ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন


মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের লিজকৃত জমি অবৈধভাবে দখল করে রাতের আঁধারে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান বোরহানের বিচার ও জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। বুধবার সকালে শহরের ডিসির ব্রিজ সংলগ্ন বিদ্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মানববন্ধনে উপস্থাপন বক্তারা বলেন,মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে যথাযথভাবে লিজকৃত (লিজ নং: XII-VP-02/86-87) জমিটি দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ের শান্তিপূণ দখলে রয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।অত্যন্ত দুঃখের বিষয়,স্থানীয় মাহবুবুর রহমান (বোরহান) বিদ্যালয়ের কোনো অনুমতি ছাড়াই রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে জমিটি দখলের পাঁয়তারা করছেন। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বেদখল হওয়ার চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ও বিদ্যালয়ের লিজকৃত জমি রক্ষার্থে বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকার ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামরুন নাহার,সহকারী শিক্ষক তাসলিমা খানম,নাছিমা খানম,সিরাজুল ইসলাম,শফিকুল ইসলাম,জিল্লুর রহমান, ছিরাতুন নাহার,শাহিদা বেগম,মাহবুবুর রহমান, সুশান্ত বাড়ৈ,সালাউদ্দিন আহমদ,আওলাদ হোসেনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলের কলোড়া ইউপিতে জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন রবি বিশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


নড়াইলের কলোড়া ইউপিতে জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন রবি বিশ্বাস

নড়াইল সদরের কলোড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস। ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও কলোড়া ইউপিতে নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ইতোমধ্যে কলোড়া ইউপির ১ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দুই গ্রামের সংযোগস্থল হরি নদীর ওপর লোহার ব্রিজ নিজ অর্থায়নে নির্মাণ করে দিয়েছেন রবি বিশ্বাস। এতে দুই গ্রামবাসী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী উপকৃত হয়েছেন।

আগদিয়ারচর গ্রামের বিমল বিশ্বাস, শিমুলিয়া গ্রামের জহুর মোল্যা ও বাহিরগ্রামের তাহাজ্জত মোল্যাসহ এলাকার অনেকে বলেন, রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস অনেক আগেই থেকে আমাদের এলাকার মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছেন। তিনি নির্বাচনকে সামনে রেখেই মাঠে নামেননি, প্রায় ২০ বছর ধরে এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। তাকে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ও বলেন গ্রামবাসী।  

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া আকতার জানায়, তার বাড়ি বাহিরগ্রাম। বিদ্যালয়ে আসতে মাঝখানে হরি নদী পার হতো। বাঁশের সাঁকো দিয়ে যেতে ভয় পেত। এখন লোহার ব্রিজ পার হতে সহজ হয়েছে।

এছাড়া রবি বিশ্বাস কলোড়া ইউনিয়নের স্কুল, মাদরাসা ও এতিমখানাসহ অন্তত ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের পোশাকসহ (ইউনিফর্ম) গরিব মেধাবীদের আর্থিক সুবিধা দিয়েছেন। ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি মসজিদ ও মন্দিরে অনুদান দিয়েছেন। কাদামাটির গ্রামীণ রাস্তায় বালি ও কংক্রিটের খোয়া বিছিয়ে যাতায়াতের সুবিধা করে দিয়েছেন।  

আগদিয়ারচর গ্রামের শামসুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে সৌদিপ্রবাসী বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস বলেন, আমি সবসময় চেষ্টা করি আত্মমানবতার সেবায় কাজ করার। আল্লাহ আমাকে টাকা-পয়সা দিয়েছেন, আমার সাধ্যমতো মানুষের সেবা করি। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। আজীবন মানুষের সেবা যেন করতে পারি, সেই চেষ্টা করে যাবো

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাটের বাজারে কৃষকের মুখে হাসি, ভালো দামে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাইদুল ইসলাম মামুন নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩১ পি.এম


পাটের বাজারে কৃষকের মুখে হাসি, ভালো দামে স্বস্তি

 

কুড়িগ্রামে চলতি মৌসুমে পাটের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও বাজারে পাটের চাহিদা ও দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। বেসরকারি পাট ক্রয়কেন্দ্রগুলোর উপস্থিতি না থাকলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মজুদদাররা পাট কিনে গুদামজাত করছেন। মোকামের তুলনায় স্থানীয় বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় ১৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতি মণে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম পাচ্ছেন কৃষকরা।

