প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট হায়দার হোসাইন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী বেল্লাল হোসেন (৪০) সোমবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বেল্লাল হোসেনসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
হায়দার হোসেন ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল এশার নামাজ শেষে ঝালকাঠির গোরস্থান মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে মো. তারেক ইবনে হায়দার ঝালকাঠি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠির অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল হালিম এই মামলায় রায় প্রদান করেন। রায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। হাইকোর্টে রায়ের পর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। এছাড়া বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তিন আসামি আপিল ও এক আসামি জেল আপিল করেন। হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স মঞ্জুর করে আসামিদের আপিল খারিজ করে রায় দেন।
হাইকোর্ট ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা মামলার পিপি অ্যাডভোকেট হায়দার হোসেন হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে ২০২০ সালের ১ মার্চ এই রায় দেওয়া হয়।
বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার ও বিচারপতি শাহেদ নুরুদ্দীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট এই রায় প্রদান করে।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মুরাদ হোসেন, আবু শাহাদাত মো. তানভীর ওরফে মেহেদি, আমিনুল ওরফে আমির হোসেন, মো. বিল্লাল হোসেন এবং সমীর হোসেন ভূঁইয়া রয়েছেন। পাঁচ আসামির মধ্যে বিল্লাল হোসেন পলাতক ছিল।
সোমবার ঝালকাঠি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে আত্মসমর্পণ করে বেল্লাল হোসেন। আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পিপি অ্যাডভোকেট আক্কাস শিকদার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন