প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন, সড়ক, রেল, স্থলবন্দর, যোগাযোগব্যবস্থা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, দুই দেশের স্বার্থে কীভাবে কাজ করা যায় এবং উভয় দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমরা একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিদ্যমান কিছু সমস্যা নিয়ে কথা বলেছি।’
এদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস আবার চালু করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও জোরদার এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত কাজ করছে এবং যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় ভারতে অবস্থানরত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, ‘সেটা ভিন্ন বিষয়। আজকে মূলত দুই দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার কীভাবে ঘটানো যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর সম্ভাবনার বিষয়টিও উঠে আসে। ট্রেনটি পুনরায় চালু হলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন