সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৪ পি.এম
চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ এলাকায় জুয়া ও মাদকের আসর বসানোর জন্য তৈরি করা নতুন একটি ঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
সোমবার চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় চাকমার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ঘরটি উচ্ছেদ করা হয়।
চসিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আকবরশাহ এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জুয়া ও মাদকের আসর বসানোর অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের জন্য সেখানে একাধিক ঘরও নির্মাণ করা হয়েছিল। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে ঘরগুলো উচ্ছেদ করা হলেও পরে আবার নতুন করে ঘর তৈরি করে জুয়ার আসর বসানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল।
গত ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি জুয়ার ঘর ভেঙে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর ইপিজেড থানা-পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ছয়জন জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে ১৫ প্যাকেট তাস ও নগদ ৩০ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জুয়া প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।
পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের পরও সেখানে ফের জুয়ার আসর বসানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এমনকি পুলিশ যাতে সহজে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারে, সে জন্য জুয়ার ঘরে যাওয়ার পথে দুটি স্থানে বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরিসহ বিভিন্ন কৌশল নেওয়া হয়েছিল।
ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, বারবার অভিযান চালিয়েও জুয়া ও মাদকের আসর পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে আবাসিক এলাকার পরিবেশ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও চসিককে বিষয়টি জানানো হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আবারও অভিযান চালানো হয়। ইপিজেড থানা-পুলিশের সহায়তায় জুয়া ও মাদকের আসরের জন্য তৈরি ঘরটি সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় ‘যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন’-এর আওতায় তরুণ-তরুণীদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক মাসব্যাপী এসি ও ফ্রিজ মেরামত এবং সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে বান্দরবান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের এসি ও ফ্রিজের মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ, সার্ভিসিংসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আত্মকর্মসংস্থান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ, পিএসসি।
বান্দরবান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহাতাব উদ্দিন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি সাবজোন কমান্ডার মেজর রাফিউর রহমান রাজীব, এসইউপি, টিটিসির প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা।
অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ বলেন, বর্তমান সময়ে কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্বনির্ভর ও স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি যুব সমাজকে বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ ও কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে জোন কমান্ডার প্রশিক্ষণ এলাকা পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বান্দরবান সেনা জোনের এ উদ্যোগ জেলার যুবসমাজের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার বিভিন্নস্থানে বাংলাদেশ পুলিশের আর্মড পার্সোনেল ক্যারিয়ার বা এপিসি চলাচলের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলে স্পষ্ট করেছে রাঙামাটি জেলা পুলিশ।
গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ জানায়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাওয়ার পূর্বপ্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই মূলত এই এপিসিগুলো রাঙামাটিতে আনা হয়েছে।
আগামী ১৫ দিন রাঙামাটি জেলার বিভিন্নস্থানে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে এবং কাজ শেষে আনুমানিক দুই সপ্তাহ পর এগুলো ঢাকায় ফিরে যাবে।
জেলা পুলিশ আরও জানায়, এগুলো স্থায়ীভাবে মোতায়েন বা কোনো বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আনা হয়নি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর কোনো তথ্য না ছড়িয়ে সঠিক তথ্য যাচাই করে প্রচারের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার শহরের মারী স্টেডিয়াম ও হাসপাতাল সড়কের পাশে পুলিশের সাঁজোয়া যানগুলোর অবস্থান দেখা যায়।
যানগুলোর ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শহরে বড় এসব যান দেখে নানা ধরনের গুজব ডালপালা মেলতে শুরু করে। বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে জরুরি তথ্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পুলিশ।
এ বিষয়ে রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব বাসসকে বলেন, রাঙামাটিতে যানগুলো প্রশিক্ষণের জন্য আনা হয়েছে। এগুলো সাজেক, আরশি নগর, পুলিশ লাইন্সসহ শহরের বেশ কিছু এলাকায় প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমদের আহ্বান থাকবে মানুষ যেন গুজবে কান না দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের দখলকৃত সব জায়গা উদ্ধার করে সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত করা হবে।
