ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাঠ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হলো বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানিকে


মাঠ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হলো বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানিকে

বায়ার্ন মিউনিখের প্রধান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানিকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ৪০ বছর বয়সী এই বেলজিয়ান কোচ গত এক সপ্তাহ ধরে তীব্র ভাইরাল সংক্রমণে ভুগছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) মিউনিখে ক্লাবটির সাবেনার স্ট্রাস অনুশীলনকেন্দ্রে জরুরি চিকিৎসক ডাকার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জার্মান সংবাদমাধ্যম বিল্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেলে কোম্পানির জন্য জরুরি চিকিৎসক ডাকা হয়। এ সময় বায়ার্নের অনুশীলনকেন্দ্রে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স হেলিকপ্টার অবতরণ করে। এরপর চিকিৎসাকর্মীরা তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

তবে, কী কারণে তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে কোম্পানির বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। এ বিষয়ে বায়ার্ন মিউনিখ এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

আরও পড়ুন: ক্রিকেটার হৃদয় জীবনযুদ্ধে হার মানলেন, ঢাকায় চিকিৎসার পথে মৃত্যু

গত সপ্তাহে তীব্র ভাইরাল সংক্রমণে আক্রান্ত হন কোম্পানি। অসুস্থতার কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। আরবি লাইপজিগের বিপক্ষে বায়ার্নের ৬-১ গোলের জয়ের ম্যাচে অসুস্থতার কারণে বিরতির সময় নিজের অফিসের সোফায় শুয়ে থাকতে হয় তাকে। সংক্রমণের প্রভাবে সিঁড়ি দিয়ে ওঠার মতো সাধারণ কাজও তার জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অসুস্থতার কারণে সপ্তাহের শুরুতে দলের মূল একাদশের অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি কোম্পানি। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্বও দিয়েছিলেন সহকারী কোচ অ্যারন ড্যাংকসকে। তবে অসুস্থতা নিয়েই বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচে ডাগআউটে ফিরেছিলেন তিনি। ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কোম্পানি স্বীকার করেন, অসুস্থ বোধ করা সত্ত্বেও তিনি নিজের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছিলেন।

কোম্পানিকে হাসপাতালে নেওয়ার খবরের পর তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে, তার সুস্থতা, হাসপাতালে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ এবং মাঠে ফেরার সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বায়ার্ন মিউনিখ।

আরও পড়ুন: তিলক-নীতিশের রেকর্ড জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ জিতল ভারত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদো ম্যাচসেরার পুরস্কার নিলেন না, সতীর্থের হাতে তুলে দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


রোনালদো ম্যাচসেরার পুরস্কার নিলেন না, সতীর্থের হাতে তুলে দিলেন

সৌদি প্রো লিগে আল ফয়সালির বিরুদ্ধে ৩-১ গোলের জয় অর্জন করেছে আল নাসর। ম্যাচে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটিয়ে আলোচনায় এসেছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তিনি ম্যাচসেরা নির্বাচিত হলেও পুরস্কারটি নিজের হাতে না নিয়ে সতীর্থ আব্দুল্লাহ আল হামদানের হাতে তুলে দেন।

আল-মাজমাহ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত লিগের ১১তম ম্যাচে দুই দল মুখোমুখি হয়। ম্যাচের ৪৯তম মিনিটে স্বদেশি জোয়াও ফেলিক্সের ফ্রি-কিক থেকে হেডে গোল করেন রোনালদো। তার এই গোলের মাধ্যমে আল নাসরের ব্যবধান ২-০ হয়ে যায়।

রোনালদো আরও একবার জালের দেখা পেয়েছিলেন বলে মনে হয়েছিল। সতীর্থ আব্দুল্লাহ আল হামদানের পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিং করলেও অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়।

ম্যাচে রোনালদোর পারফরম্যান্স সবার নজর কাড়লেও আল হামদানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আল নাসরের হয়ে প্রথম গোলটি তারই। পরে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার অ্যাঞ্জেলোর গোলেও তিনি অবদান রাখেন। রোনালদোর বাতিল হওয়া গোলের পেছনেও ছিল আল হামদানের ভূমিকা।

ম্যাচ শেষে কর্তৃপক্ষ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার রোনালদোর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে তিনি পুরস্কারটি নিজের কাছে না রেখে সতীর্থ আল হামদানকে দিয়ে দেন। পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা ম্যাচ শেষে আল হামদানকে ডেকে নিয়ে পোডিয়ামের সামনে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন। দুজন একসঙ্গে ছবি তোলেন। রোনালদোর এই আচরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

