ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তথ্য ফাঁসের অভিযোগ: কনস্টেবল ফারুককে মাদকবিরোধী অভিযান থেকে দূরে রাখার দাবি


তথ্য ফাঁসের অভিযোগ: কনস্টেবল ফারুককে মাদকবিরোধী অভিযান থেকে দূরে রাখার দাবি

বরিশাল নগরীর কেডিসি এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের গোপন তথ্য মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে ফাঁস হওয়ার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল মো. ফারুক হোসেনকে ভবিষ্যতে কোনো মাদকবিরোধী অভিযানে দায়িত্ব না দেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, মাদকবিরোধী অভিযান সফলভাবে পরিচালনা করতে হলে অভিযানের পরিকল্পনা, সময় এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তারা বলছেন, অতীতে তথ্য ফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্ত কোনো সদস্যকে এ ধরনের সংবেদনশীল অভিযানে দায়িত্ব দিলে অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বরিশাল নগরীর কেডিসি আব্দুর রাজ্জাক কলোনি এলাকায় কোতোয়ালি মডেল থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সমন্বয়ে একটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের পূর্বে গোপন তথ্য মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ডিবিতে কর্মরত কনস্টেবল মো. ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন: ৮ ট্রেন ও ২৩ রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ, বিপাকে নিম্ন আয়ের যাত্রীরা

অভিযোগের পর প্রাথমিক পর্যায়ে বিষয়টির তদন্ত করা হয় এবং পরে তাকে ক্লোজড করে বরিশাল পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে কনস্টেবল ফারুক হোসেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানায় পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এদিকে, অতীতে ওঠা তথ্য ফাঁসের অভিযোগের বিষয়টি সামনে এনে স্থানীয় সচেতন মহল নতুন করে দাবি করেছেন যে তাকে মাদকবিরোধী অভিযানে সম্পৃক্ত না করা উচিত। তাদের আশঙ্কা, অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোপন তথ্য যদি আগাম প্রকাশ হয়ে যায়, তাহলে মাদক ব্যবসায়ীরা সতর্ক হয়ে উঠতে পারে এবং এতে অভিযানের সফলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

সচেতন নাগরিকরা বলছেন, মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের অতীত ভূমিকা এবং তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা দাবি করেছেন, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

এ অবস্থায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান সালেহ এবং উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এমদাদ হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাদের দাবি, মাদক নির্মূল কার্যক্রমের স্বার্থে কনস্টেবল মো. ফারুক হোসেনকে অন্তত মাদকবিরোধী অভিযানের মতো সংবেদনশীল কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা উচিত।

আরও পড়ুন: চসিকের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন ডা. শাহাদাত হোসেন

এ বিষয়ে কনস্টেবল মো. ফারুক হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের অবসানের বিষয়ে যা বললেন ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ এম


ইরান যুদ্ধের অবসানের বিষয়ে যা বললেন ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাপ্তির সময়সীমা সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না। তবে বিভিন্ন স্থানে সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভ্যান্স জানান, তিনি চলমান পরিস্থিতিকে সরাসরি ‘যুদ্ধ’ হিসেবে চিহ্নিত করতে চান না। তার বক্তব্য ছিল, ‘এই মুহূর্তে সক্রিয়ভাবে গোলাগুলি চলছে না।’ তবে কিছু স্থানে সংঘাতের বৃদ্ধি ঘটছে বলেও তিনি জানান।

ভ্যান্সের এই মন্তব্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এসেছে। তিনি দাবি করেন, বড় ধরনের সামরিক অভিযান প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে চলছিল এবং এই সময়ে ইরানের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে যুদ্ধের সমাপ্তির নির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘যখন আপনি জানতে চান, এটি কখন শেষ হবে, তখন আসলে আপনি জানতে চাইছেন-ইরানিরা কখন জাহাজে হামলা বন্ধ করবে?’

ভ্যান্স বলেন, ‘বাস্তবতা হলো, এর উত্তর আমি জানি না। এ বিষয়ে আপনাকে ইরানিদেরই জিজ্ঞেস করতে হবে।’

চলমান সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হরমুজ প্রণালির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ভ্যান্স। তিনি অভিযোগ করেন, ইরান গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যপথে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর হাতুড়ি ও শাবলের আঘাতে স্বামী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ এম


স্ত্রীর হাতুড়ি ও শাবলের আঘাতে স্বামী নিহত

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় পারিবারিক কলহের কারণে দ্বিতীয় স্ত্রীর হাতুড়ি ও শাবলের আঘাতে খায়রুল ইসলাম পলাশ (৪৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর তার স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে (২৫) পুলিশ আটক করেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাঁঠালিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ আউড়া গ্রামে পলাশের শ্বশুর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পলাশ একজন ওষুধ ব্যবসায়ী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানিপুর। সম্প্রতি তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী লিজার বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানে একটি ফার্মেসি ব্যবসা শুরু করেন।

পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে লিজা শাবল ও হাতুড়ি দিয়ে পলাশকে গুরুতর আঘাত করেন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি ঘটলে বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রী লিজাকে আটক করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওজন কমাতে গিয়ে ভুল করছেন না তো? ক্যালরি বাড়তে পারে এই ৫ খাবারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ এম


ওজন কমাতে গিয়ে ভুল করছেন না তো? ক্যালরি বাড়তে পারে এই ৫ খাবারে

ওজন কমানোর বিষয়টি ভাবলেই অনেকেই প্রথমে ভাজাপোড়া, কোমল পানীয়, মিষ্টি এবং ফাস্টফুডগুলো বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর পরিবর্তে তারা বাদাম, গ্রানোলা, ফল, ড্রাই ফ্রুট এবং ঘরে তৈরি লাড্ডুর মতো খাবার গ্রহণ করতে শুরু করেন। নিঃসন্দেহে, এই খাবারগুলোর মধ্যে অনেকগুলো পুষ্টিকর। তবে একটি বিষয় মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি যে, পুষ্টিকর খাবার এবং কম ক্যালরির খাবার সবসময় একই রকম নয়।

যে কোনো খাবারে ভালো ফ্যাট, ফাইবার, ভিটামিন বা মিনারেল থাকলেই সেটি ইচ্ছেমতো খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যখন ওজন কমানোর কথা আসে, তখন খাবারের গুণমানের পাশাপাশি পরিমাণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর খাবারগুলো কীভাবে অজান্তেই আপনার দৈনিক ক্যালরি বাড়িয়ে দিতে পারে, তা দেখা যাক—

১. গ্রানোলা: স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট, কিন্তু কতটা?

গ্রানোলায় ওটস, বাদাম, বীজ ইত্যাদি উপাদান থাকায় অনেকেই এটিকে সকালের জন্য আদর্শ খাবার মনে করেন। কিন্তু গ্রানোলার বিভিন্ন ধরনের কারণে ক্যালরির পরিমাণে বড় পার্থক্য দেখা যেতে পারে। কিছু প্যাকেটজাত গ্রানোলায় মধু, চিনি, সিরাপ, তেল বা মিষ্টি শুকনো ফল যোগ করা হয়। তার সাথে, বাটিতে কতটা ঢালছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। অল্প মনে করে একাধিক সার্ভিং খেয়ে ফেললে ক্যালরি দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

সুতরাং, গ্রানোলা কেনার সময় শুধুমাত্র সামনের প্যাকেটের ‘হেলদি’ বা ‘ন্যাচারাল’ লেখা দেখার পরিবর্তে, পেছনের নিউট্রিশন ফ্যাক্ট ও ইনগ্রেডিয়েন্টস লিস্ট দেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

২. বাদাম: উপকারী হলেও ক্যালরি বেশি

বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কিছু প্রোটিন, ফাইবার এবং বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকে। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিমিত বাদাম রাখা উপকারী হতে পারে। তবে বাদামের একটি সমস্যা হলো—এর আকার ছোট হলেও এতে ক্যালরি বেশি। ফলে টিভি দেখার সময়, কাজের ফাঁকে বা ক্ষুধা লাগলে বারবার কয়েকটি করে খেতে থাকলে মোট পরিমাণ সহজেই বেড়ে যেতে পারে। পিনাট বাটারের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। এক চামচের বদলে কয়েক চামচ ব্যবহার করলে ক্যালরি দ্রুত যোগ হয়। তাই বাদাম বা বাদামের মাখন খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ আগে ঠিক করে নেওয়া ভালো অভ্যাস।

৩. ফলের স্মুদি: স্বাস্থ্যকর পানীয় নাকি লুকানো অতিরিক্ত ক্যালরি?

ফল দিয়ে তৈরি স্মুদি নিঃসন্দেহে পুষ্টিকর হতে পারে। তবে স্মুদিকে ওজন কমানোর ম্যাজিক ড্রিংক ভাবার কারণ নেই। একটি গ্লাসে কলা, আম, খেজুর, দুধ, দই, মধু এবং পিনাট বাটার সব একসঙ্গে ঢেলে দিলে প্রতিটি উপাদান আলাদাভাবে স্বাস্থ্যকর হলেও পুরো পানীয়র মোট ক্যালরি অনেক বেড়ে যেতে পারে।

আরেকটি বিষয় হলো, পানীয় আকারে অনেক উপাদান খেয়ে ফেলা সহজ। তাই স্মুদি বানানোর সময় উপাদান কম ও পরিমিত রাখা এবং অতিরিক্ত মিষ্টি উপাদান না যোগ করাই ভালো।

