ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাঙামাটিতে বাস-ট্রাক টার্মিনাল সরানোর দাবি, সংস্কার চান সড়কের


রাঙামাটিতে বাস-ট্রাক টার্মিনাল সরানোর দাবি, সংস্কার চান সড়কের

রাঙামাটিতে সড়ক ও নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশন। এ সময় শহরের বাইরে মানিকছড়িতে বাস ও ট্রাক টার্মিনাল স্থানান্তর এবং হাসপাতালসংলগ্ন সড়কসহ শহরের বিভিন্ন সড়কের খানাখন্দ দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
‎
‎রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটি শহরের বনরূপা পুলিশ ট্রাফিক বক্সের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে চালক, যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
‎
‎পথসভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন সড়কে নামানো থেকে বিরত থাকতে হবে। ঘুম ঘুম চোখে কিংবা মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালানো যাবে না। পাশাপাশি নৌপথে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল পরিবহন বন্ধ, যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট নিশ্চিত করা এবং নৌ আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
‎
‎বক্তারা রাঙামাটি শহরের যানজট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে বাস ও ট্রাক টার্মিনাল দ্রুত শহরের বাইরে মানিকছড়িতে স্থানান্তরের দাবি জানান। একই সঙ্গে শহরের অলিগলি এবং বিশেষ করে হাসপাতালসংলগ্ন সড়কের বেহাল দশা ও খানাখন্দ দ্রুত সংস্কার করে যান চলাচলের উপযোগী করার আহ্বান জানান।
‎
‎নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশনের রাঙামাটি জেলা সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মো. হাবীব আজমের সভাপতিত্বে পথসভায় সঞ্চালনা করেন সংগঠক আলমগীর হোসেন। বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন এবং সংগঠক মো. ইভান শফি, হুমায়ুন কবির ও আরিয়ান রিয়াজ।
‎
‎এ সময় সংগঠনের সদস্য অভি ইসলাম রাফি, সানজিদা ইসলাম সানজু, ইসরাত জাহান ও আরিফুল ইসলামসহ ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. জামান, সার্জেন্ট বিশ্বজিৎ এবং অন্যান্য পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎কর্মসূচিতে স্থানীয় চালক ও যাত্রীরা অংশ নেন। আয়োজকেরা বলেন, সড়ক ও নৌপথে দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জের মুশুরিয়ার বিলে পদ্মের সমারোহ, প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


গোপালগঞ্জের মুশুরিয়ার বিলে পদ্মের সমারোহ, প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ঢল

বিশাল জলরাশির যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই লাল-সাদা পদ্মের অপরূপ সমারোহ। পানির বুকে ফুটে থাকা অসংখ্য পদ্মফুলে যেন সেজেছে প্রকৃতি। বর্ষা মৌসুমে এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল ইউনিয়নের মুশুরিয়ার বিল এখন পদ্মফুলের সৌন্দর্যে পরিণত হয়েছে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৪০০ বিঘা জমিজুড়ে বিস্তৃত এই পদ্মবিল দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ পদ্মবিল। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকদের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ থেকেও দর্শনার্থীরা এখানে আসছেন বলে জানান তাঁরা। শাপলাবিলের দেখা মিললেও বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে পদ্মফুলের এমন সমারোহ সচরাচর চোখে পড়ে না। আর এ কারণেই দিন দিন বাড়ছে মুশুরিয়ার বিলের পরিচিতি।

তবে এই পদ্মবিলের সৌন্দর্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের ইতিহাস। স্থানীয় কৃষক প্রকাশ বৈদ্যের হাত ধরেই বিলটিতে পদ্মের বিস্তার ঘটে বলে জানা গেছে। শুরুতে অল্প কয়েকটি পদ্মফুল থাকলেও ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ জলরাশিজুড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পদ্মফুলের সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়লে বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের আনাগোনা।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিলটিকে ঘিরে রয়েছে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুভূতি। বিলের মাঝখানে অবস্থিত ছোট্ট শীতলা মায়ের মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে নানা বিশ্বাস। স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, শীতলা মায়ের আশীর্বাদেই বিলজুড়ে পদ্মফুলের এমন সমারোহ। তাই অনেকেই প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি মন্দিরে গিয়ে দেবীর চরণে পদ্মফুল অর্পণ করেন।

বিলের ঘাটে বাঁধা থাকে সারি সারি নৌকা। এসব নৌকায় চড়ে দর্শনার্থীরা ঘুরে দেখেন পদ্মে ঘেরা বিস্তীর্ণ জলরাশি। অনেকে বিলের মাঝখানে অবস্থিত মন্দিরেও যান। বর্ষাকালে নৌকাভ্রমণের পাশাপাশি পদ্মফুলের সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে আসছেন অনেকে।

মুশুরিয়ার বিলের পদ্মফুল দেখতে পর্যটকদের আগমন স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিলাঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে কৃষিকাজের সুযোগ সীমিত থাকায় অনেক স্থানীয় বাসিন্দা নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। পাশাপাশি বিলের ঘাটসংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট ছোট দোকান। এসব দোকান ও নৌকাকেন্দ্রিক কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের।

