ফাতিমা আক্তার মিম কাঠালিয়া সংবাদদাতা
বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৭ পি.এম
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ) কাঠালিয়া শাখার খুরচা সার ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সার ব্যবসায়ীদের সর্বসম্মতিক্রমে ১১ সদস্য বিশিষ্ট এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মো. আবদুল বারেক, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. রিপন মুন্সী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নোমান নির্বাচিত হয়েছেন।
সভাপতি: মো. আবদুল বারেক
সাধারণ সম্পাদক: মো. রিপন হাওলাদার
সাংগঠনিক সম্পাদক: নোমান মুনসী
কমিটির আকার: ১১ সদস্য বিশিষ্ট
নবগঠিত এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর এলাকায় সার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু রাখা, কৃত্রিম সংকট রোধ এবং কৃষকদের দোরগোড়ায় সঠিক সময়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে সার পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। নেতৃবৃন্দ জানান, স্থানীয় কৃষি ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় বিএফএ এবং খুরচা সার ব্যবসায়ী সমিতি সবসময় তৎপর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ না হওয়ার কারণে কোনো মামলার বিচারকাজ স্থগিত বা বাতিল হবে না, এমন রায় প্রদান করেছে হাইকোর্ট। এর ফলে নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও আসামির বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
আদালত রায়ে উল্লেখ করেছে যে, বিচার শেষ করার জন্য আইনে বর্ণিত ১৮০ দিনের সময়সীমা বাধ্যতামূলক নয়, বরং এটি নির্দেশনামূলক। এর মানে হলো, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করা সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব হলেও, ওই সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে মামলার কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে না বা কোনো বিরূপ আইনগত পরিণতির সম্মুখীন হবে না।
মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে পাভেল বনাম রাষ্ট্র মামলায় এই রায় প্রদান করা হয়েছে। ইডেন কলেজের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি কে. এম. কামরুল কাদের এবং বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৩ সালের ৭ জুন এই রায়টি দেন। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ওই রায়ের অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।
রায়ে আদালত উল্লেখ করেছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৩০ক ধারা (প্রকৃতপক্ষে ৩১ক ধারা) পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মামলার বিচার সম্পন্ন করতে ব্যর্থতার কারণে কোনো অবস্থাতেই নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করা যাবে না। ১৮০ দিনের মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার বিচার সম্পন্ন করার যে আইনি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বাধ্যতামূলক নয়; বরং এটি নির্দেশনামূলক। কারণ ২০০০ সালের এই আইনের ২০ এবং ৩১ক ধারায় উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচার সম্পন্ন না হলে বিচারিক প্রক্রিয়া বাতিল বা স্থগিত হওয়ার মতো কোনো বিধান নেই।
আদালতে আসামি পাভেলের পক্ষে আইনজীবী এম.এইচ রশীদ ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান (জামান) এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শফিকুজ্জামান (রানা) উপস্থিত ছিলেন। আদালতের মূল রায়টি লিখেছেন বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী।
মামলার পটভূমি ও হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ
প্রকাশিত রায়ের বিবরণে জানা যায়, কলেজে যাওয়া-আসার সূত্রে আসামি পাভেলের সঙ্গে ইডেন কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। ২০০৭ সালের ৮ জুলাই পাভেলের সঙ্গে একটি বাসায় যাওয়ার পর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে পাভেল ওই শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণ করলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়।
ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর শ্যামপুর থানায় পাভেলসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা। তদন্ত শেষে পুলিশ আসামি পাভেলসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার ১-নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয় এবং ২০০৮ সালের ২৩ জুলাই আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। তবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ অস্বীকার করেন পাভেল।
পরবর্তীতে আসামি পাভেল ২০১১ সালের ৮ মে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে দাবি করেন, বিচারের জন্য এই মামলার নথি ২০০৮ সালের ১৩ জুলাই ট্রাইব্যুনালে নথিভুক্ত হওয়ার পরও নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ হয়নি। নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, ২০০০-এর ২০ ধারা অনুযায়ী মামলা গ্রহণের ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তার দাবি, আইন লঙ্ঘন করে বিচার কার্যক্রম চলতে পারে না। পাভেল বিচার স্থগিতের জন্য আবেদন করলে হাইকোর্ট মামলার বিচারিক কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করে এবং পরে সময়ে সময়ে তা বর্ধিত করা হয়।
