বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:২৭ পি.এম
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন বলেছেন, অপরাধী যে-ই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় নয়, অপরাধই হবে তার পরিচয়। তিনি আরও বলেছেন, কেউ রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে নয়, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। হাটহাজারীতে সব ধরনের অপরাধ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।
বুধবার উপজেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া চাঁদাবাজির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব গ্রেফতারকৃতরা সরাসরি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বাকি আসামিদেরও দ্রত গ্রেফতার করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু কোনো দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা সামাজিক অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি দলের নাম ব্যবহার করে অন্যায় করার চেষ্টা করেন, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসীর কোনো দল, গোত্র বা পরিচয় নেই। অন্যায়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। তিনি এ ছাড়াও হাটহাজারীবাসীর সুখ-দুঃখ, বিপদ-আপদে বরাবরের মতো পাশে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে থানা পুলিশ ৭৪০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুজনকে আটক করেছে। বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, দুপুরের সময় পৌর শহরের বাগিচাপাড়া এলাকায় জলিল আকন্দের বাড়িতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময়, পুলিশ দুজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন শফিকুল ইসলাম (৫৬) ও নাজমুন নাহার খানম তামান্না (২৩), যাঁরা বাবা ও মেয়ে। পুলিশ জানিয়েছে, জব্দ করা এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার, ২৯ জুলাই, বাগিচাপাড়া এলাকায় মাদক পাচারের জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ কৌশলে তৈরি মিনি ট্রাক জব্দ করা হয়। ট্রাকটিতে বিশেষভাবে তৈরি একটি কেবিন ছিল, যার মাধ্যমে গোপনে মাদক পাচার করার চেষ্টা চলছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তৎপর হয় এবং খবর পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় জলিল আকন্দের বাড়িতে অভিযান করেন। ওই সময় একটি ঘর থেকে ৭৪০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্বার করা হয়।
দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ জানিয়েছেন যে, বুধবার কাস্টমাইজ করা একটি মিনি ট্রাক তারা জব্দ করেছেন, যা মাদক পাচারের কাজে ব্যবহৃত হতো। আজ জলিলের বাড়িতে মাদক রয়েছে বলে খবর পাওয়ায় সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে সন্দেহজনক একটি ঘরে তারা তল্লাশি চালান এবং একপর্যায়ে ঘরে লুকিয়ে রাখা মাদক উদ্ধার করতে সক্ষম হন। জানা গেছে, বাড়িতে জলিলের স্ত্রী ও শ্বশুর উপস্থিত ছিলেন। তবে, জলিল পলাতক আছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজনকে আটক করেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমার ধারণা, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দেশের নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতির কথা বলছে কিন্তু তারা ‘ভণ্ডবস্ত’ এর রাজনীতি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
তিনি এসময় বলেছেন, তাদের (এনসিপি) পরিচালনা জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের মিলনায়তন কক্ষে জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাশেদ খান এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরও জানিয়েছেন, সিলেটের ঘটনাটি ঘটেছে জনপ্রিয় সংসদ সদস্যকে নিয়ে এনসিপির নেতৃবৃন্দের বাজে মন্তব্য করার কারণে। তাদের গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা আছে বলেই অপরাধ ক্ষমা হয়ে যায় না।
এনসিপির নেতৃবৃন্দকে সুস্থ ধারার রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যদি তা না করা হয়, তাহলে উত্তম জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
সভায় সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জে ১৭ বছরের এক কিশোরীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে।
এই ঘটনার সাথে জড়িত কিশোরীর প্রেমিক মো. রানা হাওলাদারকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, ভুক্তভোগীর দুটি স্মার্টফোন ও অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় পিবিআই ঢাকা জেলা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানালেন পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ।
তিনি বলেন, মোসা. তানজিলা (১৭) ২৭ জুলাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাঘৈর এলাকায় খালার বাসায় দুপুরের খাবার খেয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তারপর থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। পরবর্তী দিন ২৮ জুলাই কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মদিনানগর এলাকা থেকে গলাকাটা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তানজিলার মা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে নিহতের মা অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পিবিআই ঢাকা জেলা মামলাটির তদন্তভার স্বপ্রণোদিত হয়ে গ্রহণ করে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িত মো. রানা হাওলাদারকে শনাক্ত করা হয়। ২৯ জুলাই ভোরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তদন্তে পিবিআই জানতে পেয়েছে, অটোরিকশাচালক রানা হাওলাদারের সঙ্গে নিহত তানজিলার প্রায় ছয় থেকে সাত মাসের একটি প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে অর্থ লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ গড়ে ওঠে। ঘটনার দিন বিকেলে রানা তার অটোরিকশায় করে তানজিলাকে কালিন্দী ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন হাউজিং প্লটে নিয়ে যান।