এদিকে, ক্যারিয়ারের গোলসংখ্যায় নতুন মাইলফলকের আরও কাছে পৌঁছেছেন রোনালদো। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে তার গোলসংখ্যা বর্তমানে ৯৮২। এর মধ্যে ক্লাব ফুটবলে ১ হাজার ১০৯ ম্যাচে তিনি ৮৩৬ গোল করেছেন। পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে ২৩৪ ম্যাচে তার গোল ১৪৬টি।

ক্লাবভিত্তিক হিসাবে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সর্বাধিক ৪৫০ গোল করেছেন রোনালদো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে তার গোল ১৪৫টি, আল নাসরের হয়ে ১৩৪টি, জুভেন্টাসের হয়ে ১০১টি এবং স্পোর্টিং লিসবনের হয়ে ৫টি।

চলতি মৌসুমে আল নাসরের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬ গোল করেছেন এই পর্তুগিজ তারকা। এর মধ্যে সৌদি প্রো লিগে ৫টি এবং এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগে একটি। ক্যারিয়ারে ১ হাজার অফিশিয়াল গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে এখন তার প্রয়োজন আরও ১৮ গোল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চৌমুহনী: অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


চৌমুহনী: অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত

বৃহত্তর নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনী ক্রমশ অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও জবরদখলের পাশাপাশি সম্প্রতি কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত এবং গোলাগুলি এখানে প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শহরের আবাসিক হোটেলগুলো অপরাধচক্রের নিরাপদ ঘাঁটিতে রূপান্তরিত হয়েছে।

অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চৌমুহনীর বেশ কিছু আবাসিক হোটেলে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে অবাধে দেহব্যবসা, মাদক কেনাবেচা ও জুয়ার আসর চলছে। হোটেলগুলোতে আগতদের তথ্য রেজিস্টারে নথিভুক্ত করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ফলে অপরাধীরা সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে। এমনকি স্কুল-কলেজপড়ুয়া তরুণ-তরুণীদেরও এসব হোটেলে যাতায়াত করতে দেখা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে এসব আস্তানায় বেশ কিছু সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর চৌমুহনী বাজারের ‘ডিলাক্স’ ও ‘রাজ’ আবাসিক হোটেল থেকে ১৮ জন এবং ৩০ আগস্ট ‘মিয়ামী’ ও ‘স্কাইভিউ’ হোটেল থেকে আট নারী-পুরুষকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে ২৫ জুন ‘হোটেল রাজ’ থেকে আরো ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুধু অনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, গত ২ জানুয়ারি ‘হোটেল রিয়াদ’ থেকে বিদেশি পিস্তল ও কার্তুজসহ বাসু ও রাসেল নামের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এবং স্থানীয় প্রশাসনের একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে বছরের পর বছর ধরে এ বেআইনি কর্মকাণ্ড চলছে। কোনো পর্যটনকেন্দ্র না থাকা সত্ত্বেও কেন এখানে এত আবাসিক হোটেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে।

চৌমুহনী নোয়াখালী-৩ আসনের নির্বাচনি এলাকার স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ বাণিজ্যিক শহরে প্রতিদিন হাজারো মানুষ আসেন। শহরটিকে বাঁচাতে এখনই আবাসিক হোটেলগুলোর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনা এবং কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।

অভিযানের বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি শামসুজ্জামান বলেন, ‘নোয়াখালী ডিবি ও বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। শহরের নিরাপত্তা ও নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে এবং দ্রুতই বড় ধরনের অভিযান চালানো হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শামোন্ডা নামের ভাইরাসটি কতটা ভয়ংকর?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


শামোন্ডা নামের ভাইরাসটি কতটা ভয়ংকর?

করোনাভাইরাসের আতঙ্ক মানুষের মনে পুরোপুরি কেটে যাওয়ার আগেই বিশ্বজুড়ে নতুন একটি ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গবাদি পশুর শরীরে সংক্রমণ ঘটানো ‘শামোন্ডা ভাইরাস’ এবার মানুষের শরীরেও শনাক্ত হয়েছে। ফ্রান্সে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার ঘটনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য মহলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—গবাদি পশুর এই ভাইরাসটি কি মানুষের জন্য ভয়াবহ কোনো মহামারিতে রূপ নিতে পারে?

কী এই শামোন্ডা ভাইরাস?

