ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হারানো পাসপোর্ট পুনঃইস্যুতে গুনতে হবে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা


হারানো পাসপোর্ট পুনঃইস্যুতে গুনতে হবে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন নির্দেশনা জারি করেছে হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়া পাসপোর্ট পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পাসপোর্ট হারানো বা চুরি যাওয়ার পর অনলাইনে রিপোর্ট করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী বার পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন-৪ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে হারানো, চুরি বা বিনষ্ট পাসপোর্ট পুনঃইস্যুর জন্য মোট ১২টি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার বিষয়টি অনতিবিলম্বে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে বা অনলাইনে রিপোর্ট করতে হবে। রিপোর্টের ভিত্তিতে অধিদপ্তর পাসপোর্টের স্ট্যাটাস হালনাগাদ করবে।

আরও পড়ুন: এবার বিআরটি ভাঙতে ব্যয় হবে ৪৫ কোটি টাকা

এছাড়া, নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। সংশ্লিষ্ট থানা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জিডির সঠিকতা যাচাই করে প্রতিবেদন পাসপোর্ট অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে পাঠাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন পাওয়া না গেলে জিডির কপি দিয়েই পাসপোর্ট পুনঃইস্যুর আবেদন করা যাবে। এরপর অধিদপ্তর ‘লস্ট সার্কুলার’ জারি করে পুনঃইস্যুর কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।

যদি জিডি যাচাইয়ে প্রমাণিত হয় যে ভিসা পাওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ট্রাভেল এজেন্সির কাছে পাসপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে এবং তা অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত পাওয়া সম্ভব না হলে আগের পাসপোর্ট বাতিল (রিভোক) করে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে।

হারানো বা চুরি হওয়া পাসপোর্টের তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (আইএমএস) তা হালনাগাদ করবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্টারপোলকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হবে।

বিদেশে অবস্থানকালে পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হলে অনলাইনে রিপোর্ট করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটকে জানাতে হবে। সংশ্লিষ্ট মিশন ‘লস্ট সার্কুলার’ জারি করে পাসপোর্ট পুনঃইস্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

আরও পড়ুন: স্পিকার: আওয়ামী লীগের নেতারা মদ খায়, কর্মীরাও খায়, সব বাটপারের কারখানা

নতুন পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হারানো, চুরি বা বিনষ্ট পাসপোর্টের পরিবর্তে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু হলে এর ডেটা পেজে ‘পাসপোর্ট হারানোর বিষয়টি লেখা থাকবে। একই সঙ্গে ডাটাবেজে আগের পাসপোর্টের হারানো বা বাতিল হওয়ার তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।

পুনঃইস্যুর সময় আবেদনকারীর মৌলিক পরিচয়গত তথ্য, নাম, জন্মতারিখ, পিতার নাম ও মাতার নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে আইন ও বিধি অনুযায়ী অনুমোদিত সংশোধনের বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনা করা যাবে। পরিপত্রে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাসপোর্টের শনাক্তযোগ্য অংশ আবেদনকারীর কাছে থাকলে তা সমর্পণের ভিত্তিতে পুনঃইস্যু করা যাবে।

তবে সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয়ে গেলে এবং পরিচয় শনাক্ত করার মতো কোনো অংশ প্রদর্শন করা সম্ভব না হলে হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। কোনো পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হিসেবে রিপোর্ট করার পর সেটি বাতিল করা হলে পরবর্তীতে পাওয়া গেলেও তা পুনরায় সক্রিয় করা বা বিদেশ ভ্রমণে ব্যবহার করা যাবে না।

এ ধরনের পাসপোর্ট পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে জানাতে হবে। বিদেশে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনকে অবহিত করতে হবে।

আরও পড়ুন: এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী: ‘সাংবাদিকদের পেটানো দরকার’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন

পাসপোর্ট হারানো বা চুরির ক্ষেত্রে জরিমানার বিষয়েও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমবার পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত পাসপোর্ট ফি’র বাইরে অতিরিক্ত কোনো দণ্ড ফি দিতে হবে না। তবে পরবর্তীতে প্রত্যেকবার হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার ঘটনায় নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, এ-সংক্রান্ত আগের সব পরিপত্র, আদেশ ও নির্দেশনা সমন্বয় ও সংশোধন করে নতুন পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে। এটি জারির তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন-৪ শাখার স্মারক নম্বর ১১৯৭-এর মাধ্যমে এ পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পবিমুখ ভোটারদের কারণে বদলে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মানচিত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


