রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৩ পি.এম
কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে গভীর শোক, তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স।
আজ রোববার এক গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে কয়েকজনকে আটক করেছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সূত্র পাওয়ার কথাও তারা উল্লেখ করেছেন। তবে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের দায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা আবশ্যক।
ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী মন্তব্য করেন, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর যদি দ্রুত ও কার্যকর তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের মুখোমুখি করা না যায়, তাহলে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির প্রবণতা তৈরি হয়। এতে সাধারণ মানুষের সরকারের প্রতি আস্থা কমে যায়। তিনি বলেন, ইসলাম মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। অপ্রতিমের এই ঘটনা আমাদের পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা স্মরণ করিয়ে দেয়। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবারে নৈতিক শিক্ষা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরিত্র গঠন এবং সমাজে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।
সংগঠনের সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান বলেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান। নিহত অপ্রতিমের শোকসন্তপ্ত মা-বাবা, পরিবার ও স্বজনদের প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ইসলাম মানুষের জীবন, সম্মান ও নিরাপত্তাকে অত্যন্ত মর্যাদা দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোনো প্রাণকে প্রাণের বিনিময় অথবা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টির অপরাধ ছাড়া হত্যা করে, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করল।
অতএব রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে, কোনো অপরাধী যেন কোনো অবস্থাতেই আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে না পারে। অপ্রতিমের মর্মান্তিক মৃত্যু যেন বিচারহীনতার আরেকটি উদাহরণ না হয়, বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও নিরাপদ সমাজ গঠনের জন্য রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ববোধকে আরও জোরদার করার উপলক্ষ হয়ে ওঠে।
ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স অপ্রতিমের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করছে। মহান আল্লাহ অপ্রতিমকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং তার পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার তৌফিক দান করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘খুলনারত্ন’ সম্মাননা তিনজন বরেণ্য সাহিত্যিককে দেওয়া হয়েছে বিশেষ অবদানের জন্য।
গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সেমিনার কক্ষে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা কবি সাহিত্যিক ফোরাম এই আয়োজন করে।
প্রয়াত এম হেফজুর রহমানকে সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসেবে বিশেষ অবদান রাখার জন্য, শিশু সাহিত্যিক আশরাফুন্নেছা দুলুকে তার সাহিত্যিক অবদানের জন্য এবং কবি রুহুল আমিন সিদ্দিকীকে সংগঠক ও সাহিত্যিক হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াহইয়া আখতার, শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল মান্নান, সিনিয়র সাংবাদিক দিদারুল আলম, জেলা কালচারাল অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম এবং খুলনা কবি সাহিত্যিক ফোরামের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কবি সাহিত্যিক ফোরামের আহ্বায়ক এস এম আয়ুব আলী। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন কবি সাহিত্যিক ফোরামের সদস্য সচিব আজাদুল হক আজাদ এবং সদস্য মনিরুজ্জামান মোড়ল। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সাহিত্য সংসদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম মল্লিক।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডাক্তার ইউনূস আলী, বিএনপি নেতা জামাল মোড়ল, কবি নাসির আহমেদ, কবি এজি রানা, মনিরুজ্জামান লাভলু, কবি সৈয়দ আলী হাকিম, গল্পকার ফিরোজ আহমেদ, কামরুল হাসান মৃধা, খান আক্তার হোসেন, মফিদুল ইসলাম, আবু আসলাম বাবু, ইরানী পারভীন, ওলিউর রহমান, মতিউর রহমান, গোলাম রসুল খোকন, আবরার আজম, আ. হান্নান, মাহবুব হোসেন, সাবিত্রী গাইন এবং বাস্তব নন্দী।
এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কবি সাহিত্যিক ফোরামকে ধন্যবাদ জানিয়ে অতিথি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, "গুণী মানুষকে সম্মান জানালে সমাজে গুণী মানুষ তৈরি হয় ও যারা সম্মান দেয় তারাও সম্মানিত হয়।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার রেজুখাল ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে একটি প্রাইভেট কারের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকানো ৮৯ হাজার ৪০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এই অভিযানের সময় মো. এরফান (৩০) নামের একজন যুবককে আটক করা হয়েছে।
এরফান কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ মহুরিপাড়া লিংক রোডের মৃত আব্দুস ছামাদের সন্তান। অভিযানের সময় ইয়াবা পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার এবং একটি স্মার্টফোনও জব্দ করা হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে কক্সবাজার-রামু সড়কের মিনি বান্দরবান এলাকায় রেজুখাল চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে এই ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যা কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দ্বারা পরিচালিত হয়।
