রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৪ পি.এম
বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের খাবার দিনের বাকি সময়ের জন্য শক্তি প্রদান করে। ফলে, কেউ ভারী খাবার গ্রহণ করেন, আবার কেউ হালকা খাবার বেছে নেন। বিশ্বের বিখ্যাত উদ্যোক্তা ও সফল ব্যক্তিদের সকালের খাবারের ধরনও যথেষ্ট বৈচিত্র্যময়। কিছু মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচন করেন, আবার কেউ নাস্তাটাই এড়িয়ে চলেন।
ব্রিটিশ ব্যবসায়ী এবং ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন সাধারণত ভোর ৫টার দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। এরপর তার নাশতায় থাকে মিউজলি এবং ফলের সালাদ। কখনো কখনো তিনি কিপার্স বা ধূমায়িত হেরিংও খান। তার সঙ্গে থাকে এক কাপ চা।
হোল ফুডস মার্কেটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জন ম্যাকি সকালের শুরুটা করেন গ্রিন স্মুদি দিয়ে। এতে তাজা ফল এবং কেল বা পালংশাক থাকে। ভ্রমণের সময়ও নিজের পছন্দের খাবার খেতে তিনি রাইস কুকার সঙ্গে রাখেন। এতে তিনি স্টিল-কাট ওট দিয়ে পোরিজ প্রস্তুত করেন।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সকালের খাবারের তালিকায় থাকে ডিম, টোস্ট, ফল এবং পোরিজ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে একসঙ্গে কখনো ছয়টি পর্যন্ত ডিম খাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কফির প্রতি তার খুব একটা আগ্রহ নেই। এর পরিবর্তে তিনি কমলার জুস, গ্রিন টি অথবা পানি পান করেন বলে জানা যায়।
টুইটারের সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসির সকালের খাবারের অভ্যাস ছিল আরও ভিন্ন। একসময় তিনি দুইটি সেদ্ধ ডিম ও সয়া সস খেতেন। পরে ২০১৯ সালে তিনি জানান, দিনের বেলায় মনোযোগ ধরে রাখা এবং রাতে ভালো ঘুমের জন্য তিনি উপবাসের অভ্যাস শুরু করেছেন। সে সময় দিনে শুধু একবার সন্ধ্যায় খাবার খেতেন এবং কিছু সময় খাবার এড়িয়ে চলার কথাও জানিয়েছিলেন।
মার্ক জাকারবার্গের ক্ষেত্রে সকালের নাশতা নিয়ে তেমন নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। দিনের শুরুতে বিশেষ কিছু বেছে নেওয়ার পরিবর্তে হাতের কাছে বা পছন্দের যা পান, সেটিই খেয়ে নেন বলে জানা যায়।
মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের নাশতার অভ্যাসও কিছুটা ভিন্ন। তার সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি প্রায়ই সকালের নাশতা করেন না। আবার একবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে গেটস জানিয়েছিলেন, দিনের শুরুতে তিনি কোকো পাফস খেতেন।
আর টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কও সাধারণত সকালের খাবার এড়িয়ে চলেন। তবে নাশতা করলে তার পছন্দ বেশ সাধারণ—কফি ও অমলেট।
অর্থাৎ, বিশ্বের পরিচিত এসব ব্যক্তির সকালের খাবারের তালিকায় যেমন স্বাস্থ্যকর খাবার রয়েছে, তেমনি আছে নাশতা বাদ দেওয়ার অভ্যাসও। শেষ পর্যন্ত তাদের সকালের খাবারের ধরন যে একরকম নয়, সেটিই বরং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের তারকা দম্পতি দীপিকা পাড়ুকোন এবং রণবীর সিং দ্বিতীয় সন্তানের মা-বাবা হয়েছেন। ১৯ সেপ্টেম্বর তাদের ঘরে এসেছে একটি কন্যাসন্তান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে তারা এই সুখবরটি জানিয়েছেন।
পোস্টটিতে একটি শিশুর পায়ের ছবি শেয়ার করে লেখা হয়েছে, ‘আমাদের কন্যাশিশুকে স্বাগতম।’ সন্তানের জন্মতারিখ হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।
সুখবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর দীপিকা ও রণবীরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলিউডের অনেক তারকা। কৃতি শ্যানন, সোনম কাপুর আহুজা এবং সোনু সুদসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের শুভকামনা জানিয়েছেন।
দীপিকা ও রণবীরের সম্পর্কের সূচনা ঘটে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘রামলীলা’ সিনেমার শুটিংয়ের সময়। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানা যায়। কয়েক বছর একসঙ্গে থাকার পর, তারা ২০১৮ সালের নভেম্বরে বিয়ে করেন।
২০১৮ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ভিলা দেল বালবিয়ানেলোতে তাদের বিয়ের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বিয়েতে কোকণি ও সিন্ধি—দুই সংস্কৃতির রীতির অনুসরণ করা হয়।
২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর দীপিকা ও রণবীর প্রথম সন্তানের মা-বাবা হন। তাদের মেয়ের নাম দুয়া পাড়ুকোন সিং।
এরপর ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল তারা দ্বিতীয়বার মা-বাবা হওয়ার খবর জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়ে দুয়াকে সঙ্গে নিয়ে একটি পোস্টের মাধ্যমে তারা সুখবরটি প্রকাশ করেন। তখন তারা জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরেই তাদের দ্বিতীয় সন্তান পৃথিবীতে আসবে।
