ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জরায়ু ক্যান্সারসহ ৩ রোগে আক্রান্ত সাজেদা বাঁচতে সহযোগিতা চান


জরায়ু ক্যান্সারসহ ৩ রোগে আক্রান্ত সাজেদা বাঁচতে সহযোগিতা চান

শরীরে তিনটি জটিল রোগ একসঙ্গে বাসা বেঁধেছে। জন্মগত হৃদযন্ত্রের ত্রুটি, পিত্তথলিতে পাথর এবং জরায়ুতে ক্যান্সার। অথচ ৪০ বছর বয়সী সাজেদা বেগমের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সামর্থ্য নেই। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তার উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। মানসিক প্রতিবন্ধী স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।

সাজেদা বেগম দিনাজপুরের পার্বতীপুর পৌরসভার রুস্তম নগর মহল্লার বাসিন্দা। মাত্র দেড় শতক জমির ওপর একটি জীর্ণ ঘরে তাদের বসবাস। এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন সাজেদা। গৃহকর্মীর কাজ করে তিনি স্বামী ও দুই সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতেন। সেই সামান্য আয়েই সংসার চলত এবং সন্তানদের পড়াশোনার খরচও জোগাতেন। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তার উপার্জনের সামর্থ্য হারিয়ে গেছে।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জন্ম থেকেই সাজেদা হৃদযন্ত্রের ত্রুটি নিয়ে বেড়ে উঠেছেন। তবে তিন-চার মাস আগে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর তার হৃদযন্ত্রে ছিদ্র থাকার বিষয়টি শনাক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পরীক্ষায় পিত্তথলিতে পাথর এবং জরায়ুতে ক্যান্সার ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন: মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে বরিশাল নগরীতে ডিবি পুলিশের আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান

একসঙ্গে তিনটি জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন তিনি। স্বাভাবিক চলাফেরা ও পরিশ্রম করতেও কষ্ট হচ্ছে। ফলে গৃহকর্মীর কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। আয়-রোজগার না থাকায় এখন দুই বেলা খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের পড়াশোনার ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

নিজের চিকিৎসার চিন্তা এবং মানসিক প্রতিবন্ধী স্বামী ও দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা, সব মিলিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন সাজেদা। আর্থিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি। দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা না হলে তার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সাজেদা বেগমের চিকিৎসা ও পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন তার স্বজনরা। সবার সহযোগিতা পেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিবারের জীবনযাপনে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে বলে আশা করছেন তারা।

সাজেদা বেগমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতার তথ্য:

আরও পড়ুন: রংপুরে ৩৩ ওয়ার্ডে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রোগ্রামের উদ্বোধন

ফোন নম্বর: ০১৩০২১৪২৪৩৩

ব্যাংক হিসাব: সোনালী ব্যাংক

হিসাব নম্বর: ০১৮২২৬০১০১৫২০৪

শাখা: হুগলীপাড়া শাখা, পার্বতীপুর, দিনাজপুর

আরও পড়ুন: বাবুগঞ্জ কৃষি অফিসে ১০-১১ বছর ধরে দুর্নীতি ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের তদন্ত দাবি কৃষকদের

রাউটিং নম্বর: ২০০২২৮০৯৭০।।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমনওয়েলথ পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেননি একজনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


কমনওয়েলথ পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেননি একজনও

২০১৬ সালে কমনওয়েলথ ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার সওগাত নাজবিন খান। বিশ্বের ৫৩ দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে মাত্র চারজন এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন, তাদের মধ্যে নাজবিনও ছিলেন।

নাজবিনের পুরস্কার প্রাপ্তির পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তিনি তারাকান্দার প্রত্যন্ত এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এইচ এ (হার্ভার্ড এক্সেস) ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামক প্রতিষ্ঠানটিতে তিনি হতদরিদ্র শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেন।

সওগাত নাজবিনের বাড়ি তারাকান্দা উপজেলার গোয়ালকান্দি গ্রামে অবস্থিত। তিনি ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব মোখলেছুর রহমান খানের কন্যা।