আরো পড়ুন
জগন্নাথপুরে নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মিনি বান্দরবান সড়কে একটি প্রাইভেট কার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এই সময় গাড়ির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকানো ৮৯ হাজার ৪০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে এরফানকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় আরও তিনজন পালিয়ে গেছে, তারা হলেন—টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের সিকদার এলাকার মো. কাদের (৪৫), মো. কামাল (৪০) এবং রামুর পূর্ব গোয়ালিয়াপালং এলাকার মো. মুনসুর (৫৫)।
তিনি বলেন, ‘আটক ব্যক্তি ও পলাতকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্যসহ সংশ্লিষ্ট আইনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। শিশুদের প্রতি এমন নৃশংসতা বন্ধে সচেতন হওয়ার জন্য তিনি সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন। অপূর্ব বলেছেন, ‘সব শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব চাই। বিচার চাই।’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তিনি তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, একটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠা তার সবচেয়ে স্বাভাবিক অধিকার। কিন্তু শিশুদের ওপর বারবার এমন নৃশংসতা সমাজ ও বিবেকের চরম পতনের ইঙ্গিত দেয়।
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও, সাম্প্রতিক শিশু হত্যার ঘটনাগুলো তাকে একজন বাবা এবং দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে স্তব্ধ করে দিয়েছে বলে জানান এই অভিনেতা।
আরো পড়ুন
আবারও কন্যাসন্তানের মা হলেন দীপিকা
শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সকলের এক হওয়ার আহ্বান জানান অপূর্ব। তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সমাজের অস্তিত্বই অর্থহীন হয়ে যাবে। অভিভাবকদের আরো সতর্ক ও সচেতন থাকার পরামর্শও দেন তিনি।
তার মতে, একটু বাড়তি সতর্কতা ও সচেতন নজরদারি হয়তো অনেক বড় বিপদ থেকে সন্তানকে রক্ষা করতে পারে। ঘরের ভেতরে কিংবা বাইরে—কোথাও যেন শিশুদের নিরাপত্তায় কোনো ঘাটতি না থাকে, সেদিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া, শিশু হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন অপূর্ব। তিনি শিশুদের জন্য দেশকে নিরাপদ করে তোলাকে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের খাবার দিনের বাকি সময়ের জন্য শক্তি প্রদান করে। ফলে, কেউ ভারী খাবার গ্রহণ করেন, আবার কেউ হালকা খাবার বেছে নেন। বিশ্বের বিখ্যাত উদ্যোক্তা ও সফল ব্যক্তিদের সকালের খাবারের ধরনও যথেষ্ট বৈচিত্র্যময়। কিছু মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচন করেন, আবার কেউ নাস্তাটাই এড়িয়ে চলেন।
ব্রিটিশ ব্যবসায়ী এবং ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন সাধারণত ভোর ৫টার দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। এরপর তার নাশতায় থাকে মিউজলি এবং ফলের সালাদ। কখনো কখনো তিনি কিপার্স বা ধূমায়িত হেরিংও খান। তার সঙ্গে থাকে এক কাপ চা।
হোল ফুডস মার্কেটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জন ম্যাকি সকালের শুরুটা করেন গ্রিন স্মুদি দিয়ে। এতে তাজা ফল এবং কেল বা পালংশাক থাকে। ভ্রমণের সময়ও নিজের পছন্দের খাবার খেতে তিনি রাইস কুকার সঙ্গে রাখেন। এতে তিনি স্টিল-কাট ওট দিয়ে পোরিজ প্রস্তুত করেন।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সকালের খাবারের তালিকায় থাকে ডিম, টোস্ট, ফল এবং পোরিজ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে একসঙ্গে কখনো ছয়টি পর্যন্ত ডিম খাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কফির প্রতি তার খুব একটা আগ্রহ নেই। এর পরিবর্তে তিনি কমলার জুস, গ্রিন টি অথবা পানি পান করেন বলে জানা যায়।
টুইটারের সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসির সকালের খাবারের অভ্যাস ছিল আরও ভিন্ন। একসময় তিনি দুইটি সেদ্ধ ডিম ও সয়া সস খেতেন। পরে ২০১৯ সালে তিনি জানান, দিনের বেলায় মনোযোগ ধরে রাখা এবং রাতে ভালো ঘুমের জন্য তিনি উপবাসের অভ্যাস শুরু করেছেন। সে সময় দিনে শুধু একবার সন্ধ্যায় খাবার খেতেন এবং কিছু সময় খাবার এড়িয়ে চলার কথাও জানিয়েছিলেন।
মার্ক জাকারবার্গের ক্ষেত্রে সকালের নাশতা নিয়ে তেমন নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। দিনের শুরুতে বিশেষ কিছু বেছে নেওয়ার পরিবর্তে হাতের কাছে বা পছন্দের যা পান, সেটিই খেয়ে নেন বলে জানা যায়।
মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের নাশতার অভ্যাসও কিছুটা ভিন্ন। তার সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি প্রায়ই সকালের নাশতা করেন না। আবার একবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে গেটস জানিয়েছিলেন, দিনের শুরুতে তিনি কোকো পাফস খেতেন।
আর টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কও সাধারণত সকালের খাবার এড়িয়ে চলেন। তবে নাশতা করলে তার পছন্দ বেশ সাধারণ—কফি ও অমলেট।
অর্থাৎ, বিশ্বের পরিচিত এসব ব্যক্তির সকালের খাবারের তালিকায় যেমন স্বাস্থ্যকর খাবার রয়েছে, তেমনি আছে নাশতা বাদ দেওয়ার অভ্যাসও। শেষ পর্যন্ত তাদের সকালের খাবারের ধরন যে একরকম নয়, সেটিই বরং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