রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫১ পি.এম
ভারতের ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ১৭৮তম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৪ হাজার ৭৮৮ রানে পৌঁছে সুজি বেটসকে পেছনে ফেলেছেন।
নারী টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার রেকর্ডটি তিনি রবিবার অর্জন করেন। নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটসকে অতিক্রম করে মান্ধানা এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
ভারতের ইনিংসের তৃতীয় ওভারে এসে ৮ রান নিয়ে বেটসকে ছাড়িয়ে যান মান্ধানা। বেটস ১৭৮ ইনিংসে ৪ হাজার ৭৫৮ রান করেছিলেন। মান্ধানা সেই রান টপকাতে সক্ষম হন ১৭১তম ইনিংসে, যা ছিল তাঁর ১৭৮তম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
রবিবার মান্ধানা ১৯ বলে ৩৭ রান করেন। তাঁর ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা ছিল। দারুণ ছন্দে থাকা এই ওপেনারের ইনিংস পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে শেষ হয়। নাহিদা আক্তারের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে টাইমিং ঠিক রাখতে পারেননি তিনি এবং ডিপ মিডউইকেটে শোভনা মোস্তারির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান।
তবে তার আগে তিনি ইতিহাসে নাম লেখাতে সক্ষম হন। সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডের পাশাপাশি, একই ম্যাচে নারী টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ভারতীয় নারী হিসেবে ১০০ ছক্কার মাইলফলকও স্পর্শ করেন মান্ধানা।
সম্প্রতি, ভারতের এই ওপেনার একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন। নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের মালিক হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডও তাঁর দখলে রয়েছে। নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মান্ধানার সেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ১৮টি।
নারী টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় মান্ধানার পর দ্বিতীয় স্থানে আছেন বেটস। নিউজিল্যান্ডের সাবেক এই ব্যাটার ১৮৬ ম্যাচে ৪ হাজার ৭৫৮ রান করেছেন। ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ২০৯ ম্যাচে ৪ হাজার ২৮৭ রান নিয়ে তৃতীয় স্থানে, শ্রীলঙ্কার চামারি আথাপাত্থু ১৭২ ম্যাচে ৪ হাজার ২৮২ রান নিয়ে চতুর্থ এবং নিউজিল্যান্ডের সোফি ডিভাইন ১৫৮ ম্যাচে ৩ হাজার ৮১৭ রান নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন।
এশিয়ান গেমসের ব্যস্ত সূচির মধ্যে রয়েছে মান্ধানার ভারত। ১৮ সেপ্টেম্বর স্বাগতিক জাপানকে কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়ে তারা সেমিফাইনালে প্রবেশ করেছে। ২০ সেপ্টেম্বর সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে ভারত। সেমিফাইনালের ফল অনুযায়ী ২২ সেপ্টেম্বর হবে স্বর্ণ ও ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের শেষ দিনে মস্কো এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় কয়েক শত ড্রোন হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রুশ কর্তৃপক্ষ রোববার এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, ১ হাজার ৬০০টিরও বেশি ড্রোনকে প্রতিহত ও ভূপাতিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০টি ড্রোন মস্কোকে লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল। মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে তিন দিনব্যাপী কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হয়েছে। এই নির্বাচন প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের ২৬ বছরের ক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করবে।
সোবিয়ানিন টেলিগ্রামে মন্তব্য করেছেন, ‘নজিরবিহীন এই হামলা যে নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত ছিল, তা স্পষ্ট। শত্রু সফল হয়নি।’
মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রেই ভোরোবিয়ভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, পৃথক দুটি স্থানে হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন ৪৪ বছর বয়সী নারী এবং অন্যজন একজন বৃদ্ধ।
ভোরোবিয়ভ বলেন, একটি ২১ তলা ভবনে ড্রোন বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। এই ঘটনায় ৪০০ জনকে ভবনটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি ড্রোনগুলোর উৎস সম্পর্কে কিছু জানাননি।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ায় দূরপাল্লার ড্রোন হামলা জোরদার করেছে কিয়েভ। বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে। যুদ্ধের অর্থায়নে ক্রেমলিনের আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎসে আঘাত করাই এর উদ্দেশ্য। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে পড়েছে।
