ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী: ‘সাংবাদিকদের পেটানো দরকার’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন


এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী: ‘সাংবাদিকদের পেটানো দরকার’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন

তাহরিকে খতমে নুবুওয়্যাত বাংলাদেশের আমির ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী সাংবাদিকদের সম্পর্কে তার দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি সকল সাংবাদিককে একসাথে গালিগালাজ করেননি; বরং যারা অপসাংবাদিকতা বা হলুদ সাংবাদিকতার সাথে জড়িত, তাদের সমালোচনা করেছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তিনি এই মন্তব্য করেন। আব্বাসী দাবি করেছেন যে, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে যারা নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছেন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছেন, তার ক্ষোভ মূলত তাদের বিরুদ্ধে ছিল।

ইশরাক হোসেনের অভিযান সম্পর্কে আব্বাসী বলেন, অভিযানের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও, পিস্তল উঁচিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার কৌশলটি সঠিক ছিল না। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, গণমাধ্যমকর্মীরা চাইলে এ উদ্যোগের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরতে পারতেন। সাংবাদিকদের একপেশে প্রচারণার কারণে ইশরাক হোসেন পদ হারিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার

পূর্ববর্তী বক্তব্যের ব্যাখ্যায় আব্বাসী আরও বলেন, মাহফিলে তিনি সকল সাংবাদিককে এক পাল্লায় মাপেননি। যারা বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করে সমাজে ভুল বার্তা দেন, তার বক্তব্য ছিল শুধুমাত্র তাদের উদ্দেশ্যে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করতে জেলেনস্কির ওপর বাড়ালেন চাপ : ট্রাম্পের চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করতে জেলেনস্কির ওপর বাড়ালেন চাপ : ট্রাম্পের চাপ

ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওপর চাপ বৃদ্ধি করেছেন রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য।

মঙ্গলবার ট্রাম্প মন্তব্য করেন, জেলেনস্কি যদি ইচ্ছা করেন, তাহলে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম। মস্কো চার বছর আগে ইউক্রেনে শুরু হওয়া যুদ্ধ অব্যাহত রেখেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে ট্রাম্পের চাপ আরও বেড়ে গেল।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়।

এদিকে, মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে মুক্তি দিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের কাছে অনুরোধ করেছেন ট্রাম্প। এটি মস্কোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার নতুন করে ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রবণতার আরেকটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সামনে মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চাই জেলেনস্কি একটি চুক্তিতে পৌঁছান। তিনি তা করতে পারেন। দুই বছর আগে ওভাল অফিসে আমাদের যে ছোট্ট কথোপকথন হয়েছিল, তখনই তিনি চুক্তি করতে পারতেন।’

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জেলেনস্কির মধ্যে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক উত্তপ্ত বাদানুবাদ হয়েছিল। ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সংশয় প্রকাশকারী ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার কিছুদিন পর ওই ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তাকে (জেলেনস্কি) চুক্তি করতে চাইতে হবে। কারণ, আমার মনে হয় না তার দেশের মানুষ আর বেশিদিন এই পরিস্থিতি মেনে নেবেন।’

রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল সরবরাহ চুক্তি করতে গিয়ে ট্রাম্প আংশিকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পর ওয়াশিংটন ও কিয়েভের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। একই সঙ্গে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলার কারণে জেলেনস্কিকে ‘যুদ্ধবাজ’ বলেও ট্রাম্প সমালোচনা করেন।

উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে মঙ্গলবার নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলেনস্কি।

বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ আবার চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেকোনো আলোচনায় কিয়েভের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

মার্কিন নাগরিককে মুক্তির বিষয়ে পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাশিয়ার হাতে আটক মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা কাছাকাছি পৌঁছেছে।

এএফপির এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি হাবার্ডকে নিয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছি। তার সঙ্গে এ বিষয়ে দীর্ঘ সময় আলোচনা করেছি। আমি তাকে হাবার্ডকে মুক্তি দিতে অনুরোধ করেছি। দেখা যাক কী হয়।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘শুধু আমার সঙ্গে থাকুন। কয়েক দিন পর এই প্রশ্নটির কথা মনে রাখবেন। কারণ, আমি এমন কিছু কাজ করি, যা অন্য কেউ করতে পারে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে গ্রাম পুলিশকে শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


বরিশালে গ্রাম পুলিশকে শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ

বরিশাল, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার উপজেলা প্রশাসন গ্রাম পুলিশকে শক্তিশালী করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বরিশাল সদর উপজেলায় আজ ৯৫ জন গ্রাম পুলিশের মধ্যে বাইসাইকেল ও ইউনিফর্ম বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন থেকে জানা যায়, গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব পালনকে সহজতর করা, তাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আজ দুপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রাম পুলিশদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মজিবর রহমান সরোয়ার। সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা।

