ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে মারামারি হয়নি, জানালেন ত্শুয়ামেনি


মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে মারামারি হয়নি, জানালেন ত্শুয়ামেনি

রিয়াল মাদ্রিদের দুই তারকা অরেলিয়াঁ ত্শুয়ামেনি ও ফেদেরিকো ভালভার্দের মধ্যে গত মৌসুমের শেষের দিকে সংঘর্ষের বিষয়ে অবশেষে মন্তব্য করেছেন ফরাসি মিডফিল্ডার। যদিও সে সময় বিভিন্ন ধরনের খবর প্রকাশিত হয়েছিল, ত্শুয়ামেনি নিশ্চিত করেছেন যে, ভালভার্দের সঙ্গে তাঁর কোনো মারামারি হয়নি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, ড্রেসিংরুমে ‘কিছু একটা খারাপ’ ঘটেছিল।

এই ঘটনা ৭ মে, ২০২৫-২৬ মৌসুমের শেষের দিকে ঘটে। তখন খবর বের হয় যে, ড্রেসিংরুমে ত্শুয়ামেনি ও ভালভার্দের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে এবং এই ঘটনায় ভালভার্দে মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এমনকি, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তাঁকে মাথায় সেলাইও দিতে হয়েছিল। পরে রিয়াল মাদ্রিদও দুজনের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করে।

তবে ‘দ্য ব্রিজ’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে ত্শুয়ামেনি ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ভালভার্দে ও আমার মধ্যে কোনো মারামারি হয়নি। ড্রেসিংরুমে কিছু ঘটনা ঘটে, সেখানে পরোক্ষ মন্তব্য বা এ ধরনের বিষয় থাকতে পারে। কিন্তু আমি কখনো ভালভার্দের সঙ্গে মারামারি করিনি। সত্যি বলতে, কিছু একটা খারাপ হয়েছিল।”

আরও পড়ুন: ছিটকে গেলেন আনরিখ নর্কিয়া, গুরুতর নয় ইনজুরি

ত্শুয়ামেনি মনে করেন, মূল সমস্যা ছিল ঘটনাটি রিয়াল মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে ঘটায় সেটি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত আগ্রহ। তাঁর মতে, ছোট একটি বিষয়ও রিয়াল মাদ্রিদকে ঘিরে হলে তা দ্রুত বড় আকার ধারণ করে এবং সংবাদমাধ্যমে এতটাই আলোচিত হয় যে, শেষ পর্যন্ত সেটিই বড় সমস্যায় পরিণত হয়।

ঘটনার পর অনেকেই ধারণা করেছিলেন যে, দুজনের একজন গ্রীষ্মের দলবদলে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়তে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুজনই মাদ্রিদে থেকে গেছেন। ত্শুয়ামেনি আরও জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর তাঁদের সম্পর্ক খারাপ হয়নি; বরং কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে।

“এখন আপনি ড্রেসিংরুমে ঢুকলে দেখতে পাবেন, ভালভার্দে ও আমি ভালো আছি। আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। মাঠেও কোনো সমস্যা নেই। জীবন এগিয়ে যায়। আসলে এ ধরনের ঘটনা কখনো কখনো দুজন মানুষকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে,” বলেছেন ত্শুয়ামেনি।

বর্তমান রিয়াল মাদ্রিদ দলের জন্য দুজনই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সাম্প্রতিক ম্যাচে ভালভার্দেকে ডান প্রান্তের রক্ষণে খেলাচ্ছেন কোচ হোসে মরিনিয়ো, আর ত্শুয়ামেনি মাঝমাঠে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। মরিনিয়োও এর আগে দুজনের সম্পর্ক নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: বিসিবি থেকে চাকরি হারালেন মোহাম্মদ আশরাফুল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৪তম জন্মদিনে আবেগে পরীমনি, নানার স্মৃতিতে কেক কাটলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


৩৪তম জন্মদিনে আবেগে পরীমনি, নানার স্মৃতিতে কেক কাটলেন

জন্মদিনের দিন মানেই ছিল একসময় নানার সঙ্গে আনন্দের মুহূর্ত, ঘুম থেকে ডেকে কেক কাটা এবং ভালোবাসায় ঘেরা একরাশ স্মৃতি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে জীবনের অনেক কিছু বদলেছে; তবে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর শূন্যতা রয়ে গেছে। ৩৪তম জন্মদিনে দুই সন্তানকে নিয়ে কেক কাটার সময় প্রয়াত নানার কথা মনে করে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি। তিনি বলেন, “নানা বেঁচে থাকতে আমাকে ঘুম থেকে তুলে কেক কাটতেন। এখন তো আমার সেই মানুষটা নেই। মনে পড়লে কান্না পায়।”

অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ছোটবেলায় নাচ শিখেছিলেন পরীমনি। বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টসে (বাফা) ভর্তি হন। সেখানে বেশিদিন না থাকলেও নাচ শেখার অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে তার অভিনয়জীবনে কাজে লেগেছে। এরপর টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের সুযোগ পান। ‘সেকেন্ড ইনিংস’ ছিল তার প্রথম নাটক। পরে তিনি ‘এক্সক্লুসিভ’ ও ‘এক্সট্রা ব্যাচেলর’-এর মতো নাটকে অভিনয় করেন। সেখান থেকে ধীরে ধীরে বড়পর্দায় পা রাখেন।

এক দশকের বেশি সময়ের অভিনয়জীবনে পরীমনি তারকাখ্যাতি অর্জন করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আলোচনা কম হয়নি। তবে এসব নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না এই অভিনেত্রী। বরং তিনি নিজের মতো করে জীবন উপভোগ করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

আজ পরীমনির ৩৪তম জন্মদিন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর দুই সন্তানকে নিয়ে কেক কেটে জন্মদিন উদ্‌যাপন করেছেন তিনি। তবে বিশেষ মুহূর্তে বারবার মনে পড়েছে প্রয়াত নানা শামসুল হক গাজীকে। আবেগাপ্লুত হয়ে পরীমনি স্মরণ করে বলেন, “নানা বেঁচে থাকতে আমাকে ঘুম থেকে তুলে কেক কাটতেন। এখন তো আমার সেই মানুষটা নেই। মনে পড়লে কান্না পায়।”

১৯৯২ সালের ২৪ অক্টোবর সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেন পরীমনি। তার পুরো নাম শামসুন্নাহার স্মৃতি। বাবা মনিরুল ইসলাম ও মা সালমা সুলতানা। মাত্র তিন বছর বয়সে মাকে হারান তিনি। এরপর পিরোজপুরে নানাবাড়িতে বেড়ে ওঠেন। নানা শামসুল হক গাজী ছিলেন তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভরসা ও সাহসের জায়গা। শৈশব থেকে জীবনের নানা পর্যায়ে নানার স্নেহ ও ভালোবাসা তাকে আগলে রেখেছিল। তাই জন্মদিনের আনন্দেও সেই প্রিয় মানুষটির অভাব অনুভব করেন অভিনেত্রী।

২০১৫ সালে শাহ আলম মণ্ডল পরিচালিত ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে পরীমনির। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন জায়েদ খান। চলচ্চিত্রে অভিষেকের আগেই একাধিক সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। একই সময়ে নজরুল ইসলাম খানের ‘রানা প্লাজা’ সিনেমায় অভিনয়ের খবরও তাকে আলোচনায় রাখে। তবে সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। পরীমনির অভিনয়জীবনের উল্লেখযোগ্য কাজ গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘স্বপ্নজাল’। সিনেমাটিতে শুভ্রা চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পান তিনি। এ ছাড়া তার অভিনীত সিনেমার তালিকায় রয়েছে ওয়াজেদ আলী সুমনের ‘রক্ত’, চয়নিকা চৌধুরীর ‘বিশ্বসুন্দরী’, আবু রায়হান জুয়েলের ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘গুণিন’ ও অরণ্য আনোয়ারের ‘মা’।

বড়পর্দার পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও কাজ করেছেন পরীমনি। ‘রঙিলা কিতাব’ ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে নতুন এই মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি জানান দেন তিনি। অন্যদিকে, কলকাতার ‘ফেলুবক্সী’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে টালিউডেও অভিষেক ঘটে তার। এসব কাজের মাধ্যমে অভিনয়ের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি ভিন্ন ধরনের চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

পরীমনির জনপ্রিয়তার পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। ফেসবুকে তার অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি। নতুন পোশাক, ফটোশুট, ভ্রমণ, ব্যক্তিগত অনুভূতি, সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত কিংবা নতুন কাজের খবর—বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন তিনি। ফলে নতুন সিনেমা মুক্তি না পেলেও তাকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ থাকে।

