ও অসত্য হিসেবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
এছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করেছে এবং জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলন বর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ এমন একটি সরকারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যে সরকার আফ্রিকানার সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে জাতিগত বিদ্বেষমূলক নীতির পেছনে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে গিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে।’
রুবিও আরও জানান, নতুন ভিসা বিধিনিষেধ তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে, যারা দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘বর্ণভিত্তিক বৈষম্যকে উৎসাহিত করে, সহিংসতায় উসকানি দেয় অথবা ক্ষতিপূরণ ছাড়াই জমি অধিগ্রহণে সহায়তা করে।’
ট্রাম্প গত বছর ক্ষমতায় আসার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ আফ্রিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। ট্রাম্প প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য মার্কিন সহায়তা কমিয়েছে, দেশটির রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে এবং ‘নির্যাতনের’ শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে চাওয়া শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকানদের জন্য বিশেষ সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সামগ্রিকভাবে কঠোর অবস্থান নিলেও আফ্রিকানার নামে পরিচিত শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকানদের যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ দিতে একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু করেছেন। এর আওতায় ইতোমধ্যেই হাজার হাজার আফ্রিকানার যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখতে গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা একটি নতুন ও ‘উদার’ বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
দেশটি আশঙ্কা করছে, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চহারে শুল্ক আরোপের কারণে কর্মসংস্থান কমে যেতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বেকারত্বের হার ইতোমধ্যেই অত্যন্ত বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মঙ্গলবার কানাডাকে বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, যা বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের এক সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়।
তবে তিনি এও স্বীকার করেছেন যে, বাণিজ্যযুদ্ধ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে, তবুও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
কানাডার অর্থনীতিকে বহুমুখী করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে কার্নি কানাডা ইনভেস্টমেন্ট সামিটের আয়োজন করেন। তিনি দাবি করেন যে, ক্রমবর্ধমান সংরক্ষণবাদী নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কানাডার অর্থনীতির অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি হয়েছে।
সম্মেলনটি টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌম সম্পদ তহবিল, ইউরোপের বিভিন্ন ব্যাংক, চায়না ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন এবং আফ্রিকার শীর্ষ ধনী ব্যক্তি ও নাইজেরিয়ার ব্যবসায়ী আলিকো ডাঙ্গোটে-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরাও এতে উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে কার্নি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে কানাডায় ১ ট্রিলিয়ন কানাডীয় ডলার (৭২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাই আমাদের লক্ষ্য।’ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে করছাড় এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
কার্নি আরও বলেন, বিশ্বের প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত কানাডার রয়েছে। তিনি এসব খাতকে ‘কৌশলগত স্বনির্ভরতার’ মূল চাবিকাঠি হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি একটি নতুন পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন ১০ লাখ ব্যারেল কম-নিঃসরণকারী আলবার্টার তেল এশিয়ার বাজারে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি পরাশক্তি হিসেবে আমরা কানাডার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাচ্ছি।’
তিনি জানান, কানাডার চারটি বৃহত্তম বিমানবন্দরে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে। আগের সরকারগুলো এই বিতর্কিত পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করলেও কার্নির দাবি, এর মাধ্যমে সরকারের আয় কয়েক বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকরকের প্রধান নির্বাহী ল্যারি ফিঙ্ক সম্মেলনে বলেন, ‘কানাডা সরকার আজ যে পরিকল্পনাগুলো উপস্থাপন করেছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করলে আমি বিশ্বাস করি আন্তর্জাতিক পুঁজি এসব সুযোগের দিকে আসবে।’
কানাডার কিছু পণ্যের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন শুল্ক আরোপের কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া উদ্বোধনী বক্তব্যে কার্নি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদী থাকার কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় প্রতিবেশী থাকব এবং গুরুত্বপূর্ণ অনেক ক্ষেত্রে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে থাকবে।’
দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
কার্নি বলেন, পরিস্থিতি অনুকূল হলে কানাডা আবারও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদার করবে। তবে সেটি হবে আরও ‘শক্তিশালী’ ও ‘স্বাধীন’ অবস্থান থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