সেখানে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হলে, একপর্যায়ে তিনি প্রথমে গলা চেপে ধরেন এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পিবিআই আরও জানিয়েছে, হত্যার পর রানা ভুক্তভোগীর দুটি স্মার্টফোন, একটি রূপার চেন ও একটি ব্রেসলেট নিয়ে পালিয়ে যান। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসব আলামত উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বলেন, ‘ঘটনার সংবাদ পাওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তিনির্ভর ও তথ্যভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।’
তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে আঞ্চলিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা বাড়ছে। ফলে পরিদর্শক মহল ও স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। এক্ষেত্রে একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত কর্মী সংগঠন ভোট বর্জন করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে।
‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’(জেএএসি)-র নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই অঞ্চলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ‘আরব নিউজ পাকিস্তান’-এর মাধ্যমে বুধবার শেয়ার করা একটি ভিডিওতে জেএএসি কমিটির সদস্য সরদার উমর নাজির উল্লেখ করেন, স্থানীয় সময় সোমবার ভোটের প্রথম ধাপের দিন একটি মিছিল চলাকালে তাদের সংগঠনের ২০ জন সমর্থক নিহত হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, পরবর্তী দিনে রাওয়ালাকোট, মিরপুর ও অন্য জায়গায় অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে আরো অন্তত ১০ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। ভিডিও বিবৃতিতে নাজির দাবি করেন, আমাদের দাবি ছিল শান্তিপূর্ণ; আমরা এটিকে অহিংস রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু তা সত্ত্বেও গুলি চালানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবারের সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্য নিহত হন এবং পাঁচজন আহত হন। মানবাধিকার সংস্থা ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’ ওই এলাকায় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের সংবাদকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে। এছাড়া সংস্থাটি এই বিষয়ে তদন্তের আহ্বান জানিয়েています।
সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘এসএলইডি’-র জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক পিয়ার পান্ডিয়া বলেন, পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের এই সহিংসতা ‘সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করবে’। সোমবার মিরপুর, কোটলি ও ভিম্বার জেলায় ভোটের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে; এরপর আগামী ২ ও ১০ আগস্ট আরও দুটি ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার ভোট অনুষ্ঠিত ১৩টি আসনের মধ্যে ৯টিতে জয়লাভ করেছে পাকিস্তানের প্রধান দল পিএমএল-এন। গত মাসে ‘সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী আইনের’ আওতায় স্থানীয় সরকার ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’(জেএএসি)-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এর পরই পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে প্রাণঘাতী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। resultant বিক্ষোভে ব্যাংকিং, সড়ক ও ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হয়।
দেশের কর্মকর্তারা এই দমন-পীড়নের যথার্থতার কথা তুলে ধরতে গিয়ে অভিযোগ করেন, কাশ্মীরি বিক্ষোভকারীদের সাথে ভারত-সমর্থিত সশস্ত্র যোদ্ধারা যোগ দেয়। ভারত অতীতে একই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ‘জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’(জেএএসি)-এর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে বেআইনি হিসেবে উল্লেখ করে। সংস্থাটি দাবি করে, এটি কর্তৃপক্ষের জন্য ‘বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী সহিংসতা চালানোর’ কোনো যুক্তিসংগত কারণ সৃষ্টি করে না।
মানবাধিকার সংস্থাটি দেশের কর্তৃপক্ষের প্রতি যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে পুনর্বহাল করার এবং গণমাধ্যম ও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের ওই এলাকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানায়।
আঞ্চলিক নির্বাচনে জেএএসি এর অন্যতম প্রধান দাবি হলো কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি বিধানসভা আসন বাতিল করা। সংগঠনটির সমর্থকদের মতে, পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক দলের সদস্যরা এসব আসন ব্যবহার করে স্থানীয় পার্লামেন্টের গঠন নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আসে; কারণ এসব আসনের প্রতিনিধিরা মূলত ওই অঞ্চলের বাইরে বসবাস করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক হাসান আসকারি বলেন, আঞ্চলিক সরকার গঠনে পিএমএল-এন-এর সম্ভবত ওই ১২ জন প্রতিনিধির কয়েকজনের সমর্থনের প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু যখন তাদের সরকার ওই ১২টি বিতর্কিত আসনের ওপর নির্ভরশীল থাকে, তখন তারা কীভাবে এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করবে? এমনকি সোমবারের ভোট বর্জন না করা প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও ফলাফলের সন্দেহভাজন বিষয়টি দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন দল একে অপরের বিরুদ্ধে ব্যালট বাক্স চুরি ও ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