জন্মদিনের আয়োজন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা—বিভিন্ন সময়েই সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন পরীমনি। কখনো তার ব্যতিক্রমী পোশাক নিয়ে আলোচনা হয়েছে, আবার কখনো সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে। ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও নানা বিতর্কও তাঁকে ঘিরে আলোচনা তৈরি করেছে।

তবে জীবনের নানা প্রাপ্তি ও আলোচনার ভিড়ে জন্মদিনে নানার স্মৃতিই যেন সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয় পরীমনিকে। একসময় নানা তাকে ঘুম থেকে তুলে জন্মদিনের কেক কাটতেন। ২০২৩ সালে নানাকে হারানোর পর সেই আনন্দের মুহূর্তগুলো এখন শুধুই স্মৃতি। তবু জন্মদিনে কাছের মানুষদের নিয়ে আয়োজন করেন তিনি। আনন্দের দিনেও তাই প্রিয় মানুষটির শূন্যতা অনুভব করতে হয় তাকে।

এদিকে, নতুন একটি সিনেমায় পরীমনিকে দেখা যেতে পারে বলে জানা গেছে। এতে তার বিপরীতে অভিনয়ের কথা রয়েছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর। চলতি বছরের ডিসেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরুর কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরীক্ষার ফি নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরীক্ষার ফি নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি

সরকার বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এ সংশোধন এনেছে।

নতুনভাবে নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহকের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি উপকেন্দ্রের ক্ষমতার ভিত্তিতে ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

লিফট, এনার্জি মিটার, ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফিও নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ গত ১৫ অক্টোবর এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে। ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৫৯ ধারার অধীনে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এর তফসিল-১ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের জন্য এ দুটি ফি যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ৫০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এক মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৬০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৩০ হাজার টাকা। ৫ এমভিএ উপকেন্দ্রের জন্য এ ফি যথাক্রমে এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা। ১০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৭০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্রের জন্য ফি আরো বেশি। ২০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি দুই লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি এক লাখ টাকা। ৫০ এমভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ দুটি ফি যথাক্রমে চার লাখ ও দুই লাখ টাকা। ১০০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি সাত লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ তালিকাভুক্ত ৫০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৩০ লাখ টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ সিস্টেমে লিংকেজ পরীক্ষার ফি দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবনের অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ডায়াগ্রামসহ সেফটি প্ল্যান অনুমোদনের জন্য ৫০ কিলোওয়াটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা এবং ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের জন্য ১১ হাজার ভোল্ট পর্যন্ত সরঞ্জামের জন্য পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ৫০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৩ হাজার ভোল্ট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতার সরঞ্জামের জন্য এ ফি যথাক্রমে ৭৫ হাজার ও ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।

ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনার্জি মিটার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য দুই হাজার টাকা, থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং মেইন মিটার বা এইচটি মিটারের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক লিফটের আর্থিং পরীক্ষার ফি প্রতি ইলেকট্রোডে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লিফট পরিদর্শন ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জার, ক্যাপসুল ও বেড লিফটের জন্য ছয় হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে কার্গো, গুডস, কার, ফায়ার ফাইটিং ও সার্ভিস লিফটের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ১০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, তফসিলে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ফি উল্লেখ না থাকলে সমজাতীয় ক্যাটাগরির অব্যবহিত আগের ও পরের ক্যাটাগরির ফি-এর আনুপাতিক হারে পরিদর্শন ফি নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন কর্মকর্তা।

নির্ধারিত ফি কর-বহির্ভূত রাজস্ব হিসেবে ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে এ-চালানের মাধ্যমে সরকারের নির্ধারিত কোডে জমা দিতে হবে। যে ভবন বা স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রহণ বা ব্যবহার করা হয় বা হবে, সেই ভবন বা স্থানের দখলদারকে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর চালানের মূল কপিসহ প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের ২০১৪ সালের ২১ মে জারি করা ‘বৈদ্যুতিক স্থাপনা বা সরঞ্জামাদি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিদ্যুৎ লাইসেন্স জারি আদেশ, ২০১৪’ রহিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় অপ্রতিরোধ্য পকেটমার চক্র, আড়ালে গডফাদাররা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


বগুড়ায় অপ্রতিরোধ্য পকেটমার চক্র, আড়ালে গডফাদাররা!