পাটচাষিরা জানান, প্রতিবছরই পাট চাষে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। এ বছর পুকুর ও খালের পানিতে স্বল্পতা থাকায় উঁচু এলাকার কৃষকদের দূরের জলাশয়ে নিয়ে পাট জাগ দিতে হয়েছে। এতে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বেড়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের অববাহিকার কৃষকদের এ ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি।

নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের পাটচাষি মতিয়ার রহমান ৮ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। সময়মতো পাট ঘরে তুলেছেন তিনি। ধরলা নদীর পরিষ্কার পানিতে পাট জাগ দেওয়ায় আঁশের রং ও মান ভালো হয়েছে। ফলে বাজারে পাটের ভালো দাম পাচ্ছেন বলে জানান এই কৃষক।

একই উপজেলার ভিতরবন্দ এলাকার চাষি নির্মল চন্দ্র ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। ভালো দাম পাওয়ায় ইতোমধ্যে কিছু পাট বিক্রি করেছেন তিনি। বাকি পাটের দাম আরও বাড়ার আশায় মজুদ রেখেছেন।

জেলা সদরের ব্রহ্মপুত্র নদঘেঁষা ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর হাটের পাট ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম বলেন, “নিজস্ব গুদাম না থাকায় ভাড়ায় গুদাম নিয়ে পাট কিনে মজুদ করছি। বেসরকারি কোম্পানিগুলো পুরোদমে পাট কেনা শুরু করলে দাম আরও বাড়তে পারে। তখন ভালো দামে বিক্রির আশায় পাট মজুদ রাখা হচ্ছে।”

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ বছর যথাসময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকদের পাট জাগ দিতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। তবে সার্বিকভাবে ভালো ফলন ও সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় এ অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি কর্মকর্তাকে সাংবাদিকদের ফুলেল সংবর্ধনা: পেশাগত নীতি ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


সরকারি কর্মকর্তাকে সাংবাদিকদের ফুলেল সংবর্ধনা: পেশাগত নীতি ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

 

 
কোনো সরকারি কর্মকর্তার কর্মস্থলে যোগদান কিংবা বিদায় উপলক্ষে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়ার ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। তবে সাংবাদিকতার সার্বজনীন নীতি ও পেশাদারিত্বের মানদণ্ডে এমন চর্চা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কুড়িগ্রামের কয়েকটি উপজেলায় এ ধরনের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যেই আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
 
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আইন, ১৯৭৪-এর আওতায় সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার পেশাগত মানদণ্ড রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। একইভাবে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল প্রণীত ‘সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় আচরণবিধি, ১৯৯৩ (২০০২ সালে সংশোধিত)’ সাংবাদিকদের পেশাগত আচরণের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
 
আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী, সাংবাদিকের ভূমিকা হওয়া উচিত নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক ও প্রশ্নকর্তার। সরকারি কর্মকর্তাকে ফুল দিয়ে বরণ বা বিদায় জানানোর মাধ্যমে গণমাধ্যম ও প্রশাসনের মধ্যে অনভিপ্রেত ঘনিষ্ঠতার বার্তা তৈরি হতে পারে। এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অনিয়ম, দুর্নীতি বা প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে পরবর্তীতে বস্তুনিষ্ঠ ও পক্ষপাতহীন সংবাদ পরিবেশনে পেশাগত সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
 
গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ বলা হয়। ক্ষমতাশীলদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা বা Watchdog role পালন করা গণমাধ্যমের অন্যতম দায়িত্ব। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের নিয়মিত সংবর্ধনা দেওয়া সেই স্বাধীন নজরদারির অবস্থানকে দুর্বল করে গণমাধ্যমকে প্রশাসনের প্রশংসাকারী হিসেবে উপস্থাপনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
 