শামোন্ডা ভাইরাস মূলত ‘অর্থোবুনিয়াভাইরাস’ গোত্রের একটি কীটপতঙ্গবাহিত ভাইরাস, যা সিম্বু সেরোগ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৬০-এর দশকে নাইজেরিয়ার একটি খামারে গবাদি পশুর শরীরে প্রথমবারের মতো এই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি প্রধানত আফ্রিকা, এশিয়া এবং সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গরু, ছাগল, ভেড়া ও ঘোড়ার মতো পশুর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

সাধারণত মশা বা রক্তচোষা ক্ষুদ্র পতঙ্গের কামড়ের মাধ্যমে পশুর শরীরে এই ভাইরাস ছড়ায়। পশুর শরীরে এর সংক্রমণে উচ্চ জ্বর, তীব্র ডায়রিয়া, ক্ষুধামন্দা, দুধ উৎপাদন হঠাৎ কমে যাওয়া এবং গর্ভপাত বা জন্মগত ত্রুটির মতো প্রজননজনিত মারাত্মক জটিলতা দেখা দেয়।

মানুষের শরীরে সংক্রমণ ও ফ্রান্সের ঘটনা

ইতিহাসে এই প্রথম ফ্রান্সে কোনো মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ষাটোর্ধ্ব ওই ব্যক্তি আগে থেকেই গুরুতর স্বাস্থ্য জটিলতায় বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হীনতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগে তার মস্তিষ্কে যে জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তার পেছনে এই ভাইরাসের সংযোগ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে ওই ব্যক্তির শরীরে কিভাবে ভাইরাসটি প্রবেশ করল, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না গবেষকরা। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, আক্রান্ত কোনো পোকা বা মশার কামড়েই তার শরীরে এই সংক্রমণ ঘটে থাকতে পারে।

করোনার চেয়েও কি ভয়ংকর?

শামোন্ডা ভাইরাস মানুষের শরীরে শনাক্ত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়লেও, এটিকে করোনাভাইরাসের মতো অতিমারি বা মহামারির সঙ্গে তুলনা করার মতো যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনাভাইরাস যেভাবে খুব দ্রুত এক মানুষের দেহ থেকে অন্য মানুষের দেহে বায়ুবাহিত উপায়ে বা সংস্পর্শে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম ছিল, শামোন্ডা ভাইরাসের ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রমাণ মেলেনি। এটি মূলত পশুবাহিত রোগ এবং পতঙ্গের কামড়ে ছড়ায়। এখন পর্যন্ত মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে আতঙ্কিত না হয়ে এটিকে একটি বিচ্ছিন্ন ও বিরল ঘটনা হিসেবেই দেখছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্বজুড়ে কেন সতর্কতা?

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সম্প্রতি গবাদি পশুর মধ্যে শামোন্ডা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের শরীরে এর প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ও ইউরোপীয় রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (ইসিডিসি) পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ঠিক কীভাবে প্রভাবিত করে এবং এর প্রকৃত ঝুঁকি কতখানি তা নির্ধারণে আরও ব্যাপক গবেষণা ও ডেটা বিশ্লেষণ প্রয়োজন। তবে এখনই একে নিয়ে প্যানিক বা অতিরিক্ত ভয়ের কোনো কারণ নেই বলে মনে করছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিবিএ আওয়ামী লীগপন্থী নেতা তুহিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সুদের কারবার নির্যাতনে দিশেহারা অসহায় মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ এম


বরিশালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিবিএ আওয়ামী লীগপন্থী নেতা তুহিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সুদের কারবার নির্যাতনে দিশেহারা অসহায় মানুষ

উপশিরোনাম: আলেকান্দায় ব্যবসায়ী, বাড়ির মালিক, হকার ও অসহায় মানুষকে জিম্মি করার অভিযোগ; সুদের টাকা আদায়ে হয়রানি, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও সাধারণ মানুষকে অপমান-অপদস্ত করার অভিযোগ ঘিরে তদন্তের দাবি।


বরিশাল নগরীর আলেকান্দা এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিবিএ নেতা ও আওয়ামী লীগপন্থী নেতা তুহিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সুদের কারবার, অসহায় মানুষকে নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে অপমান-অপদস্ত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করা হতো। সেই প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ফুটপাতের হকার, বাড়ির মালিক এবং আর্থিক সংকটে থাকা সাধারণ মানুষ—বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ সামনে এসেছে। সুদের বিনিময়ে টাকা ধার দেওয়া, নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধে বিলম্ব হলে চাপ সৃষ্টি এবং ব্যবসা বা নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে অর্থ দাবির অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তুহিনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সুদের বিনিময়ে টাকা ধার দেওয়া এবং পাওনা আদায়কে কেন্দ্র করে ঋণগ্রহীতাদের হয়রানি। স্থানীয় অভিযোগকারীদের দাবি, আর্থিক সংকটে পড়ে তাঁর কাছ থেকে টাকা নেওয়া কোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ে সুদের টাকা দিতে না পারলে তাঁকে অপমান-অপদস্ত, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নির্যাতনের মুখে পড়তে হতো।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দরিদ্র মানুষের আর্থিক দুরবস্থাকে বিবেচনায় না নিয়ে টাকা আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হলে তাঁদের দুর্ভোগ বহুগুণ বেড়ে যায়। সীমিত আয়ের মানুষ যখন সংসারের খরচ চালাতেই হিমশিম খান, তখন ঋণের টাকা ও সুদ পরিশোধে বিলম্বকে কেন্দ্র করে হয়রানির অভিযোগ তাঁদের আরও অনিরাপদ করে তোলে।