বগুড়া শহরে পকেটমারদের কার্যকলাপ যেন থামার নাম নিচ্ছে না। বাজার, বিপণিবিতান, বাসস্ট্যান্ড এবং রেলস্টেশন—জনসমাগমের স্থানগুলোতে সক্রিয় রয়েছে পকেটমার চক্র। গ্রাম-গঞ্জ থেকে জীবিকার তাগিদে কিংবা প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে আসা মানুষরা তাদের খপ্পরে পড়ে হারাচ্ছেন টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র।

সম্প্রতি, পকেটমার সন্দেহে একজনকে আটক করার সময় পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হামলার শিকার হয়েছেন। এই ঘটনার পর পুলিশ পকেটমার চক্রের সর্দার হিসেবে পরিচিত রতন ব্যাপারীকে আটক করেছে। পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ছিনতাই ও পকেটমারির সঙ্গে সম্পর্কিত ২৮টি মামলা রয়েছে।

পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, বগুড়া শহরের উত্তর চেলোপাড়ায় অন্তত ৩০০ জন পকেটমার বসবাস করছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৫০ জন নারী এবং ৩০ জন শিশু রয়েছে। তালিকায় ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধও অন্তর্ভুক্ত আছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় পকেটমারদের কার্যকলাপ চললেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। গণগ্রেপ্তার, আটক ও অস্ত্র আইনে মামলা—কোনো পদক্ষেপেই তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না। অনেকের অভিযোগ, অজ্ঞাত কারণে তাদের অপরাধ নির্মূলে পুলিশের সমন্বিত কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, তালিকাভুক্ত ৩০০ জনের মধ্যে অন্তত শতাধিক বগুড়া শহরের বাইরে গিয়ে পকেটমারির সঙ্গে জড়িত। তারা রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, বিভিন্ন হাট-বাজার, মেলা ও জনবহুল এলাকায় সক্রিয় থাকেন। নিয়মিত যাতায়াত করেন নওগাঁ, সান্তাহার, জয়পুরহাট, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী এবং সিরাজগঞ্জে। পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে যে, কয়েকজন পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও গিয়ে পকেটমারি করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উত্তর চেলোপাড়ার চিহ্নিত পকেটমার পাথারু, মমতাজ ও শাহ আলম পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে ভারতে গিয়ে পকেটমারি করেন। তাদের বিরুদ্ধে বগুড়াতেও একাধিক মামলা রয়েছে। এ ছাড়া আরো অন্তত ২০ জন একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পকেটমার ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

গত ২০ অক্টোবর দুপুরের পর বগুড়া শহরের দত্তবাড়ী এলাকায় যানজট নিরসন ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযান চালায় সদর থানা পুলিশ। এই অভিযানের সময় মাটিডালীগামী সড়কে শতাব্দী ফিলিং স্টেশনের বাঁ পাশে রতন ব্যাপারীকে আটক করতে যান এএসআই উজ্জ্বল। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে রতনের মারধরে ওই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন বলে পুলিশের দাবি। পরে রতনের সহযোগী ও স্থানীয় কয়েকজন নারীও তার ওপর চড়াও হন বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রতন ব্যাপারীর বিরুদ্ধে অস্ত্র, ছিনতাই ও পকেটমারিসহ ২৮টি মামলা রয়েছে। তাকে আটক করার মাধ্যমে চক্রটির বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ। তবে একের পর এক মামলা ও গ্রেপ্তারের পরও পকেটমারদের দৌরাত্ম্য কেন নিয়ন্ত্রণে আসছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ভুক্তভোগীরা টাকা খুইয়ে থানায় যেতে চান না।

বগুড়া শহরে পকেটমারদের তৎপরতার শিকার হচ্ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। বগুড়ার ফটো সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম জানান, সদর থানার সামনে থেকেই তার পকেট থেকে মোবাইলফোন চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করেও আজ পর্যন্ত ফোনটি উদ্ধার করতে পারেননি।

মহাস্থান এলাকার মোস্তফা আলম জানান, গত ১৫ অক্টোবর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে গিয়ে তার ব্যাগ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খোয়া যায়। টাকা হারিয়ে কেনাকাটা না করেই বাড়ি ফিরতে হয় তাকে।

থানায় অভিযোগ করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, থানায় গিয়ে কী হবে? আরো ঝামেলা বাড়বে মনে করে বাড়ি ফিরে যাই।