সোমবার সরেজমিনে গোয়ালকান্দি গ্রামে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নাজবিন ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করতেন। ফলে ওই এলাকার মানুষ তাকে কখনো দেখেনি এবং তার নামও কখনো শোনেনি।

এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, সবাই জানতেন যে মোখলেছুর রহমান খান নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের বেতন তখনকার সময় তারাকান্দা উপজেলার সাধারণ প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অন্তত ১০ গুণ বেশি ছিল। সাধারণত তারাকান্দা ও আশপাশের বিত্তবান পরিবারের সন্তানরা স্কুলটিতে পড়াশোনা করত।

নাজবিন কমনওয়েলথ যুব পুরস্কার পাওয়ার পর অভিযোগ ওঠে যে, তিনি বাবার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের প্রতিষ্ঠা হিসেবে দেখিয়ে পুরস্কার লাভ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে বাবার প্রতিষ্ঠানের মানবসেবার উদ্দেশ্যে নাম ও প্রতিষ্ঠার পেছনে কাজ করেছেন।

এদিকে, ১০ বছর পর প্রতিষ্ঠানটি আবারো আলোচনায় এসেছে। কারণ, তারাকান্দার এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৬ জন শিক্ষার্থী এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, কিন্তু একজনও পাস করতে পারেনি। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গোয়ালকান্দি গ্রামের অনেকের অভিযোগ, মোখলেছুর রহমান ও তার চাচাতো ভাই খায়রুজ্জামান যৌথভাবে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন, কিন্তু কিছুদিন পর তাদের মধ্যে মালিকানা ও সুনাম নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন সাবেক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি মূলত শিক্ষাসেবার বিনিময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয়েছিল। বিনামূল্যে একজন শিক্ষার্থীকে কখনো পড়ানো হয়নি।

সাবেক ওই শিক্ষক আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন ছিল দুই হাজার ৫০০ টাকা, যা ওই সময় ময়মনসিংহ জেলা শহরেও ছিল না। অথচ সেখানে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে হতদরিদ্র শিশুদের আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক পাঠদান করার কথা বলা হয়, যার ফলে মোখলেছুর রহমানের মেয়ে কমনওয়েলথ পুরস্কার লাভ করেন।

এ পুরস্কারের অর্থমূল্য বাংলাদেশি টাকায় অন্তত সাড়ে সাত লাখ। পুরস্কার পাওয়ার পর সওগাতকে বিশ্বের ৫০টি দেশে শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ করে কমনওয়েলথ, যা তার জন্য আর্থিকভাবে লাভজনক হয়। ওই টাকার ভাগ না পাওয়ায় খায়রুজ্জামান ক্ষিপ্ত হন এবং এ নিয়ে বিরোধ শুরু হয়।

একপর্যায়ে খায়রুজ্জামান প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা পান এবং সভাপতি ও পরিচালক নিযুক্ত হন। পরে তিনি মোখলেছুর রহমানের কাছে পাঁচ কোটি টাকা পাওনার মামলা করেন। এই দুই চাচাতো ভাইয়ের বিরোধের কারণে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থা খারাপ হতে থাকে।

বর্তমানে এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্থায়ী বা অস্থায়ী কোনো ক্যাম্পাস নেই। একেক সময় একেক প্রতিষ্ঠানের অংশ ধার হিসেবে নিয়ে সেখানে পাঠদান করা হয়।

২০২০ সালের ২০ জুন তারাকান্দায় এক সংবাদ সম্মেলনে খায়রুজ্জামান অভিযোগ করেন, স্কুল প্রতিষ্ঠার সময় সওগাত দেশের বাইরে পড়াশোনা করছিলেন। কিন্তু কমনওয়েলথ পুরস্কারের জন্য তাকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দেখানো হয়, যা ভুয়া।

জানা গেছে, এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তারাকান্দা উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার খান কমপ্লেক্স নামের বহুতল ভবনের নিচতলায়। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে সেখানে গিয়ে ভবনটির নিচতলায় তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। পরে জানা যায়, তারাকান্দা উপজেলা সদরের কলেজ রোডে বেসরকারি প্রগ্রেসিভ মডেল স্কুলের ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠানটি চলে গেছে। কিন্তু সেখানে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায়নি।

