ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মিরপুরের ফুটপাতে হকার বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক


মিরপুরের ফুটপাতে হকার বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর মিরপুর-১০ এবং মিরপুর-১ এলাকার ফুটপাতে হকার বসানোর অনুমতি আর দেওয়া হবে না, এমনটি জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি আরও জানান, উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের জন্য বিকল্প স্থান খুঁজে বের করা হচ্ছে এবং দ্রুত তাদের বসার ব্যবস্থা করা হবে।

আজ ডিএনসিসি’র সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এই সময়, হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে প্রতিনিধিদল প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়।

প্রশাসক বলেন, "হকাররা সমাজেরই অংশ।" তাদের জীবিকার বিষয়টি মাথায় রেখে মিরপুর-১০, মিরপুর-১ এবং উত্তরা এলাকায় বিকল্প স্থান খোঁজা হচ্ছে। তিনি জানান, হকারদের জন্য হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া হকারদের সেখানে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: বেরোবি নজরুল বর্ষ ২০২৬ উপলক্ষে সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

তিনি বলেন, "বিকল্প স্থানে ৩০০ থেকে ৫০০ দোকান বসানোর ব্যবস্থা করা গেলে সেখানে ক্রেতারাও আসবেন এবং বেচাকেনা ভালো হবে।" তবে তিনি উল্লেখ করেন, বিকল্প স্থানে দোকানগুলো নিজস্ব কাঠামোর ওপর পরিচালিত হবে এবং কোনো চৌকি বসানো যাবে না।

ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের কারণ ব্যাখ্যা করে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, "বাধ্য হয়েই অবৈধ স্থাপনা ও হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে।" কিছু সিন্ডিকেট এবং হকারের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল। তারা ফুটপাত ছাড়িয়ে সড়ক পর্যন্ত দখল করে রেখেছিলেন, যার ফলে সাধারণ মানুষের হাঁটার জায়গা ছিল না। উচ্ছেদ অভিযানের পর মানুষ ফুটপাত ব্যবহারের সুযোগ ফিরে পেয়েছে এবং জনগণ এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে।

তিনি স্পষ্টভাবে জানান, মিরপুর-১০ এবং মিরপুর-১ এলাকার ফুটপাতে আর হকার বসতে দেওয়া হবে না। তবে পূর্বে যারা সেখানে হকারি করতেন, তাদের বিকল্প স্থানে বসানোর ব্যবস্থা করা হবে।

সাক্ষাৎকালে হকার প্রতিনিধি দল এবং ডিএনসিসি প্রশাসক একমত হন যে, ৫ আগস্টের পর হকারদের কারণে সৃষ্ট সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। উভয় পক্ষ এ পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং পুরোনো হকারদের পুনর্বাসনে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আরও পড়ুন: জরায়ু ক্যান্সারসহ ৩ রোগে আক্রান্ত সাজেদা বাঁচতে সহযোগিতা চান

এ সময় উভয় পক্ষ পরস্পরের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস বজায় রেখে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং একে অপরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে গুলশান জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রুহুল কবির, গুলশান ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যোগদানের পরই মধুপুর থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশংসিত ওসি ফজলুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


যোগদানের পরই মধুপুর থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশংসিত ওসি ফজলুল হক

টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় যোগদানের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন একে এম ফজলুল হক। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, জুয়া প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁর তৎপরতা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে মধুপুর থানার পুলিশি কার্যক্রমে গতি এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
থানায় যোগদানের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন ওসি একে এম ফজলুল হক। পাশাপাশি অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো-সংশ্লিষ্ট জুয়ার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন তিনি। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
বিশেষ করে উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের শোলাকুড়ী দীঘিরপাড় এলাকার বিএনপি নেতা মিঠুর মা জালেমন বেগম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁর ভূমিকা আলোচনায় আসে। এ ছাড়া ধর্ষণচেষ্টা মামলার এক আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনায় পুলিশের এ কর্মকর্তার প্রতি স্থানীয়দের প্রশংসা বেড়েছে।
মাদক নির্মূলে শুধু অভিযান পরিচালনাতেই সীমাবদ্ধ নেই তাঁর কার্যক্রম। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাদকবিরোধী সভা ও সচেতনতামূলক সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ যেন থানায় এসে সহজে তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারেন এবং হয়রানি ছাড়াই পুলিশি সেবা পান, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল পদে থেকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া একে এম ফজলুল হকের কর্মদক্ষতার একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মধুপুরবাসীর প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি জনবান্ধব পুলিশিং, মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে মধুপুর থানার সেবার মান আরও উন্নত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনিতে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


