আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৬:১৭ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় যোগদানের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন একে এম ফজলুল হক। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, জুয়া প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁর তৎপরতা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে মধুপুর থানার পুলিশি কার্যক্রমে গতি এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
থানায় যোগদানের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন ওসি একে এম ফজলুল হক। পাশাপাশি অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো-সংশ্লিষ্ট জুয়ার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন তিনি। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
বিশেষ করে উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের শোলাকুড়ী দীঘিরপাড় এলাকার বিএনপি নেতা মিঠুর মা জালেমন বেগম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁর ভূমিকা আলোচনায় আসে। এ ছাড়া ধর্ষণচেষ্টা মামলার এক আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনায় পুলিশের এ কর্মকর্তার প্রতি স্থানীয়দের প্রশংসা বেড়েছে।
মাদক নির্মূলে শুধু অভিযান পরিচালনাতেই সীমাবদ্ধ নেই তাঁর কার্যক্রম। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাদকবিরোধী সভা ও সচেতনতামূলক সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ যেন থানায় এসে সহজে তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারেন এবং হয়রানি ছাড়াই পুলিশি সেবা পান, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল পদে থেকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া একে এম ফজলুল হকের কর্মদক্ষতার একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মধুপুরবাসীর প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি জনবান্ধব পুলিশিং, মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে মধুপুর থানার সেবার মান আরও উন্নত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাদারীপুরের কালকিনিতে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি-২০২৬ পালিত হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড কলেজের রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট। এ সময় BD Clean-এর সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচির আওতায় ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসাধারণকে সচেতন করা, আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
আয়োজকরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, বরং প্রত্যেক নাগরিকের সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি। নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাসি খালে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান; মালিকানা অস্বীকার অভিযুক্তের
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ঈদগাঁও বাসস্টেশনের ব্রিকফিল্ডসংলগ্ন নাসি খালে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংচিংনু মারমার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নাসি খালে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মেসার্স মিতু আনু মিয়া সিকদারের ছেলে হুমায়ুন করিম সিকদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় হুমায়ুন করিম সিকদার দাবি করেন, জব্দ করা ড্রেজার মেশিনটি তাঁর নয়।
স্থানীয়দের মতে, খাল ও নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নদীভাঙন, তীরবর্তী বসতভিটা ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই শুধু জরিমানা নয়, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, অর্থের জোগানদাতা এবং ড্রেজার মেশিনের প্রকৃত মালিকানা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
অভিযানকালে ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এখন প্রশ্ন—৫০ হাজার টাকা জরিমানার পরই কি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে, নাকি এর নেপথ্যে থাকা প্রকৃত মালিক ও পৃষ্ঠপোষকদেরও আইনের আওতায় আনা হবে?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট হায়দার হোসাইন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী বেল্লাল হোসেন (৪০) সোমবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বেল্লাল হোসেনসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
হায়দার হোসেন ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল এশার নামাজ শেষে ঝালকাঠির গোরস্থান মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে মো. তারেক ইবনে হায়দার ঝালকাঠি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠির অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল হালিম এই মামলায় রায় প্রদান করেন। রায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। হাইকোর্টে রায়ের পর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। এছাড়া বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তিন আসামি আপিল ও এক আসামি জেল আপিল করেন। হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স মঞ্জুর করে আসামিদের আপিল খারিজ করে রায় দেন।