সাংবাদিকতা বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবাদসূত্রের সঙ্গে পেশাগত দূরত্ব বজায় রাখা সাংবাদিকতার অন্যতম শর্ত। কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা, বিশেষ সুবিধা কিংবা সহজে তথ্য পাওয়ার প্রত্যাশায় ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে ‘স্বার্থের দ্বন্দ্ব’ দেখা দিতে পারে। ফুলেল শুভেচ্ছা বা সংবর্ধনার মাধ্যমে সাংবাদিক ও কর্মকর্তার মধ্যকার পেশাগত সীমারেখাও দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
 
অনেক সময় অসাধু বা বিতর্কিত কর্মকর্তারা স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে সংবর্ধনা নিয়ে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার চেষ্টা করতে পারেন। এতে সাধারণ মানুষের কাছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সৎ ও গণমাধ্যমের সমর্থনপুষ্ট—এমন ধারণা তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকে, যা প্রশাসনিক অনিয়ম আড়াল করার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারে।
 
অন্যদিকে, সাংবাদিকদের কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার প্রতি অতিরিক্ত অনুগত আচরণ সাধারণ পাঠক ও দর্শকদের মধ্যে সংবাদমাধ্যমের নিরপেক্ষতা, গ্রহণযোগ্যতা ও তথ্যের সততা নিয়ে সংশয় তৈরি করতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদে গণমাধ্যমের প্রতি জনগণের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
 
তবে সরকারি কর্মকর্তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা বা সংবর্ধনা দেওয়াকে সরাসরি নিষিদ্ধ করেছে—এমন নির্দিষ্ট আইন বা বিধানের উল্লেখ নেই। বিষয়টি মূলত সাংবাদিকতার পেশাগত আচরণ, নিরপেক্ষতা, স্বার্থের দ্বন্দ্ব এবং সংবাদসূত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখার নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
 
বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট কারণে প্রেস ক্লাব ও সাংবাদিক সংগঠনগুলো সৌজন্যমূলক অভ্যর্থনার আয়োজন করে থাকে। সংশ্লিষ্টদের মতে, পেশাদারিত্ব বজায় রাখা ও গণমাধ্যমের প্রতি জনগণের আস্থা অটুট রাখতে এ ধরনের চর্চা নিয়ে নতুন করে ভাবা প্রয়োজন। প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সম্পর্ক হওয়া উচিত পেশাগত দূরত্ব, সততা, জবাবদিহিতা ও বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে—সংবর্ধনার নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‎পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎স্টাফ রিপোর্টার (রাঙামাটি)

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫০ পি.এম


‎পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া

‎পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়াকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও মুখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
‎
‎বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত এবং প্রধান উপদেষ্টা ভদন্ত অজিতানন্দ মহাথেরোর অনুমতিক্রমে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ-১২ অনুসারে প্রকাশ কুসুম বড়ুয়াকে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যক্রম রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি—এই তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে পরিচালিত হয়।
‎
‎সংগঠন সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে ‘বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যের অবসান চাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রায় এক যুগ পর রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৩৯ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়।
‎
‎কমিটিতে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ভদন্ত অজিতানন্দ মহাথেরো, সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন, সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া, সহ-সভাপতি জিনপদ বড়ুয়া ও শিক্ষক পংকজ কুসুম বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন কান্তি বড়ুয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিপুন বড়ুয়া জিকু, অর্থ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, যুব বিষয়ক সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বাপ্পি, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক স্বাধীন বড়ুয়া নিশু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নেলী বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রুবেল বড়ুয়া এবং দপ্তর সম্পাদক দেবাশীষ বড়ুয়াসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
‎
‎এছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হিসেবে রুবেল বড়ুয়া (২), কাঞ্চন বড়ুয়া, হৃদয় বড়ুয়া, সাধন চন্দ্র বড়ুয়া, বাবুল বড়ুয়া, দেবপ্রিয় বড়ুয়া, নয়ন বিকাশ বড়ুয়া, তেমিয় বড়ুয়া, দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, প্রিয়তোষ বড়ুয়া, দিলীপ বড়ুয়া, আকাশ বড়ুয়া, মানিক বড়ুয়া, লিটন বড়ুয়া, রুপাল বড়ুয়া, মুক্ত বড়ুয়া, ডাঃ প্রকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, তপু বড়ুয়া ও শান্তা বড়ুয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
‎
‎নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে প্রকাশ কুসুম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম, তিন পার্বত্য জেলার সমন্বয় এবং বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%