কালকিনিতে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত

মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাদারীপুরের কালকিনিতে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি-২০২৬ পালিত হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড কলেজের রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট। এ সময় BD Clean-এর সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কর্মসূচির আওতায় ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসাধারণকে সচেতন করা, আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিকের সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি। নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদগাঁওয়ে বেপরোয়া বালু উত্তোলনে প্রশাসনের হানা, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ড্রেজার জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিরাজুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


ঈদগাঁওয়ে বেপরোয়া বালু উত্তোলনে প্রশাসনের হানা, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ড্রেজার জব্দ

নাসি খালে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান; মালিকানা অস্বীকার অভিযুক্তের
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ঈদগাঁও বাসস্টেশনের ব্রিকফিল্ডসংলগ্ন নাসি খালে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংচিংনু মারমার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নাসি খালে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মেসার্স মিতু আনু মিয়া সিকদারের ছেলে হুমায়ুন করিম সিকদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় হুমায়ুন করিম সিকদার দাবি করেন, জব্দ করা ড্রেজার মেশিনটি তাঁর নয়।
স্থানীয়দের মতে, খাল ও নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নদীভাঙন, তীরবর্তী বসতভিটা ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই শুধু জরিমানা নয়, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, অর্থের জোগানদাতা এবং ড্রেজার মেশিনের প্রকৃত মালিকানা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
অভিযানকালে ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এখন প্রশ্ন—৫০ হাজার টাকা জরিমানার পরই কি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে, নাকি এর নেপথ্যে থাকা প্রকৃত মালিক ও পৃষ্ঠপোষকদেরও আইনের আওতায় আনা হবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠির পিপি হায়দার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আত্মসমর্পণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


ঝালকাঠির পিপি হায়দার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আত্মসমর্পণ

২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট হায়দার হোসাইন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী বেল্লাল হোসেন (৪০) সোমবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বেল্লাল হোসেনসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

হায়দার হোসেন ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল এশার নামাজ শেষে ঝালকাঠির গোরস্থান মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে মো. তারেক ইবনে হায়দার ঝালকাঠি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠির অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল হালিম এই মামলায় রায় প্রদান করেন। রায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। হাইকোর্টে রায়ের পর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। এছাড়া বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তিন আসামি আপিল ও এক আসামি জেল আপিল করেন। হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স মঞ্জুর করে আসামিদের আপিল খারিজ করে রায় দেন।

হাইকোর্ট ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা মামলার পিপি অ্যাডভোকেট হায়দার হোসেন হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে ২০২০ সালের ১ মার্চ এই রায় দেওয়া হয়।

বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার ও বিচারপতি শাহেদ নুরুদ্দীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট এই রায় প্রদান করে।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মুরাদ হোসেন, আবু শাহাদাত মো. তানভীর ওরফে মেহেদি, আমিনুল ওরফে আমির হোসেন, মো. বিল্লাল হোসেন এবং সমীর হোসেন ভূঁইয়া রয়েছেন। পাঁচ আসামির মধ্যে বিল্লাল হোসেন পলাতক ছিল।

সোমবার ঝালকাঠি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে আত্মসমর্পণ করে বেল্লাল হোসেন। আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পিপি অ্যাডভোকেট আক্কাস শিকদার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%