শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩৪ এম
সিরাজগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানা থেকে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে এক চুরি মামলার আসামি পালিয়ে যাওয়ার একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে হাজতখানার গেট থেকে বের হয়ে আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান ওই আসামি। পলাতক আসামির নাম আব্দুল মোমিন (২২)। তিনি সিরাজগঞ্জ শহরের কোবদাসপাড়া এলাকার আব্দুস সবুরের ছেলে (জিআর মামলা নম্বর: ২২৪/২৬)।
কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক রওশন ইয়াজদানী জানিয়েছেন, আদালতে শুনানির জন্য মোমিনকে জেলা কারাগার থেকে হাজতখানায় আনা হয়েছিল। অন্য এক আসামির হাতকড়া খোলার কাজে পুলিশ সদস্যরা ব্যস্ত থাকার সুযোগে কনস্টেবল গোলাপ, আবুল ও তাহেরুল ইসলামকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দৌড় দেন মোমিন। মুহূর্তের মধ্যে দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ দিয়ে তিনি পালিয়ে যান।
ঘটনার পর সিরাজগঞ্জ সদর থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ আসামিকে ফের গ্রেপ্তারের জন্য সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। এ ছাড়া, দায়িত্বে গাফিলতি বা ত্রুটি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি কোর্ট পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সদর কোর্টের জেনারেল রেকর্ড অফিসার (জিআরও) জানান, বিচার কাজ চলার সময় এজলাসে অবস্থানকালে বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত হন। তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ।
ইসলামী শরিয়তে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান রয়েছে। নামাজ মানুষের জন্য দুনিয়ার সব খারাপ ও অন্যায় কাজ থেকে রক্ষা করে।
আজকের নামাজের সময়সূচি ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নিচে তুলে ধরা হলো।
ফজর: ভোর ৪:২৫ মিনিট
জোহর: দুপুর ১২:০১ মিনিট
আসর: দুপুর ৪:২৮ মিনিট
মাগরিব সন্ধ্যা ৬:১৪ মিনিট
ইশা: রাত ৭:৩১ মিনিট
সালাতের নিষিদ্ধ সময়
ভোর: ৫:৪১ - ৫:৫৬ মিনিট
দুপুর: ১১:৫৪ - ১২:০০ মিনিট
সন্ধ্যা: ৫:৫৭ - ৬:১৩ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার স্কুলে বিনামূল্যের খাবার গ্রহণের পর তিন দিনের মধ্যে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে জাভা প্রদেশে অসুস্থ হয়েছেন ৭৭৭ জন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
মধ্য জাভার লাসেম এলাকার একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৫২ জন শিক্ষার্থী এবং ২৫ জন শিক্ষক গত বুধবার বিনামূল্যের খাবার খাওয়ার পর ডায়রিয়া ও বমির সমস্যায় আক্রান্ত হন। তাদের খাবারে গ্রিল করা মুরগির মাংস অন্তর্ভুক্ত ছিল।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক জুহারতুতিক জানিয়েছেন, খাবার বিতরণের পূর্বে একজন খাবার পরীক্ষক মুরগির কিছু অংশ পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন। সেই অংশগুলো আলাদা করে রাখা হয়েছিল।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, রান্নাঘরের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি জানিয়েছেন, মুরগির মাংস ভোর ৩টার দিকে রান্না করা হয়েছিল এবং দুপুরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশন করা হয়। অসুস্থদের বেশিরভাগকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় চিকিৎসক জোকো পারিয়ান্তো জানিয়েছেন, ১৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তো গত বছর কয়েক শ কোটি ডলারের বিনামূল্যের খাবার কর্মসূচি চালু করেন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো দেশটির কোটি কোটি শিশুর পুষ্টির উন্নতি করা। তবে শুরু থেকেই এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং ব্যাপক খাদ্য বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগে নাইনুল ইসলাম নামের এক কসাইকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) শেষ বিকেলে উপজেলার সোনাহাট কলেজ মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। জরিমানা করা কসাই নাইনুল ইসলাম কামাত আঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বিকেলে নাইনুল ইসলাম পশুসম্পদ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া একটি মৃত গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয় এবং তাকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম তারেক। আদালতে পশুসম্পদ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়া মৃত গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে নাইনুল ইসলামকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন পশুসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, ভূরুঙ্গামারী থানার পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
আগেও অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ
গত বছর ভূরুঙ্গামারী বাজারে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় জরিমানা না করে মাংস জব্দ করে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ করায় কয়েকজন মাংস ব্যবসায়ী এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষিপ্ত হন। পরে ওই ক্ষোভের জেরে দুইজন মাংস ব্যবসায়ী মোজাম্মেল ও সাইফুল ওই সাংবাদিককে মারপিটের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত গরুর মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রির ঘটনা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর কেডিসি এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের গোপন তথ্য মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে ফাঁস হওয়ার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল মো. ফারুক হোসেনকে ভবিষ্যতে কোনো মাদকবিরোধী অভিযানে দায়িত্ব না দেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, মাদকবিরোধী অভিযান সফলভাবে পরিচালনা করতে হলে অভিযানের পরিকল্পনা, সময় এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তারা বলছেন, অতীতে তথ্য ফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্ত কোনো সদস্যকে এ ধরনের সংবেদনশীল অভিযানে দায়িত্ব দিলে অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বরিশাল নগরীর কেডিসি আব্দুর রাজ্জাক কলোনি এলাকায় কোতোয়ালি মডেল থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সমন্বয়ে একটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের পূর্বে গোপন তথ্য মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ডিবিতে কর্মরত কনস্টেবল মো. ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে।
অভিযোগের পর প্রাথমিক পর্যায়ে বিষয়টির তদন্ত করা হয় এবং পরে তাকে ক্লোজড করে বরিশাল পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে কনস্টেবল ফারুক হোসেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানায় পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে, অতীতে ওঠা তথ্য ফাঁসের অভিযোগের বিষয়টি সামনে এনে স্থানীয় সচেতন মহল নতুন করে দাবি করেছেন যে তাকে মাদকবিরোধী অভিযানে সম্পৃক্ত না করা উচিত। তাদের আশঙ্কা, অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোপন তথ্য যদি আগাম প্রকাশ হয়ে যায়, তাহলে মাদক ব্যবসায়ীরা সতর্ক হয়ে উঠতে পারে এবং এতে অভিযানের সফলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের অতীত ভূমিকা এবং তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা দাবি করেছেন, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
এ অবস্থায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান সালেহ এবং উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এমদাদ হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাদের দাবি, মাদক নির্মূল কার্যক্রমের স্বার্থে কনস্টেবল মো. ফারুক হোসেনকে অন্তত মাদকবিরোধী অভিযানের মতো সংবেদনশীল কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা উচিত।
এ বিষয়ে কনস্টেবল মো. ফারুক হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