সোবিয়ানিন আরও জানান, ‘মস্কোর তেল শোধনাগার এলাকার একটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন।
এই বড় তেল শোধনাগারটি সাম্প্রতিক মাসগুলোতেও ইউক্রেনের হামলার শিকার হয়েছে।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউক্রেন ও রাশিয়া পরস্পরের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা না চালানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। এর পরেই সর্বশেষ হামলাটি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শনিবার নাইজেরিয়ার একটি আধাসামরিক বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর হেফাজতে ৩৭ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের পরিবারের সদস্যরা বিচার দাবি করেছেন। সরকার এই মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করেছে।
বৃহস্পতিবার মধ্যাঞ্চলীয় নাইজার রাজ্যের রাজধানী মিন্নায় একটি গাদাগাদি করে রাখা সেলে ৩৭ জন তরুণের মরদেহ পাওয়া যায়। নাইজেরিয়া সিকিউরিটি অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কোরের (এনএসসিডিসি) সদস্যরা তাদেরকে অবৈধভাবে সোনা উত্তোলনের সন্দেহে আটক করেছিলেন। মিন্না থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।
বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা জানান, সেলটিতে তাদের গাদাগাদি করে রাখা হয়েছিল এবং সেখানে বাতাস চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। একজন জানান, দরজা বন্ধ করার আগে সেলের ভেতর এমন একটি পদার্থ ছিটানো হয়, যা তাদের গলা ও নাকে জ্বালা সৃষ্টি করে।
তারা জানান, সাহায্যের জন্য চিৎকার করলেও কেউ সাড়া দেয়নি। এই মৃত্যুর ঘটনায় খনিজসমৃদ্ধ নাইজার রাজ্যের রাজধানী মিন্নার রাস্তায় সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চালায়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার জানায়, আধাসামরিক বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর হেফাজতে ৩৭ জনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের জন্য সরকার ১০ সদস্যের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করেছে।
নিহতদের একজনের ভাই, ২৭ বছর বয়সী আদামু ইদ্রিস এএফপিকে বলেন, তিনি সরকারের কাছে ‘বিচার প্রত্যাশা করেন।’ তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘সরকার যদি কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের আমাদের হত্যা অব্যাহত রাখার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এর চেয়ে আমাদের সবাই মরে যাওয়াই ভালো।’
হেফাজতে দুই ছেলে হারানো ৫২ বছর বয়সী মুসা আলিয়ু এই ঘটনার ‘পুঙ্খানুপুঙ্খ’ তদন্ত করে ‘আমাদের সন্তানদের বিচার নিশ্চিত করার’ দাবি জানান।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। লোকজন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চালালে শহরে গুলির শব্দ শোনা যায়। তবে পুলিশ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত রাবার বা পেলেট গুলি চালিয়েছে, নাকি সরাসরি গুলি চালিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।
তবে এক ব্যক্তি জানান, এক খনি শ্রমিকের জানাজা থেকে ফেরার পথে রাস্তায় হাঁটার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালের শয্যায় থাকা ২৪ বছর বয়সী আলামিন আদামু বলেন, ‘আমি গুলির শব্দ শুনি। দ্রুত নিচু হয়ে যাই। পরক্ষণেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। আমাকে গুলি করা হয়েছিল। আমি নর্দমায় পড়ে যাই।’
প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু শুক্রবার বৃহস্পতিবারের মৃত্যুর ঘটনায় জরুরি ভিত্তিতে ‘পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্তের’ নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘সরকারি অবহেলা, দায়িত্বে গাফিলতি ও কর্তব্যে অবহেলার’ কারণে মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
তদন্ত কমিশনে একজন অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তা, একজন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ, একজন মানবাধিকারকর্মী এবং খনি শ্রমিকদের একটি সংগঠনের প্রতিনিধি রয়েছেন। কমিশনকে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।
খনি শ্রমিকদের গ্রেফতার ও আটকের সঙ্গে জড়িত এনএসসিডিসির ২০ কর্মকর্তা ও প্রহরীকে তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বেলজিয়ামের আয়তনের দ্বিগুণেরও বেশি নাইজার রাজ্যটি খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ। এখানে হাজার হাজার ক্ষুদ্র পরিসরের খনি শ্রমিক কাজ করেন। তাদের অধিকাংশই সোনা পাওয়ার আশায় এ কাজে আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে গভীর শোক, তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স।
