ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে কালিগঞ্জ থানার শহিদুল ইসলাম নির্বাচিত


জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে কালিগঞ্জ থানার শহিদুল ইসলাম নির্বাচিত

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় কর্মদক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও সেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কালিগঞ্জ থানার ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম।

মাসিক কল্যাণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

সভায় সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) খালিদ মোঃ আরাফাত বিগত মাসের কার্যবিবরণী ও গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন। চলতি মাসে বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যদের আবেদন ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয়গুলোও উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন: বরিশালে গ্রাম পুলিশকে শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ

পুলিশ সুপার উপস্থিত সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা মনোযোগ সহকারে শুনেছেন। তিনি বেশিরভাগ সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান প্রদান করেন এবং অবশিষ্ট বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাস দেন। তিনি সকল কর্মকর্তা ও সদস্যকে সরকারি বিধি-বিধান মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও জনবান্ধব মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।

এ সময় পুলিশ মেসে উন্নতমানের খাবার নিশ্চিতকরণ, ড্রেস কোড যথাযথভাবে অনুসরণ, ছুটি ও টিএ বিল প্রদানে স্বচ্ছতা, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করবার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় অবসরপ্রাপ্ত কনস্টেবল মোঃ আলী হায়দার সেখকে দীর্ঘ কর্মজীবনের সফল সমাপ্তি উপলক্ষে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। এছাড়া জেলার বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের সদস্যদের নগদ অর্থ ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

বিশেষভাবছেন, কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলামকে কর্মদক্ষতা ও পেশাগত সাফল্যের ভিত্তিতে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন: মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রাসিক প্রশাসক রিটন

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মিথুন সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) শাওন রেজা, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মোঃ ইমরান খান, পুলিশ হাসপাতাল সাতক্ষীরার চিকিৎসক ডা. আবু হোসেন, জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, ডিআইও-১, টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ অনেক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও জনসেবার মান উন্নয়নে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, ঝুঁকিতে কুবি শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো. মাহমুদুল হাছান রোহান, কুবি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, ঝুঁকিতে কুবি শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা জেলায় চুরি, ছিনতাই, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের ওপরও। বিশেষ করে আবাসিক সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন বিভিন্ন মেসে বসবাসকারী শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ১৭ জুলাই জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাসূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত সাত মাসে কুমিল্লায় ৮৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার কয়েকটিতে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হলেও পরে অনেকেই জামিন বা অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্ত হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত অপরাধ চিত্রে দেখা যায়—ডিসেম্বরে ৯টি, জানুয়ারিতে ১৪টি, ফেব্রুয়ারিতে ১২টি, মার্চে ১১টি, এপ্রিলে ১০টি, মে মাসে ১৭টি এবং জুনে ১০টিসহ মোট ৮৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ৯৭টি।

এ ছাড়া গত ছয় মাসে চুরির ঘটনা ঘটেছে ৩০২টি, ডাকাতি ৩৩টি এবং অপহরণের ঘটনা ১৪টি। অপমৃত্যু হয়েছে ৩৪৮টি। এ সময় পুলিশ ৪৮টি অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

মাদক ব্যবসা এবং এলাকার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ২৫ জুন নগরীর কাঁটাবিল এলাকায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচিতে হামলা ও গুলির ঘটনায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন আহত হয়। গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী ইথান আহম্মেদ প্রেম কাঁটাবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান।

সবশেষ চলতি মাসে নগরীর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় একটি জলাশয় থেকে জুম্মান নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ছাড়া চলতি বছরের ৪ মার্চ দুপুরে ঢাকা যাওয়ার সময় অপহরণের শিকার হন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক সোহেল। জোরপূর্বক তাকে গাড়িতে তুলে অপহরণকারীরা ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট-সংলগ্ন সড়ক ধরে নিয়ে যায় এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। এ সময় তার কাছে থাকা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, মানিব্যাগে থাকা প্রায় ১৫ হাজার টাকা এবং বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা।

৫ মার্চ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. হোসাইন ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী সায়েদ হাসান কুমিল্লা শহরের ধর্মসাগর পাড় এলাকা দিয়ে হাঁটার সময় শপিং ব্যাগের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হামলার শিকার হন। এ সময় তাদের মারধর করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করা হয়। তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান শিপন।