বিলের ঘাটের আয়োজক প্রকাশ বৈদ্য বলেন, “একসময় এখানে দু-একটি পদ্মফুল ছিল। পরে হঠাৎ করেই অনেক পদ্মফুল ফুটতে শুরু করে। ধীরে ধীরে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। বিশেষ করে করোনার পর থেকে দর্শনার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাঁদের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সরকারি সহযোগিতা পেলে এখানে আরও বৃহৎ পরিসরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব।”

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফিন বলেন, মুশুরিয়ার বিলে দিন দিন পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। দর্শনার্থীদের আগমন বিবেচনায় ভবিষ্যতে এখানে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ধর্মীয় বিশ্বাস আর স্থানীয় মানুষের জীবিকার মেলবন্ধনে মুশুরিয়ার বিল এখন কেবল পদ্মফুল দেখার স্থান নয়, বরং সম্ভাবনাময় পর্যটন গন্তব্য। পরিকল্পিত উন্নয়ন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে বিলটি দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজকুঞ্জরা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাতানীপাড়া সমাজকল্যাণ সংঘের ২৩তম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক সাকিব চৌধুরী

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


নিজকুঞ্জরা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাতানীপাড়া সমাজকল্যাণ সংঘের ২৩তম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় সাতানীপাড়া সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে ২৩তম মেধাবৃত্তি পরীক্ষা–২০২৬ সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ২৩ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, উপজেলার নিজকুঞ্জরা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ১০ নম্বর ঘোপাল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, মহিউচ্ছুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ইয়াকুব চৌধুরী, ইউনাইটেড ট্রাস্টের ফেনী জেলা কো-অর্ডিনেটর মো. ফয়সাল ভূঁইয়া, সংঘের প্রধান উপদেষ্টা মো. জিয়া গিয়াস উদ্দিন মোহন, উপদেষ্টা মো. জহির উদ্দিন ও মো. আশরাফ চৌধুরী, নিজকুঞ্জরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. ফরহাদ হোসেন এবং তরুণ সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী একরামুল হক। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, শিক্ষার প্রসার এবং প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতানীপাড়া সমাজকল্যাণ সংঘ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এবারের মেধাবৃত্তি পরীক্ষাও শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

পরীক্ষাটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আয়োজকরা। বিশেষ করে সংঘের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে সুশৃঙ্খলভাবে এ আয়োজন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তারা।

শিক্ষার প্রসার, মেধার বিকাশ এবং আলোকিত প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে সাতানীপাড়া সমাজকল্যাণ সংঘের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চবি ক্যাম্পাসে ড্রোন ওড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


চবি ক্যাম্পাসে ড্রোন ওড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ক্যাম্পাসে ড্রোন ক্যামেরা ওড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে প্রক্টর অফিসের পূর্বানুমতি ছাড়া। ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানায়, নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ প্রায়ই বিনা অনুমতিতে ড্রোন ক্যামেরা উড়াচ্ছেন। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ছাত্রীদের হলপাড়ায়ও ড্রোন উড্ডয়ন করা হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং ছাত্রীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য উদ্বেগজনক।

এর আগে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অনুমতি ছাড়া ড্রোন উড়ানোর বিষয়ে শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানিয়েছেন। বিশেষ করে ছাত্রী হল সংলগ্ন এলাকায় ড্রোনের চলাচল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। আবাসিক ছাত্রীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানানো হয়।

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রক্টর অফিসের পূর্বানুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কোনো ধরনের ড্রোন ক্যামেরা উড়ানো যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ড্রোন উড়ানোর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবশ্যই প্রক্টর অফিসের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি ড্রোন পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও দর্শনার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলার এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নলডাঙ্গায় ট্রাকের ধাক্কায় গেদি বেগমের প্রাণ গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


নলডাঙ্গায় ট্রাকের ধাক্কায় গেদি বেগমের প্রাণ গেল

নাটোরের নলডাঙ্গা এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় গেদি বেগম (৫৬) নামের এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে নলডাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব সোনাপাতিল রেলব্রিজের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত গেদি বেগম রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের মো. বনি ইসরাইলের স্ত্রী। এ ঘটনার পর নলডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটক করেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে গেদি বেগম অটো ভ্যানে করে পাটুল থেকে দুর্গাপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। নলডাঙ্গা-পাটুল পাকা রাস্তার ওপর পৌঁছানোর পর পেছন দিক থেকে আসা একটি ইঞ্জিনচালিত চার চাকার পাটবোঝাই ট্রাক ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এই সংঘর্ষে ভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে গিয়ে ওই নারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

ঘটনার খবর পেয়ে নলডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস এবং নলডাঙ্গা থানার জরুরি ডিউটি অফিসার এসআই হেলাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা নিহতের মরদেহ এবং দুর্ঘটনায় জড়িত পাটবোঝাই ট্রাকটি চালকসহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

আটক চালক মো. কাইসার (৩৭) নাটোর সদর উপজেলার পণ্ডিতগ্রাম শিবপুর এলাকার মো. নুরুর ছেলে। তিনি পাট নিয়ে পণ্ডিতগ্রাম এলাকার সিদ্দিকের গোডাউনে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

নলডাঙ্গা থানার ওসি মনোয়ার জাহান জানিয়েছেন, "আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%