বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৬ পি.এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় সমাবর্তনের জন্য স্নাতক পর্যায়ের নিবন্ধন ফি প্রায় ৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্নাতক ও বিবিএ ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধন ফি ৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে। মূল সনদের জন্য ৫০০ টাকা যুক্ত হওয়ায় একজন স্নাতককে মোট ৫ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হবে।
ফি বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ফি পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, বাড়তি খরচের কারণে চাকরিপ্রত্যাশী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল অনেক শিক্ষার্থী সমাবর্তনে অংশগ্রহণের সুযোগ হারাতে পারেন। এ অবস্থায় ফি কমানোর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, স্নাতকোত্তর ও এমবিএ ডিগ্রিধারীদের নিবন্ধন ফি ৪ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের জন্য ফি ৪ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৬ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। প্রফেশনাল প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারীদের নিবন্ধন ফি ৬ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতিটি শ্রেণিতে নিবন্ধন ফি বেড়েছে ২ হাজার টাকা। নিবন্ধন ফির বাইরে সনদ ফি ও প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জও দিতে হবে।
ফি বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আসার পর ফেসবুকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনা দেখা দেয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে কি না। বিশেষ করে পড়াশোনা শেষ করে চাকরির অপেক্ষায় থাকা স্নাতকদের জন্য এই ব্যয় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। একইসঙ্গে নিয়মিত ও প্রফেশনাল প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের একই সমাবর্তনে অন্তর্ভুক্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।
ফি বৃদ্ধির সমালোচনা করে জকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ তার ফেসবুক পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ফির সঙ্গে জবির ফির তুলনা করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে সমাবর্তনের নিবন্ধন ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, জবিতে সনদ ফিসহ স্নাতক পর্যায়ে ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৬ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি জানানোর পরও প্রশাসন ফি কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করবে কি না, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শিক্ষার্থীদের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ফি শিক্ষার্থীবান্ধব পর্যায়ে নির্ধারণের আহ্বান জানান জকসুর জিএস।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ফি নির্ধারণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানতে চান, সমাবর্তনে অংশ নিতে ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের ভিত্তি কী। অন্যদিকে, জকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা এ আয়োজনকে ‘এলিট সমাবর্তন’ বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, সমাবর্তনের আয়োজন করতে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আর্থিক বাস্তবতা উপেক্ষা করা হচ্ছে।
ফি বৃদ্ধির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন বলেছেন, প্রথম সমাবর্তনের তুলনায় এবার অনুষ্ঠান আয়োজনের সার্বিক ব্যয় বেড়েছে। বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ানোর পাশাপাশি সমাবর্তনের গাউন ও অন্যান্য পোশাকের খরচও বেড়েছে। তার ভাষ্য, সফলভাবে সমাবর্তন আয়োজন করতে হলে এসব ব্যয় বিবেচনায় নিতে হয়। শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপের বিষয়টি স্বীকার করে উপাচার্য বলেন, ফি কম রাখা গেলে ভালো হতো, তবে প্রশাসনিক ব্যয়ের কারণে এ ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীদের একাডেমিক গাউন ও পোশাক তাদের দিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই উপলক্ষে গত ১৫ অক্টোবর থেকে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে, যা চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসার জন্য দাম্মামস্থ সৌদি জার্মান হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এই তথ্য প্রকাশ করে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে পরিচালিত এক হামলায় দুই বাংলাদেশি নাগরিক আহত হন। বর্তমানে তারা সৌদি জার্মান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং তাদের চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
আহতরা গরম এবং ধোঁয়ার কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন। তাদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। বর্তমানে তারা সুস্থ আছেন এবং দূতাবাস প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেছেন। আশা করা হচ্ছে, আগামীকাল তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।
আহত দুই বাংলাদেশির মধ্যে একজন হলেন কুমিল্লার বাঙ্গরাবাজার এলাকার সজল চন্দ্র দাস এবং অন্যজন নোয়াখালী সদরের মোহাম্মদ আব্দুর রহিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ ৬ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। ভোরের দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এই ঘটনার পর দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ ছিল। বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি চিকিৎসাসেবা, ডায়ালাইসিস ও আইসিইউ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। তবে হাসপাতালের প্রশাসনিক বিভাগ এখনও অন্ধকারে রয়েছে।
অন্যদিকে, আকস্মিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনরা সাময়িক ভোগান্তির শিকার হন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে প্রশাসনিক শাখার পাশে সুইচ বোর্ডে শর্টসার্কিটের ফলে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। কর্তব্যরত নার্স আগুন দেখতে পেয়ে রংপুর ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করেন। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনার ফলে সুইচ বোর্ডের সার্কিট ব্রেকার ও তার পুড়ে যায়, ফলে হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই অবস্থায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতালের মধ্যে। রোগীরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন।
টানা ছয় ঘণ্টা চেষ্টা করার পর দুপুর ১২টার দিকে লাইনের ত্রুটি মেরামত করে ওয়ার্ডগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়। বিদ্যুৎ সচল হওয়ার পর হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা, ডায়ালাইসিস ও আইসিইউ পুরোপুরি চালু হয়েছে। তবে প্রশাসনিক ভবনের বিদ্যুৎ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. কানিজ সাবিহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রশাসনিক ভবনের বিদ্যুৎ স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি ছুটির দিনেও কবি নজরুল সরকারি কলেজের চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করতে কলেজে এসে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, যিনি কলেজের অধ্যক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসে এসে নির্মাণাধীন প্রধান ফটকসহ কলেজের অন্যান্য চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিদর্শন করেন।
অধ্যক্ষ পরিদর্শনকালে মূল ফটকের পাশে একটি হরিতকী গাছ কেটে না ফেলে তা অন্যত্র সঠিকভাবে পুনরোপণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি নবনির্মিত ভবন ও চলমান সংস্কারকাজগুলোও সরাসরি পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মো. ইউসুফ, কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রিন্টু এবং কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মো. আতিক হাসান শুভ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. নাজমুল হাসান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কে এম সিরাজুল ইসলাম এবং সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. বাইজীদ হোসেন সা’দ, সহ কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ।
পরিদর্শন শেষে অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মন্তব্য করেন, "আসলে যেখানেই থাকি না কেন, কলেজেই তো আমাদের মন পড়ে থাকে। কলেজের প্রতি আমাদের একটি আত্মিক টান রয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় গেট নির্মাণ, ছয়তলা ভবনের কাজ এবং পুরোনো ভবনের অভ্যন্তরীণ সংস্কারসহ একাধিক উন্নয়নকাজ চলছে।"
তিনি আরও যোগ করেন, "প্রধান ফটকের কাজের জন্য একটি ওষুধি গাছ কেটে না ফেলে তা অন্য কোথাও নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা এবং সার্বিক অগ্রগতি দেখতেই আজ আমি ক্যাম্পাসে এসেছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অবাধে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার সুযোগ পাবেন। যদি কেউ নির্বাচনে হট্টগোল বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, বিএনপির নেতাকর্মী হলেও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের সুনাম রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের শোলাগাড়ি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
মীর শাহে আলম আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সরকারের অঙ্গীকার। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনে দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারা দেশে সমভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো, দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা। বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থা ও স্থানীয় অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জিয়াউর রহমানের পরিবার অবদান রেখেছে। তিনি বলেন, দেশের সংকট ও সম্ভাবনার বিভিন্ন সময়ে জিয়া পরিবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