২২ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে লোকাল সেন্টমার্টিন পরিবহণ নামের একটি চলন্ত বাসে ধর্ষণের চেষ্টা করে পাঁচজন। এর মধ্যে দুইজনকে সেদিনই শিক্ষার্থীরা আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বাকি তিনজন পালিয়ে যায়। পলাতক তিন আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুইজন এখনো পলাতক রয়েছে।

এ ছাড়া গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর কুমিল্লায় নিজ বাসায় খুন হন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন রিনথী ও তার মা তাহমিনা।

এদিকে, শহর ও মহাসড়কগুলোতে রাত গভীর হলে ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়ে যায়। সম্প্রতি ছিনতাইকারীদের হামলায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর নিহত হওয়ার ঘটনা জেলাজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীরা কখনো যাত্রীর, আবার কখনো চালকের ছদ্মবেশে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে অপরাধ সংঘটিত করছে।

অন্যদিকে, কুমিল্লা নগরীতে কয়েক ডজন কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সম্প্রতি এসব গ্যাংয়ের কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সময় দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের মহড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে তুলনামূলক কমসংখ্যক সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বয়স কম হওয়ায় অনেক সদস্য দ্রুত আইনি সুবিধা পেয়ে আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।

সম্প্রতি অস্ত্রসহ আটক কয়েকজন অপরাধী ও কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের সদস্যদের কথিত ওঠাবসার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এসব ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এসব পরিস্থিতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর মাত্র প্রায় ২৩ শতাংশ আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে কুমিল্লা শহর কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন বিভিন্ন মেসে বসবাস করতে হয়।

প্রতিদিন ক্লাস, পরীক্ষা, টিউশন ও অন্যান্য প্রয়োজনে শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত করায় তারা ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঝুঁকিতে থাকছেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময় শহর থেকে ক্যাম্পাসে কিংবা ক্যাম্পাস থেকে শহরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে। অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া রাতে বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিজের অপহরণের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ সবুজ বলেন,
“আমাকে যখন অপহরণ করা হয়, তখন রাত প্রায় ১০টা। এই সময়ে টিউশন শেষ করে অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। শহর থেকে সর্বশেষ বাস আসে সাড়ে ৮টায়। ফলে যারা বিভিন্ন কারণে এই সময়ের পর ফিরে আসেন, তাদের একটি নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকেই যায়। সবকিছু বিবেচনায় উপাচার্য মহোদয়ের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছিলাম, অন্তত একটি বাস যেন রাত ৯টায় দেওয়া হয়। বাস সংকটের কারণে তখন দেওয়া হয়নি। নতুন ভিসি স্যার এসেছেন, তার চিন্তায় ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’। বাসও আছে। তাই বলব, নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় অন্তত একটি বাস রাত ৯টায় দেওয়া হোক।”

তিনি আরও বলেন,
“এর বাইরে শহরে আমাদের প্রশাসনিক কোনো কেন্দ্র নেই। শহরে থাকা বা টিউশনে যাওয়া শিক্ষার্থীদের অনেকেই বিভিন্ন সময় ছিনতাই, চুরি, অপহরণ এমনকি খুনেরও শিকার হন। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের রেসপন্সের ওপর নির্ভর করতে হয়। শহরে যদি একটি স্থায়ী হেল্প ডেস্ক থাকত, তাহলে বিষয়গুলো খুব সহজে দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করা যেত।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন বলেন,
“কুমিল্লা শহরে খুন, ছিনতাইসহ অপরাধ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। হল সংকটের কারণে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী শহরের মেস ও ভাড়া বাসায় থাকেন এবং প্রতিদিন যাতায়াত করেন। ফলে তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক বাড়ছে। এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ মাদকের সহজলভ্যতা ও মাদকাসক্তির বিস্তার। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ, নিয়মিত টহল এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা জরুরি।”