ভুক্তভোগীদের এমন অনীহা পকেটমারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে পুলিশ মনে করছে। অনেকেই টাকা হারানোর পর থানায় অভিযোগ করেন না। ফলে সন্দেহভাজন কাউকে আটক করা হলেও নির্দিষ্ট ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। আবার কাউকে ধরে মামলা দিয়ে চালান দিলেও কিছুদিন পর জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ সদর থানার ওসি ইব্রাহিম আলীর।

পকেটমারের হটস্পট

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহরের সাতমাথা, নিউমার্কেট, সদর থানা মোড়, রেলগেট, দত্তবাড়ী, রেলস্টেশন, শজিমেক হাসপাতাল, মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল, বড়গোলা, চেলোপাড়া ব্রিজসহ বিভিন্ন এলাকায় পকেটমারদের উৎপাত বেশি।

সপ্তপদী মার্কেটের ব্যবসায়ী গোলাম হোসেন জানান, সাতমাথা এলাকায় প্রতিনিয়ত পকেটমারদের খপ্পরে পড়ে সাধারণ মানুষ।

রহমাননগরের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, শজিমেক ও মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে পকেটমারদের উৎপাত থাকে। অনেক মানুষ প্রতিনিয়ত সর্বস্ব হারাচ্ছে এদের খপ্পরে।

প্রতি মাসে হারায় দুই শতাধিক মোবাইল

বগুড়া সদর থানা সূত্র জানায়, পকেটমারের খপ্পরে পড়ে টাকা খোয়া গেলে খুব কমসংখ্যক মানুষ থানায় অভিযোগ করতে আসেন। তবে মোবাইলফোন হারালে অনেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। মোবাইল হারানো সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতি মাসে থানায় দেড় থেকে দুই শতাধিক জিডি হয়। এর অধিকাংশই শহরে পকেটমারের খপ্পরে পড়ে মোবাইল হারানোর ঘটনা বলে পুলিশের ধারণা। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে চার-পাঁচটি মোবাইলফোন হারানোর ঘটনা থানার নথিতে আসছে।

বগুড়া জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম রুবেল বলেন, পকেটমাররা গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে এলেও মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্র যথাযথভাবে প্রস্তুত না হওয়ায় অনেক সময় জামিন পেয়ে যায়।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, পকেটমার চক্রের নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের পুলিশ ভালোভাবেই চেনে। অথচ রহস্যজনক কারণে তাদের গ্রেপ্তারে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না।

বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী বলেন, প্রায় ৩০০ পকেটমার আছে চেলোপাড়া এলাকায়। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। তালিকা ধরে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও জনবহুল পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পকেটমারদের সর্দার রতন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওসি আরো বলেন, পকেটমারের খপ্পরে পড়ে ভুক্তভোগীরা অনেক সময় থানায় অভিযোগ করতে চান না। এতে পকেটমার আটকের পর পুলিশকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তবে যারা অভিযোগ করেন, তাদের অনেকের খোয়া যাওয়া টাকাও উদ্ধার করে দেওয়া হয়।

পুলিশের তালিকায় ৩০০ পকেটমার, একের পর এক গ্রেপ্তার ও মামলা, তবু থামছে না তাদের দৌরাত্ম্য। প্রশ্ন উঠছে, এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে কারা? কারা দেয় তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়? আসল গডফাদার কে? বারবার গ্রেপ্তারের পরও কীভাবে তারা একই অপরাধে ফিরে আসে? প্রশাসন তাদের দমনে সমন্বিত উদ্যোগ কেন নেয় না? চুনোপুঁটিদের পাশাপাশি চক্রের মূল হোতা ও নেপথ্যের মদদদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি বগুড়াবাসীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পারস্য উপসাগরে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


পারস্য উপসাগরে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না: ইরান

পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে ইরান একটি কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করেছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলি আবদুল্লাহি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো অবস্থাতেই মার্কিন সামরিক বা যুদ্ধজাহাজগুলোকে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সময় ধরে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের এই কঠোর বার্তা এসেছে।

তেহরানের এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার মতে, নিজেদের জলসীমা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানি বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি জানান, যেকোনো বিদেশি আগ্রাসন বা অনধিকার প্রবেশ কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই সতর্কবার্তা বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল রুট এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনাকে আরও বৃদ্ধি করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%