মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৬ পি.এম
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের সরকারি ভ্রমণ ব্যয়ের বিল দাখিল ও অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এই নির্দেশনার আওতায় ভ্রমণ ব্যয়ের বিলের সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রমাণক সংযুক্ত করা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রিম সমন্বয় করা এবং বিলের তিনটি সেট দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসেবা শাখা থেকে এই পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সরকারি কাজে দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশে ভ্রমণ করতে হয়। ভ্রমণের পর প্রকৃত ব্যয় পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিল দাখিল করতে হবে।
বৈদেশিক ভ্রমণের জন্য সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত সারসংক্ষেপের কপি এবং অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কর্তৃক জারি করা অফিস আদেশের কপি বিলের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।
এছাড়া, যানবাহন ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত ভাড়ার টিকিট, বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমানের টিকিটের সঙ্গে বোর্ডিং পাস, অনুমোদিত ভ্রমণ বিবরণী ও ভ্রমণসূচি এবং আবাসিক হোটেলে অবস্থানের ক্ষেত্রে প্রকৃত পরিশোধিত বিলের কপি বা প্রমাণক দাখিল করতে হবে।
বৈদেশিক ভ্রমণের ব্যয়ের ক্ষেত্রে টাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সংক্রান্ত বিবরণী এবং অন্যান্য ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভাউচার বা প্রমাণকও দিতে হবে।
পরিপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারপ্রধান কর্তৃক অনুমোদিত সারসংক্ষেপে উল্লেখিত ভ্রমণকালের অতিরিক্ত সময় কেউ ভ্রমণ করলে তার জন্য পুনরায় অনুমোদন নিতে হবে।
অগ্রিম অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের সর্বশেষ জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
একই সঙ্গে, অগ্রিম অর্থ নিয়ে ভ্রমণ করলে ভ্রমণ শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে অগ্রিম সমন্বয় বিল দাখিল করতে হবে। পূর্ববর্তী ভ্রমণের অগ্রিম বিল সমন্বয় না করা হলে পরবর্তী ভ্রমণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে না।
নথি ব্যবস্থাপনা ও অর্থ ছাড়ের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সময় হাতে রেখে অগ্রিম অর্থ বরাদ্দের বিল দাখিলের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, মূলকপিসহ বিলের মোট তিন সেট জমা দিতে হবে। বিলের সব ফটোকপি যথাযথভাবে সত্যায়িত হতে হবে।
পরিপত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শারমিন ইয়াসমিন।
এই পরিপত্রটি সব সিনিয়র সচিব ও সচিব, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের একান্ত সচিব, মন্ত্রিপরিষদসচিবের একান্ত সচিব, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (ডিডিও) এবং সংশ্লিষ্ট আইসিটি কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটের পরিপত্র বক্সে এটি আপলোড করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন, সড়ক, রেল, স্থলবন্দর, যোগাযোগব্যবস্থা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, দুই দেশের স্বার্থে কীভাবে কাজ করা যায় এবং উভয় দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আমরা একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিদ্যমান কিছু সমস্যা নিয়ে কথা বলেছি।’
এদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস আবার চালু করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও জোরদার এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত কাজ করছে এবং যোগাযোগব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় ভারতে অবস্থানরত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, ‘সেটা ভিন্ন বিষয়। আজকে মূলত দুই দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার কীভাবে ঘটানো যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর সম্ভাবনার বিষয়টিও উঠে আসে। ট্রেনটি পুনরায় চালু হলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে সরকার সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদিত কোটা ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের জন্য সুগন্ধি চাল রপ্তানির বরাদ্দ অর্ধেক করে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সংশোধিত বরাদ্দ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং এর মেয়াদ থাকবে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান আগে অনুমোদিত পরিমাণের অর্ধেকের বেশি সুগন্ধি চাল রপ্তানি করতে পারবে না। একই সঙ্গে, রপ্তানি কার্যক্রমে নজরদারি, জবাবদিহি এবং রপ্তানি আয় দেশে ফেরত আনা নিশ্চিত করার জন্য ১০টি শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, রপ্তানিকারকদের রপ্তানি নীতি ২০২৪–২৭-এর বিধান অনুসরণ করতে হবে। প্রতিটি চালান রপ্তানির পূর্বে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পণ্যের মান ও সত্যতা যাচাই করবে। চালান জাহাজীকরণের পর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখায় জমা দিতে হবে।