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী সৈয়দা নাজিফা নাফিল বলেন,
“কুমিল্লা শহরে তুলনামূলকভাবে ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বেশি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দিন দিন বাড়ছে। খুন-খারাবির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়ে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা সংকটে ভুগছেন। শুধু মেয়েরা নয়, বর্তমানে সব শিক্ষার্থীই ঝুঁকিতে আছেন। বিগত কয়েক দিন আগে ক্যাম্পাসে একজন শিক্ষার্থীকে মাদকাসক্ত কয়েকজন মিলে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের কাছ থেকেও কোনো রেসপন্স পাওয়া যায়নি। আসলে এ ব্যাপারে প্রশাসনের আরও সচেতন হওয়া উচিত এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন,
“এ বিষয়ে আমরা এসপি বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছি এবং প্রতিনিয়ত আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।”

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রোজী আক্তার বলেন,
“আপনি এ বিষয়ে আমার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম)-এর সঙ্গে কথা বলুন।”

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন,
“আমাদের ডিসি অফিসে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া আছে যে, যখন যেখানে যেমন অপরাধ দেখা দেবে, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নেবে। অপরাধ প্রবণতা বাড়ার বিষয়ে আলাদাভাবে পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং আমাদের সিদ্ধান্তও সেভাবেই রয়েছে। পুলিশও আমাদের সভায় উপস্থিত থাকে। সব বাহিনী বিশেষভাবে কাজ করছে। অবশ্যই আমাদের আলাদা নজর রয়েছে। অপরাধ বাড়লে বিষয়টি আমরা আলাদাভাবে দেখি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিছুক্ষণ ভারী বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় রাজশাহী নগরীতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


কিছুক্ষণ ভারী বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় রাজশাহী নগরীতে

রাজশাহীতে কিছুক্ষণ ভারী বৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জলাবদ্ধতায় ডুবে যায় রাজশাহী সাহেববাজার বানিজ্যিক এলাকা, মহানহরীর বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রামেক হাসপাতালের সামনের সড়ক। এর ফলে নগরবাসী, সাধারণ পথচারী, রামেকে আগত রোগী, তাঁদের স্বজন, চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কয়েক দফা এলাকাটি উঁচু করা হয়েছে, তবে নর্দমার (ড্রেনেজ) ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। একই অবস্থা সাহেববাজার বড়মসজিদ এলাকার।

মঙ্গলবার বিকেলে টানা বৃষ্টির পর সাহেববাজার এলাকা এবং মহাসpitalের জরুরি বিভাগের সামনে ও প্রধান ফটকসংলগ্ন সড়কে হাঁটুপানি জমে যায়। নিচু এলাকা হওয়ার কারণে আশপাশের বৃষ্টির পানিও সেখানে জমা হচ্ছে। কয়েক ঘণ্টা ধরে সেখানে পানি নামতে দেখা যায়নি এবং সন্ধ্যা সাতটার দিকে সেখানেও পানি ছিল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালে বাইরে আসা এবং হাসপাতালে প্রবেশ করা রোগী ও স্বজনদের কাপড় গুটিয়ে কিংবা জুতা হাতে নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে হচ্ছে। জরুরি বিভাগে রোগী আনা-নেওয়াও হয়েছে পানি মাড়িয়ে। কিছু লোককে পানিতে পিছলে পড়তেও দেখা গেছে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে ৬২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসা মাসুম আলী জানান, এটি দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। সামান্য বৃষ্টিতেই হাসপাতালের সামনে পানি জমে যায়।

রোগী দেখতে আসা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, পুরো সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় হাসপাতলে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে এবং বছরের পর বছর একই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

