বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৭ পি.এম
আগামী ঈদুল ফিতরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা শতভাগ উৎসব ভাতা, পূর্ণাঙ্গ বাড়িভাড়া এবং বর্ধিত চিকিৎসা ভাতা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা ২০২৬ সালের নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার আহ্বানও জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘উচ্চতর গ্রেড বৈষম্য নিরসন প্রত্যাশী মাধ্যমিক শিক্ষক উইং’ এই দাবি উত্থাপন করে। এ সময় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্ত সহকারী শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার দাবি জানানো হয়।
শিক্ষক নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, একই এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত থাকা সত্ত্বেও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড প্রদানের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন নীতিমালা কার্যকর রয়েছে। তারা উল্লেখ করেন, মাদ্রাসা এমপিও নীতিমালা-২০২৬-এর ১১.৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষকদের প্রথম উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম এমপিওভুক্তির সময়কাল বিবেচনা করা হয়।
অন্যদিকে, স্কুল ও কলেজের এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এর ১১.৭ অনুচ্ছেদে ভিন্ন শর্ত থাকার কারণে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা একই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তাদের বক্তব্য, একই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে একই ব্যবস্থায় কাজ করলেও প্রতিষ্ঠানভেদে নীতিমালার পার্থক্যের কারণে শিক্ষকদের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করার পরও এই বৈষম্যের কারণে অনেক শিক্ষক ন্যায্য আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন না।
সংবাদ সম্মেলনে বিএড (ব্যাচেলর অব এডুকেশন) ডিগ্রির কারণে উচ্চতর গ্রেড পেতে বিলম্বের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। শিক্ষক নেতারা বলেন, বিএড ডিগ্রি শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষাদান পদ্ধতির উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএড ডিগ্রি অর্জনের পরের সময়কে ভিত্তি করায় অনেক শিক্ষক আর্থিক সুবিধা পেতে বিলম্বের মুখে পড়ছেন। ফলে পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ডিগ্রি শিক্ষকদের একাংশের কাছে আর্থিক বঞ্চনা ও হতাশার কারণ হয়ে উঠেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাবেশিকফোর সভাপতি অধ্যক্ষ মো. মাইন উদ্দীন, নির্বাহী মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি মো. আতিকুর রহমান তালুকদার, সহসভাপতি মো. শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মো. রবিউল ইসলাম ও মো. তোফায়েল সরকার।
এ ছাড়া ‘উচ্চতর গ্রেড বৈষম্য নিরসন প্রত্যাশী মাধ্যমিক শিক্ষক উইং’-এর মো. সাইদুজ্জামান, মো. মাহমুদুল হাসান মোহাব্বত, মো. রাশেদ, মো. আল মামুন, মো. জসিম উদ্দিন, রিনা খাতুন ও মো. মাসুদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা এবং প্রায় দুই হাজার পর্যটক আটকে পড়ার বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না ছুটে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে লেখেন, ‘রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে? ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌড়িয়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।’
জামায়াত আমির সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি জানিয়ে বলেন, ‘সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারো নেই। সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্ট দাবানলে পেরুতে জুন মাস থেকে বর্তমানে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় কয়েকশ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
জাতীয় জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্র (সিওইএন) জানায়, মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই কৃষক। দাবানল নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তারা আহত হন এবং পরে তাদের মৃত্যু ঘটে।
লিমা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।
দাবানলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুসকো অঞ্চল। চলতি মাসের শুরুতে ইনকা সভ্যতার নিদর্শন মাচু পিচুর নিকটবর্তী এলাকায় একটি দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।
জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পেরুতে মোট ৪৫৭টি দাবানলের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
লিমার সায়েন্টিফিক ইউনিভার্সিটি অব দ্য সাউথের জীববিজ্ঞানী ড্যানিয়েল ভালে বলেন, এল নিনোর কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং শুষ্ক আবহাওয়ার সৃষ্টি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এল নিনোর প্রভাবে পুরো পেরুর ওপর প্রচণ্ড গরম ও শুষ্ক বাতাসের বিশাল স্তর তৈরি হয়েছে।’
ফসল ফলানোর জন্য জমি পরিষ্কার করতে কৃষকেরা প্রায়শই ঝোপঝাড়ে আগুন দেন। এসব আগুন থেকেই অনেক সময় দাবানলের সূত্রপাত ঘটে। দাবানলে এক হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি পুড়ে গেছে এবং প্রায় ১০০টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়া ১২ হাজার হেক্টর প্রাকৃতিক উদ্ভিদও আগুনে পুড়ে গেছে।
সিওইএন জানায়, বুধবার আন্দিজ পর্বতমালা এবং পেরুর আমাজন অঞ্চলে সাতটি দাবানল জ্বলছিল।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত ঘটনা। এর ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের মধ্য ও পূর্ব অংশের উপরিভাগের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এতে বিশ্বজুড়ে বাতাসের প্রবাহ, বায়ুচাপ এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে।
চলতি বছরের ‘সুপার’ এল নিনো ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে এরই মধ্যে মধ্য আমেরিকাসহ কয়েকটি অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। খরার কারণে সেখানে প্রাণীও মারা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, যা জেলা ছাত্রদল সাংবাদিকদের জানিয়েছে।
বুধবার নাটোর জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আসিফ ইকবালের নতুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নাটোর জেলা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের কারণে বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও, নাটোর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ ইসলাম সুজন এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছেন।
এর আগে সামাজিক মাধ্যমে শাহরিয়ার মাহমুদ স্বাধীনের মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তবে ওই ভিডিওর সত্যতা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে কোনো মন্তব্য বা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকবিরোধী অভিযানের সময় অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় সমালোচিত হন সদ্য পদত্যাগী প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি। এই ঘটনার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পাঠান। ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন জানান, সেখানে তাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী কখন এবং কোথায় তাকে ডেকেছিলেন, সেই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন ইশরাক হোসেন। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে দুপুরে সময় দিয়েছিলেন। আমরা একান্তে দীর্ঘক্ষণ ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এরপর ক্যাবিনেট মিটিংয়ের সময় হয়ে যাওয়ায় তিনি উঠে সেখানে চলে যান। আমি আর তার সঙ্গে যাইনি। ক্যাবিনেটের পাশের একটি কক্ষে বসে ছিলাম, যাতে মিটিং শেষ হলে আমরা আবার আলোচনা চালিয়ে যেতে পারি। কারণ, আমাদের কথোপকথন তখনও শেষ হয়নি। পরে প্রধানমন্ত্রী আমাকে আবার ক্যাবিনেটে ডেকে নিয়ে যান এবং আমার নির্ধারিত আসনে বসতে বলেন। আমি সেখানে বসে ক্যাবিনেট মিটিংয়ে অংশ নিই এবং আমরা মিটিংটি সম্পন্ন করি। মিটিং শেষ হওয়ার পর আমরা আবার তার অফিসে যাই এবং সেখানে কথা বলি। আলোচনা শেষে পরবর্তী সময়ে কীভাবে কাজ করব, সে বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিই।’
পদত্যাগের সিদ্ধান্তে দলের প্রতি তার কোনো ক্ষোভ আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দল কখনোই চাইবে না যে তাদের মন্ত্রিসভার কোনো এক সদস্য পদত্যাগ করুক। তিন-চারটি দৈনিক পত্রিকা পরিকল্পিতভাবে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। তারা যে কোনো উপায়ে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে আমার নেতা, প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়।’
বিরোধী দলের নেতাদের যোগাযোগের বিষয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘তাদের মধ্যে বেশিরভাগই আমাকে সরাসরি ফোন করে বলেছেন, আমরা আপনার সঙ্গে আছি। আপনার যে কোনো কর্মকাণ্ডে আমরা পাশে থাকব। এটি এখন একটি ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে এবং সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। তারা আরও বলেছেন, আপনি যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে আমরাও আপনার সঙ্গে থাকতে চাই। এ ধরনের কথা অনেকে বলেছেন।’
আগামী নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমার যেসব মূল নেতাকর্মী ২০২০ সাল থেকে আমার সঙ্গে কাজ করছেন, তারা সব সময় আমাকে ওই জায়গাটিতে দেখতে চেয়েছেন এবং এখনো চান।’
প্রসঙ্গত, গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইনের পাশের একটি মাঠের কোণায় পলিথিনের ছাউনির ঘরে ১৭ অক্টোবর মাদকবিরোধী অভিযান চালান ইশরাক হোসেন ও তার সহযোগীরা। ওই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, ইশরাক হোসেন অস্ত্র হাতে মাদকাসক্ত ও বিক্রেতাদের তাড়া করছেন।
পরে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে তার পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি ওই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন। ইশরাক বলেন, শনিবার ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে ইশরাক হোসেনের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং মাদক কারবারিরা ছাদ থেকে আকস্মিক গুলিবর্ষণ করতে পারে, এমন আশঙ্কার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। এমতাবস্থায় সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং জানমালের নিরাপত্তায় আমি এবং আমার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরি।
কিন্তু ঘটনাটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর রোববার বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশনা দেন বলে খবর প্রকাশ হয়। তবে তাৎক্ষণিক বিবৃতিতে ইশরাক দাবি করেছিলেন, এ ধরনের সংবাদ সর্বৈব মিথ্যা।
তবে সোমবার সকালে ইশরাক জানান যে, তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শপথ নেওয়ার মাত্র ৯ মাসের মাথায় সেদিনই তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা ছাড়লেন ইশরাক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