হাইকোর্ট উভয়পক্ষের যুক্তি পর্যালোচনা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২০ ও ৩১ক ধারা বিশ্লেষণ করে আসামি পাভেলের রিটের প্রেক্ষিতে জারি করা রুল খারিজ করে ২০২৩ সালের ৭ জুন চূড়ান্ত রায় প্রদান করে।
রায়ে আদালত বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২০ ও ৩১ক ধারা পর্যালোচনার আলোকে দেখা যায় যে, মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন নয় এবং রিটকারী (আসামি পাভেল) অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে ২০১০ সালের ৭ নভেম্বরের পরবর্তী আদেশগুলো গোপন করেছেন, যা তার একটি অসৎ উদ্দেশ্যে প্রণোদিত কাজ বলে মনে হয়। এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য যে যুক্তিগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে তা রিটকারীর মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন নয়, কারণ রিটকারীর (আসামি) পক্ষে কোনো আইনি অধিকার তৈরি হয়নি। সার্বিক তথ্য-প্রমাণ, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং আইনের বিধান বিবেচনা করে আদালত এই রুলে কোনো সারবত্তা খুঁজে পাচ্ছে না। ফলস্বরূপ, রুলটি খারিজ করা হলো এবং এই বিভাগ কর্তৃক আগের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার ও বাতিল করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গুর সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করার পাশাপাশি রাস্তা ও জনসাধারণের চলাচলের পথ দখলমুক্ত করার উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
এই অভিযানের অংশ হিসেবে রাজধানীর রাজারবাগে একটি নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে থাকার কারণে জরিমানা করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এই জরিমানা কার্যকর করা হয়।
আজ রাজারবাগের মোমিনবাগের গলিতে অভিযানটি সম্পন্ন হয়।
অভিযানটি পরিচালিত হয় ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামের উপস্থিতিতে। অভিযানের সময় এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরিদর্শন করা হয়।
অভিযান চলাকালে নির্মাণাধীন ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জমে থাকা পানি নজরে আসে।
মোবাইল কোর্টের নেতৃত্বে থাকা ডিএসসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া, ভবন মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয় যাতে দ্রুত জমে থাকা পানি অপসারণ করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।
অভিযানের সময় রাস্তা ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি অপসারণের পাশাপাশি সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করা হয়।
সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা নগরীর পরিবেশ ও জনসাধারণের চলাচলের পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।
অভিযান শেষে, ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম নগরবাসীকে তাদের নিজ নিজ বাসাবাড়ি, নির্মাণাধীন ভবন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।"
এছাড়া, রাস্তা, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, নগরবাসীর চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।
অভিযানের সময় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মাহবুবুর রহমান তালুকদার এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এই কর্মসূচি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়।
বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে, মাগুরা ইসলামপুরপাড়া এলাকার দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও চৌরঙ্গী মোড় প্রদক্ষিণ করে ভায়না মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে মাগুরা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা মন্তব্য করেন, "একটি কুচক্রী মহল দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।" বক্তারা প্রশাসনকে আহ্বান জানান, একটি নির্বাচিত সরকারকে ব্যার্থ করতে এসব ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। তারা হুশিয়ারি দেন যে, যেকোনো ধরনের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সদাপ্রস্তুত রয়েছে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহব্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আক্তার হোসেন, যুগ্ন আহব্বায়ক মো: আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহব্বায়ক মো: কুতুবউদ্দিন, মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক গোলাম জাহিদ, সিনিয়র যুগ্ম আহব্বায়ক হাসানুর রহমান হাসু, সদস্য সচিব আব্দুর রহিমসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরাও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামীকাল বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী হাইকোর্টের (স্থায়ী) বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীকে ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের (স্থায়ী) বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সাক্ষরিত নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীকে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
দেবাশীষ রায় চৌধুরী ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
ব্রিটেন থেকে আইন ডিগ্রি অর্জনের পর ২০০৫ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন, ২০০৭ সালে হাইকোর্ট এবং ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন দেবাশীষ রায় চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