অ্যাডভোকেট মো. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, "গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।" তিনি আরও বলেন, "স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম বাস্তবায়নেও তাদের অবদান রয়েছে।"

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রাম পুলিশদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তারা আরও কার্যকরভাবে জনসেবা প্রদান করতে সক্ষম হবেন। বাইসাইকেল ও ইউনিফর্ম বিতরণ গ্রাম পুলিশের চলাচল সহজ করা এবং দায়িত্ব পালনে গতি আনতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এসব সরঞ্জাম যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে গ্রাম পুলিশের সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণঅসন্তোষে ভেঙে পড়ছে ইউরোপের রাজনৈতিক স্থিতি, ফ্রান্সের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


গণঅসন্তোষে ভেঙে পড়ছে ইউরোপের রাজনৈতিক স্থিতি, ফ্রান্সের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

ফ্রান্সে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, ঋণের ঊর্ধ্বগতির সুদ এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর মধ্য-ডানপন্থী সরকারের প্রতি গণঅসন্তোষকে আরও তীব্র করে তুলছে। তবে, দেশটিতে যে ব্যাপক দাঙ্গা শুরু হয়েছে, তা মূলত স্কুলগুলোতে অপর্যাপ্ত অর্থায়নের প্রতিবাদ থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যা পরে শ্রমিক ও পেনশনভোগীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি মূলত উদার গণতন্ত্রের মাধ্যমে উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা হতাশার প্রতিফলন।

শুধু ফ্রান্স নয়, সমগ্র ইউরোপের রাজনৈতিক স্থিতি নড়বড়ে হয়ে উঠছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধীরগতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণ এবং তরুণদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্ষোভের ফলে ঘটছে। শীর্ষ দেশগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো গভীর সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভ ও জনতাবাদী আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হচ্ছে, যেখানে উগ্র ডানপন্থী এবং উগ্র বামপন্থী উভয় ধারার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

অনেক ইউরোপীয় নাগরিক মনে করেন, প্রথাগত মধ্য-বাম ও মধ্য-ডানপন্থী দলগুলো মূলত অভিজাত শ্রেণির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে এবং সাধারণ শ্রমিক, দরিদ্র মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে তাদের কোনো সংযোগ নেই। এছাড়া, ক্রমবর্ধমান বাজেট ঘাটতি, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি এবং সুদের হার বৃদ্ধি সরকারের সংকট মোকাবিলার সক্ষমতাকে সীমিত করে দিয়েছে।

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ দারন আজেমোহু তাঁর ‘উদার গণতন্ত্রের কী হলো?’ শীর্ষক গ্রন্থে দুটি প্রধান ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি, বিশ্বায়ন ও বৈষম্যের যুগে সবার জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়া। দ্বিতীয়ত, শিক্ষিত অভিজাত শ্রেণির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ‘উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া’ সাংস্কৃতিক রাজনীতির উত্থান। তাঁর বক্তব্য, “উদারনীতিবাদকে আবার ঘুরে দাঁড়াতে হলে শ্রমজীবী শ্রেণিকে এর কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে।”

জার্মানির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই কেন্দ্রিক রাজনীতির ভাঙনের একটি বড় উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেখানে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ), ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন (সিএসইউ) এবং সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি) মতো দলগুলো তাদের জনসমর্থন হারাচ্ছে। এর বিপরীতে উগ্র ডানপন্থী দল ‘অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি’ (এএফডি) এবং বামপন্থী দল ‘দি লিঙ্কে’ শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