ট্রাম্পবিমুখ ভোটারদের কারণে বদলে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মানচিত্র

সর্বশেষ নির্বাচনে হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাপক অগ্রগতি তাকে জাতীয় জনপ্রিয় ভোটে জয় এনে দেয়। এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সম্ভাব্য বড় ধরনের পুনর্বিন্যাস নিয়ে আলোচনা শুরু করে। তবে দুই বছর পর সেই আলোচনা কার্যত থেমে গেছে।

গত এক মাসে পরিচালিত উচ্চমানের জাতীয় জরিপগুলোর গড় হিসাবে, কংগ্রেস নির্বাচনে সম্ভাব্য হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে রিপাবলিকানদের চেয়ে ৩৫ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। তথাকথিত ‘জেনেরিক কংগ্রেশনাল ব্যালট’-এ ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ৬৪ শতাংশ, আর রিপাবলিকানদের ২৯ শতাংশ। এই জরিপে ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কংগ্রেস নির্বাচনে তারা কোন দলকে সমর্থন করবেন।

২০২৪ সালের তুলনায় এটি হবে বড় ধরনের পরিবর্তন। ওই নির্বাচনের আগে একই জরিপ প্রতিষ্ঠানগুলোর চূড়ান্ত জরিপে হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে কমলা হ্যারিস ট্রাম্পের চেয়ে গড়ে মাত্র ৭ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন।

হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের দিকে যদি এ ধরনের বড় মাত্রার ঝুঁকে পড়া অব্যাহত থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। এর ফলে দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা, দলটির নতুন করে আঁকা নির্বাচনী আসনের সীমানা এবং রিপাবলিকানদের অন্যতম প্রধান ঘাঁটি টেক্সাসও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালে ট্রাম্পকে বিজয় এনে দেওয়া ভোটার জোটও আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

সাম্প্রতিক নিউইয়র্ক টাইমস/সিয়েনা জাতীয় জরিপে পাওয়া জনমিতিক প্রবণতা যদি সারা দেশের বিভিন্ন কংগ্রেশনাল আসনে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের অগ্রগতি এমন এক ডজনেরও বেশি আসনে রিপাবলিকানদের বিপাকে ফেলতে পারে। এসব আসনে ২০২৪ সালে ট্রাম্প দুই অঙ্কের ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন। এসব আসনে রিপাবলিকানদের সাফল্য অনেকাংশেই হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল।

সম্ভাব্য বড় ধরনের ডেমোক্র্যাটিক জোয়ারের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে টেক্সাস ও ফ্লোরিডা। এসব রাজ্যে রিপাবলিকানদের আঁকা নির্বাচনী সীমানা ভেদ করে ডেমোক্র্যাটরা কতটা এগোতে পারে, তার ওপর দলটির কংগ্রেসে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাব্য চিত্র অনেকটাই নির্ভর করতে পারে। হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল আসনগুলোতে সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৪ সালে দুই অঙ্কের ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন—এমন হিস্পানিক-অধ্যুষিত বহু হাউস আসনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। তবে এসব হিসাব নির্দিষ্ট প্রার্থীদের ওপর পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে নয়; সর্বশেষ নিউইয়র্ক টাইমস/সিয়েনা জাতীয় জরিপে পাওয়া জনমিতিক পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

টেক্সাস:
• ২৮তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট: ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে আনুমানিক ৩১ পয়েন্ট পরিবর্তন
• ১৫তম ডিস্ট্রিক্ট: ২৫ পয়েন্ট
• ৩৪তম ডিস্ট্রিক্ট: ২৪ পয়েন্ট
• ২৩তম ডিস্ট্রিক্ট: ১৮ পয়েন্ট
• ৩৫তম ডিস্ট্রিক্ট: ১৬ পয়েন্ট
• ৯ম ডিস্ট্রিক্ট: ১৬ পয়েন্ট

ফ্লোরিডা:
• ২৬তম ডিস্ট্রিক্ট: ২৫ পয়েন্ট
• ২৮তম ডিস্ট্রিক্ট: ২৫ পয়েন্ট
• ২৭তম ডিস্ট্রিক্ট: ২১ পয়েন্ট
• ২২তম ডিস্ট্রিক্ট: ১৩ পয়েন্ট
• ১২তম ডিস্ট্রিক্ট: ১২ পয়েন্ট
• ১৪তম ডিস্ট্রিক্ট: ১১ পয়েন্ট
• ৭ম ডিস্ট্রিক্ট: ১১ পয়েন্ট