ভবিষ্যতে নতুন রপ্তানি অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে হলে আগের অনুমোদিত কোটার বিপরীতে প্রকৃত রপ্তানির পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও প্রমাণ দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সংশোধিত অনুমোদিত পরিমাণের বেশি চাল রপ্তানি করা যাবে না।
আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য সুরক্ষার জন্য সুগন্ধি চালের সর্বনিম্ন রপ্তানিমূল্য প্রতি কেজি ১ দশমিক ৬০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মূল্য এফওবি (জাহাজে তোলার পর্যায় পর্যন্ত) ভিত্তিতে প্রযোজ্য হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, রপ্তানির অনুমোদন সম্পূর্ণ অহস্তান্তরযোগ্য। সুতরাং, সাব-কন্ট্রাক্ট বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই চাল রপ্তানি করা যাবে না। জনস্বার্থে সরকার যেকোনো সময় কারণ দর্শানো ছাড়াই অনুমোদন বাতিল করতে পারবে।
এছাড়া, রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসনের প্রমাণ হিসেবে প্রসিডস রিয়েলাইজেশন সার্টিফিকেট (পিআরসি) দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে দুই দফায় ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের জন্য মোট ৪৫ হাজার ২৭০ টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে চলতি বছরের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ১২৯টি প্রতিষ্ঠান মাত্র ২ হাজার ৪১৯ টন সুগন্ধি চাল রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছে।
সরকারের নীতিগত অবস্থান হলো, রপ্তানি থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন গুরুত্বপূর্ণ হলেও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ ও মূল্যস্থিতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এ কারণে সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা কমানোর পাশাপাশি রপ্তানির পরিমাণ, মূল্য, নথিপত্র ও বৈদেশিক মুদ্রা দেশে ফেরত আনার বিষয়ে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সুগন্ধি চালের রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না। বরং খাদ্যনিরাপত্তা ও বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রেখে নিয়ন্ত্রিতভাবে রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যেই কোটা কমানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি সাংবাদিক ও কূটনীতিক মুশফিকুল ফজল আনসারী ইতালিতে অভিনেত্রী ও সংস্কৃতিকর্মী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তিনি মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশে থাকা বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
মুশফিকুল ফজল আনসারী উল্লেখ করেছেন, ‘ইতালিতে বাঁধনের ওপর যারা জঙ্গি কায়দায় হামলা চালিয়েছে, তাদের অবশ্যই শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। ইতালিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ইতালির সহযোগিতা চাইবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশে ভ্রমণরত প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিক যেন নিজেকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত মনে করেন, সেটি নিশ্চিত করা দূতাবাসগুলোর দায়িত্বের অংশ।’
মুশফিকুল ফজল আনসারী আরো মন্তব্য করেন, ‘বাংলাদেশ সফররত কোনো ইতালীয় নাগরিক এ ধরনের হামলার শিকার হলে ইতালীয় মিশনের তৎপরতা এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে তাদের তাৎক্ষণিক যোগাযোগ দৃশ্যমান হতো।
শুধু ইতালি নয়, বিশ্বের যেকোনো সভ্য দেশে এ ধরনের সহিংস ও ঘৃণ্য তৎপরতার ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরে দ্রুত প্রতিকারের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।’
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের বিজয় জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে বর্তমানে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা বিএনপিসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, ছাত্রসমাজ, কৃষক-শ্রমিক, সংস্কৃতিকর্মী ও আপামর জনতার সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে।’
তিনি বলেন, হাজারো ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যার সঙ্গে জড়িত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দেশে-বিদেশে উগ্র ও সংঘবদ্ধ তৎপরতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর লেকে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং বৃক্ষরোপণের একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লেকের পানিতে প্রায় দুই মণ মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
এরপর তিনি লেকসংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
শেখ রবিউল আলম এ সময় বলেন, লেকের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় রুই, কাতলা, গ্রাস কার্প, মিরর কার্প ও তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মাছের নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। মাছ চুরি কিংবা অবৈধভাবে শিকার ঠেকাতে ধানমন্ডি থানা পুলিশ, ধানমন্ডি সোসাইটি এবং স্থানীয়রা নজরদারি করবেন।
ধানমন্ডি ইউথ ক্লাবের সভাপতি শেখ খালিদ হাসান জ্যাকি বলেন, ধানমন্ডির বিভিন্ন ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে দুই থেকে আড়াই হাজার গাছ রোপণ করা হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
কর্মসূচিতে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