প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে কোনো অসহায় মানুষকে অপমান বা নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে কি না, হলে কোন পরিস্থিতিতে এবং কারা এতে জড়িত ছিলেন। এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, লেনদেনের নথি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত জরুরি।

আলেকান্দা এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা দাবি করার অভিযোগও রয়েছে তুহিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে নির্দিষ্ট হারে টাকা চাওয়া হতো। দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নানাভাবে হয়রানি করা হতো।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, দাবিকৃত টাকা না দিলে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল।

ব্যবসা পরিচালনার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার। সেই অধিকার ক্ষুণ্ন করে কেউ প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আদায় করে থাকলে তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য, অর্থ লেনদেনের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিবরণ গুরুত্বপূর্ণ।

তুহিনের বিরুদ্ধে নতুন বাড়ি নির্মাণ, জমি কেনাবেচা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করার সময় এককালীন মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কেউ জমিতে নির্মাণকাজ শুরু করলে তাঁকে অর্থের জন্য চাপ দেওয়া হতো। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি এবং প্রাণনাশের ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।

এসব অভিযোগ সত্য হলে তা সাধারণ মানুষের সম্পত্তির অধিকার ও নিরাপদে বসবাসের ক্ষেত্রে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করে। তবে কোন ব্যক্তি কখন, কোথায় এবং কত টাকা দাবি করেছেন—এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে নথিপত্র, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য ও অন্যান্য প্রমাণ থাকলে সেগুলো তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে তুহিন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে অপমান-অপদস্ত করা, ভয়ভীতি দেখানো এবং অনুসারীদের নিয়ে প্রভাবশালী বলয় গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেকে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পেতেন না। তবে অনুসারীদের নিয়ে ক্যাডারসদৃশ গোষ্ঠী গড়ে তোলার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয়, নির্দিষ্ট ঘটনা, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক নথি সংগ্রহ করা প্রয়োজন।

রাজনৈতিক পরিচয় কোনো ব্যক্তিকে আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেয় না। আবার রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী বলেও চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা যায় না। অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়াই এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।


তুহিনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের অপমান-অপদস্ত করার অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তাঁদের দাবি, টাকা-পয়সার লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধের সময় প্রভাব দেখিয়ে কথা বলা এবং মানুষকে হেয় করার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে সম্মান না দিয়ে ক্ষমতা বা প্রভাবের দাপট দেখানো হলে সমাজে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় মানুষ প্রতিবাদ করতে না পারলে তাঁদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

এসব অভিযোগের নির্দিষ্ট ঘটনা ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য সামনে এলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

তুহিনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক পরিচয়, সাংগঠনিক পদ কিংবা ব্যক্তিগত প্রভাব—কোনোটিই যেন তদন্তের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা, ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তে চাঁদাবাজি, হুমকি, নির্যাতন কিংবা অন্য কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

তুহিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত চাঁদাবাজি, সুদের টাকা আদায়ে হয়রানি, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের বিষয়ে তুহিনের একাধিকবার ফোন করা হয়েছে ফোন রিসিভ করেনি পরবর্তীতে তার whatsapp নাম্বারে বার্তা পাঠিয়ে আপনার মূল্যবান বক্তব্য চাওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে আপনার বক্তব্য ঠিকভাবে সাংবাদে তুলে ধরা হবে কিন্তু তিনি বার্তা দেখেছে কিন্তু কোন উত্তর দেয়নি।

এ বিষয়ে কথা বলতে বরিশাল পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাবেদ ইকবাল-এর সাথে 'তালাশ বিডি' বরিশাল অফিস থেকে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার বিস্তারিত জানতে ও বক্তব্য চেয়ে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) নম্বরে একটি লিখিত বার্তা পাঠানো হয়। তবে তুহিন সাহেব অবসরে গেছেন, নাকি তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে—এ বিষয়ে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য বা দাপ্তরিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

তালাশ বিডির পর্যবেক্ষণ: সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। চাঁদাবাজি, সুদের লেনদেনকে কেন্দ্র করে হয়রানি কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ বিরুদ্ধে সবসময় সব সময় সোচ্চার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%