৪. শুকনো ফল: ছোট আকারের বড় ক্যালরি

খেজুর, কিশমিশ, শুকনো এপ্রিকট বা অন্যান্য ড্রাই ফ্রুটে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে। কিন্তু তাজা ফলের তুলনায় এগুলো অনেক বেশি ঘন। কারণ শুকানোর সময় ফলের বেশিরভাগ পানি চলে যায়। ফলে একই পরিমাণ জায়গায় তুলনামূলক বেশি ফলের শর্করা ও ক্যালরি জমা হয়। ছোট আকারের কারণে কয়েকটি খেতে খেতে কখন অনেকটা খেয়ে ফেলেছেন, তা বোঝাও কঠিন।

সুতরাং, ড্রাই ফ্রুটকে সাধারণ ফলের মতো করে এক বাটি ভরে খাওয়ার বদলে ছোট পরিমাণে খাওয়া বেশি যুক্তিযুক্ত, বিশেষ করে যদি আপনার লক্ষ্য ওজন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

৫. খেজুর-গুড়ের লাড্ডু: চিনি কম হলেই কি ক্যালরি কম?

ঘরে তৈরি লাড্ডুতে খেজুর, গুড়, বাদাম, বীজ বা ঘি ব্যবহার করা হলে সেটিকে অনেকেই সাধারণ মিষ্টির তুলনায় ‘নিরাপদ’ মনে করেন। কিন্তু উপাদানগুলো প্রাকৃতিক বা পুষ্টিকর হলেই লাড্ডুর ক্যালরি কমে যায় না।

খেজুর ও গুড় থেকে আসে শর্করা, আর বাদাম, বীজ ও ঘি যোগ করে ফ্যাট ও ক্যালরির পরিমাণ। ফলে রিফাইন্ড চিনি ব্যবহার না করলেও একটি লাড্ডি যথেষ্ট ক্যালরি বহন করতে পারে। অর্থাৎ, চিনি নেই বা গুড় দিয়ে তৈরি এই তথ্য একাই কোনো খাবারকে কম ক্যালরির খাবার বানায় না।

তাহলে কী করবেন?

ওজন কমানোর জন্য এসব খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং এগুলোকে খাদ্যতালিকায় রেখে প্রোটিন কন্ট্রোলের দিকে নজর দেওয়া উচিত।

খাবার বাছাইয়ের সময় তিনটি বিষয় মাথায় রাখতে পারেন, কী উপাদান দিয়ে তৈরি, কতটা পরিমাণ খাচ্ছেন এবং দিনে কতবার খাচ্ছেন। পাশাপাশি প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রে পুষ্টিগুণের লেবেল পড়া নেওয়া কার্যকর হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওজন কমাতে গিয়ে ভুল করছেন না তো? ক্যালরি বাড়তে পারে এই ৫ খাবারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১১ এম


ওজন কমাতে গিয়ে ভুল করছেন না তো? ক্যালরি বাড়তে পারে এই ৫ খাবারে

ওজন কমানোর বিষয়টি ভাবলেই অনেকেই প্রথমে ভাজাপোড়া, কোমল পানীয়, মিষ্টি এবং ফাস্টফুড বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর পরিবর্তে বাদাম, গ্রানোলা, ফল, ড্রাই ফ্রুট এবং ঘরে তৈরি লাড্ডুর মতো খাবার গ্রহণ করা শুরু করেন। নিঃসন্দেহে এসব খাবার অনেক ক্ষেত্রে পুষ্টিকর। তবে একটি বিষয় মনে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, পুষ্টিকর খাবার এবং কম ক্যালরির খাবার সব সময় একই রকম নয়।

কোন খাবারে ভালো ফ্যাট, ফাইবার, ভিটামিন বা মিনারেল থাকলেই সেটি ইচ্ছেমতো খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে যখন ওজন কমানোর কথা আসে, তখন খাবারের গুণগত মানের পাশাপাশি পরিমাণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যকর খাবার কীভাবে অজান্তেই আপনার দৈনিক ক্যালরি বাড়িয়ে দিতে পারে, সেটি দেখা যাক—

১. গ্রানোলা: স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট, কিন্তু কতটা?

ওটস, বাদাম, বীজ ইত্যাদি উপাদান থাকার কারণে গ্রানোলাকে অনেকেই সকালের জন্য আদর্শ খাবার মনে করেন। তবে গ্রানোলার বিভিন্ন প্রকারের কারণে ক্যালরির পরিমাণে বড় পার্থক্য থাকতে পারে। কিছু প্যাকেটজাত গ্রানোলায় মধু, চিনি, সিরাপ, তেল অথবা মিষ্টি শুকনো ফল যোগ করা হয়। তার উপর, বাটিতে কতটা ঢালছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। অল্প মনে করে একাধিক সার্ভিং খেয়ে ফেললে ক্যালরি দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

