বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৯ পি.এম
মাগুরায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এই কর্মসূচি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়।
বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে, মাগুরা ইসলামপুরপাড়া এলাকার দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও চৌরঙ্গী মোড় প্রদক্ষিণ করে ভায়না মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে মাগুরা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা মন্তব্য করেন, "একটি কুচক্রী মহল দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।" বক্তারা প্রশাসনকে আহ্বান জানান, একটি নির্বাচিত সরকারকে ব্যার্থ করতে এসব ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। তারা হুশিয়ারি দেন যে, যেকোনো ধরনের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সদাপ্রস্তুত রয়েছে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহব্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আক্তার হোসেন, যুগ্ন আহব্বায়ক মো: আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহব্বায়ক মো: কুতুবউদ্দিন, মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহব্বায়ক গোলাম জাহিদ, সিনিয়র যুগ্ম আহব্বায়ক হাসানুর রহমান হাসু, সদস্য সচিব আব্দুর রহিমসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরাও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামীকাল বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী হাইকোর্টের (স্থায়ী) বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীকে ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের (স্থায়ী) বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সাক্ষরিত নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীকে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
দেবাশীষ রায় চৌধুরী ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
ব্রিটেন থেকে আইন ডিগ্রি অর্জনের পর ২০০৫ সালে জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন, ২০০৭ সালে হাইকোর্ট এবং ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন দেবাশীষ রায় চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়া গেমসের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে জাপানের বিরুদ্ধে লজ্জাজনক বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। মঙ্গলবার, স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হয়ে যান এই ওপেনার। এর মাধ্যমে ২০২৬ সালে ১০ বার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ডাক মারার রেকর্ড গড়লেন তিনি। পাশাপাশি, আরও দুটি লজ্জার নজিরও তৈরি করেছেন তিনি।
অভিষেক শর্মা, ২৬ বছর বয়সী এই ওপেনার, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এক ক্যালেন্ডার বছরে সাতবার শূন্য রানে আউট হওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে নাম লেখালেন। এর আগে, ২০২৩ সালে রোয়ান্ডার জাপি বিমেনিমান ও অর্কিড টুইসেঞ্জ এবং ২০২৫ সালে পাকিস্তানের সাইম আয়ুব এই বিব্রতকর রেকর্ড গড়েছিলেন। খবর এই সময়
আরো পড়ুন
ইউরোপের বড় দলগুলোর নতুন কোচদের পরীক্ষা শুরু, নজরে ফরাসি কিংবদন্তি
বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে এক ক্যালেন্ডার বছরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১০ বার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড গড়লেন অভিষেক। তিনি আফগানিস্তানের রশিদ খান এবং পাকিস্তানের শাদাব খানের রেকর্ড ভেঙেছেন। রশিদ ২০১৯ সালে এবং শাদাব ২০২৪ সালে ৯ বার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন।
২০২৬ সালে ভারতের হয়ে অভিষেক শর্মা এখন পর্যন্ত ২৭টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। এর মধ্যে সাতবার তিনি কোনো রান না করেই আউট হয়েছেন। এটি কোনো ক্যালেন্ডার বছরে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বেশিবার শূন্য রানে আউট হওয়ার একটি রেকর্ড।
আরো পড়ুন
এএফএ’র সাথে স্কালোনির বৈঠক, বড় সিদ্ধান্ত
তবে, এই তালিকায় অভিষেক এককভাবে শীর্ষে নন। রোয়ান্ডার অর্কিডে তুইসেঙ্গে ও জ্যাপি বিমেনিমানা এবং পাকিস্তানের সাইম আয়ুবও চলতি বছরে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে সাতবার শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে দুবার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন অভিষেক। এরপর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচেও তিনি খাতা খুলতে পারেননি। ২৮ জুন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে তার ২০২৬ সালের ষষ্ঠ ‘ডাক’ এসেছিল। এবার জাপানের বিরুদ্ধে সেই সংখ্যা বেড়ে সাত হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে ফ্লু-সদৃশ উপসর্গের কারণে দলের অনুশীলনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন (এফএফএফ) জানিয়েছে, এর ফলে আসন্ন নেশনস লিগ ম্যাচগুলোতে তার খেলার সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
