বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২০ এম
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নির্মাণাধীন একটি প্রকল্প থেকে রড চুরির ঘটনায় ৬ জন চোরকে হাতেনাতে ধরে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন বসুন্ধরার নিরাপত্তারক্ষীরা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ৬ নম্বর গেট থেকে তাদের আটক করা হয়। পরের দিন ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে চোরদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে কঠোর নজরদারি ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বসুন্ধরার নিরাপত্তারক্ষীরা প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ ঘটনায় নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এক বাসিন্দা।
মঙ্গলবার এমডি রাকিব নামের ওই বাসিন্দা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গত ৮ অক্টোবর আমার কাকার প্রজেক্ট থেকে রড চুরি হয়েছিল। গতকাল (সোমবার) রাতে চোরদের হাতেনাতে ধরে তারা তাদের নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। নিরাপত্তার রক্ষক হিসেবে আপনাদের এই তৎপরতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বসুন্ধরা সিকিউরিটি টিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন!’
এ ছাড়া ওই পোস্টের কমেন্টেও বসুন্ধরার নিরাপত্তা রক্ষীদের প্রশংসা করতে দেখা গেছে।
আসাদুজ্জামান মুন্না নামের একজন লিখেছেন, ‘সত্যিই গার্ডগুলো খুব সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে। এরা পুলিশের থেকেও বেশি নিরাপত্তা প্রদান করে।’
আরেকজন লিখেছেন, ‘বসুন্ধরা এলাকায় সকল প্রশাসনিক ভাইদের আচার-ব্যবহার অনেক ভালো। ওরা সবাই নিঃস্বার্থে সততার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।’
জিডি সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এন-ব্লক থেকে একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ৬ জন বিপুল পরিমাণ রড চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর চারপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি এবং চোরদের শনাক্ত করা হয়। চোরদের পুনরায় ধরতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সকল সিকিউরিটি গেটে চুরির কাজে ব্যবহৃত গাড়িটির নম্বর নোট করানো হয়। পরে গত সোমবার রাতে ওই চোর চক্রটি আবারও চুরির উদ্দেশে প্রবেশ করলে ৬ নম্বর গেটে দায়িত্বরত নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাকসহ হাতেনাতে আটক করেন।
জিডিতে আরো বলা হয়, আটক চোররা দীর্ঘদিন ধরে এই আবাসিক এলাকার বিভিন্ন স্থানে এবং বিভিন্ন নির্মাণাধীন প্লটে নানা কায়দায় বড়বড় চুরি সংঘটিত করে আসছিল। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বিগত দিনে ঘটে যাওয়া অন্যান্য চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে ভাটারা থানা পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২২ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্যকে আটক করেন বসুন্ধরার নিরাপত্তারক্ষীরা। পরে আটক ব্যক্তিদের ও উদ্ধার করা আলামত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ভাটারা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
তারও আগে, গত আগস্ট মাসে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় গোলাম রাফি খান নামে একজনকে আটক করা হয়। ছিনতাইয়ের ঘটনার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে তাকে আটক করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তাকর্মীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বসুন্ধরা এলাকায় হেঁটে যাওয়া এক নারীর ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের ছবিও সংগ্রহ করা হয়। আটকের পর গোলাম রাফি খান স্বীকারোক্তি দেন। সেখানে তিনি নিজেকে ইয়াবাসেবী বলে দাবি করেন। পরে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে মাদক পাচারের অভিযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিজিৎ দাস (৪০) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) শাড়ির আড়ালে অভিনব কৌশলে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী হলের গ্রিন চ্যানেল এলাকায় তাকে আটক করা হয়।
অভিজিৎ দাস পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা। তার কাছ থেকে ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি আন্তর্জাতিক ও ত্রিদেশীয় মাদক পাচার চক্রের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন।
ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসির ঢাকা মেট্রো (উত্তর), হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ড. মো. আবু সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল দুপুর ১টার দিকে গ্রিন চ্যানেলে অবস্থান নেয়।
এসময় ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে আসা অভিজিৎ দাসকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষী ও বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সামনে তাঁর ট্রাভেল ট্রলি তল্লাশি করা হয়। কাপড়ের নিচে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ৪ কেজি ২৮০ গ্রাম কুশ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, ২ হাজার ১৬০ ভারতীয় রুপি, ৭০ থাই বাথ, একটি স্মার্টফোন, বোর্ডিং কার্ড ও তিনটি ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
শাড়ির আড়ালে মাদক পাচারের অভিযোগ
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিজিৎ দাস জানিয়েছেন, তিনি ভারতের বনগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের একজন কুলি। তিনি জানিয়েছেন, একটি আন্তর্জাতিক ও ত্রিদেশীয় মাদক পাচার চক্র ভারতের নিম্নআয়ের মানুষকে ব্যবহার করে কলকাতা থেকে ব্যাংককে নিয়ে যায়। পরে ভারতীয় শাড়িসহ বিভিন্ন পণ্যের আড়ালে মাদক বাংলাদেশে পাচার করা হয়।
ডিএনসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চক্রটি বাংলাদেশে কুশের নতুন বাজার তৈরির চেষ্টা করছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশে দুই থেকে তিন দিন অবস্থান করে মাদকের একটি অংশ হস্তান্তরের পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল অভিজিতের।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় বিমানবন্দর থানায় ডিএনসির বিমানবন্দর সার্কেলের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন মামলা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাশকতার অভিযোগে যশোর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য এবং অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ মোল্যাকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ধোপাদী গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুর রউফ মোল্যা ধোপাদী গ্রামের আব্দুর রহিম মোল্যার পুত্র।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে জানান, ‘যশোর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রউফ মোল্যাকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় একটি তুচ্ছ ঘটনার জেরে এমদাদুল হক নামের এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান অভিযুক্ত নাইস খন্দকার নামের এক যুবককে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌরসভার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত এমদাদুল হক (১৭) উপজেলার নওদাবন্ডবিল গ্রামের রেজাউল হকের পুত্র। অপরদিকে, অভিযুক্ত নাইস খন্দকার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকার মজনু খন্দকারের সন্তান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাতে এমদাদুল একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এসময় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নাইসের সঙ্গে তার মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে নাইস এমদাদুলকে মারতে উদ্যত হলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিছুদূর যাওয়ার পর এমদাদুল পড়ে গেলে নাইস হাতের কাছে থাকা একটি লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে এমদাদুল গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।
পরে স্থানীয়রা এমদাদুলকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নাইস খন্দকারকে আটক করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করার পর ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর খিলক্ষেতে চোরাই সোনা উদ্ধারে গিয়ে র্যাব ও পুলিশের যৌথ আভিযানিক দল হামলার শিকার হয়েছে। এই ঘটনায় খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান রেনুর বিরুদ্ধে হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া, উসকানি দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
গত সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে খিলক্ষেতের টানপাড়া এলাকার একটি জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। এ হামলায় র্যাব ও পুলিশের তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. সাজু (২৯) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করলেও বিএনপি নেতা রেনুসহ অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, রাজশাহী বোয়ালিয়া মডেল থানার একটি মামলার পলাতক আসামি মো. রিয়াজুল ইসলামকে (৪৫) গত সোমবার বিকেলে খিলক্ষেতের টানপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাসাবাদে তিনি জানান, মামলার আলামত হিসেবে আট আনা এক পয়েন্ট ওজনের একটি সোনার চেইন নিকুঞ্জ-২ আবাসিক এলাকার 'অনন্যা জুয়েলার্সে'র মালিক রবীন্দ্রনাথ সরকারের কাছে বন্ধক রাখা আছে।
স্বীকৃতিমূলক জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে চেইনটি উদ্ধারে র্যাব ও পুলিশের ৯ সদস্যের একটি যৌথ দল অনন্যা জুয়েলার্সে যায়। আইনি প্রক্রিয়া শুরুর পরপরই বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান রেনুর নেতৃত্বে সাজু, বাবলুসহ ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জুয়েলার্সের সামনে জড়ো হন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা শুরুতেই আভিযানিক দলকে চারদিক থেকে ঘেরাও করেন। এ সময় রেনু সোনা ফেরত না দিতে উপস্থিত জনতাকে উসকানি দেন এবং ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করে পরিবেশ উত্তপ্ত করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
হামলার একপর্যায়ে রেনু লোহার রড দিয়ে কনস্টেবল মাহবুবুল হোসেন তপনের মাথায় আঘাতের চেষ্টা করেন। হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করলে কনস্টেবল তপনের ডান হাত ও হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লাগে। অন্যদিকে, গ্রেপ্তার সাজুর বিরুদ্ধে র্যাবের ল্যান্স কর্পোরাল মো. ইসরাইল হোসেনকে শারীরিকভাবে প্রহার ও ধারালো ছুরি দিয়ে জখম করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া আসামি বাবলু লাঠি দিয়ে আঘাত করে কনস্টেবল গোলাম মোর্শেদকে রক্তাক্ত করেন।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ পৌঁছালে মূল অভিযুক্ত রেনু ও বাবলু পালিয়ে যান, তবে ঘটনাস্থল থেকে সাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। আহত তিন সদস্যকে উদ্ধার করে উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানার পুলিশ পরিদর্শক এ কে এম জামাল উদ্দিন খান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় বেআইনি সমাবেশ, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা এবং হত্যাচেষ্টার ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন থানার ওসি (অপারেশনস) মো. হাফিজুর রহমান।
ঘটনাসম্পর্কে ওসি (অপারেশনস) মো. হাফিজুর রহমান জানান, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়া অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিএনপি নেতা রেনু ও বাবলুসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