সাহেববাজার কাপড়পট্রির মোঃ সাহেব আলী উল্লেখ করেন, সামান্য বৃষ্টিতেই বড়মসজিদের সামনে সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকায় পথচারী ও মসজিদে আসা মুসল্লিরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। তিনি আরও জানান, রাজশাহী শহরকে বলা হতো পুকুরের শহর। বর্তমানে এই শহরে পুকুর শূণের কোঠায়। এই সুখী, শান্তির নগরী থেকে পুকুর, মাইঠ্যাল ভরাট করে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এবং এই ভরাট কাজগুলোর জন্য কিছু অসাধু নেতা, পাতি নেতা, ভূমি দস্যুরা গত ১৫/২০ বছরে সবচেয়ে বেশি দায়ী।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ জানান, হাসপাতালের সামনের সড়কে জলাবদ্ধতার সমস্যা নতুন নয়। গত কয়েক বছরে অন্তত দুই থেকে তিন দফা সড়ক উঁচু করা হয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টির সময় এখনো পানি জমে। হাসপাতালের কিছু নিজস্ব নর্দমা থাকলেও সেগুলো সিটি করপোরেশনের নর্দমা নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত। এজন্য স্থায়ী সমাধানের জন্য সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন। তিনি বলেন, ড্রেনে ময়লা বা পলিথিন জমে থাকলে তা পরিষ্কারের জন্য সিটি করপোরেশনকে জানানো হবে। পাশাপাশি হাসপাতালের সামনের অংশ আরও উঁচু করা যায় কি না সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এদিকে একই বৃষ্টিতে রাজশাহী নগরীর, লক্ষ্ণীপুর, বাকির মোড়, ডিঙ্গাডোবা ও বহরমপুরসহ কয়েকটি নিচু এলাকায়ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন জানিয়েছেন, হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে অবৈধ দোকানপাট গড়ে ওঠে। উচ্ছেদের পরও তারা আবার বসে এবং নর্দমায় ময়লা-আবর্জনা ফেলায় অনেক সময় পানিনিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। তবে জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাঁর দাবি, সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই পানি নেমে যায়। নগরীর পানি নিষ্কাশনের পথগুলো সচল ও পরিষ্কার রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঁঠালিয়ায় মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


কাঁঠালিয়ায় মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চেচরী গ্রামে সরকারি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার কারণে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে, উপজেলা বন বিভাগ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত করেছে যে গাছগুলো সরকারি সম্পত্তি। এর পাশাপাশি তারা জানিয়েছে যে, গাছ কাটার জন্য বন বিভাগের কোনো অনুমতি গ্রহণ করা হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে মৃত শাহেব আলী হাওলাদারের ছেলে মিজানুর রহমান সড়কের পাশে অবস্থিত তিনটি সরকারি চাম্বল গাছ কেটে বিক্রি করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, গাছগুলোর নিচের অংশ প্রায় ১৫ থেকে ২০ ফুট রেখে উপরের অংশ কেটে নেওয়া হয়েছে।

অথচ অভিযোগ অস্বীকার করে মিজানুর রহমান দাবি করেন, গাছগুলো তার নিজস্ব মালিকানাধীন সম্পত্তি। তিনি নিজেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চেচরীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেন।

অভিযোগের পর কাঁঠালিয়া উপজেলা বনায়ন কর্মকর্তা আরিফুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রথমিক তদন্তে গাছগুলো সরকারি সম্পত্তি হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। এছাড়াও, গাছ কাটার আগে বন বিভাগের কাছে অনুমতি নেওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বন বিভাগ জানিয়েছে যে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যে ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি জানিয়েছেন যে, সরকারি সম্পদ রক্ষায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাদের অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির দুই পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির দুই পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (যবিপ্রবিসাস) দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ, যা চাকরিতে যোগদান ও পরবর্তী সময়ে পদত্যাগের কারণে শূন্য হয়েছে, সেগুলোর জন্য উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক জনকণ্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো. ইমরান হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন রাইজিংবিডির বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো. ইমদাদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালকের কার্যালয়ে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান। নির্বাচনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান এবং তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. নাজমুল হোসাইন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, দুটি পদের বিপরীতে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৩টায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে মো. ইমরান হোসেন সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন মো. ইমদাদুল ইসলাম।

জানা যায়, যবিপ্রবিসাসের ষষ্ঠ কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী ভূঁইয়া গত ১ জুন এসিআই অ্যানিমেল হেলথ-এ অ্যাকুয়া সার্ভিস অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কার্যনির্বাহী পরিষদের কোনো সদস্য চাকরিতে যোগ দিলে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি নিতে হয়। ১৮ জুলাই শেখ সাদী ভূঁইয়া সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি নেন, ফলে পদটি শূন্য হয়ে যায়।

এরপর, শূন্য সাধারণ সম্পাদক পদে উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ফলে সাধারণ সম্পাদক এবং প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক উভয় পদই শূন্য হয়ে পড়ে। এসব শূন্য পদ পূরণে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এ উপ-নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। নবনির্বাচিতদের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির ষষ্ঠ কার্যনির্বাহী পরিষদের যে দুটি শূন্য পদ ছিল, সেগুলি পূরণ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%