প্রগ্রেসিভ মডেল স্কুলের প্রধান পরিচালক সোহান জানান, ‘অনেক আগে আমাদের ক্যাম্পাসে তারা (এইচ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকরা) পাঠদান করতেন। তবে মাত্র ১৫ দিন পর থেকে তারা আর আমাদের ক্যাম্পাসে আসেননি।’

অনেক অনুসন্ধান করেও এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কার্যক্রম বর্তমানে কোথায় চলছে, তা জানা যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও সভাপতি খায়রুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা ধরেননি।

তারাকান্দা উপজেলা সদরের কয়েকজন বাসিন্দা ও এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাধিক শিক্ষক জানান, খায়রুজ্জামান বর্তমানে ঋণগ্রস্ত। এ কারণে তিনি কারোর ফোন ধরেন না এবং অনেকটা আত্মগোপনে রয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মোখলেছুর রহমান খান বলেন, খায়রুজ্জামান প্রতারণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার কাছ থেকে নিজের নামে করে নিয়েছেন। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের তখনকার কর্মকর্তারা তার এ প্রতারণার সহযোগী ছিলেন। মেয়ের কমনওয়েলথ পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়া বচ্চন অমিতাভকে ডাকতেন ‘লম্বুজি’, জানালেন বিগ বি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


জয়া বচ্চন অমিতাভকে ডাকতেন ‘লম্বুজি’, জানালেন বিগ বি

বিয়ের পর দীর্ঘ সময় ধরে স্ত্রী জয়া বচ্চন অমিতাভ বচ্চনকে ‘লম্বুজি’ বলে ডাকতেন। তবে এক সময় সেই ডাক পরিবর্তিত হয়। সম্প্রতি ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ অনুষ্ঠানে রণবীর কাপুরের সঙ্গে কথোপকথনে অমিতাভ দাম্পত্য জীবনের শুরুর সময়ের এই মজার ঘটনা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অমিতাভ জানান, জয়া বহু বছর ধরে তাকে ‘লম্বুজি’ বলে সম্বোধন করতেন। পরে, প্রয়াত কবি হরিবংশ রাই বচ্চন, যিনি অমিতাভের বাবা, জয়ার এই ডাক নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি জয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, স্বামীর নাম ধরে ডাকতে হবে অথবা অন্য কোনো নামে সম্বোধন করতে হবে। এরপর থেকেই জয়া তাকে নাম ধরে ডাকতে শুরু করেন।

অনুষ্ঠানের আলাপচারিতায় দুই পরিবারের সদস্যদের উচ্চতার বিষয়টিও উঠে আসে। রণবীর জানান, তিনি প্রায়ই কল্পনা করেন, অমিতাভ, জয়া, আলিয়া এবং তিনি একসঙ্গে ছবি তুললে কেমন হবে। তার কল্পনায় অমিতাভের মতো তিনি কিছুটা লম্বা এবং জয়ার মতো আলিয়া কিছুটা খাটো—ছবিতে উচ্চতার এই পার্থক্য সুন্দর দেখাবে বলেও তিনি ভাবতেন।

রণবীরের কথায় সাড়া দিয়ে অমিতাভ জানান, তার এবং জয়ার উচ্চতার পার্থক্য বেশ স্পষ্ট। অমিতাভের উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ২ ইঞ্চি, আর জয়ার উচ্চতা ৫ ফুট ৩ বা ৪ ইঞ্চি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবি নজরুল বর্ষ ২০২৬ উপলক্ষে সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


বেরোবি নজরুল বর্ষ ২০২৬ উপলক্ষে সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উপলক্ষে সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শ আমাদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করে। নতুন প্রজন্মের মাঝে নজরুলের সাহিত্য ও জীবনদর্শন ছড়িয়ে দেওয়ারণ ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন এবং এ ধরনের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম। এছাড়াও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নিতাই কুমার ঘোষ এবং সেন্ট্রাল লাইব্রেরি এন্ড ইনফরমেশন সেন্টারের পরিচালক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান। ‘নজরুল বর্ষ উদযাপন কমিটি ২০২৬’-এর আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণ হারানো সহপাইলট নাতালিয়ার বয়স মাত্র ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণ হারানো সহপাইলট নাতালিয়ার বয়স মাত্র ২০