সুতরাং গ্রানোলা কেনার সময় শুধুমাত্র সামনের প্যাকেটের ‘হেলদি’ বা ‘ন্যাচারাল’ লেখা নয়, বরং পেছনের নিউট্রিশন ফ্যাক্ট এবং ইনগ্রেডিয়েন্টস লিস্ট দেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

২. বাদাম: উপকারী হলেও ক্যালরি বেশি

বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কিছু প্রোটিন, ফাইবার এবং বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিমিত বাদাম রাখা উপকারী হতে পারে। তবে বাদামের একটি সমস্যা হলো—এর আকার ছোট হলেও এতে ক্যালরি বেশি। ফলে টিভি দেখার সময়, কাজের ফাঁকে অথবা ক্ষুধা লাগলে বারবার কয়েকটি করে খেতে থাকলে মোট পরিমাণ সহজেই বেড়ে যায়। পিনাট বাটারের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। এক চামচের বদলে কয়েক চামচ ব্যবহার করলে ক্যালরি দ্রুত যোগ হয়। তাই বাদাম বা বাদামের মাখন খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ আগে ঠিক করে নেওয়া ভালো অভ্যাস।

৩. ফলের স্মুদি: স্বাস্থ্যকর পানীয় নাকি লুকানো অতিরিক্ত ক্যালরি?

ফল দিয়ে তৈরি স্মুদি নিঃসন্দেহে পুষ্টিকর হতে পারে। তবে স্মুদিকে ওজন কমানোর ম্যাজিক ড্রিংক ভাবার কারণ নেই। একটি গ্লাসে কলা, আম, খেজুর, দুধ, দই, মধু এবং পিনাট বাটার সব একসঙ্গে ঢেলে দিলে প্রতিটি উপাদান আলাদাভাবে স্বাস্থ্যকর হলেও পুরো পানীয়র মোট ক্যালরি অনেক বেড়ে যেতে পারে।

আরেকটি বিষয় হলো, পানীয় আকারে অনেক উপাদান খেয়ে ফেলা সহজ। তাই স্মুদি বানানোর সময় উপাদান কম ও পরিমিত রাখা এবং অতিরিক্ত মিষ্টি উপাদান না যোগ করাই ভালো।

৪. শুকনো ফল: ছোট আকারের বড় ক্যালরি

খেজুর, কিশমিশ, শুকনো এপ্রিকট কিংবা অন্যান্য ড্রাই ফ্রুটে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে। কিন্তু তাজা ফলের তুলনায় এগুলো অনেক বেশি ঘন। কারণ শুকানোর সময় ফলের বেশিরভাগ পানি চলে যায়। ফলে একই পরিমাণ জায়গায় তুলনামূলক বেশি ফলের শর্করা ও ক্যালরি জমা হয়। ছোট বলে কয়েকটি খেতে খেতে কখন অনেকটা খেয়ে ফেলেছেন, তা বোঝাও কঠিন।

সুতরাং ড্রাই ফ্রুটকে সাধারণ ফলের মতো করে এক বাটি ভরে খাওয়ার বদলে ছোট পরিমাণে খাওয়াই বেশি যুক্তিযুক্ত, বিশেষ করে যদি আপনার লক্ষ্য ওজন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

৫. খেজুর-গুড়ের লাড্ডু: চিনি কম হলেই কি ক্যালরি কম?

ঘরে তৈরি লাড্ডুতে খেজুর, গুড়, বাদাম, বীজ অথবা ঘি ব্যবহার করা হলে সেটিকে অনেকেই সাধারণ মিষ্টির তুলনায় ‘নিরাপদ’ মনে করেন। কিন্তু উপাদানগুলো প্রাকৃতিক বা পুষ্টিকর হলেই লাড্ডুর ক্যালরি কমে যায় না।

খেজুর ও গুড় থেকে আসে শর্করা, আর বাদাম, বীজ ও ঘি যোগ করে ফ্যাট ও ক্যালরির পরিমাণ। ফলে রিফাইন্ড চিনি ব্যবহার না করলেও একটি লাড্ডি যথেষ্ট ক্যালরি বহন করতে পারে। অর্থাৎ, চিনি নেই বা গুড় দিয়ে তৈরি এই তথ্য একাই কোনও খাবারকে কম ক্যালরির খাবার বানায় না।

তাহলে কী করবেন?

ওজন কমানোর জন্য এসব খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং এগুলোকে খাদ্যতালিকায় রেখে প্রোটিন কন্ট্রোলের দিকে নজর দিন।

খাবার বাছাইয়ের সময় তিনটি বিষয় মাথায় রাখতে পারেন, কী উপাদান দিয়ে তৈরি, কতটা পরিমাণ খাচ্ছেন এবং দিনে কতবার খাচ্ছেন। পাশাপাশি প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রে পুষ্টিগুণের লেবেল পড়ে নেওয়াও কাজে দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%