একসময় সিডিইউ-এর অনুগত শ্রমিক শ্রেণির ভোটাররা এখন এএফডি-এর দিকে ঝুঁকেছে, অন্যদিকে এসপিডি তাদের ঐতিহ্যবাহী সমর্থকদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জনমত জরিপের গড় অনুযায়ী, বর্তমানে এএফডি-র সমর্থন ২৮ শতাংশ, সিডিইউ/সিএসইউ-এর ১৯.৮ শতাংশ, গ্রিন পার্টির ১৫ শতাংশ, এসপিডি-র ১৩.১ শতাংশ এবং দি লিঙ্কে-র সমর্থন ১১.৩ শতাংশ। ফ্রান্সেও ভোটাররা মেরিন লু পেনের নেতৃত্বাধীন উগ্র ডানপন্থী দল ‘ন্যাশনাল র‍্যালি’ এবং জ্যঁ-লুক মেলেশোঁর নেতৃত্বাধীন উগ্র বামপন্থী দল ‘ফ্রঁস আঁসুমিজ’-এর দিকে ঝুঁকে পড়ছেন, যা আগামী বছর স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি ও পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনগুলো নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন সাবেক জেনারেল রবার্তো ভানাক্কি, যিনি মেলোনির চেয়েও কট্টর ডানপন্থী অবস্থানে রয়েছেন। এইচইসি প্যারিসের ইউরোপীয় আইনের অধ্যাপক আলবার্তো আলেমানো সম্প্রতি উল্লেখ করেছেন যে, চেক প্রজাতন্ত্র, ফিনল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার সরকারে কট্টর ডানপন্থী দলগুলো অংশীদার হিসেবে রয়েছে; এছাড়া স্লোভেনিয়ার সরকারও একটি কট্টর ডানপন্থী দলের বাইরের সমর্থনের ওপর টিকে রয়েছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের জনমত জরিপে গণতন্ত্র নিয়ে অসন্তোষের হার ফ্রান্সে ৬৯ শতাংশ, স্পেনে ৬৮ শতাংশ, ইতালিতে ৬২ শতাংশ, পোল্যান্ডে ৪৭ শতাংশ এবং আমেরিকাতে ৬৯ শতাংশ।

‘আমেরিকান কাউন্সিল অন জার্মানি’-এর প্রেসিডেন্ট স্টিভেন ই. স্কোল বলেন, “এই সব দেশের ক্ষেত্রেই একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো—এমন কিছু মানুষ আছেন যারা নিজেদের পিছিয়ে পড়া বলে মনে করেন; যারা মনে করেন, তাদের চারপাশে যে সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা বিরাজ করছে, তার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।” বুলগেরিয়ার ‘সেন্টার ফর লিবারেল স্ট্র্যাটেজিস’-এর চেয়ারম্যান এবং ভিয়েনার ‘ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান সায়েন্সেস’-এর ফেলো ইভান ক্রাস্তেভ সতর্ক করে বলেছেন, “চারটি বড় নির্বাচন সামনে এবং কট্টর ডানপন্থীদের প্রভাব বাড়ছে, এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপ একটি বড় পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে সরকারগুলো খণ্ডিত বা বিভক্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, ছোট ছোট কট্টর ডানপন্থী দলগুলো মূলধারার ডানপন্থী জোটগুলোকে জিম্মি করে ফেলতে পারে এবং মধ্যপন্থার দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ইভান সতর্ক করে বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সচল রাখার খাতিরে এই দলগুলোকে স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য করে তোলার যে কোনো প্রচেষ্টা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।” সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্ক, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের ‘বদর’ চুক্তি স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


তুরস্ক, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের ‘বদর’ চুক্তি স্বাক্ষর

তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়া একত্রে ‘বদর সমঝোতা স্মারক’ স্বাক্ষর করেছে, যা প্রতিরক্ষা শিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে। এই সমঝোতার মাধ্যমে দেশগুলো যৌথ সমরাস্ত্র উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং কারিগরি প্রশিক্ষণে সহযোগিতার পরিধি বৃদ্ধি করবে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) কাতারের রাজধানী দোহায় এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

আনাদোলু এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, চার দেশের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্দেশ্য হল সমরাস্ত্র উৎপাদন, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়নে সমন্বিত সহযোগিতা গড়ে তোলা।

দোহায় অনুষ্ঠিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের দেশটির প্রতিনিধিত্ব করেন। কাতারের প্রতিরক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ সউদ বিন আব্দুল রহমান বিন হাসান আল থানি, ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এসজাফরি এসজামসুদ্দিন এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফও নিজ নিজ দেশের পক্ষে স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এই সহযোগিতা কার্যক্রম তুরস্কের ‘প্রেসিডেন্সি অব ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ’-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এতে সামরিক প্ল্যাটফর্ম ও সরঞ্জাম সরবরাহের পাশাপাশি যৌথ সমরাস্ত্র উৎপাদন প্রকল্প গ্রহণ, সরবরাহব্যবস্থা একীভূত করা এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও তথ্য বিনিময়ের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তবে ‘বদর’ সমঝোতা স্মারকে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অর্থাৎ, এই চুক্তির আওতায় কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশগুলোকে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে হবে—এমন কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।

গত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তিতে ন্যাটোর আদলে এক দেশের ওপর আক্রমণকে সব সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ কারণে ‘বদর’ সমঝোতা স্মারকের সঙ্গে ওই চুক্তির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, নতুন সমঝোতাটি প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতার ওপর কেন্দ্রিত; এতে পারস্পরিক সামরিক প্রতিরক্ষার কোনো অঙ্গীকার নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%