আজ রোববার এক গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে কয়েকজনকে আটক করেছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সূত্র পাওয়ার কথাও তারা উল্লেখ করেছেন। তবে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের দায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা আবশ্যক।
ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী মন্তব্য করেন, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর যদি দ্রুত ও কার্যকর তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের মুখোমুখি করা না যায়, তাহলে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির প্রবণতা তৈরি হয়। এতে সাধারণ মানুষের সরকারের প্রতি আস্থা কমে যায়। তিনি বলেন, ইসলাম মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। অপ্রতিমের এই ঘটনা আমাদের পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা স্মরণ করিয়ে দেয়। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবারে নৈতিক শিক্ষা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরিত্র গঠন এবং সমাজে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।
সংগঠনের সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান বলেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। নিহত অপ্রতিমের শোকসন্তপ্ত মা-বাবা, পরিবার ও স্বজনদের প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ইসলাম মানুষের জীবন, সম্মান ও নিরাপত্তাকে অত্যন্ত মর্যাদা দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোনো প্রাণকে প্রাণের বিনিময় অথবা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টির অপরাধ ছাড়া হত্যা করে, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করল।
অতএব রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে, কোনো অপরাধী যেন কোনো অবস্থাতেই আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে না পারে। অপ্রতিমের মর্মান্তিক মৃত্যু যেন বিচারহীনতার আরেকটি উদাহরণ না হয়, বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও নিরাপদ সমাজ গঠনের জন্য রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ববোধকে আরও জোরদার করার উপলক্ষ হয়ে ওঠে।
ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স অপ্রতিমের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করছে। মহান আল্লাহ অপ্রতিমকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং তার পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার তৌফিক দান করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘খুলনারত্ন’ সম্মাননা তিনজন বরেণ্য সাহিত্যিককে দেওয়া হয়েছে বিশেষ অবদানের জন্য।
গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সেমিনার কক্ষে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা কবি সাহিত্যিক ফোরাম এই আয়োজন করে।
প্রয়াত এম হেফজুর রহমানকে সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসেবে বিশেষ অবদান রাখার জন্য, শিশু সাহিত্যিক আশরাফুন্নেছা দুলুকে তার সাহিত্যিক অবদানের জন্য এবং কবি রুহুল আমিন সিদ্দিকীকে সংগঠক ও সাহিত্যিক হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াহইয়া আখতার, শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল মান্নান, সিনিয়র সাংবাদিক দিদারুল আলম, জেলা কালচারাল অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম এবং খুলনা কবি সাহিত্যিক ফোরামের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কবি সাহিত্যিক ফোরামের আহ্বায়ক এস এম আয়ুব আলী। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন কবি সাহিত্যিক ফোরামের সদস্য সচিব আজাদুল হক আজাদ এবং সদস্য মনিরুজ্জামান মোড়ল। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সাহিত্য সংসদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম মল্লিক।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডাক্তার ইউনূস আলী, বিএনপি নেতা জামাল মোড়ল, কবি নাসির আহমেদ, কবি এজি রানা, মনিরুজ্জামান লাভলু, কবি সৈয়দ আলী হাকিম, গল্পকার ফিরোজ আহমেদ, কামরুল হাসান মৃধা, খান আক্তার হোসেন, মফিদুল ইসলাম, আবু আসলাম বাবু, ইরানী পারভীন, ওলিউর রহমান, মতিউর রহমান, গোলাম রসুল খোকন, আবরার আজম, আ. হান্নান, মাহবুব হোসেন, সাবিত্রী গাইন এবং বাস্তব নন্দী।
এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কবি সাহিত্যিক ফোরামকে ধন্যবাদ জানিয়ে অতিথি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, "গুণী মানুষকে সম্মান জানালে সমাজে গুণী মানুষ তৈরি হয় ও যারা সম্মান দেয় তারাও সম্মানিত হয়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