হাইকোর্ট ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা মামলার পিপি অ্যাডভোকেট হায়দার হোসেন হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে ২০২০ সালের ১ মার্চ এই রায় দেওয়া হয়।
বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার ও বিচারপতি শাহেদ নুরুদ্দীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট এই রায় প্রদান করে।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মুরাদ হোসেন, আবু শাহাদাত মো. তানভীর ওরফে মেহেদি, আমিনুল ওরফে আমির হোসেন, মো. বিল্লাল হোসেন এবং সমীর হোসেন ভূঁইয়া রয়েছেন। পাঁচ আসামির মধ্যে বিল্লাল হোসেন পলাতক ছিল।
সোমবার ঝালকাঠি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে আত্মসমর্পণ করে বেল্লাল হোসেন। আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পিপি অ্যাডভোকেট আক্কাস শিকদার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘জায়ান্টস ব্রিগেড’। এই ব্রিগেড বাব আল-মান্দেব প্রণালীর আশেপাশে হুথিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ইয়েমেনের নিয়মিত সামরিক বাহিনীর অংশ নয়, তবুও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও আঞ্চলিক শক্তির সহায়তায় গড়ে ওঠা এই বাহিনীর উত্থান এবং তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ইয়েমেনের যুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইয়েমেনের এই প্রভাবশালী বাহিনী এবং দেশটির চলমান সংঘাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে সম্প্রতি একটি তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম মিডল ইস্ট আই।
প্রতিবেদনে হুথিদের উত্থান এবং জায়ান্টস ব্রিগেডের জন্ম প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশকে উত্তর ইয়েমেনে হুথি আন্দোলন গড়ে ওঠে। মূলত শিয়া ইসলামের একটি শাখা ‘জায়েদী ইসলাম’কে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ইরানের সাথে যোগসাজশ এবং শতাব্দী প্রাচীন জায়েদী ইমামতের মতো ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।
সরকারের সাথে দীর্ঘ সংঘাতের পর ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাবেক প্রেসিডেন্ট আলী আব্দুল্লাহ সালেহর সহায়তায় রাজধানী সানা দখল করে নেয় হুথিরা। এরপর ২০১৫ সালের শুরুর দিকে তারা দক্ষিণের এডেনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ঠিক সেই বিশৃঙ্খল ও সংকটময় মুহূর্তে হুথিদের প্রতিহত করার লড়াইয়ে জন্ম নেয় জায়ান্টস ব্রিগেড।
জায়ান্টস ব্রিগেড আসলে কারা এবং তাদের নেতৃত্ব? মূলত ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর সালাফি যোদ্ধাদের নিয়ে এই ব্রিগেড গঠিত হয়েছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন আবদ রহমান আবু জারা আল-মুহারামি, যিনি হুথিদের শক্তঘাঁটি সাদায় অবস্থিত দারুল হাদিস মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছিলেন। যুদ্ধের আগে তার কোনো সামরিক অভিজ্ঞতা না থাকলেও আমিরাতের অস্ত্র প্রশিক্ষণ ও অর্থায়নে তার যোদ্ধারা ইয়েমেনের অন্যতম প্রধান হুথিবিরোধী শক্তিতে পরিণত হন।
২০১৭ সালের মধ্যে এই বাহিনী পশ্চিম উপকূলে অভিযান চালিয়ে হুথিদের কাছ থেকে বড় এলাকা দখল করে নেয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে লোহিত সাগরের কৌশলগত বন্দর হোদায়দার উপকণ্ঠে পৌঁছালেও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির কারণে তাদের অগ্রগতি থেমে যায়। এরপর ২০২২ সালে শাবওয়ায় মোতায়েন হয়ে তারা মারিবের দিকে অগ্রসর হয়।
কার জন্য যুদ্ধ করছে জায়ান্টস ব্রিগেড? মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য একাধিক বাহিনী গড়ে উঠলে ও আঞ্চলিক জোট ও রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষের কারণে হুথিবিরোধী শিবির সবসময় বিভক্ত ছিল।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে একই জোটে থাকলেও তারা মাটিতে আলাদা বাহিনীকে সমর্থন দিত। সৌদি আরব সরকারের পক্ষে থাকলেও আমিরাত দক্ষিণাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের’ (এসটিসি) সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে।
জায়ান্টস ব্রিগেড ধীরে ধীরে দক্ষিণাঞ্চলীয় এই শিবিরের অংশ হয়ে ওঠে। তবে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে, যখন সৌদি আরব হস্তক্ষেপ করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এডেনের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে বাধ্য করে। এর মাধ্যমে হুথিবিরোধী শিবির অনেকটা সৌদি প্রভাবের অধীনে আসে।
অক্টোবরে সরকারি বাহিনীর সাথে মিলে এই বাহিনী ‘অপারেশন ইয়েমেন্স ডন’ নামে একটি বড় আক্রমণ শুরু করে। পশ্চিম উপকূলে তারা কিছু সামরিক সাফল্য পেলেও কৌশলগত শহর তায়েজের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সেখানে হুথিরা শহরটির একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট দখল করে অবরুদ্ধ করে রেখেছে, যেখানে আট লাখেরও বেশি মানুষ আটকা পড়ে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জায়ান্টস ব্রিগেডের মতো শক্তিশালী বাহিনী থাকা সত্ত্বেও ইয়েমেনে কোনো পক্ষই এককভাবে বিজয়ের কাছাকাছি নেই। একই সাথে এটি হুথিবিরোধী শিবিরের অভ্যন্তরীণ অনৈক্য এবং রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে স্পষ্ট করে তোলে, যা আগামী দিনে ইয়েমেনের যুদ্ধ ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