সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৪ পি.এম
ফরিদপুরের শিশু আদালত দুই কিশোরকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে অটোভ্যান ছিনিয়ে নিতে চালককে হত্যার ঘটনায়। একই সঙ্গে, দুই ধারায় তাদের জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা শিশু আদালতের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে দুই আসামি উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, অটোভ্যান চালক হারুন অর রশিদ (৪৪) হত্যার দায়ে দুই কিশোরকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
যদি জরিমানা অনাদায়ে থাকে, তবে তাদের আরো এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া, হত্যার আলামত নষ্ট করার দায়ে প্রত্যেককে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরো তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, একটি সাজা ভোগ করার পর অপর সাজা ভোগ করতে হবে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের দুলারডাঙ্গী আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দা হারুন অর রশিদ অটোভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে বাড়ি থেকে ভাত খেয়ে অটোভ্যান নিয়ে বের হন তিনি। এরপর রাতে তিনি বাড়ি ফেরেননি।
পরদিন ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটার সময় ফরিদপুর সদর উপজেলার আলীয়াবাদ ইউনিয়নের সাইনবোর্ড এলাকার খালেক দেওয়ানের মেহগনি বাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় হারুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রহিমুন বেগম (৪২) বাদী হয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
মামলা তদন্ত শেষে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক ফাহিম ফয়সাল তরফদার ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ দুই কিশোরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যার আলামত নষ্টের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পৃথক সাজা প্রদান করেন।
মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় দুই আসামির বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে অপরাধ সংঘটনের সময় তারা শিশু থাকায় তাদের বিচার শিশু আদালতেই সম্পন্ন হয়। বর্তমানে তাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ায় জেলা কারাগারে প্রাপ্তবয়স্ক সাধারণ কয়েদিদের মতো সাজা ভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার পর মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গোলাম রব্বানী ভুঁইয়া মন্তব্য করেন, "এটি একটি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। দুই কিশোর একটি অটোভ্যান ছিনতাই করার জন্য এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সমাজে ন্যক্কারজনক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। এ রায় এমন অপরাধ দমনে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণকে একটি টেকসই সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
আজ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গঠিত জাতীয় বৃক্ষরোপণ সেলের সহায়ক টাস্কফোর্সের ৩য় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে। শুধু চারা রোপণের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না; প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা, রক্ষণাবেক্ষণ ও টিকে থাকার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় জানানো হয়, ২০২৬ সালে মোট ৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি চারা রোপণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নিজস্ব উৎপাদিত চারা প্রায় ৩ কোটি ৮২ লাখ এবং নিজস্ব অর্থায়নে সংগৃহীত চারা প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ। এসব চারা রোপণ ও পরিচর্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা তাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চারা রোপণ করছে। পাশাপাশি এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন এনজিও ২৫ লাখ চারা রোপণ করেছে। স্থানভিত্তিক তথ্য পাওয়া গেলে এগুলোকে মূল ডেটাবেজে যুক্ত করা হবে। এছাড়া আগামী ডিসেম্বরে উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ প্রজাতির চারা রোপণ শেষ হলে চলতি বছরের পুরো লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় আবহাওয়া, মাটির গুণাগুণ ও পরিবেশের উপযোগী দেশীয় প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নদী, খাল, বেড়িবাঁধ, সড়ক ও রেলপথের পাশের উপযোগী জমিতে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগাতে হবে এবং চারার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো কারণে চারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা দ্রুত প্রতিস্থাপন করতে হবে।
এছাড়া রোপণের পর পরবর্তী চার বছর চারা রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার পরিকল্পনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ ও বন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ এলাকায় জুয়া ও মাদকের আসর বসানোর জন্য তৈরি করা নতুন একটি ঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
সোমবার চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় চাকমার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ঘরটি উচ্ছেদ করা হয়।
চসিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আকবরশাহ এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জুয়া ও মাদকের আসর বসানোর অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের জন্য সেখানে একাধিক ঘরও নির্মাণ করা হয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে ঘরগুলো উচ্ছেদ করা হলেও পরে আবার নতুন করে ঘর তৈরি করে জুয়ার আসর বসানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল।
গত ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি জুয়ার ঘর ভেঙে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর ইপিজেড থানা-পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ছয়জন জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে ১৫ প্যাকেট তাস ও নগদ ৩০ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জুয়া প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।
পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের পরও সেখানে ফের জুয়ার আসর বসানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এমনকি পুলিশ যাতে সহজে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারে, সে জন্য জুয়ার ঘরে যাওয়ার পথে দুটি স্থানে বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরিসহ বিভিন্ন কৌশল নেওয়া হয়েছিল।
ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, বারবার অভিযান চালিয়েও জুয়া ও মাদকের আসর পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে আবাসিক এলাকার পরিবেশ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও চসিককে বিষয়টি জানানো হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আবারও অভিযান চালানো হয়। ইপিজেড থানা-পুলিশের সহায়তায় জুয়া ও মাদকের আসরের জন্য তৈরি ঘরটি সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় ‘যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন’-এর আওতায় তরুণ-তরুণীদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক মাসব্যাপী এসি ও ফ্রিজ মেরামত এবং সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে বান্দরবান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের এসি ও ফ্রিজের মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ, সার্ভিসিংসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আত্মকর্মসংস্থান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ, পিএসসি।
বান্দরবান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহাতাব উদ্দিন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি সাবজোন কমান্ডার মেজর রাফিউর রহমান রাজীব, এসইউপি, টিটিসির প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা।
অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ বলেন, বর্তমান সময়ে কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্বনির্ভর ও স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি যুব সমাজকে বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ ও কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে জোন কমান্ডার প্রশিক্ষণ এলাকা পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বান্দরবান সেনা জোনের এ উদ্যোগ জেলার যুবসমাজের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার বিভিন্নস্থানে বাংলাদেশ পুলিশের আর্মড পার্সোনেল ক্যারিয়ার বা এপিসি চলাচলের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলে স্পষ্ট করেছে রাঙামাটি জেলা পুলিশ।
গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ জানায়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাওয়ার পূর্বপ্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই মূলত এই এপিসিগুলো রাঙামাটিতে আনা হয়েছে।
আগামী ১৫ দিন রাঙামাটি জেলার বিভিন্নস্থানে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে এবং কাজ শেষে আনুমানিক দুই সপ্তাহ পর এগুলো ঢাকায় ফিরে যাবে।
জেলা পুলিশ আরও জানায়, এগুলো স্থায়ীভাবে মোতায়েন বা কোনো বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনা হয়নি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর কোনো তথ্য না ছড়িয়ে সঠিক তথ্য যাচাই করে প্রচারের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার শহরের মারী স্টেডিয়াম ও হাসপাতাল সড়কের পাশে পুলিশের সাঁজোয়া যানগুলোর অবস্থান দেখা যায়।
যানগুলোর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শহরে বড় এসব যান দেখে নানা ধরনের গুজব ডালপালা মেলতে শুরু করে। বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে জরুরি তথ্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পুলিশ।
এ বিষয়ে রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব বাসসকে বলেন, রাঙামাটিতে যানগুলো প্রশিক্ষণের জন্য আনা হয়েছে। এগুলো সাজেক, আরশি নগর, পুলিশ লাইন্সসহ শহরের বেশ কিছু এলাকায় প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমদের আহ্বান থাকবে মানুষ যেন গুজবে কান না দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