সূত্র: ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল; ২০২৬ সালের হিসাব করা হয়েছে ৮ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পরিচালিত নিউইয়র্ক টাইমস/সিয়েনা জাতীয় জরিপের ভিত্তিতে। সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই নয়, মানুষের দক্ষতা ও প্রেক্ষাগৃহের গুরুত্ব বেশি: টম ক্রুজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


এআই নয়, মানুষের দক্ষতা ও প্রেক্ষাগৃহের গুরুত্ব বেশি: টম ক্রুজ

লন্ডনে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে, বাফটার আয়োজনে হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা টম ক্রুজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর পরিবর্তে চলচ্চিত্র নির্মাণে মানুষের দক্ষতা ও প্রেক্ষাগৃহের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন। তার বক্তব্যের পর প্রায় ছয় মিনিটের সময় ধরে দর্শকরা করতালি দিয়ে তার বক্তব্যকে সমর্থন জানান।

‘বাফটা : লাইফ ইন পিকচার্স’ অনুষ্ঠানে, টম ক্রুজ তার অভিনয়জীবন নিয়ে স্মৃতিচারণা করছিলেন। যখন অনুষ্ঠান সঞ্চালক এডিথ বোম্যান চলচ্চিত্রশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করেন, তখন ‘টপ গান’ ও ‘মিশন: ইম্পসিবল’ খ্যাত এই অভিনেতা সিনেমা তৈরিতে মানুষের ভূমিকা এবং প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ক্রুজ বলেন, ‘প্রযুক্তি যতই আসুক না কেন, মানুষের মতো আর কিছু হতে পারে না।’ তরুণ দর্শকসহ অনেকেই প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ব্লকবাস্টার সিনেমা দেখছেন, যা প্রমাণ করে যে মানুষ এখনো আসল মানবিক অভিজ্ঞতা পেতে চায়। চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির এই দক্ষ কারিগরদের তিনি হারাতে চান না। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে অভিনয়শিল্পীদের ধর্মঘট চলাকালীন এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুরক্ষার দাবি তুলেছিলেন টম ক্রুজ।

বাফটার এই আয়োজনটি টম ক্রুজের নতুন সিনেমা ‘ডিগার’-এর প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। আলেহান্দ্রো গঞ্জালেজ ইনারিতু পরিচালিত ছবিটি আগামী ২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। ছবিতে ক্রুজকে একজন তেল ব্যবসায়ীর চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি নিজের তৈরি একটি পরিবেশগত দুর্যোগ মোকাবেলার চেষ্টা করেন। ক্রুজ সিনেমাটিকে তার অভিনয় জীবনের অন্যতম মৌলিক ও মর্মস্পর্শী কাজ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষকদের সার সরবরাহ নিশ্চিতের প্রত্যয়ে কাঠালিয়ায় বিএফএ ও খুরচা সার ব্যবসায়ী কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ফাতিমা আক্তার মিম কাঠালিয়া সংবাদদাতা

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


কৃষকদের সার সরবরাহ নিশ্চিতের প্রত্যয়ে কাঠালিয়ায় বিএফএ ও খুরচা সার ব্যবসায়ী কমিটি গঠন

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ) কাঠালিয়া শাখার খুরচা সার ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সার ব্যবসায়ীদের সর্বসম্মতিক্রমে ১১ সদস্য বিশিষ্ট এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মো. আবদুল বারেক, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. রিপন মুন্সী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নোমান নির্বাচিত হয়েছেন।

সভাপতি: মো. আবদুল বারেক

সাধারণ সম্পাদক: মো. রিপন হাওলাদার

সাংগঠনিক সম্পাদক: নোমান মুনসী

কমিটির আকার: ১১ সদস্য বিশিষ্ট

নবগঠিত এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর এলাকায় সার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু রাখা, কৃত্রিম সংকট রোধ এবং কৃষকদের দোরগোড়ায় সঠিক সময়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে সার পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। নেতৃবৃন্দ জানান, স্থানীয় কৃষি ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় বিএফএ এবং খুরচা সার ব্যবসায়ী সমিতি সবসময় তৎপর থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্ট: ১৮০ দিনে বিচার না হলে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


হাইকোর্ট: ১৮০ দিনে বিচার না হলে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হওয়ার কারণে কোনো মামলার বিচারকাজ স্থগিত বা বাতিল হবে না, এমন রায় প্রদান করেছে হাইকোর্ট। এর ফলে নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও আসামির বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