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় একটি ব্যক্তিগত বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ বছর বয়সী সহপাইলট নাতালিয়া গাদেলহা ফিলগেইরাসসহ মোট নয়জন আরোহী প্রাণ হারিয়েছেন। দুর্ঘটনার পূর্বে আকাশ নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে তার কথোপকথনের একটি রেকর্ড প্রকাশিত হয়েছে। সেই রেকর্ডে তাকে বারবার ‘মে ডে’ বলে জরুরি সাহায্য চেয়ে থাকতে দেখা যায়।

রোববার (১ নভেম্বর) টেক্সাসের অস্টিন থেকে বাহামার উদ্দেশে যাত্রা করা ব্যক্তিগত বিমানটি দক্ষিণ ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টির একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার আগে নাতালিয়া জানান, বাইরের তাপমাত্রা মাইনাস ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ায় উড়োজাহাজে বরফ জমছিল। বিমানটি প্রচণ্ড ঝাঁকুনিতে প্রায় ৭০০ ফুট ওঠানামা করছিল।

এক পর্যায়ে তিনি চিৎকার করে বলেন, বিমানটি প্রতি মিনিটে ১০ হাজার ফুট নিচে নেমে যাচ্ছে। পরে তিনি আরও জানান, এটি অতিরিক্ত গতিতে নেমে আসছে এবং প্রতি মিনিটে ২০ হাজার ফুট নিচে নামছে। কিছুক্ষণ পর বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে।

বিমানের উড্ডয়নসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিধ্বস্ত হওয়ার মাত্র এক মিনিট আগে এটি ২৭ হাজার ফুট নিচে নেমে গিয়েছিল।

ব্রাজিলীয় পরিবারে জন্ম নেওয়া নাতালিয়া ফ্লোরিডায় বসবাস করতেন। ২০২৩ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী থাকাকালীন তিনি ব্যক্তিগত বিমান চালানোর লাইসেন্স লাভ করেন। ২০২০ সালে পাইলট প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন তিনি, এবং তার বাবা তাকে বিমান চালানো শেখাতেন।

নাতালিয়ার মা ক্যামিলা গাদেলহা কোর্টেলেটি জানান, তার মেয়ে নয় মাস ধরে বাণিজ্যিক পাইলট হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী। তবে তার লাইসেন্সে বিমান চালানোর অনুমতি থাকলেও পুরো উড্ডয়ন পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার অনুমতি ছিল না।

নাতালিয়ার সৎবাবা থিয়াগো কোর্টেলেটির দাবি, তার মেয়ের ১ হাজার ৩০০ ঘণ্টা বিমান বা উড়োজাহাজ চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল। দুর্ঘটনার মাত্র ১০ মিনিট আগে প্রেমিককে পাঠানো বার্তায় তিনি প্রচণ্ড ঝাঁকুনি ও বরফ জমার কথা জানিয়েছিলেন।

এদিকে, দুর্ঘটনায় নিহত সাত যাত্রীর মধ্যে ছিলেন অ্যাডাম রবিনসন, তার স্ত্রী হেলেন শার্প, তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে এমা, দুই বছর বয়সী ছেলে চার্লি এবং শিশুদের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা অনিতা মারিয়া সেটিনা। নিহত অন্য দুজন হলেন র‌্যাচেল রিড ও চার্মি ফেহর। এছাড়া দুই পাইলটও প্রাণ হারিয়েছেন, তবে অন্য পাইলটের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

নিহত অ্যাডাম রবিনসন ছিলেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। তিনি ই-মেইল বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘রব্লি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ‘রিটেনশন ডটকম’-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। অস্টিন টেকনোলজি কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী থম সিঙ্গার তাকে শহরটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোক্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

নিহত যাত্রীদের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে পাইলটদের পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%