সন্তানের জন্মের আগে দীপিকা ও রণবীর মাতৃত্বকালীন ফটোশুটের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন। ছবিগুলোতে দীপিকার বেবি বাম্পের পাশাপাশি রণবীরকেও দেখা যায়।
অবশেষে ১৯ সেপ্টেম্বর তাদের পরিবারে নতুন সদস্যের আগমন ঘটলো। সংক্ষিপ্ত ঘোষণার মাধ্যমে তারা কন্যাসন্তানকে স্বাগত জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় একটি ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষের ফলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাশেদুজ্জামান নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার সাত বছরের শিশু কন্যা গুরুতর আহত হয়েছে।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহাসড়কের হাপানিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মো. রাশেদুজ্জামান নওগাঁ সড়ক বিভাগের মহাদেবপুর-পত্নীতলা সাব-ডিভিশন অফিসে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে নওগাঁ শহর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে মহাদেবপুরের দিকে যাচ্ছিলেন রাশেদুজ্জামান।
হাপানিয়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।
এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাশেদুজ্জামান মারা যান। দুর্ঘটনায় তার সাত বছরের শিশু মেয়ে রুমাইসা জামান গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নওগাঁ সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ বাসসকে জানান, "রাশেদুজ্জামান আমার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন। তার এভাবে চলে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তার স্ত্রী সুস্থ আছেন, তবে তার ছোট মেয়ে রুমাইসা গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।"
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বাসসকে বলেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।"
এ ঘটনায় দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ট্রাক এবং ট্রাকের চালককে শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট অঞ্চলে ‘গ্রাম আদালত তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (ভিসিএমআইএস)’ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণের ৯ম ব্যাচের উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর রোববার সিলেট শাহজালাল উপশহরস্থ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ও পরিচালক, স্থানীয় সরকার (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আশরাফুর রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলার নবাগত স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ডিডিএলজি) মিজ মাহমুদা সুলতানা।
এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও সিলেট সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত নির্ধারিত হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটররা।
গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী জুবায়ের আহমদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।
প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তুতে গ্রাম আদালতের তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তথ্য সংরক্ষণ ও হালনাগাদসহ গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ-৩য় পর্যায় প্রকল্প’-এর আওতায় সিলেট জেলায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের সদর উপজেলার ধলু গাজীর মোড় এলাকায় একটি বাস ও অটোরিকশার মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বরগুনার তালতলী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ইমরান ট্রাভেলসের একটি বাস ধলু গাজীর মোড় এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের ফলে উভয় যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। বাসটি পানিতে ডুবে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সঙ্গে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পুলিশের রেকারের সহায়তায় বাসটি খাদ থেকে তোলার পর চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত ২০ জনকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকার কাইয়ুম প্যাদা (৫০), শিল্পী রানী (৪০), তার মেয়ে বিথী রানী (২২) এবং জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩২) রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রেজোয়ান জানিয়েছেন, দুটি ইউনিট উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে আহত ও নিহতদের উদ্ধার করে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান চারজনের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