আজ জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের বিরোধী দলের সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।
শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে লিজ দেওয়া এবং দখলের বিষয়টি তুলে ধরে সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করার বিষয়ে জানতে চান।
জবাবে নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জায়গার লিজ ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। তিনটি জায়গার লিজ বাতিলের পর এর মধ্যে দুটি জায়গা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অপর জায়গার বিষয়টি বর্তমানে আদালতে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জায়গা নিয়ে রেল মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা বিদ্যমান। সম্প্রতি চট্টগ্রাম সফরের সময় তিনি বিষয়টি বিস্তারিত শুনে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। আদালতে থাকা বিষয়গুলো আরবিট্রেশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দুই মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো জায়গা আর দখলমুক্ত থাকবে না।
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে শেখ রবিউল বলেন, বর্তমানে কোনো জাহাজকে পণ্য খালাসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। বার্থ বা ডিপ সিতে অবস্থানরত জাহাজ দুই দিনের মধ্যে পণ্য খালাস ও পুনরায় পণ্য লোড করে ছেড়ে যেতে পারছে, যেখানে আগে এ কাজে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগত।
তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায় করছে এবং কনটেইনার ওঠানামা করছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল আন্তর্জাতিক মানে পরিচালিত হচ্ছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নয়ন করা হচ্ছে। সেখানে প্রায় ৮০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এদিকে, ময়মনসিংহ-৬ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. কামরুল হাসানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন মন্ত্রী জানান, দেশের সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সচল রাখা হয়েছে এবং আরও প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার নৌপথে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দূষণের উৎস চিহ্নিত করে ৪২৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজধানীর চারপাশে পাঁচটি নদী দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে ওয়াসা, দুই সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
ওয়াটার বাস চালুর বিষয়ে তিনি জানান, গত ১০ বছরে এ প্রকল্পে ৫৭ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। তবে বিআইডব্লিউটিএ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে নতুনভাবে উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশের রিং ওয়াটারওয়েতে ওয়াটার বাস চালুর আশা করা হচ্ছে।
সংরক্ষিত নারী আসন-৩৯-এর বিরোধী দলের সদস্য সাবিকুন্নাহারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে নদী দখল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিআইডব্লিউটিএ অবৈধ দখল চিহ্নিত করে তালিকা তৈরি করে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে উচ্ছেদের জন্য সহযোগিতা চায়। তবে সরাসরি দখল উচ্ছেদের আইনি ক্ষমতা বিআইডব্লিউটিএর নেই। স্থানীয় প্রশাসনের লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোথাও কোথাও উচ্ছেদ কার্যক্রম প্রত্যাশিত গতিতে হচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার ১৯নং ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও তরুণ সমাজসেবক মো: জসিম পাটওয়ারী গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করেছেন। ঢালচর ইউনিয়নের আপামর জনগণের দোয়ায় সিক্ত হয়ে তিনি মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় অব্যাহত রেখেছেন। সোমবার বিকেলে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও বাজারে একযোগে ব্যাপক গণসংযোগ চালান।
দিনভর প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি আনন্দ বাজার, মাঝের চর বাজার, তারুয়া আদর্শ গ্রাম, পূর্ব ঢালচরসহ বেশ কয়েকটি এলাকা গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী, সাধারণ পথচারী ও সর্বস্তরের মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজের প্রার্থিতার কথা জানান দিয়ে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। গণসংযোগকালে জসিম পাটোওয়ারী তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে বলেন:”
আমার চাচা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান থেকে সারাজীবন এই ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁদের দেখানো সততা ও সেবার পথ অনুসরণ করেই আমি ঢাল চর ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে চাই।”
তিনি আরও জানান, একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক ইউনিয়ন গঠন ও নদী ভাঙ্গন নিয়ে কাজ করবে বলে তিনি বদ্ধপরিকর। এজন্য তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের নাগরিকের কাছে আন্তরিক সহযোগিতা, দোয়া ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করেন। প্রচারণাকালে স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিবর্গ, এলাকার তরুণ সমাজ এবং বিপুল সংখ্যক সমর্থক তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