মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০২ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার হারানো অস্ত্র উদ্ধারের জন্য দেশব্যাপী একটি বিশেষ সমন্বিত অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) জানিয়েছে যে, এসব অস্ত্রের সঠিক তথ্য প্রদান করলে পরিচয় গোপন রেখে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) র্যাবের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যে, হারানো অস্ত্রের সঠিক তথ্য দিয়ে যৌথ অভিযানে সহযোগিতা করুন। র্যাবকে প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে অভিযানের সুষ্ঠু ও কার্যকর পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
হারানো অস্ত্রের তথ্য জানাতে র্যাবের হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। নম্বরগুলো হলো—০১৭৭৭৭১১৪৪১, ০১৭৭৭৭১১৪৪২, ০১৭৭৭৭১১৪৪৩, ০১৭৭৭৭১১৪৪৪ ও ০২৫৫৬৬৯৯৯৯।
এছাড়াও, এসব নম্বরে ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ভাইবারের মাধ্যমে গোপন তথ্য ও ছবি পাঠানোর সুযোগ রয়েছে।
জনস্বার্থে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব ফোর্সেস এই তথ্যগুলো ব্যাপকভাবে প্রচারের অনুরোধ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের দ্বারা সৌদি আরবে হামলার ফলে অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এই তথ্য প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে, সর্বশেষ হামলার প্রেক্ষিতে হুতিদের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জোটটি।
দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি বড় অংশ এবং ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চল হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গত জুলাই মাসে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করার পর থেকে, গোষ্ঠীটি দেশটির বিভিন্ন স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে। এই হামলাগুলোর অন্যতম লক্ষ্য লোহিত সাগরে সৌদি আরবের জাহাজ।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি সর্বশেষ পরিস্থিতিকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশ এবং কার্যত ওপেকের নেতৃত্বে থাকা সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনার উপর হামলা চালানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে আল-মালিকি বলেন, হুতিদের এই ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’কে প্রতিহত করার জন্য জোট প্রয়োজনীয় সব ধরনের সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তাদের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করা হবে বলেও তিনি জানান।
জোটের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হুতিরা সৌদি আরবের আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরান শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
এর আগে সোমবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানায়, নতুন করে চালানো হামলায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর জাজান তেল স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। হামলায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণের কাজ চলছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে রয়টার্স ওই খবরের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। এ বিষয়ে আরামকোর পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের সরকারি ভ্রমণ ব্যয়ের বিল দাখিল ও অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এই নির্দেশনার আওতায় ভ্রমণ ব্যয়ের বিলের সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রমাণক সংযুক্ত করা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রিম সমন্বয় করা এবং বিলের তিনটি সেট দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসেবা শাখা থেকে এই পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সরকারি কাজে দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে ভ্রমণ করতে হয়। ভ্রমণের পর প্রকৃত ব্যয় পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিল দাখিল করতে হবে।
বৈদেশিক ভ্রমণের জন্য সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত সারসংক্ষেপের কপি এবং অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কর্তৃক জারি করা অফিস আদেশের কপি বিলের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।
এছাড়া, যানবাহন ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত ভাড়ার টিকিট, বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমানের টিকিটের সঙ্গে বোর্ডিং পাস, অনুমোদিত ভ্রমণ বিবরণী ও ভ্রমণসূচি এবং আবাসিক হোটেলে অবস্থানের ক্ষেত্রে প্রকৃত পরিশোধিত বিলের কপি বা প্রমাণক দাখিল করতে হবে।
বৈদেশিক ভ্রমণের ব্যয়ের ক্ষেত্রে টাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সংক্রান্ত বিবরণী এবং অন্যান্য ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভাউচার বা প্রমাণকও দিতে হবে।
পরিপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত সারসংক্ষেপে উল্লেখিত ভ্রমণকালের অতিরিক্ত সময় কেউ ভ্রমণ করলে তার জন্য পুনরায় অনুমোদন নিতে হবে।
অগ্রিম অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের সর্বশেষ জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
একই সঙ্গে, অগ্রিম অর্থ নিয়ে ভ্রমণ করলে ভ্রমণ শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে অগ্রিম সমন্বয় বিল দাখিল করতে হবে। পূর্ববর্তী ভ্রমণের অগ্রিম বিল সমন্বয় না করা হলে পরবর্তী ভ্রমণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে না।
নথি ব্যবস্থাপনা ও অর্থ ছাড়ের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সময় হাতে রেখে অগ্রিম অর্থ বরাদ্দের বিল দাখিলের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, মূলকপিসহ বিলের মোট তিন সেট জমা দিতে হবে। বিলের সব ফটোকপি যথাযথভাবে সত্যায়িত হতে হবে।
পরিপত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শারমিন ইয়াসমিন।
এই পরিপত্রটি সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের একান্ত সচিব, মন্ত্রিপরিষদসচিবের একান্ত সচিব, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (ডিডিও) এবং সংশ্লিষ্ট আইসিটি কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটের পরিপত্র বক্সে এটি আপলোড করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন, সড়ক, রেল, স্থলবন্দর, যোগাযোগব্যবস্থা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, দুই দেশের স্বার্থে কীভাবে কাজ করা যায় এবং উভয় দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমরা একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিদ্যমান কিছু সমস্যা নিয়ে কথা বলেছি।’
এদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস আবার চালু করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও জোরদার এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত কাজ করছে এবং যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় ভারতে অবস্থানরত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, ‘সেটা ভিন্ন বিষয়। আজকে মূলত দুই দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার কীভাবে ঘটানো যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর সম্ভাবনার বিষয়টিও উঠে আসে। ট্রেনটি পুনরায় চালু হলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