আদালত রায়ে উল্লেখ করেছে যে, বিচার শেষ করার জন্য আইনে বর্ণিত ১৮০ দিনের সময়সীমা বাধ্যতামূলক নয়, বরং এটি নির্দেশনামূলক। এর মানে হলো, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করা সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব হলেও, ওই সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে মামলার কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে না বা কোনো বিরূপ আইনগত পরিণতির সম্মুখীন হবে না।

মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে পাভেল বনাম রাষ্ট্র মামলায় এই রায় প্রদান করা হয়েছে। ইডেন কলেজের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি কে. এম. কামরুল কাদের এবং বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৩ সালের ৭ জুন এই রায়টি দেন। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ওই রায়ের অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৩০ক ধারা (প্রকৃতপক্ষে ৩১ক ধারা) পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মামলার বিচার সম্পন্ন করতে ব্যর্থতার কারণে কোনো অবস্থাতেই নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করা যাবে না। ১৮০ দিনের মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার বিচার সম্পন্ন করার যে আইনি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বাধ্যতামূলক নয়; বরং এটি নির্দেশনামূলক। কারণ ২০০০ সালের এই আইনের ২০ এবং ৩১ক ধারায় উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচার সম্পন্ন না হলে বিচারিক প্রক্রিয়া বাতিল বা স্থগিত হওয়ার মতো কোনো বিধান নেই।

আদালতে আসামি পাভেলের পক্ষে আইনজীবী এম.এইচ রশীদ ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান (জামান) এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শফিকুজ্জামান (রানা) উপস্থিত ছিলেন। আদালতের মূল রায়টি লিখেছেন বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী।

মামলার পটভূমি ও হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

প্রকাশিত রায়ের বিবরণে জানা যায়, কলেজে যাওয়া-আসার সূত্রে আসামি পাভেলের সঙ্গে ইডেন কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। ২০০৭ সালের ৮ জুলাই পাভেলের সঙ্গে একটি বাসায় যাওয়ার পর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে পাভেল ওই শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণ করলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়।

ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর শ্যামপুর থানায় পাভেলসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা। তদন্ত শেষে পুলিশ আসামি পাভেলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার ১-নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয় এবং ২০০৮ সালের ২৩ জুলাই আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। তবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ অস্বীকার করেন পাভেল।

পরবর্তীতে আসামি পাভেল ২০১১ সালের ৮ মে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে দাবি করেন, বিচারের জন্য এই মামলার নথি ২০০৮ সালের ১৩ জুলাই ট্রাইব্যুনালে নথিভুক্ত হওয়ার পরও নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ হয়নি। নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, ২০০০-এর ২০ ধারা অনুযায়ী মামলা গ্রহণের ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তার দাবি, আইন লঙ্ঘন করে বিচার কার্যক্রম চলতে পারে না। পাভেল বিচার স্থগিতের জন্য আবেদন করলে হাইকোর্ট মামলার বিচারিক কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করে এবং পরে সময়ে সময়ে তা বর্ধিত করা হয়।

হাইকোর্ট উভয়পক্ষের যুক্তি পর্যালোচনা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২০ ও ৩১ক ধারা বিশ্লেষণ করে আসামি পাভেলের রিটের প্রেক্ষিতে জারি করা রুল খারিজ করে ২০২৩ সালের ৭ জুন চূড়ান্ত রায় প্রদান করে।

রায়ে আদালত বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২০ ও ৩১ক ধারা পর্যালোচনার আলোকে দেখা যায় যে, মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন নয় এবং রিটকারী (আসামি পাভেল) অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে ২০১০ সালের ৭ নভেম্বরের পরবর্তী আদেশগুলো গোপন করেছেন, যা তার একটি অসৎ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত কাজ বলে মনে হয়। এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য যে যুক্তিগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে তা রিটকারীর মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন নয়, কারণ রিটকারীর (আসামি) পক্ষে কোনো আইনি অধিকার তৈরি হয়নি। সার্বিক তথ্য-প্রমাণ, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং আইনের বিধান বিবেচনা করে আদালত এই রুলে কোনো সারবত্তা খুঁজে পাচ্ছে না। ফলস্বরূপ, রুলটি খারিজ করা হলো এবং এই বিভাগ কর্তৃক আগের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার ও বাতিল করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%