নতুন কোচ জিনেদিন জিদানের অধীনে দলের অন্যান্য সদস্যরা যখন অনুশীলন সেশনে অংশগ্রহণ করছিলেন, তখন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড এমবাপে ক্যাম্পেই ছিলেন। এটি ছিল জিদানের অধীনে দ্বিতীয় অনুশীলন সেশন।
শুক্রবার তুরস্কের বিপক্ষে খেলেই জিদান ফ্রান্সের কোচ হিসেবে অভিষেক করবেন।
আন্তর্জাতিক বিরতির সময় ফ্রান্সের আরও ম্যাচ রয়েছে, যার মধ্যে বেলজিয়ামের বিপক্ষে হোম ও অ্যাওয়ে ম্যাচ এবং ইতালির বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে লড়াই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এমবাপের অসুস্থতা জিদানের জন্য একটি বড় নির্বাচনী দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বকাপের পর সাবেক সতীর্থ দিদিয়ের দেশঁর জায়গায় দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম আন্তর্জাতিক উইন্ডো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর পাংশা এলাকায় কাতার প্রবাসীর স্ত্রী রুনা খাতুন (৩০) কে হত্যার অভিযোগে মিলন শেখ (২৭) নামে এক আসামীর বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। মিলন শেখ পাংশা উপজেলার মুচিদহ খামারডাঙ্গী গ্রামের খলিল শেখের পুত্র। নিহত রুনা খাতুন পাংশা উপজেলার মুচিদহ খামারডাঙ্গী গ্রামের কাতার প্রবাসী আনিসুর রহমানের স্ত্রী।
বুধবার দুপুরে রাজবাড়ী বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইউসুফ হোসেন এ রায় প্রদান করেন। মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট রাত সাড়ে ১০ টার দিকে রুনা খাতুন তার স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দেড় টার দিকে ছেলে হুসাইনের কান্নার শব্দে মেয়ে সিনহার ঘুম ভেঙে যায়।
মিলনকে বসত ঘরের বিদ্যুতের আলোতে দেখে চিনতে পেরে সিনহা তাকে জিজ্ঞাসা করে, "আমার মা কোথায়?" তখন মিলন জানায়, "তোমার আম্মু আমাদের বাড়ীতে গেছে।" সিনহা তার ছোট ভাইয়ের কান্না থামানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ভাইয়ের কান্না বাড়তে থাকলে সে তাকে কোলে নিয়ে মাকে ডাকতে বারান্দায় আসে। মিলন সিনহার মুখ চেপে ধরে এবং বলে, "চিৎকার করলে প্রাণে মেরে ফেলবো।"
সিনহা তার মুখ থেকে মিলনের হাত সরানোর চেষ্টা করলে মিলন ও অজ্ঞাতনামা আরও দুইজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। সিনহা কান্না করতে করতে উঠানের উপর গিয়ে দেখে তার মাকে মাটিতে দুই পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে। চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে রুনা খাতুনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। আসামী মিলনসহ তার স্ত্রী রুনার বাড়ীতে বিভিন্ন সময় টাকার বিনিময়ে গৃহস্থলী কাজ করতো।
ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে রুনা খাতুনকে বসত বাড়ীর উঠানের উপর মাটিতে ফেলে দুই পা দড়ি দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার ব্যবহৃত একটি রেডমি এনড্রয়েড মোবাইল ফোন জোরপূর্বক নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পাংশা থানায় সংবাদ দিলে থানা পুলিশ বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে রুনা খাতুনের মৃত দেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট রুনা খাতুনের বড় ভাই মোঃ রায়হান বিশ^াস বাদী হয়ে মিলনসহ অজ্ঞাতনামা দুইজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী রায়হান বিশ^াস বলেন, "আমি আমার ছোট বোনের হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদন্ডের এ রায়ে সন্তুষ্ট। অন্যান্য আসামীর সঠিক বিচার আশা করছি।"
আসামী মিলনের স্ত্রী চম্পা খাতুন বলেন, "আমি এখন দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাবো, কি খাবো। ন্যায় বিচার পেলাম না, আমার স্বামী নির্দোষ। আমি আপীল করবো।"
আসামীপক্ষের আইনজীবী এ্যাড. মোঃ নাজমুল হাসান বলেন, "আসামী ন্যায় বিচার পায়নি। আমরা উচ্চ আদালতে আপীল করবো।"
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী কৌশলী এ্যাড. আইয়ুব আলী খান বলেন, "এ মামলায় তিন আসামীর মধ্যে একজনের রায় আজ হলো। দুইজনের বিচার শিশু আদালতে হচ্ছে। আজকের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। ন্যায় বিচার পেয়েছে বাদী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